জেবীন'এর ব্লগ
ইচ্ছাঘুড়ি'র শুভ জন্মদিন
শুভকামনা
অনেক কথা বলার আমি খুব খুশির কথা কিবা দুঃখের কিছু জানাতে পারি খুব কম মানুষকেই, সেগুলো লুকিয়ে রাখতে পারাতেই আমার আনন্দ। তাই Organizational Behavior সংক্রান্ত কথাবার্তায় হল ভর্তি লোকের মাঝে যখন নিজের এমন কারো কথা বলতে বলা হলো সবাইকে যাএ কথা মনে এলে এক অর্থে মন ভার হয়ে যায় আবার আনন্দে উদ্বেলিত হয়। আমি নিশ্চিত ছিলাম এলেবেলে বোকামি, হাসির কিছু বলে কাটিয়ে উঠতে পারবো। একের পর এক কাহিনী শুনছি আর ম্যাডাম
শুধই ফলফলাদি
মৌসুমি ফল অনেক উপকারী, এর উপকারিতা অনেক, স্বাদও। মৌসুমী ফলের উপকারীতা জানার শখ থাকলে পড়ে নিন এই লেখাটা । সাধারনত মৌসুমি ফল বলতে আম, জাম, কাঠাঁলের কথাই প্রথমে এসে যায়। এতো মজার ফল কিন্তু তাদের স্বাদ সারা বছর পাওয়া সম্ভব না। যারা দেশের বাইরে থাকেন তাদের আত্নীয়দের প্রায়ই বলতে শোনা যায়, “আহারে, ছেলে/মেয়ে টা এগুলো খেতে খু
“অক্রোধেন জয়েৎ ক্রোধম”
দাওয়াতকথণ এবং অতঃপর
লোকজন দাপাইয়া বেড়াইয়া দাওয়াত খায়, খালি আমরা কালেভদ্রে দাওয়াত খাইতে গেলেই নানা মুনি’র নানান মত দেখা যায়। কত কিসিমের দাওয়াতই তো হয়, গিয়েছিলাম এককিসিমের বাড়িতে দাওয়াতে। পিচ্চিকালে একবার গিয়েছিলাম ওইবাড়ি’র একই ধাচেঁর দাওয়াতে। তখন উপলক্ষের পাত্র ছিলো বাপ-জ্যাঠা এবার পুত্রের পালা। সেবারও অনেক হাঙ্গামা-উৎসব হয়েছিলো, সবটা মনে নাই। তব
তোমাকে বলার ছিলো...
কেউ আমাকে ধরে বেধেঁ না শোনালে আমার গান নিয়ে তেমন কোন আগ্রহ নাই। নিজ
থেকে খোজঁ করে কোন গান না শোনার কারনে এমনটা বলেছিল একবন্ধু। কিন্তু তাই
বলে শুধু বাছাবাছে গানই যে কেবল শুনি তাও না, আমার সব জাতের গানই ভাল
লাগে, সুনির্দিষ্ট কোন ধাচেঁর গান না। যেটা ভালোলাগার লাগে। কিছু কিছু
ভালোলাগা গানের ক্ষেত্রেতো আমি গানটাকে জুড়ে একটা গল্পই বানিয়ে ফেলি।
তেমনই একটা গানের কথাগুলো এমন –
সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়- এর "পালামৌ"
যেকোন ভ্রমনকাহিনীতে একটা জায়গা সম্পর্কে লেখকের অভিজ্ঞতা, এলাকার মানুষজন, পারিপার্শ্বিকতার সাথে তার একাত্নতার কথা থাকে লেখাটা জুড়ে। তেমনি ভেবেই সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ‘পালামৌ’ পড়া শুরু করলাম। ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে বিজন বন এলাকা ‘পালামৌ’এ লেখককে যেতে হয়। পাহাড়ী ঐ এলাকায় একাকীত্বের বসবাস দুঃসহ মনে হওয়ায় যদিও তিনি ফিরে আসেন ওখান থেকে কিন্তু খারাপ লাগাটার পরিবর্তে আশপাশ ঘেরা সৌন্দর্যতাই
জয়িতা কাহন
বিজলী এখন মানু'র ঘরে...
যৌবন তাহার ভাটির দিকে গিয়াও আবার কিরুপে কিসের সহায়তায় যৌবন উষালগনে গমন হইল এবিষয়ে আশ্চর্যান্বিত হইয়াছেন রায়হানভাই । উনার মতে - “ বিষয় কী, যৌবন একবার শুইয়া পইরা আবার খারায় যাইতেছে কেমনে!!”
সদুত্তর না দিয়া আবজাব বুঝাইলেন পাঠকদের… কিন্তু মনের কথা বনে থুক্কু ব্লগে না বলে বলেছেন খোমাখাতায়।
মানুষ এখন বিবাহিত।
একি উৎকন্ঠা নাকি নখরামি?...
সাপের মনি!!!
৮৭/৮৮ এর দিকে কল্যানপুরের বাড়িগুলোর আশপাশ জুড়ে অনেকটা ফাকাঁ জায়গা থাকত, গাছপালা আর ঝোপঝাড় ছিল প্রচুর। সন্ধ্যা হলেই কারেন্ট যেত আর লেখাপড়া বন্ধ করে আরামে উঠানে মজার আড্ডা দিতাম সবাই। সেসময়টা শ্রীদেবীর নাগিন সিনেমা দেখার পর মাথায় ঘুরতে লাগল সাপের মনি!!! সন্ধ্যার আড্ডার অনেকটা জুড়ে থাকত একেকজনের সাপ-সম্পর্কিত গল্প। সবচেয়ে উদ্ভট গল্পগুলা হতো আমাদের কাজের ছেলে সাজুর।


