আউট অব আফ্রিকা
১.
ওসামা বিন লাদেনকে মাঝে মধ্যেই টেলিভিশনের পর্দায় দেখা যায়। তিনি যে বেঁচে আছেন এটা জানাতে লাদেন হাজির হন গোপন জায়গা থেকে। লাদেন মাত্রই নতুন একটি ভিডিও বার্তা ছেড়েছেন। তিনি যে এখনো বেঁচে আছেন এটি তার নতুন আরেকটি প্রমান।
সেখানে তিনি বলেছেন, ইংল্যান্ড যেভাবে জার্মানির কাছে হেরেছে তা লজ্জাজনক। যদিও ব্রিটিশ গোয়েন্দারা লাদেনের এই ভিডিও টেপ যে ভুয়া তা সাথে সাথে জানিয়ে দিয়েছে।
গোয়েন্দারা বলেছে, এই বক্তব্য গত ৪৪ বছরের যে কোনো সময়েই রেকর্ড করা হয়ে থাকতে পারে।
২.
বক্তব্য তেমন কিছু নাই। ছবিটা দেখেন।

আমার খুব পছন্দের একটা মুভি।
এবার এইটা

আমি গ্রাফিকস-এর গও জানি না। জানলে এখানে কাকা-রবিনহো বা মেসি-তেভেজ বসাইয়া দিতাম।
৩.
দুই সমর্থক, একজন আর্জেন্টিনার আরেকজন ব্রাজিলের। প্লেনে যাচ্ছে দনি আফ্রিকায়, খেলা দেখতে। বসেছে পাশাপাশি। বাধ্য হয়েই কথা বলতে হচ্ছে দুজনকে। আজেন্টিনার সমর্থক বসেছে জানালার পাশে। ব্রাজিলের সমর্থকের সাথে তর্ক করতে করতে গলা শুকিয়ে গেছে। কোক খেতে চাইলো। এবার সহমর্মিতা দেখালো ব্রাজিলের সমর্থক। নিজে উঠে গিয়ে এক গ্লাস কোক নিয়ে আসলো। এই ফাঁকে আর্জেন্টিনার সমর্থক দেখলো জুতা খুলে রেখেছিল ব্রাজিলের সমর্থক, খালি পায়ে গেছে কোক আনতে। এই সুযোগে থুথু দিয়ে রাখলো জুতার মধ্যে।
যথারীতি, আসলো দণি আফ্রিকা। জুতা পায়ে দিতে গিয়ে দেখে সেখানে থুথু। তখন সে আপন মনে বললো, ‘জুতায় থুথু, কোকের গ্লাসে পেচ্ছাপ-কবে শেষ হবে বৈরীতা!’।
এই গল্পটা আসলে পাকিস্তান-ভারত নিয়ে। আমি খানিকটা বদল করলাম। কারণ বাংলাদেশে বিষয়টা আসলেই এরকমই হয়ে গেছে। এই বৈরিতার অবসান প্রয়োজন। কিন্তু কিভাবে?
উপায় হিসেবে আরেকটা গল্প বলা যেতে পারে। খুসবন্ত সিংহের একটা গল্প আছে। অবস্মরণীয় নারী বইয়ে পাবেন সেইটা। পাকিস্তানি ইয়াসমিন আর ভারতীয় মদন কুমারের গল্প। আমি এখন তুলে দিলে বলবেন তো, অশ্লীল। তাই নিজ দায়িত্বে পড়ে নিয়েন।
৪.
