ইউজার লগইন

নিয়োনেট'এর ব্লগ

"চেয়ে দেখ এই বুকে আজ কত শত নীল বেদনা"

পড়তে বসার সময় মনে হলো একটা গান না শুনলেই নয়। ইউটিউবে টাইপ করলাম ময়না গো। হাবিবেরটাই ছাড়লাম। মিউজিক ভিডিওতে দেশের রেল স্টেশন দেখে মনে পড়লো আমার গত ছয়টা বছর এলোমেলো ছুটে বেড়ানোর দিনগুলোর কথা। আর তাছাড়া হাবিবের শুরুর দিকের গানগুলোর সাথে আমাদের একটা অন্যরকম সম্পর্ক আছে। বরিশাল ক্যাডেট কলেজে দুহাজার চার থেকে দশ সময়টাতে যারা থেকেছে তারা জানে ডিসেম্বর মাসে অ্যাথলেটিক্সের দিনগুলোতে এইসব গানের কথা। মোয়াজ্জেম স্যার আর কলেজ কালচারার প্রিফেক্ট মাঠের ভিতরে একটা গোল ছাউনির ভিতর বসে মাইকে এটা সেটা ঘোষণা দিতো আর এই সব গান বাজাতো। ফোর ইনটু ফোর হান্ড্রেড মিটার রিলে দৌড় বা ম্যাডামদের পিলো পাসিং খেলা বা হয়তো কিছুই হচ্ছে না, কিন্তু মাইকে ঐ গানগুলো ঠিকই বাজছে। কি একটা কানেকশন যে হয়ে গেলো কিছু কিছু গানের সাথে, সত্যি অবাক করার মত একটা ব্যাপার। তখন আমি ক্লাস এইট কি নাইনে পড়ি। লাইফ ভর্তি খালি মজা আর মজা।

খারাপ দিনের কথা

সোমবার।

একটা খারাপ দিন শুরু করার জন্য সকালে দেরি করে ওঠাই যথেষ্ট। একটা ক্লাসের অর্ধেকেরও বেশি মিস করার পরও কোনো রকম ব্রেকফাস্ট করে ক্লাসে ঢুকলাম।
দেখি যে এক্স গেট অ্যান্ড গেট পড়াচ্ছে। একজন ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রের জীবনে একটাই দিন থাকে যেদিন ক্লাসে প্রথম বার গেইট পড়ানো হয়। আর আমি সেইটা মিস করলাম। বেটার লেট দ্যান নেভার। সেই জন্য ক্লাসে গেসিলাম, গিয়ে দেখি সব শেষ।

কিন্ত আরও খারাপ ঘটনা ঘটতে হলো। এর পরে প্রোগ্রামিংয়ের ক্লাসটা সবকিছু আরও খারাপ করে দেবার সংকেত দিতে লাগলো, কিন্ত সেই সিগ্নাল আমি ধরতে পারি নাই।

বিকেল বেলা ম্যাথ টিউটোরিয়ালে টিউটর ছোকরা একগাদা কমপ্লেক্স ম্যাথ নিয়ে হাজির। প্রফেসর এতো কঠিন ম্যাথ করায় না, তবু সে এইসব ম্যাথ সামনে নিয়ে আসতে চায়। প্রফেসর শিখাইসে কেম্নে একটা বীজগানিতিক ফাংশনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন মান বের করতে হয়, যেইটা খুব একটা জটিল প্রক্রিয়া নয়, কিন্ত এই

যদি উড়ে যেতে চাও, তবে গা ভাসিয়ে দাও..

আমার সবকিছু এরকম ধূসর হয়ে যাবে তা জানতাম না আমি। কী করে লেখা যায় এই মলিনতার স্বরূপ আমি তাও জানি না। টেবিল ভরা আমার বই পত্র, ছুঁয়েও দেখিনি গত কয়েকদিনে, অথচ এই ছুটিতে সব পড়ে শেষ করার কথা।

আমার রান্না বান্না কে করে, কে আমার দাঁত মেজে দ্যায়, রুম গুছিয়ে দ্যায় আমি জানি না। আমি ঘড়িটার কাছে পরাজিত হই প্রতি সকালে। আমার সব কিছু ছিন্নভিন্ন।

বিছানা ছাড়া সবচেয়ে কঠিন কাজ এই জীবনে। রোজ দুপুর বেলা আলসেমির চুড়ান্ত রূপ দেখে তারপর বিছানা ছাড়ি। আর আমার রোজ রাতের প্রতিশ্রুতি সকাল সকাল বিছানা ছাড়ার।

এইসব করতে করতে এইভাবে আরও কত বছর বাঁচার আছে আমার? আমার এক কালীন বন্ধু বান্ধবেরা কে কেমন আছে কিছুই জানা হয় না। মাঝে মাঝে এক কালীন প্রেমিকার কথা ভাবি বিছানায় শুয়ে থেকে। সেই যে প্রেমিকাকে খুব ভালোবেসেছিলাম একদা, কেমন আছে এখন সে আর তার প্রেমিক? কেমন আছে ওদের ভালোবাসা? খুব ভালো ওরা। আর আমি সবচেয়ে অসভ্য।

