ইউজার লগইন

লাবণী'এর ব্লগ

স্বপ্নের সাঁকো...... ღღღ

norokerpapiblog_1226679901_1-2222222.jpg

=====================================ღღ

বর্ষায় জলের পর্দার ওপাশে সমস্ত শহরটা যখন নড়তে থাকে…স্বপ্নবতী ধীরে ধীরে নিজের চোখকে ঝাপসা করে...প্রতিটা বস্তু সে অন্যভাবে অনুভব করে। এটা তার অনেকদিনের পুরোনো অভ্যাস। অভ্যাসের শুরুটা হয়েছিল কোনো এক বর্ষায় উঠানের শিমুল গাছটা দেখে। গাছটার দিকে তাকিয়ে অন্যমনস্ক হয়ে কি যেন ভাবছিল...হঠাৎ সে লক্ষ্য করলো শিমুল গাছটার স্থানে এক নারীমূর্তি দাঁড়িয়ে আছে। যার মাথার চুল খোলা আর আর হাতদুটো উপরের দিকে...নৃত্য করার ভঙ্গিতে। সেদিন-ই স্বপ্নবতী যেকোনো কিছুকে ঝাপসা করে দেখার মজাটা আবিষ্কার করলো। আজও ঝমঝম বৃষ্টির মধ্যে নিজের শোবার ঘরের জানালার পাশে দাঁড়িয়ে স্বপ্নবতী সবকিছুকে নিজের মনের মতো করে দেখছে...ল্যাম্পপোস্ট, রিকশা, দোকানদার, পথচারী---কেউই রেহায় পাচ্ছে না তার দৃষ্টি থেকে।

সেলফোনের মেসেজ টোনটা বাজতেই বাস্তবে ছিটকে এলো স্বপ্নবতী। স্বপ্নহারার মেসেজ--

♥♥♥ভালোবাসাখ্যান♥♥♥

প্রেম জীবনকে দেয় ঐশ্বর্য, মৃত্যুকে দেয় মহিমা, কিন্তু প্রবঞ্চিতকে দেয় কি? তাকে দেয় দাহ। যে আগুন আলো দেয় না অথচ দহন করে, সেই দীপ্তিহীন অগ্নির নিরদয় দহনে পলে পলে দগ্ধ হলেন কান্ডজ্ঞানহীন হতভাগ্য চারুদত্ত আধারকার।

মারাঠি ব্রাহ্মণ চারুদত্ত আধারকার-এর প্রেমের নিদারুণ সমাপ্তি হয়েছে যাযাবরের দৃষ্টিপাত বইয়ের শেষ তিনটি লাইনে। হৃদয়ের লুকায়িত ভালোবাসার সমাপ্তি হয়না কোনোদিন। “তুমি যদি চাও সূর্যকে নিয়ে যাবো তোমাদের বাড়ি, তুমি যদি চাও অক্সিজেনের সাথে করে দেবো আড়ি, যদি তোমার দু’চোখ রাত্রির খোঁজে...পৃথিবীকে দেবো মুড়ে...তুমি চাইলেই বোবা পৃথিবীটা ভরে দেবো সুরে সুরে---" নচিকেতার মতো অনেকেই প্রিয় মানুষটির উদ্দেশ্যে এরকম হাজারো শপথ বাক্য পাঠ করে। অবশ্য বার্নাড শ অন্য কথা বলেছেন, “প্রেম হলো একটা জ্বলন্ত সিগারেটের মতো, যার শুরু আগুন দিয়ে এবং শেষ ছাইয়ে”... এ কথার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। Angry গুল্লি
কারণ প্রেম একান্তভাবে মানব আত্মার সম্পত্তি। আর আত্মার সম্পত্তির কি বিনাশ হতে পারে? Oups

♥♥♥

শেষ দৃশ্যের আগে......!!؟

8dd8f975c45035058a310a8f15bc9ea4-d35pery.jpg

তাদের কখনো দেখা হয়নি...চোখের তারায় চোখ রাখা হয়নি.....রেস্টুরেন্টে বসে গরম চায়ের পেয়ালায় চামচ দিয়ে নাড়তে নাড়তে ভালোবাসার উষ্ণতা প্রকাশ করা হয়নি...। তবুও তারা সমান্তরালে অবিরাম স্বপ্ন বুনেছে.....

