ইউজার লগইন

নিয়োনেট'এর ব্লগ

'Stop crying your heart out'

So now I have to write in English again since I cannot fix my language input on this computer, but I was trying to translate 'Stop crying your heart out' into Bangla and was failing for a few minutes, and thanks to the situation, I could keep it as it is. 'Stop crying your heart out' is a song by Oasis. Oasis were an English rock band formed in Manchester in 1991, the year I was born in southern Bangladesh.

That year also marks the launch of the humble F-91W by Casio, Japan. Which emitted rays of happiness on me for so many years in my suburban juvenile life.

A letter to Miss Sunshine

Sorry for replying late. I just got back to my room after a 360 km ride and had diner. It took three and a half hour to reach Schweinfurt from Muhldorf.

I had the best Christmas so far! We started the trip on 24th Morning. It was the first Deutsche Autobahn experience for me, we went as fast as 165 km/h. It was awesomely thrilling!

''ডোন্ট লুক ব্যাক ইন অ্যাংগার''

সেদিন বিকেলের দিকে খুব ব্যস্তমত কলাভবনের গেইট দিয়ে ঢুকেই কোনো অন্য কোন না তাকিয়ে সোজা ডিপার্টমেন্টের করিডোর ধরে হাঁটা দিলাম। বাইরে তাকিয়ে দেখি বৈজয়ন্তী। একটা লালচে শাড়ি পড়েছে। হাঁটতে হাঁটতে প্রফেসরের সাথে আলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। এসবের সামলাতে সামলাতেই ওর ব্যস্ত ঠোঁট আর চোখদুটো আমার দিকে ফিরে খুব সুন্দর একটা হাসি উপহার দিলো।

মেয়েটার প্রেমে পড়া আমাকে বিকল করে রেখেছিলো অনেকটা সময় ধরে। কিন্তু সেইসব স্বপ্নের প্রেম মেয়েটার কাছ থেকে পাওয়া হয়নি সেসব দিনে। ওর কাছে আমার চানাচুরওয়ালা মনের সেসব চাওয়া এখন শুধু মাটি চাপাই পড়েই থেমে থাকেনি। সেই মাটিতে ঘাস, তুলসি গাছ সবই ফলেছে।

জীবন-চরিত

ভালোবাসা আমার একেবারে ছেলেখেলার মত। এই আছে তো এই নেই। এইটা আমার দোষ না, ভালোবাসার দোষ, ভালোবাসা কচু পাতার পানি না হয়ে বট গাছ বা তেলাপোকা হলেও পারতো। তখন এক ভালোবাসা টিকে রইত যুগ যুগান্তর। কিন্তু এই অল্পদিনেই কতোবার কত জনাকে ভালোবেসেছি। ওরা বাসে নাই। আমি ফিরে গেছি। এখন বহুদিন পরে চারুকলার সেই মেয়ে আমারে ভালোবাসার চেষ্টা করে। কিন্তু আমি এখন ভালোবাসি সাদিয়াকে।

একটু আগেই ওকে আসি বলে ফেসবুক বন্ধ করে দিলাম। ও বলল, তুমি ভালো ঘুম দাও। আমি বললাম সুন্দর একটা দিন কাটায়ো। ও বলল, আশাকরি। আমি আরো বললাম, সকালে বেশী করে খেয়ো, ও বলল, হু খাবো। আমি বললাম আসি। ও বলল আচ্ছা। কী সুন্দর বার্তা চালাচালি। আমার মনে হলো, আমি একটা উপন্যাস লিখি। সেইখানে আমি আর সাদিয়া অনেকদিন ঘর সংসার করে টরে এই বার্তা চালাচালি করতেছি - এই দৃশ্যটা ভালোই হবে।

4

রাত বারটা বাজে। ফেইসবুকে কয়েক ঘন্টা নষ্ট করে ব্লগে আসলাম। মনে হচ্ছিলো যে আমার আর লেখার মতো কিছু নেই। তখন একজনের লেখার মাঝে এই বাক্যটা চোখে পড়লো- "অথবা আমি ঈর্ষান্বিত হই ওরা সব্বাই সুখী বলে।" মনে হলো এটা আমাদের সবার প্রব্লেম। এ নিয়ে কিছু কথা অন্তত লেখা যায়।

অবশ্য যা যা লেখার তা লেখা আছে অনেক আগে থেকেই। নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিঃশ্বাস থেকে শুরু করে The grass is greener on the other side of the fence বা এলআরবির আসলে কেউ সুখী নয়- সব ভাষাতেই এই কথা লেখা হয়ে আছে অনেক কাল ধরে। তবুও মানুষের এই এক সমস্যাঃ সবাই এতো সুখী আর আমার খালি কষ্ট! আসলে আমরা এ্যাতো জটিল প্রাণী যে আমাদের বেশীদিন সুখে থাকতেও বিরক্ত লাগে।

