অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ৬৮ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

বাংলাদেশ ডায়েরি ০১

আকাশখামচে ধরা স্থাপনাগুলোর ভেতর দিয়ে বাঁক নিয়ে যতবার বিমান ঢাকা এয়ারপোর্টে অবতরন করে, সম্পূর্ণ সময়টাতেই আতংকে সিঁটকে থাকি। তীরে এসে তরী ডোবার মতো এয়ারপোর্টে আছড়ে বেমক্কা মরে যাওয়ার সম্ভাবনা যাচাই করি। সাজানো গোছানো কোনো এয়ারপোর্ট থেকে বাংলাদেশের এয়ারপোর্টে নামলে নানাবিধ অসংগতি দেখে বিব্রত লাগে।

আমার সিসিমপুর (৭)

বহুদিন ব্লগে আসি না। যদিও এখন অনেক সময় আমার হাতে, কমবেশি সারাদিনই অনলাইন থাকি, তবু আসি না। আলসেমি করে যে আসি না তাও না। কেন যেন ধৈর্য্যে কুলায় না বড় কিছু লেখা পড়ি, কিছু দেখি বা লিখি।
নিজের সিসিমপুর নিয়ে লেখা গুলা প্রায়ই খুব মিস করি। কত কিছু হয়ে যাচ্ছে প্রতিদিন। কিছুই লিখে রাখছি না। কয়দিন পরই ভুলে যাচ্ছি। নিজেই যখন সবটুকু মনে করতে পারি না কি হয়েছিল তখন আবার ভাবি লিখে রাখলে তো আর ভুলতে হত না। মাঝে মাঝে হয়ত একটা ছবি তুলে ফেসবুকে এক লাইনের একটা ক্যাপশন দিয়ে আপলোড করে রাখি। কিন্তু আজকে যা হল সেইটা শুধু এক লাইনের ক্যাপশনে লেখা যাবে না। তাই বসেই গেলাম লিখে রাখতে যেন কোনোদিন ভুলে না যাই।
১।

শুধু ছেঁড়া পাতা হয়ে জীবনের খাতা হতে আস্তাকুড়ের রাস্তাটুকু খুঁজে নিতে খারাপ লাগে

ইও, ওয়াট্সাপ?

জানো, আমার পাষাণ হৃদয়টা না কখনও শরীরের অন্য কোনো অঙ্গের কথা ভাবে না। কখনও ভাবে না যখন সে কষ্ট পায়, তখন তার চেয়েও বেশি কষ্ট হয় অন্যদের। সে জাস্ট কষ্টের খনি খুড়ে বেড়ায় সর্বত্র। একবার খুঁজে পেলে খুশিতে লাফাতে থাকে। সামান্য নিকট ভবিষ্যতে কি অপেক্ষা করছে সেটা জানার জন্য অপেক্ষাও করে না। ঝাপ দেয়ার প্রথম সুযোগটাতেই ঝপাত। একদম পপাত! তারপর দুই কি এক সপ্তাহ বাদে বুঝতে পারা যে, কতোটা ভুল ছিল সিদ্ধান্তটা!

বেচারা তারপর ফিরে যায় ১২ দশমিক চার বর্গমিটারের কুঠুরিটায়। ঠায় তাকিয়ে থাকে ডার্থ ভেডারের সাদা-কালো পোস্টারটার দিকে। রুমের ডেথ স্টারটা তাই দেখে গম্ভীর হয়ে যায়। চারশত বছরের পুরোনো পৃথিবীর ম্যাপটার জায়গায় জায়গায় নীল ছোপ জমা হয়। কম্বলের ওয়ারে আঁকা স্টর্মট্রুপারদের মুখও মলিন দেখায় ক'টা দিন।

মৌনতার কাছাকাছি

বেশী কথা কইবার ক্রান্তিকাল বিদায় হয়েছে নিঃশ্বব্দে এখন
মৌনতার কাছ থেকে চেয়ে নেবার আছে যা কিছু পাওয়া হয় নাই
পাওয়া যায় নাই বেশী বেশী কথা কয়ে এ আমলের দিনমজুর আমি
তাই আর অযথা কথার জালে জড়াতে চাই না কোথাও বরং
চুপচাপ হেটে পথ পেরিয়ে বিছানার কাছে চলে আসা প্রয়োজন দিনটা শেষ করে
ক্লান্তিহীন কথা বলার দিন এভাবেই ফুরিয়ে গেছে কোনো এক পড়ন্ত সূর্জের আলোয়