মেঘের পর্দার ফাঁকে উকি দেয় ম্লান রোদ।
এমন দুপুরকে মন খারাপ করা দুপুর বললেও যথার্থ হয়। চয়ণ আরো জোরে পা চালায়। রুবা আজ চয়ণকে তার স্বপ্নকন্যার সাথে পরিচয় করিয়ে দেবে।

⊰ধূসর স্বপ্ন: অমাবস্যা......‼⊱

2012021813295690421441743914.jpg
⋆╰☆╮⋆╰☆╮⋆╰☆╮⋆╰☆╮⋆╰☆╮⋆
ঠিক যে মুহূর্তে পৃথিবীর বুকে রঙীন প্রজাপতি হয়ে উড়তে চায়লে....ঠিক তখন-ই তোমার পৃথিবীটা ক্রমেই ছোট হয়ে আসছে। রঙীন পৃথিবীর রঙে রাঙানো কিংবা রঙ বদলের খেলা .....কোনোটির সঙ্গে তাল মেলাতে না পেরে তুমি আজ পৃথিবীর নির্মমতায় বিমুগ্ধ। জানি, তোমার সাধ অনেক....কিন্তু জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে আজ বিনা প্রতিবাদে মাথা পেতে নিতে হচ্ছে বলে তোমার সাধ্যও সীমিত। এ সীমিত সাধ্যের সীমাবদ্ধতা যেমনি তোমার স্বপ্নিল সাধগুলোকে সংকুচিত করেছে....তেমনি তোমাকেও.....

তুমি সুখ যদি নাহি পাও, যাও সুখের সন্ধানে.....

2011-12-24-1324720852-d41d8cd98f00b204e9800998ecf8427e706.Dancing_in_the_Moonlight_by_Piaz.jpg
==============================

জীবনে ঘটে যাওয়া সব ঘটনার নিজস্ব একটা রঙ আছে। একান্ত অবসরে আমরা সেসব সাজিয়ে দেখি। হয়তো হিসাব কষি পাওয়া না পাওয়ার....ফলশ্রুতিতে কেবলই হতাশা...!

ভাবনাবিলাস......↭↜↝♥

full-moon-angel-lwp-11-1.jpg
=========================

এমনিই......কোনো কারণ নেই...মিছেমিছিই...শুধু মনে হয়.........মনে হতেই থাকে!!...
সূর্যোদয়ের তীব্রতার সাথে...
রাস্তার ঐ অস্বস্তিকর জ্যামটা দীর্ঘ হওয়ার সাথে সাথে...
মুখে গ্রাস তোলার কালে...
এমনকি হোঁচট খাওয়ার সময়...
যেন মনে হওয়াটা কোনো পাপ নয়, বিরাট পুণ্যি। যেন মনে হলেই লাভ, জীবনের সার্থকতা। মনে না হলেই যেন সবকিছু অলৌকিক হয়ে যাবে...আমার কোনো উপায় থাকবে না। মনে না হলে যেন অন্ধ গলি ধরে ঘরে ফেরা অসম্ভব হবে। দ্রুত বেড়ে যাবে চুলের খুশকি...মরে যাবে নখের সৌন্দর্য। মনে না হলেই বুঝি অর্থহীন হয়ে পড়বে এই স্ট্রাগল...। তাইতো আমার মনে হয়...!!!
=================================

অপেক্ষা............

