অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ২৪ জন অতিথি অনলাইন

রম্য লেখার প্রচেষ্টা: দাম্পত্য রঙ্গ

“আমার ‘স্ত্রী‘ হারাইয়া গেছে, খুঁজে পাইতেছি না, ভাই আপনার ঘরে ‘স্ত্রী‘ আছে? আমাকে দিবেন? দুইটা ‘ডলা‘ দিয়া ফেরত দিবো।“

দুপুরে খেয়েদেয়ে ভাত ঘুম দিচ্ছিলাম। এমন সময় কোন বেয়াক্কেল ডোর বেল টিপে ঘুমের বারটা বাজিয়ে দিলেন। দরজা খুলে দেখি তিনতলায় চলতি মাসে আসা নতুন ভাড়াটে। আমাকে দেখে ভদ্রলোক উপরের কথা গুলো দ্রুত উগরে দিলেন। প্রচণ্ড বিরক্তি নিয়ে তার দিকে তাকালাম। মনে মনে রেগে গেলাম, বলে কি হারামজাদা!
আমার রাগী চোখ দেখে ভদ্রলোক নিরীহ কন্ঠে বলেন, “ভাই বিকেলে আমার একটা পার্টি আছে। স্যুটটা এক্ষুনি ‘স্ত্রী‘ করতে হবে, কিন্তু এই সময় লন্ড্রি খোলা থাকে না, তাই আপনার কাছে আসছি। দিবেন একটু স্ত্রী‘টা?“
ভদ্রলোকের কথা এতোক্ষণে বোধগম্য হলো, তিনি ইস্তিরিকে ‘স্ত্রী‘ উচ্চারণ করাতেই যতো বিভ্রান্তি।

নিরুদ্দেশ যাত্রা- আহমাদ মোস্তফা কামাল

অনেক অনেক দিন পর ৬ ফর্মা ৮ ফর্মার ফরমায়েশী উপন্যাসের বাইরে আহমাদ মোস্তফা কামালের নিরুদ্দেশ যাত্রা পড়লাম। প্রথম পাঠে মনে হলো উপন্যাসটা অনেক কিছুই হয়ে উঠতে পারতো, হয়তো লেখকের নিস্পৃহতায় কিংবা অনাগ্রহে কিংবা দুর্বল সম্পাদনায় কিংবা ব্যক্তিগত মোহে ঠিক কোথাও গিয়ে দাঁড়ালো না। উপন্যাসের চরিত্রগুলোর ভাবনাবিলাসিতার অবসরে লেখকের উচ্চকিত স্বর, এই অবদমনের কালে প্রত্যেকের কিছু না কিছু বলবার ছিলো, উপন্যাসের পটভূমিতে চরিত্রের বরাতে সেসব বলার স্বাধীনতা ছিলো না, তাই যখন নিজেকে সচেতনে আড়াল রাখা প্রয়োজন ছিলো, ঠিক সে সময়েই লেখক সকল অর্গল খুলে নিজের ভাবনার স্রোতে ভাসাচ্ছেন পাঠককে। সজীব কিংবা রাজীব কিংবা তাদের বন্ধুদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার যেটুকু বর্ণনা এই উপন্যাসে আছে- নেহায়েত অপ্রয়োজনীয়। অসম্পাদিত, পরিকল্পনাহীন রাজনৈতিক স্মৃতিচারণ উপন্যাসে বর্ণনার বাহুল্য এনেছে, তবে যে চরিত্রের প্রয়োজনে এমন পণ্ডশ্রম, এই স্ম

