ইউজার লগইন

জাপানের জনজীবনের যত ঘটনা

সংস্কৃতি বা জনজীবনের কথা বলতে গেলে বলতে হয় মানুষ আসলে কী করে আনন্দ পায় বা সময় কাটাতে ভালোবাসে। যেকোনো সংস্কৃতির এই প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলতে গেলে টেলিভিশনের কথা প্রথমেই চলে আসে। জাপানীরাও সবার মতই টেলিভিশন, সংবাদমাধ্যম বা রেডিওর দ্বারা প্রভাবিত হয়। তবে টেলিভিশন দেখার ব্যাপারটাও বদলে গেছে- কেননা জাপানী গৃহবধূরা যেসব টেলিভিশন নাটক দেখে থাকেন তাতে সমাজে ঘটে যাওয়া নিকৃষ্ট বিষয়গুলোই প্রাধান্য পায়।

ম্যাগাজিনের কথায় আসলে সেসব ম্যাগাজিনের প্রসঙ্গই প্রধানত চলে আসে- যেসব কাগজ মানুষের মনে সুপ্ত থাকা বাসনা নিয়েই লেখে- কেননা জনমানুষ সাধারণ সংবাদপত্র পড়ে পড়ে একঘেয়ে হয়ে যায়। জাপানের কমিক্স ছেলে বুড়ো সবার অবসরের অনেকটা জায়গা জুড়েই রয়েছে এখনো।

আরও কিছু জায়গা দখল করে রয়েছে নানা রকমের জুয়া খেলা, হতে পারে তা রেসের ঘোড়া, রেসের গাড়ি কিংবা পিন বল। এছাড়া অনেক নব আবিষ্কৃত কারাওকে ব্যবস্থা ব্যবহার করে গান গেয়ে আনন্দ পেয়ে থাকে।

জাপানের সেক্স সম্পর্কীয় ব্যবসার কথাও বলা আবশ্যক - এসব ব্যবসা লাভ ইন্ডাস্ট্রি এর ভিতরে পড়ে। এর ভিতরে আছে পতিতাবৃত্তি, ম্যাসেজ পার্লার, স্নানাগার সহ শারীরিক সুখ উপভোগ করবার বিভিন্ন আধুনিক ব্যবস্থা। অনেক মানুষ ক্লান্ত দিন শেষ করে পা বাড়ায় শহরের সেই প্রান্তে- যেখানে সব ক্লান্তি আর বিষাদ ঝেড়ে ফেলে খানিকটা সুখ অনুভব করার ঝলমলে বন্দোবস্ত একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে স্বাগত জানাতে সদা প্রস্তুত।

(আমার এক বন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপান বিষয়ে লেখাপড়া করে। ও বাংলা লিখতে পারে না অভ্রতে। তাই মেজাজ খারাপ করে ওর বাড়ীর কাজ করে দিতে হল। যাইহোক- ফেলে দিতে ইচ্ছে করছে না লেখাটা। )

পোস্টটি ৫ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

মীর's picture


জাপানীরা যে এত ব্যাডঅ্যাস্ জানতাম না Big smile

সনৎ's picture


Crazy আমিও না। কুরোসাওয়ার সিনেমায় যা দেখেছি তাই ভেবেছি খালি।

শারমিন's picture


হ্যাঁ, যা বলেছে সব সত্যি। এরা জুয়া খেলে সর্বস্ব্য হারায়, এরা সারাদিন শেষে ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফিরে বিয়ার বা মদ খেয়ে ঘুমায়। প্রতিদিন খাবার খাওয়ার মতই স্বাভাবিক এদের সেক্স করা। বিয়ে হোক আর না হোক। কিন্তু এই সেক্সটা রেপ নয়। জুয়া খেলে তারা ঠকে, কিন্তু ঠকবাজী করে মানুষের টাকা নেয় না। তারা মদ খেয়ে ঘুমায় যেন ঘুমটা ভাল হয়। এরপরদিন কাজ করতে আলসেমী না লাগে। কারণ তারা যত যাই হোক নিজের কাজটা করে সৎ ভাবে। কারণ তাদের পতাকার সাদা রং টার মানে তারা সৎ মানুষ। অসৎ যে নেই তা বলব না। তবে এত বছরেও অসৎ কারো মোখামোখি হই নি।
বন্ধুটা বাড়ির কাজ ঠিক মত করে নি। আমিও একটু সাহায্য করলাম নিজের অভিজ্ঞতা থেকে। ফেলতে ইচ্ছা হলে ফেলে দিতে পারেন।

সনৎ's picture


ধন্যবাদ। আপনি জাপানে থাকেন ?

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.