ইউজার লগইন

সনৎ'এর ব্লগ

প্রিয়তমা কলেজ

আজকে রাতে আমি একেবারেই জড়ো পদার্থে পরিণত হয়েছি। প্রাণহীন, কি যে করি। সব ছেঁড়ে ছুঁড়ে বহুদুরে ছুটে যেতে না পারার গ্লানি আঁকড়ে ধরেছে মনটাকে। নিঃসঙ্গতা ঘিরে ধরছে। আমার পাশে কেউ নেই। এই বিশাল শুন্যতা ভাগাভাগি করলেও কি আর এমন কম হোতো?

শুন্যতা শুরু হয়েছে অনেক আগেই। যেদিন ছেলেপেলে কলেজে গেছে রি-ইউনিয়ন করতে। আর আমি যেতে পারিনি। আজকে দুপুরটায় যখন নিজের সঙ্গে অন্তরঙ্গ সময় কাটাচ্ছি হলের ফুল বাগানে তখন থেকেই টের পাচ্ছি যে নিজেকে ধরে রাখতে পারছি না আর এক মুহূর্তও। কলেজের করিডোরগুলোকে ডেকে এনে পাশে বসিয়ে দেখাতে ইচ্ছে করছে আমার জানালা, মাঘের দুপুর আর বুকের ভেতরের শুন্যতা। প্যারেড গ্রাউন্ড আর একাডেমিক ভবনের সিঁড়িগুলোকে শোনাতে ইচ্ছে করছে আজ আমি কতোটা বদলে ফেলেছি নিজেকে। আর ফাইনাল পরীক্ষার ষড়যন্ত্রে আটকা পড়ে কি করে দিন কাটাচ্ছি।

ফিরে এসো সমাজ

দরজা জানালা বন্ধ করা। তারপরও মনে হচ্ছে বেড়ার ফুটো দিয়ে শির শির করে বাতাস ঢুকছে ঘরে। রাত প্রায় শেষ। একটু পরেই মাইকে আজান দেবে। ঘণ্টা কয়েক ধরে ইন্টারনেটে বার্তাচালাচালি করে যখন খুব খিদে লেগেছে তখন একটু ফেসবুকে ঢুকে পড়লাম। আর দেখি একটু আগেই সুফিয়া কামাল হলের একটি রুমে "লেট নাইট কুকিং'' শেষে খাবার দাবারগুলো সযত্নে পরিবেশন করে রাখা হয়েছে।

থালার মাঝখানে একবাটি ভাত উল্টো করে রাখা, চাইনিজদের মত করে। তার পাশে চিংড়ি মাছের কি একটা তরকারি। ভাতের উপরে একটু ধনে পাতা। আর গোলাপ ফুলের মত করে কাঁটা একটা টমেটো। ছবির ক্যাপশনে লিখেছে ''লেট নাইট কুকিং। শ্রিম্প উইথ সবজি, আর কি চাই? কার কার খিদে পেয়েছে??''

আরও ব্লগ-১

ডক্টর নোবডি
-মীজান রহমান

আমার দীর্ঘ প্রবাসজীবন প্রায় সমাপ্তির পথে। অনেকদিন থেকেই বলে আসছি বেলা পড়ে এল। এবার বোধ হয় সত্যি সত্যি পড়ে আসবে।

কিন্তু তারপর?

তার আর পর কি। কিছুই না। পৃথিবী যেমন আছে ঠিক তেমনই থাকবে। তিলমাত্র নড়বে না কোনদিকে।

নিজেকে দারুণ গুরুত্ব দিতাম একসময়। এখন বুঝি নিজেকে যারা বেশি গুরুত্ব দেয়, সংসারে আর কেউ তাদের বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দেয় না। বরং হাসে। যেমন আমি হাসি আজকে। নিজেকে নিয়েই। নিজের গুরুত্বহীনতা নিয়ে। নিজের মূর্খতা ও মূঢ়তা নিয়ে হাসতে পারার নামই আত্মজ্ঞান, আমার মতে।

লোকে আমার জীবনকথা জানতে চায়। আমাকে তারা দেখে সফল প্রবাসী রূপে। ‘সফল’ প্রবাসী কাকে বলে? যে সফলভাবে নির্মূল? সফলভাবে বাড়ির মর্টগেজ চুকে দিয়েছে? যার ছেলেমেয়েরা একশব্দ বাংলা বলতে পারেনা? যে তার ঠিকানা ভুলে গেছে বলে গোটা বিশ্বটাকেই ঠিকানা বলে চালিয়ে দেয়?