শিক্ষা-২

How do learners in different cultures relate to science and technology? Results and perspectives from the project ROSE (the Relevance of Science Education) নরওয়ের ওসলো বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের গবেষণায় প্রাপ্ত উপাত্তে দেখা যাচ্ছে উগান্ডা, বাংলাদেশের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ভেতরে ভবিষ্যতে বিজ্ঞানী হয়ে ওঠার আগ্রহ বেশী। তারা পরবর্তীতে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি বিষয়ক কোনো বিষয়ে নিজেদের কর্মজীবন শুরু করতে আগ্রহী। অন্য দিকে নরওয়ে, সুইডেন, ইংল্যান্ড, জাপান কিংবা অপেক্ষাকৃত স্বচ্ছল দেশগুলোর শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান বিষয়ে নিজেদের কর্মজীবন শুরু করতে অনাগ্রহী তবে প্রযুক্তিবিদ হিসেবে কর্মজীবন শুরু করার ক্ষেত্রে তাদের আগ্রহ বিজ্ঞান বিষয়ে নিজেদের কর্মজীবন শুরুর তুলনায় বেশী।

শিক্ষা-১

কোনো আলোচনার ভুমিকার প্রয়োজন থাকে না, তবে এই ক্ষেত্রে কিছুটা ভুমিকার প্রয়োজন অনুভব করছি। শিক্ষকতা নিয়ে নিজস্ব খন্ডকালীন অভিজ্ঞতায় বেশ কিছু তরুনের সাথে পরিচয় হয়েছে যারা শিক্ষকতাকে এক ধরণের শিল্পে পরিণত করেছে। তাদের বিষয়-বস্তু উপস্থাপনের ধরনে, তাদের উদাহরণ বেছে নেওয়ার ক্ষমতা এবং শিক্ষার্থীদের প্রভাবিত এবং অনুপ্রাণীত করার ক্ষমতা দেখে আমি মুগ্ধ।

মাইকোফিন

জানেন, একদিন এই সারা পৃথিবী শহর হয়ে উঠবে,
উচু উচু দালানে ভরে উঠবে প্রতি ইঞ্চি মাটি
তবে কেন যেন মনে হয়, একেক বড় বড় দালানে
বাস করবে হয়ত ছোট এক পরিবার, গোটা চার!

জানেন, একদিন এই সারা পৃথিবী প্রযুক্তিময় হয়ে উঠবে,
পৃথিবীর কেন এক ইঞ্চি মাটিও ক্যামেরার বাইরে যাবে না
মানুষের প্রতিক্ষনের হিসাব সন্ধ্যায় সার্ভারে যাবে,
রিপোর্ট দেখে সিদ্ধান্ত, ভাল হলে বাসায় নতুবা রাতেই কারাগার!

জানেন, বিচার ব্যবস্থা হয়ত আর মানুষের কাছে থাকবে না
নানাবিধ যন্ত্রপাতি, রোবট আর কম্পিউটার, এরাই সমাজ দেখবাহাল করবে
আপনি হয় ভাববেন, আনন্দের জন্যই এই পৃথিবী,
আনন্দ করেই যেতে হবে!

জানেন, সলিম রাস্তায় দাঁড়িয়ে হিসু করায় জরিমানা গুনলো পাঁচশত ডলার
মারিযুয়ানার ধোঁয়া বাইরে দেখা দেয়ায় আমানের জরিমানা একহাজার
মহল্লায় নুতন আসা সুফিয়ার দিকে নজর দেয়াতে, দুই হাজার দিলো কালাম

খুনি!

একটু সময় হবে, খানিক এদিকে আসবেন,
আমার অনেক কথা জমে আছে, শুনবেন!
আপনাকে দেখার পর, আমি যে আর পারছি না,
আপনাকে নিয়ে কত কি ভাবছি, জানবেন!

সেদিন লিফটে আপনি আড় চোখে চাইছিলেন
আপনার ভঙ্গিতে ছিল জঙ্গী দৃষ্টি!
আর আমি ভাবছিলাম,
বিধাতার কি অপূর্ব সৃষ্টি!

জানেন, আমার স্ত্রী গত হয়েছেন ক্যান্সারে,
সেই প্রায় দশ বছর গেল!
সন্তানেরা রাশিয়ায় বসবাস গড়েছে,
এদেশে আর ফিরবে না এই তো বলে দিল!