Salam-37.jpg

================================
রাতের আকাশে হাজার তারার ভিড়ে আমি একাকী হারিয়ে যেতে চাই, পারি না!
আনমনে অবাক হই...হারিয়ে যেতেও কি তবে সঙ্গী লাগে?
যদি তা-ই হয়...আমি অপেক্ষায় আছি...
দুপুরের ব্যস্ত রোদে আমি একলা হাঁটি,
হাতের আইসক্রিমটা আধ খাওয়াই রয়ে যায়।
আমি অপেক্ষায় আছি...পাশাপাশি হাঁটবো বলে...
ভরা সন্ধ্যায় উতলা হাওয়ায় চুল এলিয়ে বারান্দার গ্রিল ধরে অপেক্ষার জন্য
আমি অপেক্ষায় আছি...

মাঝরাতে মুঠোফোনে কেউ আমায় মনে করিয়ে দেয় না, আজ কোজাগরী পূর্ণিমা।
জ্যোৎস্না তাই অধরাই থেকে যায়।
সেই জ্যোৎস্নায় স্নানের অপেক্ষায় আছি..
শীতের ভোরে আগুন গরম কফির মগ হাতে যখন দাঁড়িয়ে থাকি ছোট বারান্দায়...
তখন কোনো গভীর চোখ আমাকে জোড়া শালিক খুঁজে দেয় না।

সর্বংসহা............

Glass WInged Butterfly.jpg
==============================
বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যার বিষন্ন আলোটুকুও ঢেকে পড়েছে কুয়াশার চাদরে। ঘরের পুব পাশের জানালাটা দিয়ে আকাশের বেশ খানিকটা চোখে পড়ে। দৃষ্টির লাঙ্গল চষে বেড়ায় আকাশের বুক চিরে। হঠাৎ কেন জানি বুকের মধ্যে আকুলি-বিকুলি করে উঠে বোবা কষ্ট। যে কষ্ট ফোঁটা ফোঁটা শিশির বিন্দুর মতো জমাট বেঁধে আছে বুকে। কখনো অবসরে অগোচরে সে বরফ গলে পড়ে অশ্রু হয়ে।
বাতাসের স্পর্শে শিরশির করে উঠে শরীর। আচম্বিতে মনে পড়ে মেয়েটা এখনো বাড়ি ফেরেনি।

☻◐☺¿¿

13557_170909102286_101700882286_2614077_7899942_n.jpg
=====================================================
প্রতিদিনকার মতো এলার্ম ক্লকের কর্কশ শব্দে আজ ঘুম ভাঙ্গেনি। সূর্যের কোমল রশ্মি যখন কাঁচের জানালা ভেদ করে ঘরে ঢুকছিল, তখন কেনো যেন মনে হলো আজ আর বেলা করে বিছানা ছাড়া ঠিক হবে না। উঠে গিয়ে পাশের বারান্দায় দাঁড়াতেই মনে হলো টবে রাখা গাছগুলো বলছে আজ তাঁদের ভালো লাগছে। দোতলা থেকে নিচে তাকাতেই দেখলাম, ঘাসের উপর শিশির বিন্দুগুলোও আজ অন্যরকম। এক দৌড়ে গিয়ে আঙ্গিনার মাটির স্পর্শে পাগলপারা হয়ে গেলাম।

আমি তো খেয়ালই করিনি ডালিম গাছে বসে একটা বুলবুলি ডাকছে। দেয়াল ঘেঁষে দেবদারু গাছগুলো কেমন মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, তারা ডালপালা নেড়ে আমাকে বলছে, ওগো সুকন্যা...আমরা তোমাকে ভালোবাসি, খুউউউউউব ভালোবাসি, ভীষণ ভালোবাসি......

এক চিলতে বারান্দা থেকে এক টুকরো সবুজ.........