পেলে অবসর, বসে ভাববো, শুধু ভাবনা।

ক্যামন আছি সত্তি জানি না। সময় দরকার। পড়াশোনা, কাজ কর্ম সারা এবং গুছিয়ে চিন্তা করার জন্য। হয়ত পিছিয়ে পড়ছি। কিন্তু অবকাশটাও দরকার বলে মনে হচ্ছে।

আমার আসলে একটা অবকাশ দরকার। অন্তত একটা বছর। হয়ত তাই হতে যাচ্ছে। তাই যদি হয় তবে জীবনের পরবর্তী বছরগুলোর একটা পরিকল্পনা ও দিক নির্দেশনা প্রস্তুত করে ফেলতে হবে এর ভিতরেই।

অনেক কাজ করা দরকার। প্রধানত শিক্ষামূলক। বই পড়া এবং ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করা। পরিস্থিতি যথেষ্ট ঘোলাটে হয়ে আছে বলে জীবন নিয়ে এখন কিছু ভাবাও প্রায় অসম্ভব। ফাইনাল পরীক্ষার পর চাকরি খোঁজার সুযোগ আছে হয়ত, কিন্তু সেটা করা ঠিক হবে না বলে কেউ কেউ বলছে। আমারও সেটাই মনে হচ্ছে। কেননা তাতে আমি এই অবকাশটা পাবো না।

তুমি যদি নদী হও

পাঁচ মিনিট ধরে ভাবলাম। কিন্তু কিছুতেই কি দিয়ে লেখা শুরু করবো খুঁজে পেলাম না। সারারাত ছুটে বেড়ানোর সময়টাতে লেখার জন্য মন টানে, কিন্তু কয়েক ঘণ্টা নিজেকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ানোর পর রুমে ফিরে আসি যখন তখন বসতে ইচ্ছে করে না।

কিন্তু কি দিয়ে লেখা শুরু করা যায়? মনের ভিতরে কত কথা ছিল। তারা সব গেল কোথায় যেন হারিয়ে। জেমসের গান প্লেলিস্টে। আঙুলগুলোও নেশাতুর হয়ে থাকতে চায়। কবিতা, তুমি স্বপ্নচারিনী হয়ে খবর নিও না।

হারিয়ে যাবার ঠিকানা বলে নাকি আসলে কিছু নেই। হারিয়ে যাওয়া মানে নাকি নিজেকে আবার খুঁজে পাওয়া। আমি কেন বার বার হারিয়ে যেতে চাই? অনেক লোকের ভিড়ে কিংবা একা ছাদে গিয়ে? নিজেকে খুঁজে পাবার জন্যই মনে হয়। তার মানে নিশ্চয়ই আমি সব সময় নিজেকে খুঁজতে থাকি। কিন্তু এসব তাত্ত্বিক আলোচনা বৃথা। ফুল নেবে না অশ্রু নেবে বন্ধু?

শীতের বিকেলগুলো

এভাবে কেন চলে যাও
পৌষের এই বিকেলের মত
তোমার সাথে কথা ছিল যত
মুছে দিতে দিতে চাও
এই প্রেমটুকু বিকেলের শেষ নিশ্বাসে?


আমার খুব বিষণ্ণ লাগছে
অনেক অনেক দিন ধরে
আর অবিকল এরকম আরও একটি বিষণ্ণ সন্ধ্যা
যখন আমাকে গিলে ফেলেছে প্রায়-
তখনই তোমার সাথে আমার পরিচয়।

বেশ হত যদি বলতে আমি টি এস সি তে-
এক্ষুনি চলে এস আমাকে নিতে
টর্নেডোর মত হাজির হতাম
পাঁচ মিনিটে স্নান সেরে
এতো দেরি করলে কেন- তবুও তুমি গাল ফুলোতে।

অথচ তুমি করে ডাকার অধিকারও আমার হয়নি এখনো।

ফুলগুলো সব যাচ্ছে ঝরে

লিখতে বসতে বসতে একটা গান মনে পড়ল। একটি দুটি তিনটি করে ফুলগুলো সব যাচ্ছে ঝরে, ফুলবতী গাছের বুকে ভীষণ হাহাকার। গীটার বাজিয়ে এক বন্ধু গানটা গেয়ে থাকে। গানের কথার সাথে নিজের বাস্তবতার মিল আছে কি? বর্তমানকে বিশ্লেষণ করলে বেশ খানিকটা মিল পাওয়া যেতে পারে।

শীতকালীন নিয়মানুসারে আজও বেলা দুপুরে ঘুম ভেঙ্গেছে একটা নিমন্ত্রণের ফোনে। সন্ধ্যায় জহুরুল হক হলে মুরগী পুড়িয়ে খাবার নিমন্ত্রণ। অনেকেই ভাবতে পারেন মুরগী পোড়ানো স্রেফ নাম করন, আসলে খাবে নেশা পুড়িয়ে। কিন্তু বিশ্বাস করুন বন্ধুগণ পরীক্ষার আগের এই সন্ধ্যাগুলোতে স্রেফ মুরগী পোড়ানোর বিষয়টাই দারুণ রোমাঞ্চকর লাগে।

