অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য অনলাইন

অনলাইন সদস্য

কি হবে ভেবে ভেবে

আবুল হোসেন
হাসনাবাদ
৪/১/২০২১
ব্যর্থ জীবন কি হবে ভেবে ভেবে
জীবন তো চলেই গেছে আর কতদিনই রব এ ভবে।।
যমুনায় দেখ শূন্য তরী দুলে যেমন
বাবুই পাখির বাসা শূন্যে দোলে কেমন
জীবন নদীর দু'ধারে তেমন শূন্য শূন্যই রবে।
কি হবে ভেবে ভেবে।
যোগ বিয়োগের অংক কষি মিলাতে হিসাব অহর্নিশি।
এখানে গড়ে তো ওখানে ভাংগে, ভাংগা গড়ায় চলে দিবানিশি
চলে জীবন ভাবি ক্ষনে ক্ষণ কি হবে কি হবে কি আর হবে।
কি হবে ভেবে ভেবে।

ভিন্নতার আজব সমাহার

ভিন্নতার আজব সমাহার
হাসনাবাদ
০৩/০১/২০২১
ভিন্নতার আজব সমাহার//
বছর আসে বছর যায়, পালিত হয় একই কায়দায়
কেউবা নাখেয়ে থাকে কেউবা আধ পেটা কেউবা বিরিয়ানি খায়।
কোথাও জ্বলে কপি বাতি, কোথায় লন্ঠন কোথাও আলোর ফোয়ারায়।
চোখ ধাঁধানো আলোর ছটায় নাচের তালে তাল হারায়, তাল হারায়ে যায়।
নতুন বছর আসবে যাবে, যতদিন এই ধরনী রবে
আলো বা অন্ধকারের হারে বিভাবরীর সাজন হবে
এটাই যে প্রকৃতির নিয়ম, তবে কেন কত সজন
উল্টাপাল্টা খায়।
হুশ হারায়ে জ্ঞান হারায়ে শেষ রাতে বাসায় ফেরে মাতাল অবস্থায়।
আধপেটা খাওয়া ছেলে গুলো, জ্বালিয়ে আবছা
মৃদু আলো
মাদ্রাসার ওই খুপড়ে ঘরে ছোট্ট স্বরে কোরান পড়ে
লাগে কি যে ভালো।
আহ্ কি যে ভাল লাগে।
বিশ্বাস না হয় দেখ একদিন, ভালো নিশ্চয় লাগবে সেদিন
কিসের নেশায় কিসের টানে,ছুটছে অহর্নিশ মৌন ধ্যানে।
এই ধরা হরেক রকম সাজিয়েছেন মাওলা যখন
আমি তুমি কি করব আর, ভিন্নতার আজব সমাহার

খেলছিসনা ডাংগুলি খেলা

খেলিসনা ডাংগুলি খেলা
হাসনাবাদ
২/১/২০২১

রাহেলা ওই রাহেলা
একটু শোন,শোন নারে

যা যা খেলিশনা তুই ডাংগুলি খেলা
দেখছস নি এই পরীর মেলা আমি তাগোর রানী
উল্টাপাল্টা কথা বলবি মাইয়ার হাতের ধলাই খাবি
টানবি জেলের ঘানি, তুই টানবি জেলের ঘানি।
সখাী আয় আয় আয় তোরা ধরতো শালারে

বন্ধু আয় আয় আয় তোরা ধরতো হরিনীরে
বন্ধু আয় আয় আয়।
জেল জুলুমের খেতা পুরি,মারিস না আর জারিজুরি,আমার মামা এমপি আছে
কাউরে ডরাইনি, আমি কাউরে ডরাইনি।
বন্ধু আয় আয় আয় তোরা ধরতো হরিনীরে
বন্ধু আয় আয় আয়।

সখী আয় আয় আয় তোরা ধরতো শালারে।
আমার চাচাও মন্ত্রী রানিং, ভাবিস না তুই একাই কানিং,
এলাকার নাম শুনলে জানি,একাই খাবি দশগ্লাস পানি। শালার সাহস দেখছনি। শালার সাহস দেখছনি
সখী আয় আয় আয় তোরা ধরতো শালারে।
সখী আয় আয় আয়।

