আজও আমার জন্মদিন
আজ ২৯ সেপ্টেম্বর। ১৪ আশ্বিন, ১৯ শাওয়াল। আজকে আমার জন্মদিন। আমার আরও একটা জন্মদিন আছে। আরে না না, এইটা খালেদা জিয়া সিনড্রম না, এইটা অন্য কাহিনী।
আমার আরেক জন্মদিন হল ২৭ মার্চ। তবে ২৭ মার্চে আমার তেমন কোনো কষ্ট করতে হয় নাই। কেমনে কেমনে দুনিয়ায় আসছিলাম তাও মনে নাই।
কিন্তু ২৯ সেপ্টেম্বরের কথা খুব মনে আছে, প্রতিটা মুহূর্ত। মনে থাকবেই বা না কেন? এই জন্মদিন করা খুব সহজ কাজ না। মেলা পরিশ্রম করতে হয়। টেন্ডুলকারের মতো ব্যাটে-বলে মিলাতে হয়, তারপরই তো ছক্কা মারা যায়।
ম্যালা যে পরিশ্রম করতে হয়, তা বিশ্বাস না হলে মেজবাহ ভাইরে জিগান। তারেও ম্যালা পরিশ্রম করতে হইছে। তারপরই তো ফল পাইছে। শোনা যায় রায়হান ভাইও পরিশ্রম বাড়াইয়া দিছে।
পরিশ্রম তো আছেই, আরও আছে নানা ধরণের অনিশ্চয়তা।
সেই গল্পটা বলি। এক লোক তার গর্ভবতী স্ত্রীকে গেলো ডাক্তার দেখাতে। ডাক্তার অনেকক্ষণ ধরে স্ত্রীকে দেখার পর বললেন, 'আপনার স্ত্রী গর্ভবতী হয়নি। পেটে গ্যাস হয়েছে।'
লোকটি ডাক্তারের ওপর ভীষণ খেপে গিয়ে বলল, ফাজলামি পেয়েছেন। আমি কি একটা পাম্পার নাকি?
সমস্যা আরো আছে। তাহলে আরেকটা গল্প বলি.......
ছেলে-মা। বাবা কি খুব লাজুক?
মা-হ্যা, তোমার বাবা অনেক লাজুক। লাজুক না হলে তোমার বয়স আরও ৬ বছর বেশি হত। 
আমি মোটেই লাজুক ছিলাম না।
সর্বশেষ ফালতু গল্পটা বলি-
তরুণী-তুমি কি ভাবছো?
তরুণ-তুমি যা ভাবছো।
তরুণী-তা হলে আমরা দেরি করছি কেন?
মোটেও দেরি করি নাই। সিদ্ধান্ত নিয়েই বাস্তবায়ন। কে কয় আমরা আরম্ভ করি, শেষ করি না।
আজ আমার বাবা হওয়ার দিন। সুতরাং বাবা হিসেবে আজ আমার জন্মদিন।
ঐ কে কে আছেন? আমার জন্য কেক-কুক নিয়া আসেন





বিয়ের ছবিতে আপনাকে অনেক মাসুম লাগছে
ইয়ে তখন বয়স কত ছিলো আপনার ?
আমি তো এখনো মাসুম
প্রিয়ন্তী মামনিকে জন্মদিনে অনেক শুভেচ্ছা, আদর আর দোয়া।পরীর মতো মেয়ে।মাশাল্লাহ। নজর না লাগুক।অনেক বড় হোক প্রিয়ন্তী। আদর, ভালোবাসা, আননন্দে ভরে থাকুক তার পৃথিবী।

কেক খান মাসুম ভাই। চামে লক্ষী মেয়েটার পাশে নিজের ছবিটা দিয়ে দিছেন! পোষ্টে কি সব নাউজুবিল্লাহ টাইপ কথা বললেন সেসব নিয়ে আর কিছু বললাম না।
ফ্রেশ ষ্ট্রবেরী কই পাইলাগো জয়িতা? ষ্ট্রবেরী ক্রীম আমিও ভালা পাই।
বাবা হওয়া অনেক কষ্টের কাজ পোষ্ট পড়ে জানলাম
। এতো কষ্টের জন্য বাবাকে অনেক শুভেচ্ছা - মেয়েকে অভিনন্দন
আড্ডায় মাসুম ভাই একটা মাসুম ভাব ধরে রাখেন আসলেতো দেখি.........
