অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ৫০ জন অতিথি অনলাইন

অসমাপ্ত বাস্তবতা... ১০

১.
'যদি আকাশের গায়ে কান না পাতি তোমার কথা শুনতে পাবো না'। এটা একটা গানের লাইন। ইদানীং খুব শুনছি গানটা। যদিও লুপে আটকা পড়াটা ঠেকিয়ে রেখেছি ইচ্ছে করে। আমি জানি, আমি খুব সহজে লুপে আটকা পড়ে যেতে পারি। ভালবেসে ফেলতে পারি চোখের পলকে। মন দিয়ে নিজেকে খুন করে ফেলতে মুহূর্ত কাল সময় লাগে না। সুযোগটা নেয় নি এমন মানুষের সংখ্যা খুবই নগণ্য। তাই আজকাল নিজেকে বন্ধ করে রাখি সন্তপর্নে।

জন্মদিনের শুভেচ্ছা অভি!

সময়টা যে খুব ভালো তা বলা যাবে না। আমার অবস্থা খুব একটা খারাপ না হলেও দেশের অবস্থা তেরোটা। আগে যেসব দুর্যোগ- দুর্বিপাক ছিল, এখন তা আরো বেড়েছে। রাস্তায় জ্যাম মাত্রা ছাড়িয়ে অনন্তকালের দিকে যাচ্ছে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবতা দেখাতে গিয়ে আমরাই কোনো জালে আটকে পড়ে যাচ্ছি কিনা, সে খবর আর কে রাখে। বন্যা হলো, পাহাড় ধ্বসে কত গুলো প্রাণ চলে গেল তখন আমাদের লুকিয়ে থাকা মানবতা অন্য অনেক সময়ের মত লুকিয়ে ছিল। কিন্তু এখন ফেসবুক খুললেই দেখি মানবতার জয়গান। আমি অবশ্য তাতে অসন্তুষ্ট না। আমি চাই এই মানবতা ব্রাদার হুড অন্য সময়তেও খাড়া থাকুক। আবার আরেক পক্ষ আরো সরেস। তারা একাত্তরকে ছাড়িয়ে যাবার ও মেলানোর ধান্দায় বিজি। একাত্তরকে যারা ছোট করতে চায়, তাদের দিয়ে আর যাই হোক মানবতা আশা করা ঠিক না।

এপিটাফ অফ লাভার'স ফ্রেইগ্র্যান্স

তোমার ঘ্রাণের জন্য আমার স্মৃতিরা বিষাক্ত নীল হয়ে এলে
আমি ক্যাফেটেরিয়ার ভাঙা সিঁড়ি ধরে একদম উপরে উঠে যাই।
দেখি প্রিয় মানুষেরা ডুবে যাচ্ছে ট্রাফিকে,
দেখি সিগন্যালের মতো পালটে যাচ্ছে প্রেমিকার মন।

দেখি এই দালানের ইটেরা কতো চুমু দেখছে অনিচ্ছাতে
তবু সয়ে গেছে,
এই খসে যাওয়া পলেস্তরা-রেলিংও টিকে আছে অনেক দিন;
এইখানে।
শুধু আমরা টিকিনি।

এই জঞ্জাল
এই কবি বেশ্যা খেলা
এই শব্দ বুনন
তোমার শহরের ধুলো চোখে লেগে গেলে,
আমি ছুটে আসি এই ক্যাফেটেরিয়ার ছাদে।

আমি আবার দেখেছি ওরা ছুটছে গোলাপ নিয়ে
গুনেছি প্রতিটা হুইসেল
দেখেছি ব্যস্ত মানুষ আর বেকার,
এসব বিকেলের আগে আগে দেখেছি
তোমার শহরের রোদেরা 'রোববার' ছুটি কাটিয়ে বাড়ি ফিরছে
শুধু আমরা ফিরিনা আর, আমাদের কাছে।

সুখ অসুখের মনোলগ

b2ap3_thumbnail_4_20131107-132259_1.jpg

আমার শহরে বৃষ্টি এলে সীমাহীন শূন্যতা আমারও হয়।
আমারও মনে হয় 'এসবের কোন দরকার ছিলো না'।

