অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

চলতে চলতে

কোথাও কোন শব্দ হবে না, চারপাশের হৈ চৈ ছাপিয়ে যাবে, ট্রেনের কু ঝিক ঝিক শব্দ। কেবিন পাইনি তো কি হয়েছে, একটা সিট জানালার পাশে হলে ই হয়, তার পাশে ই আরেকটা সিট।

জানালা কিন্তু তোমার জন্য না, আমার পাশে ই তুমি থাকবে, বই এ নিমগ্ন। চলতে চলতে পড়তে যে আমার বারণ। কত কি হারিয়ে যায় চোখের পলকে। সব অদেখা থেকে যায়। নিজের চোখে দেখার সুযোগ কি আর হেলায় ছেড়ে দেয়া যায়?

চির আগোছাল চুল নাকে মুখে ঝাপটা দিয়ে বিরক্ত করবে
অনিচ্ছাকৃত
মাঝে দুই কাপ চা, আর ট্রেনের সেই কাটলেট এর অর্ডার শুনে
এই প্রথম মুখ তুলে একটুকরো হাসি। খট খটে এই কাটলেট এ যে কি পাও, সব ই এই গল্প উপন্যাসের দোষ। তারা তো আর কাটলেট এর বর্ণনা দেয় না। উপন্যাসের নায়ক ট্রেন এ কাটলেট খেত

আমরা

চাওয়া পাওয়ার বালাই নেই, রঙিন ঘরের স্বপ্ন নেই, স্বপ্ন বাস্তবায়নের তাড়া নেই, ব্যাক্তিগত আলাদা কোন সময় নেই। যুথবদ্ধতায় একাকী সময় কাটানো, যার যার বইয়ের পাতায় বা সিনেমার পর্দায় নিমগ্ন। তুমি ফেসবুক এ, আমি আমার মতো খোমা খাতায়। মাঝে মাঝে মতের আদান প্রদান সমসাময়িক বিষয়ে। অবাক বিষয়, তোমার আমার পড়ার রুচি, দেখার ভঙ্গি, প্রকাশ সব ই ভিন্ন। তুমি ইতিহাস হলে আমি ইতিহাস নির্ভর উপন্যাস। তুমি মানুষ দেখ নির্লিপ্ত ভাবে, আমি মানুষ এর মনসতত্ত্ব খুঁজি। তুমি চার দেয়ালে আকাশ সৃষ্টি কর, আমি আকাশে মিশে গিয়ে আকাশ ধন্য করি। কখন ও হাতে হাত রেখে হেঁটেছি মনে পড়ে না। পাশা পাশি রিক্সা চড়া তাও কোন মিছিল, মিটিং, আড্ডা বা বইয়ের দোকান এ যাওয়া, খুব বেশি জোড়া জোরিতে বাজারে যাওয়া। তুমি রক হলে আমি রবীন্দ্র বা লালন।মিল যে ছিল না এমন ও না, চা বা কফি, কোন দ্বিমত নেই। আদর্শের জায়গায় অমত নেই। আমাদের কোন টানা টানি নেই নিজেদের পৃথিবীতে বদ্

রেড প্ল্যানেটের পথে কিছু সুন্দর স্মৃতি

আমি স্টেশনের ধারে কাছেই ছিলাম। একটা ট্রেনের শেষের কামরাটায় বুলুকে দেখতে পেলাম, সাথে আরও দুটো ছেলে এবং কিছু ব্যাগ বোকচা সমেত ওরা বসে আছে। দেখেই বুঝতে পারলাম ওরা কোথায় যাচ্ছে।

আমি নিজে যে দুই এক বার ওখানে গিয়েছিলাম তার প্রতিটি অভিজ্ঞতাই বেশ চমকপ্রদ ছিল। খুব কম মানুষ সেখানে আর একগাদা বিশাল ফাঁকা ফাঁকা জায়গা। আর রেডিও টিভি ইলেক্ট্রনিক্স কিচ্ছু নেই। মানুষ কিভাবে টোস্ট বানায় সেখানে তাও বুঝতে পারলাম না।