১. e.jpg

শীতের সন্ধ্যায়, আমার তোমার কি কোথাও হারিয়ে যাওয়ার কথা
তারার নিচে, বাতাস বয়ে যায়, আমার তোমার কি কোথাও লুকিয়ে থাকার কথা
সময় কি আমাদের স্বপ্ন দেখাবে, নাকি নিয়ে যাবে আরও দূরে
চল ভাবি এই আশাতে একসাথে হাত ধরে
সেই রোদ জ্বলা মিষ্টি শীতে ভোরে বিকেলে.....
লুকিয়ে (অর্ণব)

========================
২. laabony_1298993876_6-virus_42.jpg

তুই গান গা ইচ্ছেমতো, বাতাসকে খুশি করে বাঁচ
সবুজের বুক পাতা শিশিরে পা ডুবিয়ে হাঁট
বাতাসকে খুশি করে বাঁচ।
তুই গান গা (অর্ণব)

=========================
৩. a.jpg

আমার কিছু পেইন্টিং

(প্রথমেই আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি মডুর কাছে----জোনাকি আপুর মতো আমিও এই পোস্টটি উৎসর্গ করলাম মডুকে)

অনেকদিন আগে একটা ছবি আঁকতে আঁকতে এই কবিতাটি মনে মনে এঁকেছিলাম!!

জলরঙের রঙছাপ ক্যানভাসময়
কখনো সে গাঢ় লাল, নীল, সবুজ কিংবা কালো
কখনো সে হালকা.....যেন একফালি ঝলমলে রোদ
আবার কখনো এতটাই গাঢ়
যেন আমাদের জীবনের কালো অধ্যায়ের আবছা প্রকাশ......
তুলির আঁচড় যে দিকেই যাক্---
‌হয়ে উঠে কোনো অর্থহীন বা অর্থপূর্ণ ছবি
আমাদের জীবনের দিক কোনদিকে ভিড়ছে?
জানিনা কেউই....
জীবন কি অর্থপূর্ণ হবে?

১। INSS.jpg
(এলোমেলো ভাবনাগুলো-মিউজিক্যাল সিম্ফোনি)
================================
২।cupPP.jpg
(আমার কফি মগ-মগের মুল্লুক)
=============================

একজন কৃষ্ণকলির স্বপ্নভঙ্গ...(কিংবা স্বপ্নভঙ্গের কারণেই যে হয়ে উঠে কৃষ্ণকলি)

405484_295846600462143_242903422423128_845479_536745156_a.jpg

".... আমরা কখনো কখনো আমাদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাই। তখন আমাদের ভেতরের আমিত্বটা খুব দুর্দমনীয় হয়ে উঠে....বন্দিত্বের গরাদ ভেঙ্গে বেরিয়ে আসতে চায়। সে তখন সুখ-দুঃখ, আশা-নিরাশা আর ব্যর্থতার যন্ত্রণাগুলো প্রকাশ করার জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠে। সে তখন পবিত্র আর বিশ্বস্ত সঙ্গী খুঁজে বেড়ায় আর এ বিশ্বস্ত সঙ্গীর খোঁজেই আমি বিভ্রান্ত....."

কয়েকটি সাদা গ্ল্যাডিওলাস ও একটি অনাকাঙ্খিত বৃষ্টির গল্প

38.JPG

তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা তুমি আমার নিভৃত সাধনা,
মম বিজনগগনবিহারী...........
আমি আমার মনের মাধুরী মিশায়ে তোমারে করেছি রচনা-
তুমি আমারি, তুমি আমারি,
মম বিজনজীবনবিহারী.................