ক্যাম্পাসের ক্যাকোফোনিতে আমার বিষাক্ত লাগে,
বিষাদ মনে হয়,
অথবা আমি ঈর্ষান্বিত হই ওরা সব্বাই সুখী বলে।
আমি বুঝি, নিজের ভেতর এতো শূন্যতা অনুভব করিনি আগে।
এসব স্থিরতা, জ্যামে আটকে থাকা মানুষ আমাকে মোটেও ভাবায় না।
আমি তখনও ভেবেছি 'ওসব না করলেও পারতে'।

এরপর একা ঘরে, রাত নেমে এলে
দারোয়ানের হুইসেল ক্লান্ত হয়ে গেলে
মানুষেরা ওপাশে ফিরে শুচ্ছে যখন
তখনও আমি ভাবি 'মানুষ চেনা দায়'।

বাবা তোমায় মনে পড়ে

ঊনিশশ’ সাতাত্তর সাল
বাবার হলো এ কী হাল
ধরেছে ঘাতক রোগ
যন্ত্রণায় কাতর বুক।

দেহে বইছে পদ্মার ঢেউ
থামাতে পারছে না কেউ
দাও একবার শুইছে
বালিশে খানিকটা নুইয়ে।

এবার ধরে একটু তোলো
বাবার এ কী হাল হলো
যাও ঈদের নামাজ পড়ো
এসে পশু জবাই করো।

বাবাকে এই হালে রেখে
জামায় একটু সুগন্ধি মেখে
নামাজে হলো যাওয়া
হলো না ফিরনি খাওয়া।

ছয় তাকবিরে দুই রাকাত
ওয়াজিব হলো সারা
এসে দেখি বাবাকে এবার
যমদূত করছে তাড়া।

জিলহজ মাসের দশ তারিখ
রোববার সকাল বেলা
বাবা আমার নিলেন বিদায়
সাঙ্গ জীবনের খেলা।

-আগস্ট ২৬, ২০১৭ খ্রি.
গেন্ডারিয়া, ঢাকা

পুনশ্চ: (মরহুম বাবার ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে। যিনি ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দে, ২২ নভেম্বর, পবিত্র ঈদুল আজহার দিন সকাল বেলা পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে মহাসত্যের কাছে আত্মসমর্পণ করেন)।

বিষাদনদী

হুমায়ূন আহমেদের নদীর নাম ছিল ময়ূরাক্ষী। আমার নদীর কোনও নাই নেই, আমার নদীর জেনেরিক নেইম- বিষাদনদী। ছোট শান্ত নদী। যেখানে নেই উত্তাল ঢেউ, কিংবা ব্যারেজ- বাধ- সেতু। খালি আছে স্বচ্ছ বিষাদের জলধারা। এ কুল ও কুল সব খানেই ছড়িয়ে আছে সব ঝলমলে বিষাদ। মুক্তি পাওয়া যাবে, নদীকে তিলে তিলে শেষ করে। কিন্তু ইচ্ছে করে না। টিকে থাক বিষাদ নদী, টিকে থাকুক বিষাদ গ্রস্থতায়। একদিন সময় হলে বিষাদের সমুদ্রর দেখা পাবে এই নদী। ততদিন পর্যন্ত নদীকে বাঁচিয়ে রাখবো, নদী বাঁচিয়ে রাখবে বিষাদগুলোকে।

তারেক মাসুদের গানে শ্রেণি, রাজনীতি ও জেন্ডার চেতনা: একটি সূচনামূলক আলাপ

Tareque_Masud.JPG
এক.

কাপুরুষ

দেখো, একদিন আমি লিখে ফেলবোই সেই অমর কবিতা!
কি করে তোমার বেড়াজ্বালে বন্ধি হয়ে আমি আমার জীবনের সব উচ্ছ্বাস হারিয়েছি!
কি করে আমি লেখক কিংবা সাধারন জীবনের ইতি টেনেছি!
কি করে আমি জীবনের সরল পথ হারিয়ে অন্ধকারে প্রবেশ করেছি!

দেখো, একদিন আমি বলেই ফেলবো!
তোমাকে ভাল রাখতে গিয়ে, কি করে আমি আমাকে গুটিয়ে নিয়েছি!
কি করে আমি নিজকে আমার সমাজের বাইরে টেনে ফেলেছি!
কি করে আমি ভুলে গিয়েছি আমার অতীত কিংবা শিশুকাল!

দেখো, আমি একদিন চিৎকার করে বলবোই!
কেন আমি আর মধ্য রাতের চাঁদের আলোয় আলোকিত হতে পারি না!
কেন শেষ রাতের শিয়াল গুলো জ্বলজ্বল চোখে আমাকে অবজ্ঞা করে যায়!
কেন আমার প্রিয় নীল আকাশ দূরে আরো!