কোন জেলাতে বাড়ি তোমার কোন ক্লাসেতে উঠছ এবার
ফেসবুকেরই আইডি তোমার দাও না তোমায় বলি বারবার

তমসা ভানু হে

আবুল হোসেন //তমসা ভানু হে।।
হাসনাবাদ
০১/০১/২০২১

তমসা ভানু হে//

এসো শ্যাম সুন্দর এসো তমসা ভানু হে
আপনা গরমে আপনা মরমে সাজাও শিশুকে
সাজাও সাজাও নতুন অতিথি এসেছে দ্বারে যে।
তমসা ভানু হে।।

আজি আকাশে বাতাসে সাজো সাজো রব, পুঞ্জবনে বিহগে কলরব
সাগরে পাহাড়ে মর্তে জীব যত, শূন্য ঝুলা ঝুলিছে কতশত।
ভরিয়া লহ ভরিয়া লহ অঞ্জলি হে।
তমসা ভানু হে

তন্দ্রা হারা সমীরণ, নতুনে করিবে বরণ,
শন শন বহে ক্ষণে ক্ষণে।
তারা নিহারিকার দলে, সারিসারি চলে
বিনায় মুরজে বাজে সারেগামাপা গাহে ওই নীল গগনে।
তমসা ভানু হে

Dark and light

Dark and light
Hasnabad
01/01/2021

Dark and light

Come Black Come White, come Dark Come light
Decorate your baby with your own pride with your own heart
Decorate Decorate that new guests have come to the door.
Decorate your baby with your own pride with your own heart
Oh dark and light
Dark & light hye.

Today in the sky, in the air, there is a commotion, in the forest, there is a commotion
As many creatures as there are mortals in the mountains in the sea, there are hundreds desire empty bag hanging in the air.
Fulfil, Fulfill all desire empty bag with offering heart.
Decorate your baby with your own pride with your own heart
Oh dark and light
dark and light hye

Sleep deprivation to welcome newcomers,
Shawn flows momentarily.

জপ নাম গাহ গান

আবুল হোসেন
হাসনাবাদ
৩১/১২/২০২০
জপ নাম গাহ গান//
আজি নতুনের আগমনে গাহ গান নিরজনে
কুটিরে কুটিরে কিংবা নিপবনে।।
আজি বিনায় মুরজে গরজে শ্বশনেে
মিনারে মিনারে আজানে আজানে
জপ নাম গাহ গান নিরজনে।
কুটিরে কুটিরে কিংবা নিপবনে।।

যত দুঃখ যত খরা ভরিয়া আছে ধরা লও গো তুলি
যত পাপ তাপ লেগেছে অভিসম্পাত দাও, দাও গো তব করুণার ঝুলি।
পূর্ব গগন আলোকিত যেমন ধুইয়া মুছিয়া কর সাফ
চাই ক্ষণে ক্ষণে।
জপ নাম গাহ গান নিরজনে।
কুটিরে কুটিরে কিংবা নিপবনে।।

তব সৃজিত রংগমঞ্চে রোদন হাসন নয়ত বারণ
তবে কি শুধু হাসিব আপন, না করি রোদন
তুমি চাহিলি হবে বিলক্ষণ ওহে নিখিল রাজন
চাটনি সম রোদন হাসিতে করিব বরণ।
দাও দাও দাও দাওগো চাহি ক্ষণে ক্ষণে।
জপ নাম গাহ গান নিরজনে।
কুটিরে কুটিরে কিংবা নিপবনে।।

তোমার ফুল বাগানে

আবুল হোসেন
হাসনাবাদ
২৯/১২/২০২০

মাওলা তোমার ফুল বাগানে কতই রঙের ফুল
তোমার সন্ধান পাইতে ছাড়ে সংসার জাতি কুল।।
মাওলা তোমার ফুল বাগানে কতই রঙের ফুল