আমার আগের জার্নিটায় একটা ছেলেকে বেশ ভালো লেগেছিল, ওর সাথে কথা বলতে বলতে ট্রেনের দরজায় ঝুলে পড়লাম। আরও কিছু শহুরে লোকও ছিল সে যাত্রায়। আমরা নিজেদের আবিষ্কার করলাম একটা রাস্তার ধারে, কিছু বাড়ী ঘর টাইপের স্ট্রাকচার যদিও ছিল, আমরা রাস্তার ধারেই সময় কাটাতে লাগলাম। মনে পড়ে আমি একটা ভাঙ্গা রেডিও নিয়ে ব্যস্ত হয়ে উঠেছিলাম কিন্তু ঠিক মতো কাজ করছিলো না কিছুই। আমি কিছুদিন পরেই ফিরে আসি।

আয়নিত জীবন

রেল লাইনের পাশটি ঘেঁষে একটা দেয়াল আমাদের। সেখানে রাত কি দিন, প্রায়ই আমি গিযে থাকি। সেদিন বিকাল কি দুপুর ঠিক খেযাল করিনি। জনা পাঁচ কি ছয়জনায় বসে ছিল সেখানে। এক কোনায় বসে আরেক কোনায় বসে থাকা রসিকতায় ব্যস্ত ধ্রুব দাদার গোঁফগুলোও দেখতে পাচ্ছিলাম।

আমার যা কপাল, বসলাম একটা মেয়ের পাশেই, বুঝতে পারছিলাম ঠিক কোন মেয়েটা, কিন্তু কথা বলা হয় নাই। সেদিনও আমি খুব একটা কারো দিকে না তাকিয়ে সামনের রেল লাইন বা আশে পাশের দৃশ্য দেখছিলাম। খানিক বাদে মেয়েটা একটু আমার দিকে ঘেঁষে বসার জন্য নড়ে উঠলে আমিও ডান দিকে সরে গেলাম। যাতে ও ওর দরকারি জাযগা নিতে পারে। মেয়েটা আমার দিকে পা দিয়ে ওর বাম পাশের ছেলেটার কোলে মাথা দিয়ে আধশোয়া অবস্থানে চলে গেলো।

ওর এই ফন্দি আমি বুঝতে না পারার কারণে ওর স্যান্ডেল পরা পা দুটো আমার জামায় আর আমিও ভাবলেশহীন ভাবে সেখানেই, এক চুলও নড়লাম না।

Aim In Life

এই পঞ্চাশ এ এসে এভাবে সব গুবলেট হয়ে যাবে? সে আজ কি বল্লাম ছাত্রদের। অংক বুঝাতে বুঝাতে কি যে হল, অঙ্কের সাথে মিলিয়ে গল্প শুরু করে দিলাম। মনে হচ্ছিল এই কথা গুলো অঙ্কের সমাধানে খুব গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্ররা ও কিছু বলল না।কেন এমন হল? অঙ্কের শিক্ষক আমি, আমাকে তো কার্যকরণ জানতে হয়, ঘটনার পিছনের ঘটনা জানতে। নাকি এই কথা গুলো জমে জমে চাপ তৈরি করছিল। পথ খুঁজছিল বের হয়ে আসার। তাই বলে এই ছোট ছোট কিশোর দের কাছে কেন এই বিষণ্ণতা ঢেলে দিয়ে আসলাম। যা বলেছি ঠিক বলেছি কি?