দেখো, আমি একদিন জেগে উঠবোই!
বলবো কেন অর্থের প্রয়োজনে আমি এতটা বিভোর হয়েছি!
যদিও তোমাকে দেখলে আত্বহত্যার স্বাদ জেগে উঠে!
কিংবা কি করে আমি আমার যৌবন হারিয়েছি!

ভিনদেশী থ্রিলার

সিনেমা জনরের মধ্যে সম্ভবত থ্রিলারের দর্শক সবচেয়ে বেশি। অবসর কাটাতে একটি জম্পেস থ্রিলার থাকলে আর কি লাগে। এই থ্রিলারগুলোর অবশ্য একটা আলাদা বিশেষত্ব আছে, সবগুলো ভিনদেশী থ্রিলার। অবশ্যই আমার দেখার মধ্য থেকে বাছাই করা।

১. টেল নো ওয়ান: ফ্রেঞ্চ মুভি। আলেক্সান্দ্রে বেক একজন ডাক্তার। ৮ বছর আগে স্ত্রী নিহত হয়েছিল। স্ত্রীর বাবা এ জন্য তাকেই সন্দেহ করে। আট বছর পরে জোড়া খুনের সন্দেহ পড়ে আলেসান্দ্রের ওপরে। ঠিক একই দিনে একটি অদ্ভুত মেইল পায় আলেক্স।

215px-tell_no_one_2006.jpg

আদুরে বাবুর রিডিং অ্যাপস, শিশুদের জন্য ডিজিটাল শিক্ষাউপকরণ ও তার সম্ভাব্য অভিঘাত বিষয়ে একটি সতর্ক প্রতিক্রিয়া

Adure babu-2.jpg

বউয়ের প্রয়োজন কখন বেশী, যৌবনে না বৃদ্ধ বয়সে

সাত/আট বছর আগের কথা। বাংলা নব বর্ষের প্রথম সন্ধা। বারান্দায় বসে আছি। অনেক ছেলেরা সামনের রাস্তা ও মাঠে পটকা ফুটাচ্ছে। হরেক রকম পটকা। এক একটা পটকা ফুটে আর সবাই সমস্বরে চিৎকার করে উঠে। চিৎকার তো নয় যেন কার গলার আওয়াজ কত বড় তার প্রতিযোগিতা চলছে। কখনো কখনো আবার একসাথে অনেক গুলো পটকা ফুটা এবং সম্মিলিত চিৎকারে যে উচ্চ শব্দ হচ্ছে এই শব্দ শক্তি যদি মেকানিক্যাল শক্তিতে রুপান্তরিত হত তবে আশপাশের আধাপাকা বাড়িঘর গুলোর চেহেরা অবিকৃত থাকত কিনা বলা যাচ্ছে না।
আমার ছেলে এবং যাদের চিনি তাদের কয়েকবার বল্লাম,অনেক হয়েছে এবার বন্ধ কর।
যাদের বললাম তারা ভয়ে হউক বা সন্মান করেই হউক,স্থান পরিবর্তন করল বটে তবে খেলায় ক্ষান্ত দিল না।

হ য ব র ল

মানুষের শরীর। কখন যে কি হয় বলা মুশকিল। কদিন আগে সকালে প্রজেক্টে গেলাম ভালই। দশটার দিকে কেন যেন ভাল লাগছিল না। কিন্তু সাড়ে দশটার দিকে পারচেজার ফোন দিল স্যার বিদ্যুৎ এর মেইন লাইনের কেবল টা কিনতে যাব, আপনার সময় হবে কি?
একে তো শরীর ভাল লাগছে না,তার উপর সকাল থেকে সার্টেল স্টাইলে বৃষ্টি হচ্ছে। যখন হচ্ছে অনেকটা সাপে নেউলের যুদ্ধের মত। এই বৃষ্টির জন্য প্রজেক্টের কাজ প্রায় বন্ধ।তবু কেন যেন বৃষ্টিটা আমি এবার ভীষন উপভোগ করছি।
আমার মনে হয় স্থান কাল পাত্রভেদে মানুষের অনুভুতিও ভিন হয়।এই যে বৃষ্টিটা এত ভাল লাগছে তার কারন আমার বর্তমান অবস্থান। চট্টগ্রাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভুমি।এই শহরকে যত দেখছি সৃষ্টি কর্তার অপরূপ সৃষ্টি কৌশলে মুগ্ধ হয়ে প্রতি ক্ষণে সিজদা করছি।

চিয়ার্স ফর তাতাপু!