সুখ আসুক সুখের মতোন

সুখ আসুক সুখের মতোন
আমি খুঁজতে যেতে পারবো না
বহুদিন খুঁজে বেড়িয়ে পা দুটো ক্লান্ত হয়েছে যথেষ্ট আজ
আর তাই ঝুপঝুপে অন্ধকার রাতে কাদাজলে পা রাখতে পারবো না
টুপটাপ বৃষ্টি হতে থাকুক কিংবা মেঘ ডাকুক ঝড় উঠুক কিছুতেই আমি যাব না
সুখ খুঁজতে এই প্রকান্ড অলস দেহ নিয়ে তারচে জানালাটার বাইরে
নিথর দেবদারু গাছের দাঁড়িয়ে থাকা বেশ উপভোগ্য হয়ে ওঠে আমার কাছে আজ আমিও
গাছটার মত দাঁড়িয়ে কিংবা অলস বিছানায় শুয়ে শুয়ে এভাবে অসুখের দিন পার করতে বেশ লাগার কথা

লিরিকঃ কতোটা স্মৃতির পাতায় শেষ হবে অতীতের খাতা

l
-
-
-

রাত্রির অন্ধকারে শূন্যতা গুণে
বুকের ভেতর নিঃসঙ্গতা বুনে
কে কার অপেক্ষায় মেঘ জমায়
চোখ জুড়ে একাকীত্ব নামায়?

ভীষণ আত্মভোলা পথের বাঁকে
ছায়ার আড়ালে রোদ ঢেকে
চুপ করে সয়ে অবহেলা
কে বানালো হাওয়ার জানালা?

বিনম্র র্নিজনতায় উদ্বাস্তু মৃতফুল
ঝরে গেলে বলো কবেকার ভুল
জোনাকীর পিছু হারালে পথ হঠাৎ
কে তবে পাড়ি দিলো তেপান্তর মাঠ?

কেউ কি জানে কতোটা স্মৃতির পাতা
ওল্টালে শেষ হবে অতীতের খাতা?

অভাজনের বইমেলা!

আগে একটা সময় আমি বইমেলা নিয়ে কত কিছু লিখেছি, দু হাতে যা পড়েছি তার রিভিউ লিখতাম। প্রায় বেশীর ভাগ দিন বইমেলা যেতাম, তাই করার মতো গল্প কম ছিল না। এখন সোলসের গানের মতোই-- হঠাৎ শুন্যতা। মেলাতে যাওয়াও হয়েছে অল্প কদিন। তেমন ভাবে দেখাই হয় নি কিছু। না আসলে মেলায় মনে হয় শহরে বইমেলা চলে তাও আসছি না, আর যেদিন যাই সেদিন মনে হয় কেন যে আসি ছাতার মেলায়। আমাদের এই আজব কমপ্লেক্স কাটে না, মেলা শেষ হয়ে যায়- দিন চলে যায়। আগের মত বই কেনা হয় না। আগে আমি চ্যারিটিতে বিশ্বাস করতাম, খালি লেখক পরিচিত বা চেনাজানা মানুষ হয়তো তার অন্য কাজ ভালো লাগে এইজন্য কত বই আমি কিনেছি। এখন আর সেসব দিন নাই, এখন পারতপক্ষে না কেনার জন্য থাকি। এছাড়া সারা বছরেই বই কেনা হয়, ফ্রেন্ডের কাছ থেকে আনা হয়, এভাবেই অনেক বই পড়া হয়ে যায়। তবে বইমেলা তো বইমেলাই তার সাথে তুলনা চলে না কিছুর। না কিনলেও কেনা হয়ে যায় কিছু বই। তার চেয়ে ভালো লাগে অবশ্য অনেক

একটি অ্যাপল কিংবা আপেলের গল্প অথবা “আমার কাজের মাঝে-মাঝে/ কান্না ধারার দোলা তুমি থামতে দিলে না যে”

[দীর্ঘদিন পরে লেখা। তাই নিজের ঘরে জমিয়ে রাখা।]