তানবীরা@ আমি তো মাসুমই। ভাব না তো, এইটাই আমি।
ইয়ে আসলে তো কি?
আসলে তো দেখি বিরাট কামেল বান্দা
আমি মাসুম তো জানেনই। তবে ভদ্রলোক না। আমি ভদ্রলোক এই দাবি কখনোই করি নাই।
তাতাপু , অনেক খুঁজে সুন্দর কেকটা পাইলাম। মাসুম ভাই তো দাওয়াত দিলো না বাসায়, তাইলে তো কেকটা নিয়ে যেতাম মেয়েটার জন্য।
এসব কি কইলা। নাউজুবিল্লা টাইপ কিছু তো লেখি নাই। এসব তো নবীনদের জন্য উপদেশ
দুলাভাই, আপার ফোন নম্বরটা এসএমএস করতে বলেছিলাম। ফোন করে প্রিয়ন্তীকে হেপি বার্থডে বলব, আর কিছু বলব না। প্রমিজ।
আমি বলবো তো। কেন আমারে বিশ্বাস করো না? কেনু কেনু
মেয়েদের ফুন নম্বর চাও কেন তুমি। প্রবলেম কি?
এরম এক্টা ফটুক লাগাইছেন মানুষ ভাববো আপনি কত্ত আলাভোলা। আসলে যে............
এক্টা কথা, আপনে এত সুন্দর মেকআপ কোথায় করছিলেন?
মাসুম ভাইরে দেখে মনে হচ্ছে ঠোঁটে লিপিস্টিক নিছে।

মনে হচ্ছে আবার কি? লিপষ্টিকও চেনেন না?আজব!
এজন্য তো জিজ্ঞেস করলাম কোথায় মেকআপ করেছে।
শুভ জন্মদিন মামণি।
ধন্যবাদ। জানিয়ে দিলাম
আমি বলতাম আমার মেয়ের জন্মদিন মানে আমারও জন্মদিন, কেননা সে আমারও নবজন্ম সর্বার্থেই... আজ জানলাম বাবারাও আরেকবার জন্মায় ঐদিনে। আপনাকেও শুভেচ্ছা।
সত্যি বললাম। জীবনের সেরা অনুভূতি
প্রিয়ন্তী আম্মুটার জন্মদিনে অনেক অনেক ভালবাসা। বাবাকেও ছাড়িয়ে যাক আম্মুটা।
ছাড়িয়ে যাক
বাবা আর মা দু'জনকেই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। মামণির জন্য অফুরান ভালোবাসা। ভালু থাকুন সবাই মিলে
দেশে আসলে কেক্কুক সব খাওয়াবো!
তরিকা জানাইলেন না
কী হৈবো তরিকা জাইনা ? আবার পরিশ্রম করবেন ? এক টিকেটে দুই সিনেমা...!!!
মা'মনীরে আদর আর ভালোবাসা। আপনি পারেনও...
প্রিয়ন্তীর জন্য অনেক ভালবাসা
প্রিয়ন্তির জন্য অনেক আদর ।
ইয়ে ....মানে.... দুলাভাই , দুই বছর পর ছক্কার বিষয়টা আরিকটু খোলাসা কইরা শুনুমনে।
শুভ জন্মদিন প্রিয়ন্তী। তোমার জন্য অনেক আদর আর ভালবাসা। বড় হও, সবাইকে গর্বিত করো।
পোস্ট পড়িয়া পুলকিত বোধ করিলাম এই ভেবে যে আমি আবারো জন্মগ্রহণ করিব।
আবার আসিব ফিরে.।.।।

প্রিয়ন্তী মামণিকে শুভ জন্মদিন
টুটুল ভাই যখন বাবা হবার চূড়ান্ত পর্যায়ে,তখন কোন একটা পোস্টে সম্ভবত মাসুম ভাই বলছিলো:'টুটুল পরিশ্রমী ছেলে,সে এখন তার ফল পাচ্ছে।'
সেই ঐতিহাসিক মন্তব্যটা আমার চিরজীবনের জন্য স্মরণীয়। এমন উইটি মন্তব্য খুব বাঁধাই করে রাখতে ইচ্ছে করে।
মাসুম ভাইও ......