জীবনে গেছে চলে

আমার ছোট বেলায় এইসব ছিলো না। সবকিছু অন্য রকম ছিলো। আমি কোনোদিন ভেবে দেখিনি কতোটা বদলে গেছে সবকিছু। একটা পড়ার টেবিলে তখন বই খাতা কলম পেন্সিল ছাড়া আর কিছু থাকতো না। হেডফোন নামের যে তারের জটলাটা আজকাল আমার পকেটে বা টেবিলে পড়ে থাকে সেটাকে মনে হত ধরা ছোঁয়ার বাইরের জগতের কোনো মহান আবিস্কার। কম্পিউটার বলে যে কিছু একটা তৈরি হবে এবং রাতদিন চব্বিশ ঘন্টা সেটার সাথে আঠার মত লেগে থাকতে হবে- এটা কোনোদিন কল্পনাতেও আসেনি।

ইলেক্ট্রনিক্স বলতে ছিলো একটা ক্যাসেট প্লেয়ার। সেটাতে রেডিও ছিলো। কয়েক বছর পর এলো একটা টিভি। পাড়াপ্রতিবেশীদের বাড়িতেও ততদিনে টিভি চলে এসেছে। তখন একটা গান আমরা গাইতাম শুনতাম, ও আমার বন্ধু গো, চিরসাথী পথ চলার..।

Coming out of the dark

The first house where I grew up was the one in a place, which to most people would be a slum. There was no privacy, no one cared about that. There was no space between two houses, and one family could hear the next family talking to each other. Next to our house lived the a family with three children and their grandma. The father of the children would sometimes scold his wife for no reasons and we could hear all their shouting at each other living next to them.

রাতেরা আমার মতই নিঃসঙ্গ

তোমার ফোন নাম্বার, ইমেইল অ্যাড্রেস বাসার ঠিকানা সবই এখনও মনে আছে। মনে আছে বিকেলবেলায় এখানে সেখানে ঘুরে বেড়ানো তোমার সাথে, তোমার হাতটা ধরার জন্য কেমন করতাম আমি, তোমার মনে আছে?

চায়ের দোকান, অলিগলি আর অজস্র রিকশার হুডেরা কি মনে রেখেছে আজও আমাদের প্রেম করার দিনগুলো? খুব সহজ ছিলো এ শহরের ভীড়ে আমাদের হারিয়ে যাওয়া, অথচ আমরা খুঁজতাম নিরিবিলি, চলে যেতে চাইতাম দূরে কোথাও, বহুদূরে।

আজ আমি কেমন আছি তুমি জানো? আজ আমি চাইলেই তোমাকে ফোন করতে পারি না, তোমার বাসার গলি অব্দি যেতে পারি না, আজকাল আমার কোনো ইচ্ছেরা ঠিক বেঁচে নেই। নিজেকে মৃত মনে হয়। ঠিক যেন মরণের ওপারে বসে লিখছি এইসব কথা।

https://www.youtube.com/watch?v=cyBBZGfUnMs

লাইব্রেরি বন্ধ হতে আর ৭ মিনিট বাকি। বাইরে আকাশে আলো নেই। লাইব্রেরির কাঁচ দেয়ালে আমারই প্রতিফলিত ছবি। এরকম সন্ধ্যাবেলায় কম্পিউটার সায়েন্স পড়তে আর ভালো লাগে না, থেমে যায় ভিতরের সব চলমান প্রসেস। এশিয়া প্যাসিফিকের পাহাড়ে চলে যায় মন।

একে একে সবাই চলে যায়, আমাকেও লাইব্রেরি ত্যাগ করতে হবে দুই মিনিটের ভিতরে। কিন্তু যেহেতু দুই লাইব্রেরিয়ান দোকান বন্ধ করার তোড়জোড় ভুলে হালকা গল্পে মজে আছে, তাই সাতটার বেশি বেজে গেলেও আমি এখনও এখানে বসে লিখতে পারছি। তাই পৃথিবীতে বিপরীত লিঙ্গ সৃষ্টি করার জন্য প্রকৃতিকে ধন্যবাদ!

কিন্তু এমনও হতে পারে যে সপ্তাহের এই দিনে লাইব্রেরি আটটা অব্দি খোলা। সেটাই হবে খুব সম্ভবত। কিন্তু তার মানে আমাকে এখন আটটা অব্দি পড়তে হবে। হে প্রকৃতি এ তোমার কেমন বিচার!

আমার আপণ হৃদয় গহন দ্বারে, বারে বারে...