এবার সিরিয়াস কথা বলি। সকারনোমিকস বলে একটা কথা আছে। বিশ্বকাপ ফুটবল কেবল এখন আর খেলা বা বিনোদনে সীমাবদ্ধ নেই। অর্থনীতিবিদরা বিশ্বাস করেন ফুটবলের একটি বড় ধরণের অর্থনৈতিক প্রভাব রয়েছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রভাব পড়ে সামষ্টিক অর্থনীতিতে, শেয়ার বাজারে, আর্থিক বাজারে। এমন নয় যে এই ফুটবল বিশ্ব অর্থনীতির মোড় ঘুরিয়ে দেয়। তবে কিছু প্রভাব যে পড়ে তাতে কারোই সন্দেহ নেই।
এবিএন-আমরো নামের একটি ডাচ বিনিয়োগ ব্যাংক বলে আসছে যে, যারা চ্যাম্পিয়ন হন তাদের অর্থনীতি তুলনামূলকভাবে দ্রুত গতিতে এগোয় রানার আপ দেশটির তুলনায়। দু’একটি উদাহরণ বাদ দিলে বিজয়ীরাই সব কিছু নিয়ে নিয়েছের এমনটাই দেখা গেছে। তাদের হিসেবেই দেখা গেছে, বিজয়ী দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি গড়ে দশমিক ৭ শতাংশ হারে বাড়ে আর পরাজিত দেশের প্রবৃদ্ধি কমে আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৩ শতাংশ হারে। ১৯৭০ সালের পর থেকে এ েেত্র ব্যতিক্রম দেখা গেছে মাত্র দুবার। যেমন ১৯৮৪ সালে জার্মানি এবং ১৯৭৮ সালে আর্জেন্টিনা জিতলেও তাদের অর্থনীতি হয়ে পড়ে নিুমুখী। প্রশ্ন হচ্ছে কেন এমনটি হয়। অর্থনীতিবিদরা মনে করেন পুরোটাই মনস্তাত্বিক একটি বিষয়। এবিএন-আমরোর ভাষায় ‘ফিল গুড ফ্যাক্টর’। বিজয়ী দেশের ভোক্তারা খুশী থাকে, বেশি ব্যয় করে, পানশালা আর সুপার মার্কেটগুলোতে ভিড় বাড়ে, বিভিন্ন ধরণের স্যুভেনির ব্যবসা জমে উঠে, প্রচুর ডিভিডি বিক্রি হয়। আস্থাবান ভোক্তাদের কারণে বেচা-বিক্রি বাড়ে সব খাতেই। আর এর প্রভাব পড়ে অর্থনীতিতে।
২০০৬ সালের বিশ্বকাপের আগে তারা বলেছিল, ইতালি চ্যাম্পিয়ন হবে বা হলে বিশ্ব অর্থনীতির জন্য সেটি ভাল হবে। হুবহু মিলেছিল। এবারও তারা বিশ্বকাপ শুরুর একমাস আগে নতুন একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে। সেখানে তারা বলেছে, চ্যাম্পিয়ন হবে জার্মানি। আর তাহলেই সেটি বিশ্ব অর্থনীতির জন্য ভাল হবে।
এটি ভবিষ্যৎবানী বলা যাবে না। কেননা, সকারনোমিকস-এর তত্ত্ব অনুযায়ী বিশ্বকাপ জেতা উচিৎ ইউরোপের কোনো একটি দেশের। যুক্তরাষ্ট্র জিতলে বিশ্ব অর্থনীতির বৈষম্য আরো প্রকট হবে। এশিয়ার বিজয় অর্থনীতিকে অতিরিক্ত উত্তপ্ত করে তুলবে, ল্যাটিন আমেরিকার কোনো দেশ জিতলে ভাল বা খারাপ কোনোটাই হবে না। একমাত্র ইউরোপের কোনো দেশের বিজয় হবে অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে ভাল। তাতে বিশ্ব অর্থনীতির অনেক সমস্যাই কেটে যাবে।
সুতরাং এবিএন আমরো কখনোই চাইবে না ইউরোপের বাইরে বিশ্বকাপ চলে যাক। এখানে বলে নেয়া ভাল গত ইউরোর আগে তারা বলেছিল ইতালি বা ফ্রান্স জিতবে। সেটি হয়নি কিন্তু।
প্রশ্ন হচ্ছে অর্থনীতিবিদরা যেমনটি চান না যে, বিশ্বকাপের ইউরোপের বাইরে যাক, সেটি কি আসলেই ঘটছে। ল্যাটিন ফুটবল কি জৌলুষ হারাচ্ছে? সুন্দর ফুটবলের দিন কি শেষ? শক্তি আর সামর্থ্যরে সাথে কিছু স্কিল মিলিয়ে খেলাটাই কি এখন শেষ কথা? আপাতত ভরসা কি স্বাগতিক হওয়ার সুবিধা? সুবিধা নিতে পারলে তো হলো, তা না হলে কি ইউরোপই শেষ কথা?