মাঝে মাঝে আমার মনে হয়, সবারই ম্যালা কষ্ট আছে। আমার এক বার মনে হইছিলো, পৃথিবীতে সবাই একই পরিমান সুখ এবং দুঃখ পায়। এটা হয়তো একটা হাস্যকর থিওরী, কিন্তু এটা সত্যি হতেও পারে।

3

Now I don't know how much I have left. I do not dare to look inside the poor moneybag. One day after the class, three of them were standing outside, I went to them and asked if each of them could give me a Euro. Joshua gave me two, Kudi one and Keldan only 50 Cents. I gotta pay them back as soon as possible. Later that day I came to the dorm and found Buassaba, he said his account is activated. And he gave me 4 Euros. That day I also found under the kitchen sink a lot of water bottles and cans, each of them worth 25 Cents. Someone told me they were here for last couple of months. I wrote on the whatsapp group, looking for the owner. But I cashed them at Lidl. Now if the owner shows up someday, I gotta pay 4 Euros to that person.

2

Sometimes, on some bad nights like tonight, I conclude to myself that I do not fit into this world, and I am too weak to survive the savanna. Some nights, my knees can't bear me anymore. And I just bring my poor self on the bed. The only thought that surrounds me is the fear- the fear of being unfit, disqualified.

Now my eyes are heavy. I could go asleep, but I push myself to write. I got this letter from the town hall. And it says, I have to fill out some additional documents, because I have not registered in time. I was just about to study, but I had to translate the letter into English and the it made me feel down. I texted Doris, but they were not home. Now the next Monday morning, I have to see Mr Franz, the house master and ask for his recommendation regarding it.

ওয়েদার

আবহাওয়া বড় সমস্যা নয়, সমস্যা হলো এইভাবে বেঁচে থাকায় অভ্যস্ত হওয়া। বাইরে বাতাসে বসে আড্ডা মারার কোনো সুযোগ নেই। সবাই ঘরের ভেতরে।ফলে যার কোনো বন্ধু নেই তার শীতের রাস্তা বা নিজের ঘরে একা একা বসে থাকা ছাড়া তেমন কিছু করার নেই। অক্টোবর শেষ প্রায়। রুমের জানালাটাও খোলা রাখার উপায় নাই। আমি আসলে একটা ছোট শহরে থাকি। জাঁকজমক বা নাইট লাইফ বলতে তেমন কিছুই নেই। দিনের বেলায় সিটি সেন্টারের দিকে গেলে কিছু মানুষ দ্যাখা যায়। কেউ বাজার ঘাট করে, কেউ ফুটপাতে সাজিয়ে রাখা জামা কাপড় দ্যাখে। রোদ্দুর থাকলে ফুটপাতে পাতানো চেয়ার টেবিলে বসে বীয়ার বা কফি খায় কেউ কেউ। সন্ধ্যা বা রাতের বেলা বাইরে আমি যত জনকে দাঁড়িয়ে বা বসে থাকতে দেখেছি, তারা নিশ্চয়ই বাস বা বন্ধুর জন্য অপেক্ষা করছিলো।

বুয়াসাবা

কান পেতে রই

একদিন তো সব খেলা থেমে যাবে। সূর্য আর কিরণ দেবে না অকাতরে। সূর্য নিভে গেলে পৃথিবী তার সমস্ত জ্ঞানভাণ্ডার, সমস্ত নাটক সিনেমা গান গল্প কবিতা সুর আর রাগ নিয়ে কোথায় যাবে সেইদিন?

অথবা তার আগেই যদি নিউক্লিয়ার বিস্ফোরণে ছাই হয়ে যাই আমরা সবাই?

অত দূর না ভাবলেও হয়ত এটুকু জানা যায় যে আমাদের এই জীবন আর ফিরে আসবে না মরণের ওপারে। জীবন কতো সীমিত সময় নিয়ে এসেছে আমাদের কাছে, আমি ভাবতে পারি না কিছু, আমার খুব অসহায় লাগে সবকিছু ছেড়ে চলে যাব ভাবলে। এইটুকুন জীবন কতোটা অবহেলা করেছি তা ভেবে শুধু খারাপই লাগে।

মৌনতার কাছাকাছি

বেশী কথা কইবার ক্রান্তিকাল বিদায় হয়েছে নিঃশ্বব্দে এখন
মৌনতার কাছ থেকে চেয়ে নেবার আছে যা কিছু পাওয়া হয় নাই
পাওয়া যায় নাই বেশী বেশী কথা কয়ে এ আমলের দিনমজুর আমি
তাই আর অযথা কথার জালে জড়াতে চাই না কোথাও বরং
চুপচাপ হেটে পথ পেরিয়ে বিছানার কাছে চলে আসা প্রয়োজন দিনটা শেষ করে
ক্লান্তিহীন কথা বলার দিন এভাবেই ফুরিয়ে গেছে কোনো এক পড়ন্ত সূর্জের আলোয়