কত জাত যে আছে জগতে কারো কি জানা আছে
কত জাত যে আসবে জগতে কত জাত চলে গেছে
কেউবা যাহা ভাবে আহা আমারটাই সেরা অন্যরা সব ভূল।
মাওলা তোমার ফুল বাগানে কতই রঙের ফুল।।

কেউবা তোমায় মানতে চায় না নাস্তিক হয়ে যায়।
কেউবা মানলেও ধার ধারে না ধর্ম কর্মের হায়।
কেউবা আবার অহর্নিশি তোমার সেবায়, প্রার্থনায় মশগুল।
মাওলা তোমার ফুল বাগানে কতই রঙের ফুল।।

আমি অধম বুঝতে চাই না অতশত মত পথ।
তুমি দয়াল দাওগো বলে, দিয়েছ বলে কোনটা সঠিক পথ।
তবু শয়তান যেন না দেয় ধোকা,না যেন চলি যে পথটি বাঁকা।
তোমার নামের শান রাখ তুমি, তুমিই কাইয়ুম তুমিই তো হাইয়ুল
মাওলা তোমার ফুল বাগানে কতই রঙের ফুল।।

খেলছো ইদুর বিড়াল

আবুল হোসেন
হাসনাবাদ
২৮/১২/২০২০

খেলছো ইদুর বিড়াল//

তুমি কি গো খেলছো ইদুর বিড়াল খেলো যদি মন চায়।
আমার কিছু ভাল লাগে না উরুউরু মন কি যেন আরো চায়

প্রথম দেখা কোথায় হলো মনে কি পড়ে তোমার
সেইতো পুকুর ঘাটে গাছের আড়ে আমরা গাছের ধার।
আমায় দেখে ভৌ-দৌড় দিলে যেন হুরপরি পালায়।
আমার কিছু ভাল লাগে না উরুউরু মন কি যেন আরো চায়।

সেই থেকে খেলছো ঈদুর বিড়াল সকাল দুপুর রাতে
ভয় কি গো পাও, একটু বলে যাও এসো না আমার সাথে
যার মনে যা সে পাবে তা করুনা ভরে মাওলার কাছে যদি চায়।
আমার কিছু ভাল লাগে না উরুউরু মন কি যেন আরো চায়।

প্রেম একটি জলন্ত কাঠি

আবুল হোসেন
মানিকদী, ঢাকা সেনানিবাস
২৬/১২/২০২০

প্রেম একটি জলন্ত কাঠি//

প্রেম একটি জলন্ত কাঠি ধীরে ধীরে অঙ্গার হয়।
নিন্দার কাটা না লাগলে গায় প্রেম কি কভু সার্থক হয়।
প্রেম একটি জলন্ত কাঠি ধীরে ধীরে অঙ্গার হয়।।

ফুলের ঘ্রাণে ভ্রমর এসে গুনগুনিয়ে গেয়ে যায়
ভ্রমর ছুঁয়া না পাইলে ফুল রেণুর দেখা নাহি পায়।
মওলার প্রেমে ডুবলে হৃদয়, হৃদয় পুড়ে সোনা হয়
প্রেম একটি জলন্ত কাঠি ধীরে ধীরে অঙ্গার হয়।

জোয়ার ভাটা হয় নদীতে প্রেমের জোয়ার উজান বয়।
রঙ্গিন চশমা না পড়িলেও রঙ্গের দুনিয়ায় ডুবে রয়
জেনে শুনেই প্রেমিক হৃদয় প্রেম যমুনায় দেয় হৃদয়।
প্রেম একটি জলন্ত কাঠি ধীরে ধীরে অঙ্গার হয়।।

শ্যাম পিরিতের সাথে কি দর্শন

আবুল হোসেন//শ্যাম পিরিতের সাথে কি দর্শন
মানিকদী, ঢাকা সেনানিবাস
২৫/১২/২০২০
শ্যাম পিরিতের সাথে কি দর্শন//

একদিন যাবে দুইদিন যাবে এমনি করে দিন ফুরাবে ভবে
শ্যাম পিরীতের সাথে কি দর্শন এই জনমে আর হবে
একদিন যাবে দুইদিন যাবে এমনি করে দিন ফুরাবে ভবে