...................
এনিঅয়ে,প্রিয়ন্তী মামনিকে জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা।
শুভ জন্মদিন...
অফুরন্ত শুভেচ্ছা প্রিয়ন্তীর জন্য ......
শুভ জন্মদিন মামণিকে।
পিতৃত্বলাভ দিবসের শুভেচ্ছা জানাইছিলাম, সেই বাবদ পোস্টের রয়্যালটি চামু কিনা ভাবতেছি। মেয়ের জন্মদিনেও যেই লুক নাউজুবিল্লা কিসিমের জুক্স বাদ দেয় না, সে আবার কীসের মাসুম!
শুভ জন্মদিন, আম্মাসোনামনি।
মামনির জন্মদিনে অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
একজন আম ব্লগার হিসেবে বলি, এমন চমৎকার একটা অনুভূতির প্রকাশ আরো সুন্দরভাবে কী করা যেতো না? আমি রীতিমতো অবাক হলাম, বিব্রত হলাম এবং আহতও কিছুটা(আমার মন্তব্যে কেউ আহত হয়ে থাকলে আমি সত্যিই ক্ষমাপ্রার্থী)। সত্যিই হতাশ করলেন মাসুমভাই।
বন্ধুমহলে যেসব আলাপ চলতে পারে সেটা কী এধরনের খোলা ব্লগের পাতায় করাটা খুব জরুরী? যদি উত্তর হ্যাঁ হয় তবে অবশ্যই বলতে হবে আমি খুব পিছিয়ে পড়া একজন মানুষ।
..............এরকম একটা আনন্দময় পোষ্টে এভাবে বলতে হলো বলে আমি সত্যিই লজ্জিত।
প্রিয়ন্তী নামের মিষ্টি মামণিটার জন্য আবারও অনেক আদর, দোয়া আর শুভেচ্ছা থাকলো। বাবা হবার জন্য আপনাকে অভিনন্দন।
আপনার খারাপ লেগেছে। তাই দু:খ প্রকাশ করলাম। তাই প্রথম পাতা থেকেও সরিয়ে নিলাম।
সুহৃদ বাতিঘর, সাধারণত দুইজন ভদ্রলোকের আলাপের মধ্যে আমি নাক গলাই না। তারপরেও আপনার কমেন্টটা পৈড়া একটু খটকা লাগলো। এত সিরিয়াস হওনের কি আছে রে ভাই? আপ্নে পিছিয়ে পড়া মানুষও না, আমরা এগিয়ে যাওয়া মানুষও না। সবাই একই সময়ের একই ব্যবস্থার মানুষ। মাসুম ভাইয়ের পোস্টের বিষয়বস্তু খারাপ লাগছে, সেইটা আপ্নে জানাইছেন। এইটা কোন সমস্যা না। ভিন্নমত থাকবেই। ভলতেয়ার নামক এক প্রাচীন ভদ্রলুক কি কৈছিলো জানেন? 'আমি আপনার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করতে পারি, কিন্তু বিলক্ষণ জেনে রাখুন, আপনার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে আমি জীবনপাত করবো।'