বাইরে মুষলধারে ঝুম বৃষ্টি হচ্ছে। পাঁচদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। হাতে তুর্যর ছবির ফ্রেমটার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আর গানটা শুনছে অনিতা। গানটা তুর্যর অনেক পছন্দের। তুর্য কাছে থাকলে নিশ্চয় ফুল ভলিয়ামে গানটা ছেড়ে দিয়ে অনিতাকে নিয়ে ভিজতো। কি করছে এখন সে? সে-ও কি অনিতার মতো বৃষ্টিটা অনুভব করছে? ইস্‌ একটানা পাঁচদিন ধরে সে ভিজছে। ওর তো ঠান্ডা লেগে যাবে! ওর আবার অল্পতেই ঠান্ডা লেগে যায়। এখনো কি ওর ঠান্ডা লাগে? এখনো কি মাথায় ক'ফোঁটা বৃষ্টি পড়লেই আট-দশটা হাঁচি দেয় সে? কে এখন তাকে আদা চা করে দেয়? জ্বর এলে কে মাথায় পানি ঢেলে দেয়.....আলতোভাবে মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়? এখনো কি সে বৃষ্টির দিনে ভুনা খিচুড়ি খেতে পছন্দ করে? কেমন আছে তুর্য এখন?......খুব জানতে ইচ্ছে করে অনিতার।

মৎসকন্যা

laabony_1303722045_1-mirrorm.jpg
পুরোপুরি নারীর শরীর নয়, আবার পুরোপুরি মাছও নয়.....এই হলো মৎসকন্যা।

সাগরগর্ভে কোনো জনহীন দ্বীপের কাছাকাছি পাথরের উপরে অথবা জল থেকে জেগে উঠা পাহাড়ের পাথরের খাঁজে পরিষ্কার দিনের আলোয় এই বিচিত্র প্রাণীটির দেখা মেলে। তার হাতে থাকে একটি আয়না। দীর্ঘ সোনালী কেশগুচ্ছ ছেয়ে থাকে পিঠময়।
সমুদ্রবক্ষের বহু অজ্ঞাত রহস্যের সন্ধানদাতা এবং প্রথম আবিষ্কর্তা হলো সমুদ্রচারী নাবিকেরা। সাগরের বুকে কোনো নির্জন দ্বীপ অতিক্রম করবার সময় মৎসকন্যাও সম্ভবত তাদের চোখে ধরা পড়ে। কখনো সাগরজলে ভাসমান অবস্থায়....কখনো পাথরে উপবিষ্ট অবস্থায়। জাহাজের সাড়া পাবার সঙ্গে সঙ্গেই মৎসকন্যা সাগরজলে অদৃশ্য হয়ে গেছে।

অনুভূতি সমীপেষু

black-white.jpg

কিছু অর্থহীন চাওয়া
ক্রমশঃ অর্থ খুঁজে নেবার তাগিদে
যান্ত্রিকতার মাঝে নিজেকে হারিয়ে খুঁজতে যাওয়া.........

ধীরে ধীরে নিজেকে বন্দী করা
অসহায়ত্বের খোলসে........

অতঃপর.....

আবিষ্কার করি
মুঠোবন্দী...আজ আমাদের আবেগগুলো
নাগালের বাইরে....আজ স্বপ্নগুলো

আমাদের সবকিছুতেই.......
সবার মাঝেই সুনিপুণ অভিনয়.........

আজ কবিতারাও বড্ড যান্ত্রিক হয়ে গেছে...
তবে কি কবির মনও আজ অনুভূতিহীন ধূসর?
এরই নাম কি.....বাস্তবতা?কিছু অর্থহীন চাওয়া
ক্রমশঃ অর্থ খুঁজে নেবার তাগিদে
যান্ত্রিকতার মাঝে নিজেকে হারিয়ে খুঁজতে যাওয়া.........

ধীরে ধীরে নিজেকে বন্দী করা
অসহায়ত্বের খোলসে........

অতঃপর.....

আবিষ্কার করি
মুঠোবন্দী...আজ আমাদের আবেগগুলো
নাগালের বাইরে....আজ স্বপ্নগুলো

আমাদের সবকিছুতেই.......
সবার মাঝেই সুনিপুণ অভিনয়.........

আজ কবিতারাও বড্ড যান্ত্রিক হয়ে গেছে...
তবে কি কবির মনও আজ অনুভূতিহীন ধূসর?
এরই নাম কি.....বাস্তবতা?কিছু অর্থহীন চাওয়া