ব্লগর ব্লগর
এই কাহিনীর কোনো চরিত্রের সঙ্গে কেউ কোনো মিল খুঁজে পেলে দায়-দায়িত্ব তার। আমি কিছু জানি না।
ক্লাশে নতুন শিক্ষক এসেছেন। প্রথম ক্লাশ। এসে ভাবলেন প্রথম দিন পড়ালেখা
না করে একটু গল্পসল্প করাই ভাল। তাছাড়া ছাত্র-ছাত্রীদের জানা, পরিচিত হওয়া
এটাও জরুরী।
তাই শিক্ষক এসেই সবাইকে সে কথা জানিয়েও দিলেন।
-আজ আমরা পড়াশোনা করবো না। আজ শুধু গল্প। প্রত্যেকে দাঁড়িয়ে নিজের নাম
বলবে আর বলবে প্রিয় সখের কথা। শুরু ছেলেদের দিক থেকে। প্রথম বেঞ্চে বসা
প্রথম ছেলেটা থেকে শুরু হোক।
-আমার নাম টুটুল। আমার সখ পুকুরে শাপলা দেখা।
শিক্ষক একটু অবাক হলেন। ভাবলেন ভালই তো, নতুন ধরনের সখ।
দ্বিতীয় ছাত্র-আমার নাম হাসান রায়হান। আমার সখ পুকুরে শাপলা দেখা।
শিক্ষক আবার অবাক হলেন। সখ বলে কথা।
তৃতীয় ছাত্র- আমার নাম মেসবাহ য়াজাদ । আমার সখ পুকুরে শাপলা দেখা।
এইবার শিক্ষক তব্দা খাইলেন। পোলাপান ফাইজলামি করতাছে না তো আবার!
চতুর্থ ছাত্র-স্যার আমার নাম নজরুল ইসলাম। আমারও সখ পুকুরে শাপলা দেখা।
এইবার মনে মনে একটু ক্ষেপেই গেলেন, কিন্তু ধৈর্য হারালেন না।
পঞ্চম ছাত্র- আমার নাম মুরাদ হাফজি। স্যার আমারও সখ পুকুরে শাপলা দেখা।
এইবার শিক্ষক ক্ষেপেই গেলেন।
ষষ্ঠ ছাত্র-আমার নাম বকলম, আমার সখ পুকুরে শাপলা দেখা।
শিক্ষক বুঝলেন পোলাপাইন তার সঙ্গে ফাইজলামি করতাছে।
সপ্তম ছাত্র: আমার নাম সাঈদ। আমার সখ পুকুরে শাপলা দেখা।
শিক্ষক এবার ক্ষেপে গিয়ে বললেন, থাক ছেলেদের আর বলার দরকার নাই। এবার মেয়েরা বলবে।
দেখলেন কোনায় একটা মেয়ে বসা। অপরূপ সুন্দরী। তেমনই তার বাদ-বাকি সৌন্দর্য। মুগ্ধ হইলেন তিনি। কোমল গলায় বললেন এবার তোমার কথা বলো।
মেয়েটা দাঁড়িয়ে বললো-আমার নাম শাপলা। আমার সখ পুকুরে সাঁতার কাটা।





টিরেক্স যুগের ডাইনোসাররা এই কৌতুক কইতো আর গড়াগড়ি খাইতো; আমিও হাসলাম ছাত্রগো নাম দেইখা; যাইহোক ঐ নতুন শিক্ষকের নাম ছিলো শওকত হোসেন মাসুম, প্রথম ক্লাসের পর থিকা তারো শখ পুকুরে শাপলা দেখা
হা হা হা হা হা হা হা। জাঁঝা সমেত একমত পোষোন করলাম।
কমেন্ট রেটিং করার সুযোগ নাই? আহারে, নাইলে কাঁক্নার কমেন্টরে পাঁচ তারাইতাম...পোষ্টের মজাটাই চৈলা আসলো কমেন্টে...
কাক্নার সাথে একমত...

ছাত্র-শিক্ষক সকলের পরিচয় জানা গেল; শাপলার পরিচয় ঝাতি ঝানতে পারলো না!
আফ্সুস, বড়ই আফ্সুস।
ভুল হইছে। জাঝা হবে
এটার ইংরেজি ভার্শনটা পড়সিলাম। মজার।
ঐখান থেকেই তো নেওয়া
আমি ছাড়া সবডি দেখি লুল!
মুকুল তো এখনো পুকুরের পাশে দাঁড়ানো
দেখি কে কি কয়!এই পোষ্টে গুরুজনদের কথাই সব।অামরা দুধ ভাত।
কাঁকন অাপার লগে একমত হইলাম।ঝাঝা কমেন্টে
একমত হওয়ার জন্য ধইন্যা; আরো বেশি এক্মতের প্রত্যাশায় পর্থম কমেন্টের প্রতি সর্বসাধারনের দৃষ্টি আকর্ষন করতেছি
এক্মত...
এক্মত
একমত
কোন শাপলার কথা বলছেন ?
তাও ভালো শাপলার জায়গায় কোন ব্লগারের নাম দেন নাই! এখনো দেশে ভদ্দরলোকেরা আছে তাইলে!
বস আগে কৈয়া রাখি... আম্রা আপ্নার মত ভদ্রলুক না
আম্রা সৌন্দর্য্যের পুঁজারী
... সো পুকুরে শাপলা দেখা ভালু
...
কবি মেলা আগেই কৈয়া গেছে ... ২টা পয়সা থাকলে এক্টা দিয়া ফুল কিন্তে আর এক্টা দিয়া খাবার ...
ভাগ্যিস কেউ হাঁসের বাচ্চা হইয়া সাঁতার কাটার কথা কয়নাই।
বিয়ার আগে কেউ আমার এত প্রশংসা করে নাই