৫.
এতদিন লড়াই করেছি কে কত ভাল দল সেইটা নিয়া। এখন দেখি লড়াই চলছে কে কত খারাপ দল সেটি নিয়ে। আফসুস।






আমি গ্রাফিকস-এর গও জানি না। জানলে ৫ নাম্বারের ছবিতে হের শওকত হোসেন সাহেবের ছবি বসিয়ে দিতুম

হেহেহেহেহেহেহে। মন্তব্য পছন্দ হইছে।
আউট অব আফ্রিকা -নাম আর ছবি দেখে মনে করেছিলাম মুভি পোস্ট। লাফ দিয়ে পোস্টে ঢুকেছিলাম। কিন্তু না, আপনার চাকুর নজর তো দেখছি অন্যদিকে। নতুন শব্দ শিখলাম, সকারনোমিক্স। নতুন কৌতুক পড়লাম। আরো একটা কৌতুক পড়ার ইচ্ছে তৈরী হলো। কিন্তু অশ্লীলতার দোহাই পেড়ে আপনি শুধু রেফারেন্স টেনে ছেড়ে দিলেন। যাক্ তবুও ভালো লাগলো।
ধন্যবাদ মীর। মুভি পোস্ট তো আসবেই। কিন্তু ফুটবল তো আসবে আবার সেই ৪ বছর পর। আরও কিছুদিন থাকি এইটা নিয়া।
উত্তম! উত্তম!!
খাওয়ান। ফার্স্ট হচ্ছেন।
ইশ, ফুটবলের মজাটা ববিজিনিসে মাইরা দিবে আস্তে আস্তে?
আফসুস!!
ইউরোপে কাপ থাকলে এমনিতেই তো মজা চলে যায়
পয়লা মনে করেছিলাম মাসুম ভাই নজরটা ঘুরায় দেয়ার জন্য এই পোস্ট দিছে।কিন্তু না.।
ভাল হয়ছে পোস্ট।পড়ে মজা পাইলাম আর মনে হচ্ছে কেন যে ফটো এডিটিংটা শিখলাম না।।
আহা.........
মাসুম ভাই, নিজেকে অনেকভাবে প্রবোধ দিচ্ছেন, ঠান্ডা রাখছেন ভালো কথা। আপনে সবার জন্য উজ্জল দৃষ্টান্ত ভাই
মাঠে না পেরে এখন টিভির টকশো রেডী করছেন সেটাও ঠিকাছে।
কিন্তু এবিএনআমরোর কথা বাদ, তিন বার সেল হইছে এই ব্যাঙ্ক। যে ব্যাঙ্ক এই ব্যাংকরে কিনে কয়দিন পর তারাও ফাইদ হয়। নিজেদের ল্যাংগট বাঁচাইতে পারে না তারা আবার করবে ভবিষ্যতবানী
তানবীরা, এইটা আসলে এক ধরণের বিশ্লেষন। কে জিতলে অর্থনীতির জন্য ভাল হবে সেটাই তারা অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষন করে বলে। ২০০৬ সালে কিন্তু তারা ইতালীর কথাই বলেছিল। সেটা নিয়ে গত বিশ্কাপের আগে আমি একটা ফিচার লিখছিলাম। সুতরাং একবারে উড়াইয়া দিও না।
উড়াইলাম না যান, মুরুব্বীদের কথা আমি ফেলতে পারি না
।
অর্থনীতি ভালো হইলেতো সারা জীবনের বাঁচোয়া। দেশে আসার আগে অর্থনীতি ঠিক করো মা কালী, নইলে আমি মাঠে ঘাটে ধরা মা। যেভাবে ইউরোর দাম পরে গেছেগো মা, আমার আর আমার শপিং এর কি হবেগো মা?