শীতের কালে তালের পিঠা চিতই বা ভাপা পিঠা
আরো কত পিঠা আছে খাইতে যে কি মিঠা
তিতা মিঠার আস্বাদন কি
তিতা মিঠার আস্বাদন কি
শ্যাম বিনে আর হবে
শ্যাম পিরীতের সাথে কি দর্শন এই জনমে আর হবে।

আষার শ্রাবণের বর্ষার জোয়ার পৌষ মাঘের ওই শীত
ফাগুনের সাথে চৈত্র মেলে গায় প্রেম জোয়ারের গীত
আমার কোন কালেই হইলো না প্রেম
কোন কালেই হইলো না প্রেম
আর হবে আর কবে।
শ্যাম পিরীতের সাথে কি দর্শন এই জনমে আর হবে।

চুল পাকিলে লাগিয়ে কালা

আবুল হোসেন
মানিকদী, ঢাকা সেনানিবাস
২৪/১২/২০২০

চুল পাকিলে লাগিয়ে কালা/
কালা যদি না হয় বালা চুল পাকিলে লাগিয়ে কালা
কালারে কেন খোঁজ?
সুন্দর সুন্দর স্বপন দেখতে আরাধ্যের হাতটি ছুঁতে
চোখটি কেন বুজ??
চুল পাকিলে লাগিয়ে কালা কালারে কেন খোঁজ।

সারা বেল কাজের খেলা, ঘরে ফিরে সন্ধ্যা বেল
ক্লান্ত শ্রান্ত দেহ খানি, গলিয়ে বিছেয়ে পাটিখানি
চোখ বুজিয়ে অমাবস্যার আঁধার কেন খোঁজ।
চুল পাকিলে লাগিয়ে কালা কালারে কেন খোঁজ।

যৌবন জোয়ার ফুরিয়ে গেলে,সায়াহ্নের দর্শন পেলে
সাদা কালো লম্বা খাটাে,কিছুতেই আর সুখ না মেলে।
পারের কড়ি সন্ধান করি, পারাবারের ফেরাফেরি
পেয়েছ কি, পেয়েছ কি আজো?
চুল পাকিলে লাগিয়ে কালা কালারে কেন খোঁজ।

দুঃখে ভরা জীবন আমার

আবুল হোসেন
মানিকদী, ঢাকা সেনানিবাস
২৪/১২/২০২০
দুঃখে ভরা জীবন আমার//

দুঃখে ভরা জীবন আমার দুঃখ লেগে আছে
কি হবে আর বলে দুঃখ, দুঃখে যে দিন গেছে

কুড়াতে গিয়ে শাপলা শালুক বিলের ঝিলের জলে
খুনশুটিতে মেতেছি, কেঁদেছি অভিমানের ছলে
সেই অভিমান বুমেরাং হয়ে বক্ষে বিধে গেছে
দুঃখে ভরা জীবন আমার দুঃখ লেগে আছে।

সাইকেলেরই চেইনে কেটে গিয়ে, পায়ের আংগুলের ক্ষত
নিদ্রাবিহীন রাত কেটেছে বুঝতে তোমার কষ্ট তোমার ব্যথা কত।
কিশোর বুকের ছোট্ট নীড়ে এত ব্যথা যে সইতে নারে, আজও মনে আছ
দুঃখে ভরা জীবন আমার দুঃখ লেগে আছে।

তোমার গায়ে হলুদ যেদিন সকল জায়গায় ঘুড়েছি সেদিন
একা একাই ঘুড়তে গেছি, ঘরেছি আর ঘুরেছি
বিলে ঝিলে বনে বাদারে,লুকিয়েছি গাছের আড়ে
তখনই যে বুঝতে পেরেছি,সব হাড়িয়ে গেছে।
দুঃখে ভরা জীবন আমার দুঃখ লেগে আছে।

জুঁই ফুলেরা জুঁই তলায়

১.