গত দুদিন আমার মন খুব ভালো। কারন ব্যক্তিগত। জানতে চাহিয়া লজ্জা দিবেন না। কিছু খবর আবার আশাপ্রদ না। তাও বলতে চাচ্ছি না। তবে দুদিন ধরে মন ভালো। এর বাইরেও ছয় বছর পর এক বন্ধুর সাথে আলাপ করে ভালো লাগছে। অনেক কথাই ছিল বলার, আগের মত সব বলতে ইচ্ছে করে না। কিছুই ইচ্ছে করে না। কিছু ব্লগ লেখার প্ল্যান ছিল তাও লেখা হলো না সময়ের আর ইচ্ছার অভাবে। তবে লিখবো। ব্লগে কেউ আসুক না আসুক, ব্লগেই লিখতে আমার শান্তি। আর বছর ঘুরে আজকেও আসলো দিন। আজ তানবীরা আপুর জন্মদিন। তানবীরা আপুকে নিয়ে লিখতে আমার ভালো লাগে। নতুন করে লেখার নেই কিছু, সেই পুরাতন কথা গুলো আবার বলা। কোথায় পড়েছিলাম, দুনিয়ার সব গল্প বলা হয়েছে, খালি প্রেজেন্টেশন আর রিকনস্ট্রাকশনের খেলা। আমার কথা গুলো সেরকমই। ঘুরে ফিরে বলে যাওয়া বারবার।

পাহাড়ে উঠার সাধ

কবে কেন যে পাহাড়ে উঠার সাধ হয়েছিল
মনে করতে পারছি না।
পাহাড় সে তো বইয়ে পড়েছি
বাস্তবে কখনো দেখিনি।
আমাদের যেখানে বাস, তাতে
আমার সাধ্যের পরিসীমায় কোথাও
পাহাড় নেই।
তাই
চাইলেই তো আর পাহাড়ে উঠা যায় না।
মনের আকুলতা, ব্যকুলতা
নদী বা সাগরের ঢেউ হয়ে
মনের তীরে আছড়ে পড়ে,
সেজন্যই কিনা জানিনা
প্রায়ই স্বপ্নে পাহাড়ে উঠতে থাকি।
কিন্তু খাড়া পাহাড়ে উঠা সেকি
আমার সাধ্যি।
প্রায়শই প্রারম্ভেই ইতি টানতে হয়।
কিন্তু মনে যাকে সাধন করার
বাসনা জেগেছে
সহসাই হাল ছাড়া কি ঠিক।
আমিও হাল ছাড়িনি।।
পুরষ্কার হিসেবে একদিন
পাহাড় চুড়ায় উঠেই গেলাম।
মনের আবেগ মাপার যন্ত্র
সে কি কেউ আবিস্কার করেছে,
জানিনা,
তবে কারও না কারও আবিস্কার করা উচিত ছিল।
আমার মনের এখন যে অবস্থা
তা প্রায় নিয়ন্ত্রনের বাইরে।
ক্ষনিকে হৃদ যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ
বা অন্য কিছু ঘটে যেতে পারে,
যা আমি জানিনা।

ইদানিং জীবনযাপন

শামসুর রাহমান প্রসঙ্গে হুমায়ুন আজাদের বক্তব্য মনে পরে-
ঘরোয়া আড্ডায় তিনি কিভাবে কথা বলতেন জানা নেই কিন্তু তার প্রথানুরক্ত প্রথাবিরোধিতা নিয়ে, বাংলা সাহিত্যে নিজস্ব অবস্থান প্রসঙ্গে তার উচ্চমন্যভ্রান্তি সমেত তিনি তার কষ্টচর্চিত শুদ্ধউচ্চারণশুঁচিবাই নিয়ে জনসমক্ষে উপস্থিত হতেন। তার ব্যক্তিগত এবং সামাজিক জীবনের পার্থক্য সম্পর্কে তিনি সচেতন ছিলেন এবং সামাজিক পরিবেশে নিজের বুদ্ধিজীবী মুখোশ এঁটে গম্ভীর মুখে উপস্থিত হতেন।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