শিবলী ভাই প্রায়ই গাইতো, ক্যাম্পাসের ফুটপাতের গাড়িঘোড়ার শব্দের মাজখানে বা ষোলোতলার ছাদের বাতাসের শোঁশোঁর পাশঘেষে, আমিও কান পেতে শুনতাম। আমার আপণ হৃদয় গহন দ্বারে বারেবারে, কান পেতে রই। এই গান, অথবা আরও অনেক অনেক গান। খালি গলায়। আমার কি যে ভালো লাগতো! শুনতে শুনতে ভাবনার অলিগলিতে হারিয়ে যেতাম। অথবা ভ্রমরটার মত বিবাগী হতাম পদ্মফুলের জন্য, আর সঙ্গিবিহীন অন্ধকারে হতাম রাতের পাখির মত একাকী।

The pain is real

I live alone, I eat alone, I take myself on dates and I sleep alone. In the midst of this I am supposed to learn about myself, I am supposed to figure out what inspires me. But the only thing I learn everyday is this pain, which imposes only difficulty on my progress.

How I wish the life to be real again

Because installing a lot of messenger slows the phone, I try to keep it less. Mine has only 1 GB of RAM, and already using 4 instant messenger on it.

I don't think it can handle so many instant messengers simultaneously. But cannot delete anymore, already deleted IMO, facebook messenger and instagram.

Recently had to install WE chat for someone living in China. But I seldom contact China.

An Important Discovery

Just found out that all of the meat or fish in not protein. Ever since I knew that men need 56 grams of protein every day, I was saving half of that 100 gram sausage for the next morning. But I was such a fool to do so, since 100 gram of sausage contains only 20 grams of protein. Same story with fish and egg.

This is great news since its a difficult task to stop the temptation to eat the whole piece of sausage or the whole can of fish. I was googling around random things and made this great discovery to save my skinny ass. No wonder why I feel so weak physically. Just finished the rest of the canned sardin fish from morning, now here I come, boosted on protein!

But what the heck is protein? And why do we need it?

''Sat Beneath The Lightning Tree''

বায়ার্ন ২ নামের রেডিও চ্যানেলে মাঝে মাঝে খুব ভালো গান বাজায়। Sat Beneath The Lightning Tree নামের এই গানটা বাজাচ্ছিলো। কোনো এক অচেনা শিল্পী। অথচ হটাৎ করেই গানের কথাগুলো খুব চেনা মনে হলো। ইউটুবে দৌড় দিলাম। এক দৌড়ে খুঁজে বের করলাম গানটা। এখন শুনছি তো শুনছিই।

রাত হয়ে গেছে। রাত ১ টায় লিখতে বসা মানে রাতটার সব্বোনাশ করা। তবু সেই সন্ধ্যা থেকে একটু অবসর করে ব্লগে সময় কাটাবো ভাবছিলাম। সে আর হলো কই? সময় খালি দৌড়ায়। তাই হলো না আজ আমার আর ব্লগ লেখা। এই কষ্ট বুকে নিয়ে ঘুমায় পড়ি, কী আর করবো!

'Stop crying your heart out'

So now I have to write in English again since I cannot fix my language input on this computer, but I was trying to translate 'Stop crying your heart out' into Bangla and was failing for a few minutes, and thanks to the situation, I could keep it as it is. 'Stop crying your heart out' is a song by Oasis. Oasis were an English rock band formed in Manchester in 1991, the year I was born in southern Bangladesh.

That year also marks the launch of the humble F-91W by Casio, Japan. Which emitted rays of happiness on me for so many years in my suburban juvenile life.

A letter to Miss Sunshine

Sorry for replying late. I just got back to my room after a 360 km ride and had diner. It took three and a half hour to reach Schweinfurt from Muhldorf.

I had the best Christmas so far! We started the trip on 24th Morning. It was the first Deutsche Autobahn experience for me, we went as fast as 165 km/h. It was awesomely thrilling!

''ডোন্ট লুক ব্যাক ইন অ্যাংগার''

সেদিন বিকেলের দিকে খুব ব্যস্তমত কলাভবনের গেইট দিয়ে ঢুকেই কোনো অন্য কোন না তাকিয়ে সোজা ডিপার্টমেন্টের করিডোর ধরে হাঁটা দিলাম। বাইরে তাকিয়ে দেখি বৈজয়ন্তী। একটা লালচে শাড়ি পড়েছে। হাঁটতে হাঁটতে প্রফেসরের সাথে আলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। এসবের সামলাতে সামলাতেই ওর ব্যস্ত ঠোঁট আর চোখদুটো আমার দিকে ফিরে খুব সুন্দর একটা হাসি উপহার দিলো।

মেয়েটার প্রেমে পড়া আমাকে বিকল করে রেখেছিলো অনেকটা সময় ধরে। কিন্তু সেইসব স্বপ্নের প্রেম মেয়েটার কাছ থেকে পাওয়া হয়নি সেসব দিনে। ওর কাছে আমার চানাচুরওয়ালা মনের সেসব চাওয়া এখন শুধু মাটি চাপাই পড়েই থেমে থাকেনি। সেই মাটিতে ঘাস, তুলসি গাছ সবই ফলেছে।