প্রিয় জিল্লুর স্যার আর জাকারিয়া স্যারের জন্য ভালবাসা

বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের নাম শুনে প্রথমে যতোটা মুষড়ে পড়েছিলাম, ভর্তি পরীক্ষা দিতে গিয়ে ওই স্কুলে আমার প্রথম বন্ধু ধ্রুব-র সাথে পরিচিত হয়ে আবার ততোটাই উৎফুল্লতা ঘিরে ধরেছিল আমায়। চট্টগ্রামের মতো বড় আর সুন্দর শহর ছেড়ে, ক্লাস ওয়ান থেকে সেভেন পর্যন্ত যে স্কুলে পড়েছি সেটিকে এবং সেখানকার সব বন্ধু-বান্ধবদেরকে পেছনে ফেলে বাবার বদলীর সুবাদে বগুড়া চলে যেতে হবে, সেটাই ছিল যথেষ্ট হৃদয়বিদারক। সাথে যখন যোগ হলো জিলা স্কুল নয়, ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক নয়, এমনকি ব্যাটেলিয়ন স্কুলও নয়- শেষমেষ গিয়ে ঠাঁই মিললো কিনা পুলিশ লাইনে- তখন আমার আসলেই কাঁদো কাঁদো অবস্থা।

ফিস্টারভেল্ট

একটা কুকুর খুব প্রেম করছিলো আমার সাথে। খালি গা বেয়ে উঠছিলো আল্লাদে। আমি বলি ছাড় ছাড়, এসব করিস নে। ওমা! ও ঠিক মানুষের মত গলা করে কইলো, এ্যামন বেরসিকের মত করছো ক্যানো? আমি খালি একটু আমার পা টা দিয়ে তোমার গায় পরশ বুলিয়ে দেখতে চাই ক্যামন লাগে। বলেই জিভ ঝুলিয়ে দিয়ে হাসতে লাগলো। আমি আর কী করবো। জবুথবু হয়ে বসে রইলাম। ও আমার ঘাড় থেকে পাছা অব্দি ওর নখশুদ্ধু পা টা ঘসে দিয়ে খুব শান্তি পেয়েছে এ্যামন ভাব করতে লাগলো। আমি আর কী করবো। বসেই রইলাম। এই কুকুর, তাও মদ্দা না মায়া কিছুই জানি না। ক্যানই বা আমার সাথে পিরিতি করতে এলো, কোথা থেকেই বা এলো কিছুই জানতে পারলাম না। যতই মানুষের মত কথা বলুক, কুকুরই তো। আর আমি হলাম গিয়ে দুপেয়ে মানুষ, সরীসৃপও তো নই। হলে হয়তো ওর সাথে একটা ফন্দিফিকির করার কথা ভাবতাম। আমি হলাম মানুষ, আমার এই ঝামেলা, সেই ঝামেলা। এইতো সেদিনই ম্যাথ এক্সাম দিতে গিয়ে কী ঝক্কিঝামেলাটাই না পোহালাম!

নিজেদের

আমাদের অনাদায়ি কোন কথা নেই
আমাদের বলার মতো কথা ছিল না
কোন কথা দেয়া নেয়া হয়নি কখনও

কোন পথ ধরে হেঁটে যাবার স্বপ্ন তৈরি হয়নি
কারো কোন নির্দিষ্ট পথ ও ছিল না
তবু ও কিভাবে যেন এতোটা সময় এক ই পথে হেটেছি

পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখি
একই সাথে হেঁটেছি, একই পথ ধরে
এই পথ আমাদের কারো ই ছিল না

কোথাও হোঁচট এর চিহ্ন নেই, নেই সঙ্কোচ
কোন বন্ধন নেই, দেখার এক ই রকম চোখ নেই
চরম অবিশ্বাস ও বিশ্বাস এর শক্ত ভিত গড়তে পারে