সুখ আসুক সুখের মতোন

সুখ আসুক সুখের মতোন
আমি খুঁজতে যেতে পারবো না
বহুদিন খুঁজে বেড়িয়ে পা দুটো ক্লান্ত হয়েছে যথেষ্ট আজ
আর তাই ঝুপঝুপে অন্ধকার রাতে কাদাজলে পা রাখতে পারবো না
টুপটাপ বৃষ্টি হতে থাকুক কিংবা মেঘ ডাকুক ঝড় উঠুক কিছুতেই আমি যাব না
সুখ খুঁজতে এই প্রকান্ড অলস দেহ নিয়ে তারচে জানালাটার বাইরে
নিথর দেবদারু গাছের দাঁড়িয়ে থাকা বেশ উপভোগ্য হয়ে ওঠে আমার কাছে আজ আমিও
গাছটার মত দাঁড়িয়ে কিংবা অলস বিছানায় শুয়ে শুয়ে এভাবে অসুখের দিন পার করতে বেশ লাগার কথা

জাপানের জনজীবনের যত ঘটনা

সংস্কৃতি বা জনজীবনের কথা বলতে গেলে বলতে হয় মানুষ আসলে কী করে আনন্দ পায় বা সময় কাটাতে ভালোবাসে। যেকোনো সংস্কৃতির এই প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলতে গেলে টেলিভিশনের কথা প্রথমেই চলে আসে। জাপানীরাও সবার মতই টেলিভিশন, সংবাদমাধ্যম বা রেডিওর দ্বারা প্রভাবিত হয়। তবে টেলিভিশন দেখার ব্যাপারটাও বদলে গেছে- কেননা জাপানী গৃহবধূরা যেসব টেলিভিশন নাটক দেখে থাকেন তাতে সমাজে ঘটে যাওয়া নিকৃষ্ট বিষয়গুলোই প্রাধান্য পায়।

ম্যাগাজিনের কথায় আসলে সেসব ম্যাগাজিনের প্রসঙ্গই প্রধানত চলে আসে- যেসব কাগজ মানুষের মনে সুপ্ত থাকা বাসনা নিয়েই লেখে- কেননা জনমানুষ সাধারণ সংবাদপত্র পড়ে পড়ে একঘেয়ে হয়ে যায়। জাপানের কমিক্স ছেলে বুড়ো সবার অবসরের অনেকটা জায়গা জুড়েই রয়েছে এখনো।

নীল রক্ত

রুম
ব্যালকনিতে আমার গাছটার সাথে আরও বেশ কয়েকটা গাছ। একটা বাগান বিলাস, বাকিগুলোর নাম জানি না। নেশাখোর ছেলেটাকে হাউস টিউটর অন্য রুমে পাঠিয়ে দিয়েছে। আহ কি আরাম লাগলো শুনে। নতুন ছেলেটাই এসব বলতে শুরু করল। একটু পর মেহেদিকে দেখা গেলো। ও মেডিক্যালে পড়ে। গদগদ হয়ে বলল- দোস্ত আমি তোর রুমে উঠেছি।

লিফট

হেমন্তের গল্প

চাঙ্খারপুলের ঐ বাড়িটিতে আমি আগে কোনোদিন যাইনি। ওইদিন আমাদের কোথা থেকে কি শুরু হয়েছিল জানি না। আমি, পদু, গনেশ, রাখাল, অমিতাভ, রঞ্জন, গৌতম মিলে কিছু একটা শুরু করেছিলাম। সেই কিছু একটার শুরু হয়েছিল গাঁজা খাওয়া থেকেই। এরপর চান্দা তুলে মাল খাইতে খাইতে আমরা আরও এক লেভেল উপরে ওঠার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতে শুরু করলাম।

সেই অনুভবের বশবর্তী হয়ে দলেবলে পৌঁছে গেলাম চাঙ্খারপুলের ঐ বাড়িটিতে। তিনতলা। একটা অপ্রশস্ত করিডোর চলে গেছে ফ্ল্যাটের দরজা থেকে পেছনের দিকের ওয়াশ রুম পর্যন্ত। এটি একটি নটিপাড়া। ম্যানেজারটি দেখতে ঠিক নটিপাড়ার ম্যানেজারদের মতো নয়। আমাদের জেনারেশনের ছেলেদের মতো মুখে দাড়ি। বেশ ভদ্র গোছের মনে হল। আমরা বললাম- আমাদের কাছে কাউকে পাঠিয়ে দিতে।

শেষ থেকেই শুরু

শেষ থেকেই শুরু করতে হবে। দিন শেষে প্রথম কাজ হচ্ছে দ্রুত বিছানায় যাওয়া। একজন সুস্থ মানুষের ছয় ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। সেই হিসেবে ঘুমাতে যেতে হবে যাতে ঘুম আসার আগের অস্থিরতা পাশ কাটিয়ে ছয় ঘণ্টা ঘুম হয় এবং সূর্যোদয়ের দেড় ঘণ্টা আগে ঘুম ভাঙ্গে। পৃথিবীর প্রকৃতি, আবহাওয়া ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এটাই একটি সুস্থ, কর্মময় এবং আনন্দময় জীবনের সঠিক স্লিপিং সাইকেল।