কি নির্মম সময় কাটাচ্ছি, জানেন!
সব থেকেও মনে হয় কি নেই, জানেন!
একটু সময় হবে, খানিক এদিকে আসবেন,
আমার অনেক কথা জমে আছে, শুনবেন!

আচ্ছা, আপনিও কি আমার মত একা
স্বামী হারা, সন্তান হারা!
এই নির্জন ফ্লাটে, কি করে সময় কাটে
আপনিও কি আমার মত বাঁধন হারা!

আসুন না, একদিন, গল্প করি
চা পান করি, চানাচুর খাবেন!
জানেন, আমি খুব ভাল চা বানাতে পারি
নিশ্চিত চা পান শেষে প্রসংশা করবেন!

কিছু কথা কিছু অনুভূতি

অনেকদিন পর এবি তে ফিরে আসলাম। এসে দেখি পাঁচ বছর হয়ে গেছে। কেমন করে পাঁচটি বছর জীবন থেকে হারিয়ে গেল বুঝতেই পারিনি। অথচ এই 5 বছরে কত কিছুই পরিবর্তন হয়ে গেছে, পাঁচ বছর আগে আমার এখানে ফোরজি ছিল না এমনকি থ্রিজি ছিল না টু'জি তে এবি চালাইতাম খুব কষ্ট করে। বেঁচে আছি তাই আবার ফিরে আসলাম জানিনা কত বন্ধু এই 5 বছরে মারা গিয়েছে। আমিও হয়তো একদিন তাদের মতো চলে যাব পৃথিবী ছেড়ে 5 বছর না 10 বছর না 100 বছরেও আর ফিরে আসবো না এ বি তে। সত্যি খুব অবাক লাগে। আজ বড় একা লাগে, আছে সব কিছু তবুও একা লাগে সেই কফি হাউজের আড্ডাটা আজ আর নেই তাই একা মনে হয়। জানিনা আমার মত আর কারো এমন হয় কিনা। জানাবেন বন্ধুরা।

প্রেম

প্রেম,
খুব দৃষ্টিকটু ঠেকছে আজকাল।
কেমন বেমানান ছোট শব্দ,
সমাজে আর সঠিক খাবি খাচ্ছে না!

প্রেম,
আর নিতে পারছি না,
আমার সময় ফুরালো বলেই নয়
অপাত্রে সুধা যেন!

প্রেম,
দূর্বিসহ, অসহ্য স্মৃতি,
দেখিনি কোন মতিগতি
তবে অসময়ে ছিল বাড়াবাড়ি!

প্রেম,
কোন বড় সুফল বয়ে আনে,
তা তো নয়
আবার সুখের মূলে তা নিশ্চয়!

তবুও প্রেম!
যদি আর একবার জেগে উঠত!
আমি দেখে নিতাম,
হে আদি অন্ত!

*১৪/০২/২০১৯ইং

আমার বাংলা ভাষা

বাংলা আমার মায়ের ভাষা
শান্তি-সুখের সকল আশা
জেলে তাঁতী মজুর চাষা
সব মানুষের ভালোবাসা।

বাংলা আমার প্রাণের ভাষা
সব ভাষারই চেয়ে খাসা
বাংলাতেই মোর কাঁদা হাসা
বাংলাতেই হয় লাঙল চষা।

বাংলাতেই কৃষক ফলায় সোনা
বাংলাতেই কৃষানির স্বপ্ন বোনা
বাংলাতেই রাখাল বাজায় বাঁশি
বাংলাতেই জেলের স্বপ্ন রাশি।

বাংলাতেই মোরা লিখন লিখি
বাংলাতেই আগামীর স্বপ্ন আঁকি
দোয়েল কোয়েলের গানের সুরে
বসন্তের আগমন ঘুরে ফিরে।

-গেন্ডারিয়া/ঢাকা
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

একটি সংক্ষিপ্ত কবিতা!