মন খারাপ হইলে মাসুম ভাই বিশ্লেষন দারুন করেন
আহা। আহা। অর্থনীতি ভাল হোউক। যদিও সকারনোমিকস বলে নেদারল্যান্ডস চ্যাস্পিয়ন হলে থুব একটা ভাল কিছু হবে না। কারণ দেশটির অর্থনীতি ছোট। ফলে তেমন প্রভাব ফেলতে পারে না।
মাসুম ভাই নিজেকে প্রবোধ দেয়া ভালো ।
কে কারে প্রবোধ দেয়? ব্রাজিল ফাইনালে গেছে নাকি?
না মানে ৪ গোলের শোক যে এখনও কাটায়ে উঠতে পারেন নাই তাই কইতেছিলাম !!!
ব্রাজিলের হার কাটাইয়া উঠছেন?
১ হালি তো আর ছিলনা

তারমানে দুই দলের মধ্যে কে বেশি খারাপ সেইটা ঠিক করতাছি?
সাঈদ ভাই এখনো শোক সামলাইয়া উঠতে পারে নাই।সান্তনা খুঁজে বেড়াইতাছে।সেজন্য আর্জেন্টিনা কত খারাপ করলো সেটা চিন্তা করে সান্তনা পেতে চায়।
জয়িতা, সাঈদ ভাইর জন্য একটা বালতির ব্যবস্থা কর কাইন্দা কাইটা বেচারা শোক কমাক;) আর হেক্সা হেক্সা করুক।
আসলেই চোউক্ষের সামুনে এমুন বেইজ্জতি
দেইখা শোক লাগবো না ক্যান কন !!!
ব্রাজিল হারার শোক ভুইলাই গেছি ১ হালি খাইতে দেইখ্যা ।
শোক ভুইলা গ্যাছেন আরেকজনের হার দেইখ্যা? আপনেরা কী নিজের ঘরে সিঁদ কাটার পর চোর ধরা পড়লে খুশী হন নাকী এরচেও খুশী হন, পরের রাতে পাশের বাড়ীর সিঁদ কাটা হচ্ছে দেখে? এই স্বভাবকে বাংলায় কী বলে জানেন তো? ওপেন ফোরামে এই বাংলাটা বললাম না, ব্যাকরণ বইতে দেখে নেন
থামেন সবাই। চিপায় চইলা যাইতাছেন কিন্তু সবাই।
থামেন বলে তো আপনি আরেক্টু চিপায় গেলেন।মতলব তো সুবিধার না।
আর তো কেউ নাই, তুমি আর আমিই আছি খালি। চলো যাই....
ভালো কথা কইলেও দেখি বিপদ!থাক এইখান থেকে চলে যাই।
ইংল্যান্ডকে আউট অব দ্য ওয়ার্ল্ড করে দেয়া উচিত
মাসুম ভাই শোক সামলিয়ে উঠেছেন দেখে ভালো লাগছে।
পোস্ট যথারীতি চমৎকার।
৪ বছর পর পর শোক সামলানো অভ্যাস হইয়া গেছে।
বৈরীতা কমতে হলে সহনশীল হতে হয়, ব্রাজিলের সাপোর্টাররা তাদের দলের খেলোয়াড়দের মত ফাউল কথা বলে তাই বৈরীতাই অটুট
ব্রাজিল- আউট অব আফ্রিকা
ফের দেখা ব্রাজিলে, বিশ্বকাপ হাতে মেসী-
সকারনোমিক্স+অক্টোপাস থিউরী = জার্মানী, হৈলেও হৈতে পারে।
কাল পত্রিকায় অক্টোপাসের কাহিনী পড়েই মন্টা খারাপ লাগছিলো।
অক্টোপাসটা আগেই পড়ছিলাম, পড়বিতো পড় মালীর ঘাড়ে, কোয়াটারফাইনালে যে ক্যান জার্মানী.........................