আজকে প্রাতঃকৃত্য সারার সময়ে পত্রিকার সাহিত্য পাতায় একটা গল্প পড়ছিলাম। লিখেছেন ধ্রুব এশ। দারুণ বস্তাপচা গল্প। তাই আবার কাগজেও ছেপেছে। কিন্তু আমি পড়লাম। স্রেফ মগজের জং টা একটু তাড়াবার জন্য।

আলস্যের দিনলিপি ৩

আমার সবকিছু প্রচণ্ড অগোছালো হয়ে আছে। কতোটা অগোছালো তা মাপারও কোনো উপায় নেই। পড়াশুনা করি না কত যুগ তারও হিসেব নেই। অনেকদিন হল ক্লাসে যাই না। অনেকদিন হল বেলা দুপুর করে ঘুম থেকে উঠি। হটাৎ করে একদিন শীতকাল চলে এলো। আর আমার আলসেমিও কয়েকগুণ বেড়ে গেল। আমি আসলে করি টা কি? কোথায় আমার মন, জানি না।

অথচ আজ সকালে ঘুম ভেঙেছে। স্নান করে একটা ডিম ঝালফ্রাই দিয়ে ব্রেকফাস্ট করেছি। নজরুলের গান শুনতে শুনতে আরাম করে একটা সিগারেটও টেনেছি- মোর ঘুম ঘোরে এলে মনোহর। আহা কি স্নিগ্ধ সকাল। আর ভাবছি কেন ক্লাসে গেলাম না। এই ক্লাসটা খুব বেশি জরুরি নয়।

আলস্যের দিনলিপি ২

আজকে আশ্চর্যজনকভাবে সবকিছুই ঠিক যেমনটা হওয়া দরকার প্রতিদিন তেমন। রাত সাড়ে নয়টা এবং আমার ব্যাগে একটা কম্পিউটার। মাথার ভিতরে ঘুমোতে না দেওয়া ঝোড়ো বাতাস, রনি ভাই এবং তিনটি গীটার। আস্থা হারানো এই মন নিয়ে আমি আজ তোমাদের কাছে এসে দুহাত পেতেছি। ঠিক যেন স্বপ্ন দেখবো বলে, আমি দুহাত পেতেছি।

কিন্তু কীসের স্বপ্ন? চারপাশে দুঃস্বপ্নের মত জীবন। সবাই কি যেন হাতড়ে বেড়াচ্ছে। একজন গাইছে আমায় ধরে রাখ, অন্য কেউ গাইছে কোথাও প্রেম খুঁজে না পাবার যন্ত্রণা। আমিও কি জানি একটা খুঁজে বেড়াচ্ছি। এসব এখন শুধু এলোমেলো কথা হচ্ছে হয়ত, হয়ত এরকমই হবে আরও অনেক দিন।

যে গেছে ছায়া তার বনবিথীতলে

১.
কি জানি কি
সে ভাবে
যখন
চোখে চোখে গ্রহণ হয়
কি জানি কোথায়
সে চলে যাবে।

২.
ব্ল্যাকবোর্ডে
রাশি রাশি ইনফরমেশন
ইউরোপ আফ্রিকা ফ্রান্সের রাজধানী
তখনই সে হয়ত তাকাবে জানালায়
আর একরাশ চুল উড়ে যাবে শিমূলের তুলোর মতন
আমার ক্রিয়া বিশেষ্য সর্বনাম সব এলোমেলো হয়ে যাবে বারবার।

৩.
কতবার একা হয়েছি জানি না
কতবার হারিয়ে যেতে চেয়েছি কত কত চোখে নাকে ঠোঁটে
তবুও যখন তুমি হাত রাখো গালে
আর নরম চুলে ভেসে ভেসে যায় আঙুল
সুস্মিতা
তখন আমি আবার একা হয়ে যাই
আমার রাজরক্তে ঢুঁকে যায় বিষ
চৈত্রের কথা মনে পড়ে
দৃশ্যমান হয় চৌচির হতে থাকা মাঠ

কতবার আমি একা হয়েছি
সুস্মিতা জানে না।

আলস্যের দিনলিপি

বিকেলটা দেখতে দেখতে চলে গেল। চোখের সামনে। ভাবসিলাম ছাদে যাব, জানালা দিয়ে দূরের সবুজ দেখতে পাচ্ছিলাম একটু আগেও। গাছপালার পাতায় সোনালি রোদ পড়লে কেমন দেখতে হয় তাই ভাবছিলাম। কিন্তু ছাদে ওঠা হল না।

এই শহরের এত মানুষ, কতজনার কত চাওয়া। আমার মত অনেকেরি নিশ্চয়ই অনেক কিছু করা হয়ে ওঠে না। চোখের সামনে বিকেলগুলো পার হয়ে কোথায় যায় কে জানে।

আমারও অনেক কিছু করার কথা ছিল। পড়াশুনার হিসেব নিকেশ, আরও অনেক কিছু। সব ফেলে রেখেছি অনেক দিন ধরে। অদ্ভুত এক আলস্য জড়িয়ে আছে আমার মনে। কোথায় যাওয়া যায়? কি করা যায়?