জীবনের জন্য হারিয়ে গেছে অনেক কিছু,
পায় না কূল,হয়ে দিশেহারা ছুটছি পিছু!
মরীচিকা ছাড়া জীবনে নেই তো আর গতি,
তাই তো হয়ে যায় তুচ্ছ অতি!
আবেগ দিয়ে জড়ানো যায় না মায়া,
চারিদিকে যেন দেখি শুধু অবিরাম দুঃখ ছায়া৷
জীবন যুদ্ধ জয়ী হতে যেয়ে পড়েছি বিপদে,
কেউ পাশে নেই,কেউ সাথে নেই হয়ে গেছি একাকী,
স্বপ্ন হলেও জীবন তোমার হতে পারবো কি সাথী!

জীবনের যে সৌন্দর্য দেখার জন্য সৎ-সাহস অপরিহার্য

আমাদের একজনের চলে যাওয়ার খবর পেলাম আজ। কিভাবে তিনি চিরতরে হারিয়ে গেলেন সেটা এ লেখায় বসার পূর্ব পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায় নি। শুধু এটুকুই জানা গেছে তিনি আর নেই। আর কোনোদিন তার হাত দিয়ে নতুন কোনো লেখা বের হবে না। নিভে গেছে একজন মায়ের স্বপ্নের বাতি, যার নাম ছিল অর্পিতা রায়চৌধুরী।

আমার আজকের লেখাটা প্রবাস জীবনের ছোটখাটো টুকিটাকি নিয়ে। চার বছরের বেশি সময় প্রবাসে থেকেও এ পর্যন্ত কোনো ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে পারি নি। যে কারণে আমি খানিকটা ডিপ্রেসড্। এখনও ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে না পারার কারণ উদ্ঘাটনের প্রচেষ্টা থাকবে এই লেখায়। যদিও একটা লেখার ভেতর এমন বড় পরিসরের বিষয়বস্তু পরিস্কারভাবে তুলে ধরা সম্ভব না। তাই চেষ্টাটা থাকবে মূলত কোন কোন ক্ষেত্রে আমি উন্নতি করার চেষ্টা করছি এবং কিভাবে সেটা আমাকে লক্ষ্যের কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারে সেদিকে এই লেখার গতিপথটা ধরে রাখার।

নানা আর নানা'র নাতি

লিখছি। আর ব্যাকস্পেসে মুছে নিচ্ছি। আবার লিখছি। আবার মুছে নিচ্ছি।

আগেই ভাল ছিল হয়ত- কাগজে, কলমে লেখা। একবার লিখে ফেললে মুছে ফেলার উপায় বড় কম, অত কষ্ট করতেও বিরক্ত লাগে। কাটাকুটি ভাল লাগে না দেখতে, আর রবীন্দ্রনাথের কাটাকুটির কারুকার্য তো আর সবার জন্য না। কাজেই কাটাকুটি না করাই শ্রেয় লাগত সে সময়টায়।

২০০২/০৩। কলেজে পড়ি। কী হল হঠাৎ, মনে হল লিখতে হবে। লিখতে হলে জানতে হবে, বুঝতে হবে, প্রকাশভঙ্গি নিয়ে ভাবতে হবে এরপর লিখে প্রকাশ করতে হবে, সেও নিজে বার বার বার বার পড়ে তার পর আরো ঠিকঠাক করতে হবে- অত কিছু বোঝার বোধ হয়নি বোধ হয় তখনো- আমি তখন অনেএএএক বুঝি!

ইভান, উমা আর সৃজিতের জন্য ভালোবাসা..