অভিমানী মন আমাদের, ভালবাসি বলে নি
নির্ভরতা আড়ালে তুচ্ছ সব

আমাদের গল্প গুলো

এমন সময়ে তোমার লিখা তো থাকত ই, প্রায় প্রতি দিন ই কিছু না কিছু লিখতে। আমরা আলোচনা করতাম। সরকার ভুল করছে টেস্ট না করে বা সঠিক পরিসংখ্যান না দিয়ে। এতে সরকার বিপদে পড়বে না পড়বে সাধারন মানুষ। তাঁরা অনির্দিষ্ট কাল ঘরে বসে থাকবে না, সরকারী নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিলে ই মানুষ বের হয়ে যাবে। ঘরে রাখা যাবে না। যত নিয়ম কানুন ই শিখিয়ে দেন না কেন ২০-৩০% মানুষ এই নিয়ম মেনে চলবে না। যেহেতু তথ্য ই ভুল, মানুষ কনফিডেন্টলি বিপদে পড়বে। তুমি কিছু মেনে নিতে কিছু নতুন যোগ করতে। অনেক পরিসংখ্যান দিতে, যা আমি মনে রাখতে পারি না। আমরা শুধু ই কথা বলতাম। কিন্তু তুমি লিখতে। প্রতিটা লাইন কে আরও অনেক তথ্য সমৃধ্য করে কয়েক পাতা লিখে ফেলতে। এখন সাধারন অসুখ এ ও চিকিৎসা নেয়া যাবে না। এই কথা গুলো বলার মানুষ টা ও নাই। কথা গুলো মাথায় বন্দী হয়ে একটা চাল তৈরি করছে। গলার কাছে এসে আটকে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে গলায় কিছু লেগে আছে। বেশি আটকানো ভাব হ

আমি একটি বই লিখব

মেয়েটি তার ফোনের ওয়ালে ছেলেটির সাথে তোলা একটি হাসিমুখের সেলফি দিয়ে রাখে। ফোনটির হোম স্ক্রিনে যতবার সেই মুখটি চোখে পড়ে, ততবার একটি নি:শব্দ দীর্ঘশ্বাস পড়ে। বলতে পারেন এ এক নিরব ভালোবাসা। যতক্ষন বাসায় থাকে স্ক্রিনটি জুড়ে থাকে সেই ভালোবাসা। আর বাসা থেকে বের হলেই আস্তে করে পুরোনো একটি ছবি দিয়ে রাখে। পাছে লোকে কি বলবে । চলুন মেয়েটির একটি নাম দেয়া যাক। ধরে নিলাম মেয়েটির নাম অন্তরা। এই অন্তরা নামের অনেক মহত্ব লেখকের কাছে। আর ছেলেটির নাম সংকল্প।

ফিরে যাওয়া

বিদায়টা সব সময় এক পাক্ষিক ই ছিল। প্রতি বিদায় চুম্বন বিদায় কে দুদোল্যমান করে দিত। তাই হয়তো আবার ও শুরু করা সহজ হয়ে যেত। এবার তোমার এই যে বিদায়, তাকে প্রস্থান বলা ই শ্রেয়। স্পর্শ হীন প্রথম এবং শেষ বিদায় অদেখা রয়ে গেল, নতুন করে শুরু করার সম্ভবনাহিন।

ফিরে গেলে নিজের কাছে

ব্লগার রাসেল পারভেজের সাক্ষাৎকার (প্রসঙ্গ শাহবাগ আন্দোলন)

ব্লগার রাসেল পারভেজ মারা গেলেন ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০। তার সঙ্গে আমার ২০১৩ সালের নভেম্বর মাসে দীর্ঘ আলাপ হয়। শাহবাগের ওপর গবেষণা কাজ করতে গিয়ে তার একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার নেওয়ার সুযোগ হয় সেসময়। সেই সাক্ষাৎকারের একটি অংশ প্রকাশ পায় ‘শাহবাগের জনতা’ গ্রন্থে (২০১৫)। সেই অংশটিই পুনপ্রকাশিত করলাম ব্লগে।
তার সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় অংশ অপ্রকাশিত। কথা ছিল দীর্ঘ সময় পর সেটি প্রকাশ করার। অপ্রকাশিত অংশটি নিশ্চয় প্রকাশ করবো কোনো একদিন।

প্রশ্ন: শাহবাগ আন্দোলনটা যে ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারির ৫ তারিখ শুরু হলো,এখানে আপনার যুক্ত হওয়াটা কীভাবে হলো?