আমি মনে হয় কোন একটা ছোটাখাটো জীবন কাটিয়ে খুব সাধারণভাবে একদিন মৃত্যুবরণ করবো। কথাটা মনে হলো সে সময়টায় যখন হঠাত মনসাগরের গভীর তলদেশ থেকে উঠে আসতে ধরেছিল সেইসব বুদবুদ, যারা দীর্ঘ একটা সময়, প্রায় অর্ধেক শতককাল, শুধু সেই তলদেশ থেকে সাগরের ঢেউয়ের চূড়াটিতে পৌঁছুতেই লাগিয়ে দিয়েছিল। ওরা পৌঁছেছিল গগনে নিশান উড়িয়ে নীল সাগরের ওপর ভাসমান মার্তণ্ড-টার এক মহাজাগতিক আলোকছটাকে নিজের বুকে ঝিকমিকিয়ে উঠতে দেখে মরে যেতে।

২.

বিজয় দিবস তুমি //

১৬ই ডিসেম্বর, ২০১২ ইং
উত্তরা ঢাকা

বিজয় দিবস তুমি//

আমার কৌশোরে বড়শী ফেলে
দীর্ঘ শ্যান দৃস্টিতে তাকিয়ে থাকা
প্রতীক্ষার পর পাওয়া
ছট ফটানো মাছের আনন্দ।

কৌশোরে আম কাঠালের গাছে চড়ে
পাকা পাকা আম, কাঠাল পারা,
প্রমান সাইজের কাঠাল বা দু একটি আম
গাছে বসেই সাবার করার আনন্দ।
খেলতে গিয়ে ঘাম জড়ানো বিজয়ের পর,
মিছিল করতে করতে গ্রামে ফেরার আনন্দ।

বিজয় দিবস তুমি
এস,এস, সি রেজাল্টের পর বৃষ্টিতে ভিজে
রেজাল্ট সংগ্রহ করার পর আত্নীয় ও পড়শীদের
বাড়িতে মিষ্টি বিতরণের আনন্দ।
তুমি আমার বোনা ধান ক্ষেতে
ফলানো সোনালী ধান কাটার আনন্দ।
বিজয় দিবস তুমি, ন মাস প্রতিক্ষার পর
প্রথম বাবা হবার আনন্দ।

কিন্তু তোমাকে পেতে
হে বিজয় দিবস,
মনে পড়ে, গজেন স্যারের কথা,
কত আদর করতো আমাকে,
বড় ভাইয়ের বন্ধু, টগবগে তরুণ
যুদ্ধে গিয়ে আর ফিরে আসেনি।
তার বিধবা মা আমৃত্যু
শুতে, বসতে, কাজ করতে করতে

আল্ কোরান

হাসনাবাদ
১৫/১২/২০২০

আল্ কোরান//
হে অনন্ত কালের দূরন্ত পথিক,
একটু শুনো
কোথা তুমি যাও, কোথা হতেই বা এসেছ তুমি
খানিক ফিরে চাও
জীবন নদীর অবিদিত পারাবারে, এপারে বা ওপারে
কে তব সহযাত্রী, ভেবেছ কি, জেনেছ কি, জানিতে কি চাও।
একটু শুনো,খানিক ফিরে চাও।
হে মহাকালের দুরন্ত পান্থ হে,
তব উদাহরণ, তব মিশাল তুমি এ ভবে
দেখেছ কি, দেখিতে কি চাও।
তব চলার নেই তো অন্ত, শীত গ্রীষ্ম কিংবা বসন্ত
তুমি চল, তুমি ছুটে চল, ফিরে নাহি চাও।

সে যেমন বলে,
চন্দ্র সূর্য, গ্রহ নক্ষত্র, তারা বা নিহারিকার দলে
আপন কক্ষপথে চলে।
কেহ কারো স্থান না করি দখল, চলার গতিও হয় না বিকল।
সে চলে, সে বলে
কে সে? কে বলে? কে সে, কে চলে??
অনন্ত কালের অনন্ত গতিতে চলে।
সে যে জীবন্ত, নয় জড় গ্রন্থ, চাও কি উদাহরন
চাও কি প্রমাণ।
সে যে আল্লাহর বাণী, পারাবারের সহযাত্রী
আল্ কোরান। আল্ কোরান।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