সেই গ্রীষ্মের সকাল গুলো তেই
পর্দা ঠেলে সরিয়ে
হাওয়া দিলো ভাসিয়ে
হাওয়া দিলো ভাসিয়ে

তখন আমার এ বিছানা ঘুম
ছাড়েনি চোখের কোন
আর হাওয়াতে লাগালো দোল
হাওয়াতে লাগালো দোল

তখন আবার এ মন জাগে
কোন অচেনা সংরাগে
তখন আবার এ মন জাগে
কোন অচেনা সংরাগে
যেন তুলো
সে যে আকাশ পথে দিতে হবে পাড়ি
তুমি আঁচল পেতে রাখো না
আমি আসছি চলে
তুমি চোখ বুজো না, বুজো না
আমি এলাম বলে
এখনো সময় অনেক বাকি.

আমার মনের এ গোপন পথে
আজো সে বাউন্ডুলে
চোখ রেখে কাটা ঘুড়িতে
হঠাৎ যায় হারিয়ে
আমার মনের গভীরতা কে
অনুভূতির আঙ্গুলে
স্পর্শ করে দেখনি
স্পর্শ করে দেখনি

তখন আবার এ মন জাগে
কোন অচেনা সংরাগে
তখন আবার এ মন জাগে
কোন অচেনা সংরাগে
যেন তুলো
সে যে আকাশ পথে দিতে হবে পাড়ি
তুমি আচল পেতে রাখো না
আমি আসছি চলে
তুমি চোখ বুজো না, বুজো না
আমি এলাম বলে
এখনো সময় অনেক বাকি.

ঘুরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা

এই মাসের প্রথম থেকেই একটা অদ্ভত অস্থিরতা কাজ করছিল। অস্থিরতাটা ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে গত সপ্তাহ থেকে। জীবনে কখনও এমন অবস্থা অনুভব করিনি, সময় অনুযায়ী যত ধরনের ডিজাস্টার পার করেছি, প্রতিটাকেই মনে হয়েছে এই বোধহয় জীবনের শেষ। ছোট বেলা থেকেই আমার মধ্যে একটা প্রবনতা ছিল, কোন কিছু না পারলে আস্তে করে কেটে পড়া। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাই করেছি। খেলাতে না পারলে আস্তে করে সরে এসেছি, কারও সাথে ঝগড়া তে পেরে না উঠলে জাস্ট গিভ আপ বলে কেটে পড়েছি। পরীক্ষায় ফেল করেছি বলে পড়াশুনা ছেড়ে দিয়েছি। খুব ভালো করে পড়ব বলে আবার শুরু করেছি, কয়েকদিন পর আবার যেই লাউ সেই কদু টাইপ জীবনে ফিরে গিয়ে, বারবার ষোল টাকা দরের চালের মত নিজের জীবনটা কাটিয়ে দিয়েছি। মোদ্দা কথা সবাই যেটাকে ছোট্ট করে বলে ‘ল্যাক অফ ডিটারমিনেশন’। দেখছেন টার্মটা আমি জানি, এই যে এখন যে হেডলাইনটি লিখেছি, কিন্তু ভেতরে লিখতে বসে শব্দ অন্য দিকে নিয়ে গেছে নিজেকে। স

আমার ঘুম তো আসে না

আমার ঘুম তো আসে না দিনে রাতে স্বজনী গো
ব্যস্ত আছি পদ্মা ব্রীজের কাজে।
স্বজনী গো
একদিন দুইদিন করে বিরহ গেল জীবন জুড়ে
মিলনেরই সাধ নাহি মিটে।
আমার বিরহের অবসান হবে গো
বিরহের অবসান হবে
পদ্মা ব্রীজের সাঝে।

মাওয়া জাজিরার মাঝে ঘটক পাঠাই সকাল সাঝে
কত ঘটক আসিল আর গেল
শেখ হাসিনা এসে তাতে হাল ধরিল শক্ত হাতে
পদ্মা ব্রিজে তো করিয়াই ছাড়িবে।
আজি সব বিরহের অবসান হল গো
সব বিরহের অবসান হল
এই পদ্মা ব্রীজের মাঝে।৷l
আবুল হোসেন
তাং ২২/৯/২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ
মধ্য পদ্মায়  MBEC বার্জ থাকে  (20 নং পিলার)

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