দেয়ালে পোষ্টার সাঁটাতে ইচ্ছে করে না, সিনেমা দেখতে ইচ্ছে করে না, শেষ রাতে নুডুলস সেদ্ধ করতে ইচ্ছে করে না। লিখতে পড়তে ইচ্ছে করে না, মানুষের সাথে কথা বলতেও ইচ্ছা করে না।

রুমমেটরা ফুল হাতা জামা পরে চুল আঁচড়িয়ে বাইরে বেরচ্ছে। আমি ক্রমশ অন্ধকার হতে থাকা বিকেলের দিকে তাকিয়ে আছি এখনো।

Too much of nothing

There is a moment when it’s time to say goodbye and go home. I know I have it coming. Sometimes I’d think that every night I’d look at the day I passed and see how many things I have done. And sometimes I’d just laugh about me, having spent the day thinking about planning the day. Well, some days, I let the day go by, spending a lot of time, and most of the time I doing nothing. Someone would call me super lazy, I’m the laziest one I seen all my life, always doing things at deadline. So what do I do before the deadlines? Affording leisure someone might say. But that’s hard to figure out.

To know what really matters

I have a friend who's always worried that she lacks a lot of skills, skills like remembering little things in her daily life that make her lose confidence and she often thinks she can't make her life; if not always, sometimes.

And that's what she was telling me in the last phone call. Now I write about that to put some extra importance in it because its something we all should remember. And that is- it should not upset anyone if he or she sometimes fails to manage the things that are supportive of someone's life, like cleaning dishes and preparing food or managing transport or the place where someone lives; as long as someone is alright with what really matters- the speed and smartness of mind.

ভাল থেকো নীলাকাশ

তুমি কি দেখেছিলে ভয় পাওয়া মানুষদের
শুনতে পেয়েছিলে আকাশে বোমার শব্দ
আর বুঝতে পেরেছিলে কি কেন আমরা পালিয়েছিলাম?
যখন নতুন একটা পৃথিবীর স্বপ্ন জন্ম নিয়েছিল
এই আকাশের নিচে

আগুণ নিভে গেছে অনেক আগে, কিন্তু ব্যথা আছে এখনো।
ভাল থেকো, নীলাকাশ।

মূলঃ রজার ওয়াটার্স, ১৯৭৯ সালে পিঙ্ক ফ্লয়েডের দ্য ওয়াল অ্যালবামে প্রকাশিত।

(লেখাটা ৫০ শব্দের বেশি হওয়া সত্ত্বেও প্রকাশ হচ্ছিলো না। তাই আমি ব্রাকেটের ভিতরে এই লাইনগুলো লিখছি। কিন্তু লেখার আকৃতি সর্বনিম্ন ৫০ শব্দ হতে হবে- এমন বাধ্যবাধকতা থাকার আদৌ কোন প্রয়োজন আছে কি? আমার মনে হয় এই বাধ্যবাধকতার কারনে অনেকেই সমস্যায় পড়তে পারেন, যে সমসসার সমাধান আমাকে এভাবে করতে হল। ধন্যবাদ। )

এই নশ্বর জীবনের মানে শুধু তোমাকেই চাওয়া

কালকের সন্ধ্যাটা ভালো শোরগোল করেছিলাম আমরা। অবশ্য দিনের শুরু থেকেই বিভিন্ন আয়োজন ছিল। বাচ্চাদের জন্য আনন্দ শোভাযাত্রা, সেই সাথে সামনে পিছনে গাড়ি আর মোটরসাইকেল। কিন্তু রাস্তায় কেউ হর্ন বাজাচ্ছিলো না, যাতে বাচ্চাদের কোলাহল এলাকাবাসী শুনতে পায়। এই ছিল শিশুদের জন্য বড়দের সেদিনকার আয়োজনের শুরুটা।

এদিকে আমি কি করবো বুঝতে পারছিলাম না। সকাল বেলায় বেরিয়েছিলাম আমার রুম থেকে। কিন্তু পথেই দু’চারজনের সাথে দেখা হয়ে গেল- যারা আমার মত বেরিয়ে পড়েছিলো অযথা। আমরা একসাথে ব্রেকফাস্টে ঢুকলাম। রেস্তোরাঁর পচা পাউরুটি আর ডোবার জলের মত লাল চা ফেলে আমি আর মুন শোভাযাত্রার একটা গাড়ির মাস্তুলে ঝুলে পড়লাম।