তয় পুকুরে শাপলা ছবি তোলার যে শখ আছে তা কইলাম মিছা না।
ছি: ছি: আপনাগো চিন্তা এত খারাপ!!!
শিক্ষকের নাম ছিলো শওকত হোসেন মাসুম, প্রথম ক্লাসের পর থিকা তারো শখ পুকুরে শাপলা দেখা... মারহাবা, সোবহানাল্লাহ ! একমত, দুইমত, তিনমত...
কাক্নাদির লগে জাঝা সহকারে একমত... তয় ইয়ে মানে কম বেশী আম্রা সপাই শাপলা দেখতে পছন্দ করি
শিক্ষকের নাম ছিলো শওকত হোসেন মাসুম, প্রথম ক্লাসের পর থিকা তারো শখ পুকুরে শাপলা দেখা..........
কষ্ট করে মাথা খাটাতে হলো না। কাঁকনকে জাঝা!!
ছাত্র-শিক্ষক সকলের পরিচয় জানা গেল; শাপলার পরিচয় ঝাতি ঝানতে পারলো না!
আফ্সুস, বড়ই আফ্সুস।
লুলে লুলে দেখি এই ব্লগ একাকার
কাঁকন এর প্রথম কমেন্টার জন্য তার নামে আমি দুই প্লেট ফুচকা বরাদ্দ করলাম , দেখা মাত্র পরিশোধ করা হইবে
কিন্তু .. দুলাভাই .. শাপলা কোন পুকুরে এবং কয়টা থিকা কয়টা পর্যন্ত সাতার কাটে সেইটা একটু বলবেন .. পিলিজ
পোলাডা ভালো ছিলো বলেই জানতাম!!!!!!!
পুকুরের ঠিকানডা কেউ দিল না।
ছোটদের সামনে বড়দের একী লুলগল্প! কলিকাল, কলিকাল!!
প্রথম কমেন্টে থাম্বস আপ!
অর্ধেক পড়েই যে কথাটা মনে আসছিলো, কাক্না অলরেডি সেইটা বলে ফাটায় ফেলছে। পরে চিন্তা করে দেখলাম শওকত সাবরে এমন ধোয়া শাপলাপাতা বানানোর মানেই হয় না। গল্পের কিছু বাকী রয়ে গেছে। সেইটা হবে এইরকম:
শাপলার কথা শেষ হতে না হতেই লেইটকামার অষ্টম ছাত্র শওকত হোসেন মাসুম ক্লাসের দরজায়।
-আসতে পারি, স্যার?
-আসো, কিন্তু তুমি এরকম ভিজে গেছো কেন? বাইরে কি বৃষ্টি হচ্ছে?
-জ্বি না স্যার, আমি পুকুর থেকে পদ্ম তুলে আসলাম
পদ্ম তুইলা ভাই তো আর আসেনা; সেই যে পোস্ট দিয়া গেল শাপলা দেখতে পদ্ম তুইলা এখনো আসলো না
আপনারে আমি কইছিলাম মহিলা হোজ্জা। ঠিকই কইছিলাম
কাক্নারে দিলেন জাঝ, আরও দিলেন জাঝা,

আমার বেলায় কন খালি মহিলা হোজ্জা
সব লুল এখানে।
লুলে লুলে একাকার!!!
নুশেরা আপার নামেও দুই পেলেট ফুচকা বরাদ্দ করা হৈলো .. সাক্ষাতে পরিশোধ করা হইবে
কাঁকন তো খাইবো না (মানে হে ভার্চুয়াল থাকতে চায়, তেম্নে তো আর খানাপিনা সম্ভব না
), তাইলে আর দুই পেলেট নষ্ট করেন ক্যান, আমারেই চাইর পেলেট...
নুশেরাপুর খাওয়া মানেই কানুগ্রুপের খাওয়া
আমি আরো ভাবছিলাম তুমি চটপটির খাতিরে হইলেও দেখা দিবা
খুব ভাল লাগল ।।পড়ে, সহজ ভাষায় অনেক সুন্দর লেখা ।,যে লেখা পড়ে মন ভালো হয়ে যায়।।।।...!
ছাত্র এতো হইলে ক্যামনে হইবো? বাকি কতোজন বাদ গেলো? মুকুল, বিমা, সাইদ, কাজীরা কানতেছে
মন্তব্য করুন