আহমাদ মোস্তফা কামালের তাঁহাদের সঙ্গে কথোপকথন-পাঠ প্রতিক্রিয়া।

হাতে এখন, রাজু আলাউদ্দীনের নেয়া এক ইন্টারভিউ গ্রন্থ। তা নেড়েচেড়ে দেখছিলাম। মোটা বই। তবে শুধু আজাদ- ছফার ইন্টারভিউ আর উনাদের ঝগড়া টুকুই পড়লাম, পুরোই দেখি লংকাকান্ড, তুমুল পারসোনাল এট্যাক, তীব্র সব প্রতিক্রিয়া। এই নিয়ে শুনেছিলাম আগেই তবে এত বাজে অবস্থা ছিল তা জানা ছিল না। সেই তুলনায় আহমাদ মোস্তফা কামালের ২০১৭ তে রোদেলা থেকে বের হওয়া বইটা অনেক বেশী গভীর ও প্রাসঙ্গিক আলোচনায় ভরা। একমাত্র মান্নান সৈয়দের ইন্টারভিউটা হয়তো একটু উসকে দিবে, এছাড়া সব গুলোই ব্যাক্তিকে বোঝার চেষ্টা, তাঁর সৃজন ভাবনা জগত কিভাবে চালিত হয় সে দিকেই থেকে গেছে। এই পোষ্টটা লিখছি চাইলে আমাকে কনগ্রাচুলেট করতে পারেন। কারন এটা ৩৫০ তম পোষ্ট। কোনোদিন ভাবি নাই ৩৫০ টা পোষ্ট দিবো। তাও তো মধ্যে অনেকদিন লিখি না, লিখলে মনে হয় ৫০০ ছাড়াতো। মিশ্র অনুভুতি হয়। ভালো লাগে এইজন্য নিজের অনেক কথা জানাতে পারা গেল, খারাপ লাগে লেখাগুলোতে যত্নের বড় অভা

শোভন আন্দোলন

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিক বিক্ষোভ প্রধানতঃ রাষ্ট্রের নিয়ম-নীতির প্রতি নাগরিকের অসন্তোষ। নাগরিক প্রার্থী বাছাই করে ভোটের মাধ্যমে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করেন এবং প্রত্যাশা করেন তার অভিযোগ এবং অসন্তোষ জনপ্রতিনিধি রাষ্ট্রের কাছে উপস্থাপন করবেন।
ষাটের দশকে যুক্তরাষ্ট্রের বর্ণবাদবিরোধী নাগরিক আন্দোলনের নেতারা আন্দোলনের কৌশল হিসেবে নিজেদের দাবী স্পষ্ট করে চিঠিতে লিখে প্রতিটি জনপ্রতিনিধির কাছে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছিলেন। চিঠির কোনো প্রতিক্রিয়া না দিলে কিংবা চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার পত্র না দিলে জনপ্রতিনিধির কার্যালয়ের সামনে অবস্থান গ্রহন করো, বিক্ষোভ মিছিল, শান্তিপূর্ণ অবস্থান, শ্লোগান, অনশনের পর্যায় পার হওয়ার পরও যদি প্রশাসন কর্ণপাত না করে, চুড়ান্ত পদক্ষেপ হিসেবে সহিংস বিক্ষোভ।

সৈয়দ মুর্তজা আলী

রম্যসাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলীর ভাই সৈয়দ মুর্তজা আলী ইতিহাসবিদ ছিলেন। তিনি MUSLIM EDUCATION IN BENGAL 1837-1937শীর্ষক পর্যালোচনায় ব্রিটিশ শাসিত উপমহাদেশে বিশেষত শিক্ষিত মুসলমানদের সংখ্যাসল্পতার বিভিন্ন কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করেছেন। কারণগুলোকে ভৌগলিক, ভাষিক এবং আদর্শিক কাঠামোতে ভাগ করা যায় সহজেই। কোম্পানী ক্ষমতাকাঠামো কোলকাতাকেন্দ্রীক হওয়ায় সেখানে প্রথমে স্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে- কোলকাতা নগরের পার্শ্ববর্তী হুগলী এলাকার কিছু ধনী মুসলিম পরিবারের সন্তান ব্যতীত বৃহত্তর বঙ্গ ও আসামের সংখ্যাগুরু মুসলমানদের ইংরেজী শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ ছিলো না।