তো এত কথা কেন কৈলাম? কারণ আপনার মন্তব্যটা আমার ভালো লাগে নাই। পোস্ট ভালো ছিলো, কিছু জুক্স ছিলো, যার কোনটিই নতুন না। যারা আমরা এইখানে লিখি-পড়ি তারা কম-বেশি সবাই এগুলো আগে পড়ছি-দেখছি। এই জুক্সগুলো এখন অনেক ইজি হয়ে গেছে। খটাখট কানে বাজার মতো অবস্থায় নেই। এগুলোর মাধ্যমে পোস্টের মূল বিষয়বস্তু কোথাও ক্ষতিগ্রস্থ হৈছে বলে আমার অন্তত মুনয় নাই। হালকা কিছু আলাপের মধ্য দিয়ে একজন বাবা তার মেয়ের জন্মদিনের খবরটুকু সহব্লগারদের জানিয়েছেন। এটা এমন কি তার মেয়ের জন্মদিনের গিফট্ও না, যে সেটায় বন্ধুমহলের আলোচনা সংযোজিত করার ব্যপারে নিষেধাজ্ঞা থাকতে পারে।
আপনার কমেন্ট পৈড়া আমার এমুন মনে হৈসে। এইজন্য এত কথা কৈলাম গো ভাইডি, মনে কিছু নিয়েন্না। আর মাসুম ভাইয়ের এই পোস্টে এই সম্পর্কে আমি আর কোন কথা কমু না। কারণ ইতোমধ্যেই এ আলোচনাটি পোস্টের মূল বিষয়বস্তুকে ভয়াবহরকমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করেছে বলে আমার মনে হৈতেসে। এই কমেন্টটা পোস্ট করাও ঠিক হৈল কি না, কে জানে। তবে ওভারঅল্ সবকিছুকে আরেকটু ইজিলি নিলে মনে হয় সেটা সবার জন্যই ভালো।
মীরের সাথে আমিও একমত।
প্রিয় বাতিঘর,আমরা সবাই বন্ধুই। বন্ধুদের সাথেই তো কথোপকথন।মেয়ের জন্মদিন নিয়ে একজন বাবা যে কত খুশী সেটা তিনি শেযার করেছেন বন্ধুদের সাথে। কিছু জুক্সও আছে তাতে। বন্ধুদের সাথে কি সবসময় গুরুগম্ভীর কথাই চলে?
আমরা সহজ ভাবেই নেই না কেন!ভালো থাকেন বাতিঘর। রাগ কইরেন না। আমরা আমরাই তো। বন্ধুরাই।
আমার মনে হয় যে কোন বিষয়ে দ্বিমত পোষন করার অধিকার যে কারো আছে। তাই বাতিঘরের কমেন্টে আপনার বড় সড় প্রতিক্রিয়াটা অস্বাভাবিক লাগলেও স্বাগতঃ জানিয়ে গেলাম। মাসুম ভাই যে বিষয়ে লিখেছে তা খুব স্বাভাবিক বিষয় হলেও ভেতরের কনটেন্টে ৪০-প্লাস ঢুকে গেছে। আমি বা রায়হান ভাই বা মেজবাহ ভাইয়ের জন্য খুবই স্বাভাবিক হলেও ২০ বছর বয়সীদের জন্য তা হবে না। মাসুম ভাই পোষ্ট সরিয়ে নিয়ে সহব্লগারকে সম্মান দিয়েছে।
একটু দেরী হৈয়া গেছে, কিন্তু আমি আইসা পড়ছি, প্রিয়ন্তীকে বাড্ডে উইশ জানাইতে----
হ্যাপ্পী বাড্ডে।
আপনের মতোন একজন বাবা পাইলে, বাবা দিবসের পোস্ট দিতাম...
কোথায় যেন চাপা খোভের ছোঁয়া আপনার মন্তব্যটায়
একদিন দেরি হয়ে গেল। তারপরেও, মামনিকে শুভ জন্মদিন.....।
বিলম্বিত শুভজন্মদিন প্রিয়ন্তী মামনি। ছবিটা তো জোশ উঠেছে!! আইডিয়াটা ইউনিক।

শুভ জন্মদিন মাসুমাঙ্কেল
মন্তব্য করুন