আমার এক বন্ধু অক্টোপাসটাকে কেটে ভাজি করে খাবার কথা বলেছিলো। এখন তাকে খুঁজে পাচ্ছি না।

আমি এখন স্পেন আর নেদারল্যান্ডের পক্ষে।
আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীকে পছন্দ করেন না। জার্মানী সীমা লঙ্ঘন করছে
মাসুম ভাই যে খুব ভালো লিখে সেটা তো আমার বলার কিছু নাই।পোষ্ট পড়ে ব্যাপক ভালো লাগলো।অনেকদিন পর একটা লেখা পড়ে ভালো লাগা নিলাম সবটুকু।
ধইন্যা তোমারে
সকারোনমিক্সের আলোচনা ভাল্লাগছে।
এই নিয়ে ২০০৬ সালে আমি একটু বিস্তারিত লিখছিলাম। মজা লাগছিলো তখন।
মনে হচ্ছে ধরে বেন্ধে হলেও এবার জার্মানীকে চ্যাম্পিয়ন বানাইয়াই ছাড়বে। তবে তারা যেমনটা খেলছে সেটাকে এক কথায় বলা যায়--ভয়ংকর সুন্দর। যদিও আর্জেন্টিনার সাপোর্টার হিসেবে আমি এখনও আহত বাঘের মতো ছটফট করছি।
অ্যানালাইসিস ভালো হয়েছে মাসুম ভাই। পুরো লেখাটাই দারুণ।
ভাল লাগবে নতুন কেউ চ্যাম্পিয়ন হলে। স্পেন বা নেদারল্যান্ডস। ৭৪ সালের বিশ্বকাপ তাদের প্রাপ্য ছিল। এবার তারা পাক।
মাতম ভালো হৈছে।
মাতম আরো ভাল হৈত যদি রায়হানভাইর অনুমানটা মিলতো, ব্রাজিল কাপ নিলে আর্জেন্টিনার সাপোর্টারদের মাতমটা জমতো ভাল
রায়হান ভাইয়ের আবার অনুমান ?
)
শকুনের দোয়া... গরুর মরণ...
(তারমানে, পেচ্ছাপেচ্ছি কৈরোনা। ভাইবোনা, আমি রায়হান ভাইরে শকুন কৈছি...
জনাব, আমার ওস্তাদ কে আপনি কি সব যা তা বলছেন?
আমার ওস্তাদের বিরাট বিরাট ক্যামেরা আছে!
কিন্তু আমার আছে মোবাইল! ছবি তুইলা ছাপাইয়া দিমু।
হাহাহাহাহাহা। রায়হার ভাইও জুকস বলা শুরু করছে।
সর্বনাশ! এই ব্যাংক, স্টক মার্কেটওয়ালারা তো শান্তিমতো খেলাও দেখতে দিবেনা!
নতুন জিনিস জানলাম, অনেক ধন্যবাদ।
তবে যাই কন বস, মাইয়াটার (গায়িকা) নাচ কৈলাম সেরাম সোন্দর...
আজকের পত্রিকায় আইসে এই লেখা
ব্লগের এইতো মজা, দৈনিক পত্রিকারও ৩ দিন আগে লেইটেষ্ট লেখা পড়া যায়। আহা! আমরা ভাগ্যবান।
মন্তব্য করুন