কোটাওয়ারী রাজনীতির প্রাসঙ্গিকতা

পুরানা পল্টনের ফুটপাতের পুরোনো বইয়ের দোকানে ৭০০ পাতার কায়দে আজম জিন্নাহর জীবন ও রাজনীতি শিরোণামের বই খুঁজে পেয়েছিলাম একবার। ১৯৬৯ কিংবা ১৯৭০ এ বাঙালী জাতীয়তাবাদের উত্তুঙ্গ পরিস্থিতিতেও এমন বিশাল বই প্রকাশের সাহস প্রকাশকেরা করেছিলেন- পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে- বিশেষত সামরিক শাসন কবলিত প্রশাসনের সাথে তিক্ততার ভেতরেও মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি এক ধরণের অনুরাগ বাংলাদেশের শিক্ষিত সমাজে ছিলো।

শিক্ষার মাণ

প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর নতুন বই দেওয়া হচ্ছে। সারা দেশের প্রায় এক কোটি শিক্ষার্থীর জন্যে অন্তত ৫ কোটি বই মুদ্রন এবং বিতরণের দায়িত্ব পালন করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড । তারা বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। এসব পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষণসহায়িকাগুলো তাদের ওয়েবসাইট থেকেও নামানো যায়।

প্রতিটি পাঠ্যবইয়ের সম্পাদনা পরিষদে অন্তত ৪ জন শিক্ষকের নাম লিপিবদ্ধ আছে। বইয়ের শুরুতে শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানের ক্ষুদ্র বক্তব্য এবং বইয়ের শেষের পাতায় কোনো এক অজানা কারণে এ বছর প্রধানমন্ত্রীর ছবি সংযোজিত হয়েছে।

বন্ধুদের সাথে আড্ডা

স্কুল জীবনটা থাকে সোনায় মোড়ানো। পেরিয়ে যাওয়ার সময় সেটা বোঝা যায়না। পেরিয়ে যাওয়ারও অনেক বছর পর পেছনে ফিরে তাকালে বোঝা যায়। যাহোক এতোকথার অর্থ হলো আমি সবথেকে বেশী মিস করি আমার স্কুলজীবনকে। অনেক বিখ্যাত ব্যক্তির মতো ছিলোনা, তবু আমার স্কুলজীবন ছিলো আমার মতো করে অদ্ভুত মায়া আর আকর্ষণে ভরা। দুপুর ১২টা বাজলেই আমি স্কুলে যাওয়ার জন্য অস্থির হতাম। জানি ক্লাসে পড়া বলতে গেলে হয়তো পারবোনা, প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে যাওয়া যাবেনা, তবু যেতামই। গিয়ে দেখতাম অল্প কয়েকজন বাদে কেউ আসেনি, তখন মন খারাপ হতো। কেন এলোনা? এলে কতো সুন্দর আড্ডা দেয়া যেত, কত কথা বলা যেত!

বুধবার!

পরিচিত কেউ কেউ প্রশ্ন করে, দিনলিপি লেখা ছেড়ে দিলাম কেন? আমার দিনলিপির ব্লগ নাকি ভালো লাগতো। আমি অবাক হই। কখনো কমেন্ট করতে দেখি না এরকম লোকজন কেন আমার দিনলিপি ব্লগের কথা বলবে। আমি তো লিখতামই কতিপয় বন্ধু বান্ধবের জন্য। এইটাই হয়তো ব্লগের মজা। সেই কবে কার লেখা কেউ যদি আজ নতুন পড়ে ভালো লাগে, ফেসবুকে খুঁজে ইনবক্স করে তখন অবাক লাগে। যেমন আজ এক মেসেজ পেলাম সন্ধ্যায়, অদ্ভুত। এক ছেলে জানাচ্ছে আমার ২০১৩ সালের এক লেখা তার খুব ভালো লেগেছে। কিন্তু তার প্রশ্ন হলো, আমার দিনলিপির বিশ্বাসযোগ্যতা কতটুকু নাকি বানিয়ে লিখি? প্রথম কথা হলো, এটা কোনো প্রশ্নের মধ্যে পরে?

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