বই আলোচনাঃ জাদুকরী ভ্রম

উপন্যাসঃ জাদুকরী ভ্রম
লেখকঃ হামিম কামাল
প্রকাশকঃ চন্দ্রবিন্দু

আমি ব্যক্তিগতভাবে হামিম কামালের লেখার ভক্ত। হামিম কামাল যখন লিখেন তখন সেটাকে কোনোভাবেই সাধারণ লেখার কাতারে আমি ফেলতে পারি না। তার লেখায় সবচেয়ে সুন্দর যে বিষয়টি সেটা হলো, একটা বাক্যজুড়ে থাকে একটা ক্যানভাস। সেই ক্যানভাস শেষ হলে আবার একটা ক্যানভাস। এরকম করে ক্যানভাস জুড়ে বিচরণের সময়টা মাথায় থেকে যায়।

এই জাদুমন্ত্র হামিম কামাল কীভাবে শিখেছেন আমার জানা নেই। তবে এই জাদুতে মুগ্ধ হয়েছিলাম ২০১৮ সালে প্রকাশিত "কারখানার বাঁশি" উপন্যাস পড়ে। এবং দুই বছর পরে বর্তমান বইমেলায় প্রকাশিত "জাদুকরী ভ্রম" নামের নতুন উপন্যাসটিতে হামিম কামাল আবারও সেই লেখার জাদু দেখালেন। যেন নিজের লেখার স্বার্থক একটা নাম, স্বার্থক একটা উপন্যাস "জাদুকরী ভ্রম!"

নিছক গল্প

বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার মহাপরিচালক অধীনস্ত কর্মচারীদের ডেকে বললেন
"এই যে মহান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মশতবর্ষ, এই উপলক্ষ্যে কি আমাদের কোনো আয়োজন থাকবে না?"
মহাপরিচালক প্রসঙ্গটি উত্থাপনের পূর্বে চিড়িয়াখানার কর্মকর্তা কর্মচারীদের ভেতরে ঠাট্টা-মশকরার বাইরে এই যে বিশাল মাপের আয়োজন- সে বিষয়ে বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা ছিলো না। তারা প্রত্যেকেই মহাপরিচালকের কক্ষ থেকে বিশাল চিন্তার বোঝ নিয়ে বের হলেন। প্রত্যেকেই সারাদিন ভাবলেন।

বাঁদরের কলা- গন্ডারের কলা পাতা, জলহস্তির কচুরিপানা, বাঘ-সিংহের বরাদ্দ গোস্তের ভাগ-বাটোয়ারা বিষয়ে উদাসীন থেকে তারা শুধুই ভাবলেন। অভুক্ত সিংহ- বুভুক্ষ বাঘ রক্তচাপহীনতায় মাথা ঘুরে উলটে পরে থাকলো গাছের গুড়ির পাশে। ডাক্তার আসতে পারলেন না। তিনিই সনদ বলে চিড়িয়াখানার সবচেয়ে শিক্ষিত মানুষ। তিনি যদি এই সংকটের সুরাহা করতে না পারেন তাহলে আর কি করতে পারবে?

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস চর্চা

এককেন্দ্রীক স্বৈরতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্মিত একটি সংসদে কণ্ঠভোটে আইন নির্মাণ করে একাডেমিক ফ্রিডম হরণের সুযোগ তৈরী করে রাখা-
হাইকোর্টের রায়কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে, পরবর্তীতে এই একাডেমিক ফ্রিডম ক্ষুন্ন করা আইনকে হাইকোর্টের কতৃত্ব হ্রাসের ঢালা বানিয়ে ফেলা-

এই শাঁখের কারাতে বেঁচে আছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা গবেষণা।

নিরপেক্ষ গবেষকদের সংখ্যাস্বল্পতায় আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ইতিহাস চর্চা টিকে আছে বক্তিগত স্মৃতিচর্চার বয়ানে। ব্যক্তিগত স্মৃতিচর্চা অনেক সময় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রনোদিত কৌশলী মিথ্যার চর্চা, অনেক সময় ব্যক্তিগত অক্ষমতা আড়ালের চেষ্টা হিসেবে ক্রমাগত মিথ্যা উৎপাদন করে যাওয়া।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা