একদিন খুঁজেছিনু যারে
সাগরের কথা
পাঁচ বছর পর সাথীকে দেখছি। আমরা একই শহরে জীবন যাপন করি। হঠাৎ রাস্তায় দেখা হতেই পারতো। আমার চোখ পাঁচ বছর ধরে সাথীকে খুঁজেছে। কিন্তু কখনো দেখা পাইনি। সেই সাথীকে আজ দেখছি।
অনুষ্ঠানটায় আসবো না বলেই ভেবেছিলাম। মানুষের কোলাহোল আগের মতো আর ভাল লাগে না। নির্জনতা খুব প্রিয় হয়ে উঠছে আজকাল। একা থাকায় অভ্যস্ত হতে শুরু করেছি। তারপরেও বেরোতে হয়, আসতে হয় এরকম দু’একটি অনুষ্ঠানে। এসেছি বলেই সাথীকে দেখছি, পাঁচ বছর পর।
সাথীর কথা
আজকাল পার্টিতে যেতে সাথীর ভাল লাগে না। অনেকগুলো মুখোশ পড়া মানুষের মধ্যে থাকতে অস্বস্তি হয়। সবগুলো মানুষ একই ভাষায় যেন কথা বলে। দেশের রাজনীতি দিয়ে শুরু, শেষ হয় অফিসের রাজনীতি দিয়ে। এসব আলোচনায় অংশ নিতে পারে না সাথী। অথচ এক সময় দারুণ আড্ডাবাজ ছিল সে। কখনো সবাই মিলে, কখনওবা কেবল সে আর সাগর ঘন্টার পর ঘন্টা গল্প করেছে। তখন সাথীর মনে হতো জীবনটা না হয় এমনি করেই যাক।
জীবন এমনি করে যায় না। তারপরেও জীবন চলে, চালাতে হয়। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখে সাথী। চপলতার ভাবটা উধাও, ভারিক্কি একটা ভাব এসেছে। চুল অবশ্য সেই আগের মতো লম্বা আছে। বহুদিন ভেবেছে কেটে ফেলবে। শামীমের চুল নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই। বরং কেটে ফেলাটাই যে স্বাভাবিক সেটাই হয়তো মানে। সাগর সাথীর এই চুল পছন্দ করতো। মাথার মধ্যে মুখটা গুজে বলতো, ‘একটু থাকি এরকম সাথী?’।
-‘এখনো রেডি হওনি। তাড়াতাড়ি করো। দেখি একটু'-শামীম আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে একটু দেখে নেয়। ‘রেডি হও, আমি ওই রুমে আছি।’
শামীম না হয়ে যদি সাগর হতো? এই যে শামীম এসে নিজেকেই দেখে চলে গেলো, সাগরও কি এরকমই করতো। সাগর সাথীকে দেখতো, মাথাটা ধরে আদর করে দিতো, সাথীও এক মুহুর্তের জন্য হলেও পরম আদরে, নির্ভরতায় জড়িয়ে ধরতো সাগরকে।
সাথীর এই এক সমস্যা। সব কাজে সামনে চলে আসে সাগর। সাথী শামীমের মধ্যে সাগরকে খোঁজে। শামীম আর সাগরের মাঝখানে থেকে অসহনীয় এক জীবন কাটায় সাথী।
জীবন সাগরকে চেয়েছিল। বাস্তবতা শামীমকে দিয়েছে। শামীমকে নিয়েই তো খুশী হওয়ার কথা ছিল। শামীম প্রচলিত সংজ্ঞায় ভাল ছেলে, ভাল চাকরি করে, সমাজে প্রতিষ্ঠা আছে, ভবিষ্যতে আরও উপরে উঠবে। সাথীকে ভালওবাসে। তাহলে সাথী কেন পারছে না। শামীম হাত ধরলে সাথীর কেন সাগরের কথা মনে পড়ে।
মনের মধ্যে সাথীর গাঢ় মেঘ জমে থাকে। সেই মেঘ একা একাই বৃষ্টি ঝড়ায়। সেই বৃষ্টিতে সাথী একা একাই ভেজে। পাশে থেকেও শামীম সেই বৃষ্টি দেখে না, মেঘের খোঁজ পায় না। শামীম বরং তাকে টেনে নিয়ে যায় অতল গহবরে। সেই অতলে হারিয়ে যেতে যেতেও সাথী দুই হাত দিয়ে আঁকড়ে ধরতে চায় কেবলই সাগরকে।
ওদের কথা
সাথীকে দেখতে ভাল লাগছে। চেহারার সেই ছেলেমানুষী ভাবটা নেই। তাতে বরং ভালই লাগছে। কলাপাতা রঙের শাড়ীতে মানিয়েছে বেশ। কোমর সমান সেই লম্বা চুল আর নেই। চুল কেটেছে সাথী। কাঁধ পর্যন্ত ছড়িয়ে আছে ঘন কালো চুল। সাথী অনেক সেজেছে। অনুষ্ঠানের মধ্যমনি যেন সেই।
সাথীও দেখে ফেললো তাকে। ঠিক যেন প্রজাপতির মতো উড়ে এল সামনে। এক ঝলক মুক্ত হাওয়ার মতো মনে হল।
-বাব্বা, অনেক দিন পর দেখা। কতদিন ভেবেছি তোমার সাথে দেখা হয় না কেন।
-সাথী, তুমি কেমন আছো?
-দারুণ আছি। চাকরি করতাম একটা, ছেড়ে দিয়েছি। ভাবছি মন দিয়ে সংসার করবো, ঘুড়বো, বেড়াবো। চাকরি-বাকরি ভালো লাগে না। আমার কথা বাদ দাও, তুমি কেমন?
হঠাৎ দেখা হলে কি কথা বলবো তা নিয়ে আমি অনেক ভেবেছি। সেসব কিছুই বলা হলো না। কেবল একটা হাসলাম। এক সময় সাথী আমার এই হাসি মুগ্ধ হয়ে দেখতো। আজ মনে হয় খেয়ালই করলো না।
-দাঁড়াও, তোমাকে আমার হ্যাজবেন্ডের সাথে পরিচয় করিয়ে দেই। সাথী টিনে নিয়ে আসলো এক সুদর্শন যুবককে। আমরা হাত মিলালাম। সাথী পরিচয় করিয়ে দিয়ে বললো-‘সাগর ভাই, আমার দু’ক্লাশ সিনিয়ার ছিলেন। কিন্তু আমরা ভাল বন্ধু ছিলাম।’
আমি আবার হাসলাম।
(গল্পের নামটা নিয়েছি জীবনানন্দ দাশের কবিতা থেকে)





ঘটনা কি বুঝতেছি না
ছোট মানুষের বুইঝা কাম নাই।
জোশ...
চলুক
একটা চমৎকার যায়গার দিকে এগোচ্ছে...
ঘটনা এখানেই আটকে গেছে যে....
আমিও নুশেরাবুর কাছ থেকে ধার করে বলি...(উনিও যেন কার কাছ থেকে ধার করছিলেন)
একদিন সবকিছু গল্প হয়ে যায়
একদিন সবকিছু গল্প হয়ে যায়

শেষ বিকেলে গল্পটা পড়ে বিকেলটা আরো বিষন্ন হলো। জীবনের হিসাব আসলে কে মিলায়? ইশ্বর?
মিললে তো কথাই ছিলো না।
বালাই ষাট। আল্লাহ মাফ করুক। এমন ঘটনা যেন মিলে না যায়।
একমত
নেক্সট দেখায় বাচ্চার সাথে সাগরকে পরিচয় করিয়ে দেবার সময় বলবে " এটা তোমার সাগর মামা "
লেখার ধরনটা খুব ভাল লাগলো.........
আমি গল্পকার না মোটেই।
হাজবেন্ড আর প্রেমিক (কাঙ্খিত পুরুষ) এর যুদ্ধটা অসম; এই যুদ্ধে কোন সময়ি হাজবেন্ড যেতে না'
আপনার এই সিরিজটা চলবে নাকি?
সিরিজ করার যোগ্যতা হবে বলে মনে হয় না।
লেখাটা কি চলবে? যদিও এখন পর্যন্ত কাহিনীতে তেমন কোনো বৈচিত্র্য নেই, তারপরেও অসাধারন বর্ণনা ভঙ্গি টেনে ধরে রাখে, নিয়ে যায় গল্পের গভীরতায়। সবচেয়ে ভালো লেগেছে আবেগের প্রকাশটা লাগামহীন নয়। ধীর স্থির আবেগ। পরের পর্বের অপেক্ষায়।
ঘটনার বৈচিত্রতার কথা মাথায় থাকলো
পরের পর্ব লিখবেন নাকি? লিখে ফেলেন, নয়তো কিরাম প্যাকেজ নাটক প্যাকজে নাটক বদবু আসছে
হাহাহাহাহাহা। ভাল বলছেন।
এইটা কি হইল?? গত পর্বে কি সুন্দর ভালোবাসা, মিলের গন্ধ পাইলাম। আর, এইটায় হুট কইরা সাথীরে বিয়া তো দিলেনই, সাথে আবার জামাই'র লগে প্রেমিকের দেখাও করাইয়া দিলেন??
ধৈর্য কম রে ভাই
এইরম গল্প মাসুম ভাই লিখবার পারেন সেইটা আমরা জানতাম না...কিন্তু কেনো জানি মাসুম ভাইয়ের কাছ থেইকা এইরম গল্প প্রত্যাশাও করি না। গল্পের বেসিক গল্পটা ক্লীশে...এর কথা ওর কথা টাইপ ফর্মটাও ক্লীশে...যদিও আমি ইউজ্যুয়ালী ক্লীশে ফ্যান...কিন্তু সাগর সাথীর আগের সারপ্রাইজিং প্রেমকাহানীটা বেশি টানছিলো...
আমারে কোনোভাবেই গল্পকার বলা যাবে না। হঠাৎ কইরা কেন জানি লেইখা ফেললাম। আর এইটা আগেরটারই পরের পার্ট কইতে পারেন। সত্যি মিথ্যার মিশেল আছে যথেষ্ট পরিমানে।
্বাচ্ছা কাচ্চা দেখতে চাই!! তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা লন!!!
বুইড়া আঙ্গুল দেখাইলাম
খাইছে
শেষ?
আর কতো?
নাকি বাকীগুলা জনসম্মুখে বলার মতো না
অভিজ্ঞ লুকদের নিয়া এই এক সুবিধা।
দুনিয়াতে এটাই একমাত্র অভিজ্ঞতা, বিয়ার বাজারে যার কোনো মূল্য নাই। তবে ইদানিং দেশ আগাইতেছে। প্রেমের বাজারে অভিজ্ঞতা কিছুটা দাম দুম পাইতেছে।
তারমানে কি সিভিতে সব প্রাক্তনদের নাম ঠিকানা দিতে হয়? সবারটা কি আর মনে আছে?
স্ক্রিনশট টা রাখলাম মাসুম ভাই । কবে আবার ডিলিট করেন কিছুই তো বিশ্বাস নাই
ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান কে এখন? কোন স্যার?
ওকে ভাইয়া । চেয়ারম্যান স্যার কেও একটা ডিস্ক দিবোনে । আর কাউকে দিতে হবে ?
লেখাপড়া নাই? পড়তে যাও
একুশে টিভি তে একটা দিয়েন।
ইউটিউবে আপলোড করে দিবোনে আপু
দুইটা পর্ব পড়লাম।
যদি এটা অভিজ্ঞতা বর্ণন হয়, তাইলে কিছু বলার নাই।
আর যদি হয় সাহিত্য, গল্প... তাইলে দুইটা কথা আছে।
কিন্তু দেখা যাইতেছে এইটা নাসাহিত্য নাজীবন... কী কমু তাই বুঝতেছিনা।
জীবনাংশ হইলে ঠিকাছে, আপনার প্রতি সহমর্মিতা জানানো ছাড়া আর কিছু বলার নাই। ব্যাপার্না। এরকম হইতেই পারে। এটাই স্বাভাবিক। বি স্মার্ট। [আচ্ছা, আপনে স্মার্ট হওনের গল্পটা জানেন তো
]
আর সাহিত্য হইলে চলেন দুইটা সুখ দুক্ষের আলাপ করি।
প্রথম পর্বটা ভালো লাগছিলো। একটা টিনেজ প্রেমের গল্প গল্প ব্যাপার ছিলো। এই পর্বে এসে দেখা গেলো সাগর ইতোমধ্যে মহাসাগর হয়ে গেছে। সাথীকে নিয়ে এখন আর 'যেও না সাথী' গাওনের কোনো উপায় নাই। আমি দুইটারে আলাদা দুটো গল্প ভাবতেই বেশি পছন্দ করতেছি। হয়তো পাত্র পাত্রী একই। এরকম একই পাত্রপাত্রী নিয়ে আরো পর্ব বাড়তে পারে।
এই গল্পে আমরা একজন নারীর দোদুল্যমানতা দেখি। এখানে সাগর আর শামীমরে আমার কেবলই দুইটা পুরুষ মনে হইছে, আর কিছু না। সাগর আর শামীমের জায়গায় যদু মধু যেই হইতো, একই কাণ্ড হইতো বইলা মনে হইছে। সাথীর মনোজগতে যে সাগরের বিচরণ, সেই সাগররে আদৌ কি সাথী চাইছিলো? এইটা আমি
নিশ্চিত না। আমার কাছে মনে হইছে কল্পনার একটা মানুষেই সে বেশি সচ্ছন্দ, সাগর তার একটা প্রতিরূপ কেবল।
শেষ পরিচয়পর্বটা পূর্বানুমেয়ই ছিলো। আবার মনে মনে একটা চমকের আশা ছিলো। [ছোটগল্পের কাছে যে দাবী সর্বদাই থাকে] কিন্তু কোনো চমক না দেওয়াটা চমক হয়ে যায় মাঝে মধ্যে।
এইটা আসলে এক ধরণের মিশেল বলা যায়। আর এই গল্পটা একজন পুরুষের দৃষ্টিকোন থেকে বলা কিন্তু। এখানে আসলে সাথীর কোনো ভার্সন নাই। সাথীরে দেখে সাগর কল্পনা করছে যে সাথী ভাল নাই, সে কেবল সাগররেই ভাবে। স্বামীর মধ্যেও সাগররে খোঁজে। সেই কল্পনাটাই আসছে গল্পের দ্বিতীয় অংশে। আবার তৃতীয় অংশ বাস্তব, কল্পনা না। এখানে সাথীর কোনো ভার্সন নাই, কারণ সেইটা আমি জানি না। গান আছে না একটা, তুমি কি সেই আগের মতোই আছো? সেইরকম আরকি। সাগর ভাবতে পছন্দ করে সাথী এখনো তার জন্য সুখী হয় নাই।
গল্পের ২য় অংশে সাথীর লম্বা চুলের কথা বলা আছে। শেষ অংশে বলা আছে চুল কাটা। কল্পনা আর বাস্তবের পার্থক্য বুঝাইতে এইটা লিখছিলাম।
ভাল করে মনে হয় বুঝাইতে পারি নাই
স্মার্টের গল্পটা কন।
হায় হায়, পুরা ব্যাপারটায় লেখকের সাগরের প্রতি পক্ষপাতিত্বের একটা অভিযোগ আনতে চাইছিলাম। শেষতক ভুলে গেছি। তাইলে একটা মৈত্রেয়ী দেবী লাগবো বুঝছি।
স্মার্টের গল্প তো এখানে কওন যাইবো না। মডু ব্যান করবো। এইটা চামে চুমে কোনো এক চিপায় গছায়া দিতে হইবো। যাতে মডুরা বুঝতেই না পারে এখানে কোনো খ্রাপ কথা বলা হইছে
সাথীর বয়ানে (উত্তম পুরুষে) কোন অংশ নাই, বুঝলাম সেটা আসলে সাগরেরই কল্পনা। কিন্তু "ওদের কথা" থার্ড পার্সোনে শুরু হয়ে তারপর আবার সাগরের নিজের বয়ানে চলে আসলো কেন?
পোস্ট দেওয়ার পর ভুলটা ধরতে পারছি। কেউ কিছু বলে না বইলা চাইপা গেছিলাম। এই সব সাবহেড পুরাটাই তুলে দিতে হবে।
আর এগুলা তো ছাপা হবে না, বেশি শুদ্ধ কইরাই বা কী হবে?
ছাপা-হওয়া আর ছাপা-না-হওয়া লেখার পাঠকদের তাহলে আলাদা করে দেখেন। কষ্টিত হইলাম
হুমমমমম
বাহ, নাজরে দেখে ভাল লাগতাছে।
সবাই বড় স্বার্থপর...
দারুন !!!
আপনার গদ্যের ভক্ত হইয়া যাইতেছি দিন দিন। অর্থনীতি ছেড়ে কোনদিন উপন্যাস বের করেন তাই ভাবতেছি
আরে না, কি যে কন??
আমি শামীমরে লাইক করলাম... জীবনের অতশত ঝামেলার মইধ্যে নাই বেচারা
সাগর ভাবলেই হইবো ? সাথী ম্যালা সুখী একটা মেয়ে...
তয় শেষতক সাগেরর লাইগা আফসুস !!!
....আমি ভাবতে আছি...
দু'টা দুই ধরনের ভাবতে পছন্দ করছি... আগেরটা ভালো লাগার মজাও লেগেছে, এটা বেশি দারুন লেগেছে...
নজরুল্ভাই আর আপ্নের গল্প নিয়ে আলোচনাটা ভালো লাগছে...
একদিন সবকিছু গল্প হয়ে যায়
একদিন কিছু গল্প ব্লগ হয়ে যায়
মাঝখানে চুলের অংশটা মাঝে মধ্যে টেলিভিশনে দেখায়, বিজ্ঞাপনে।
বউ এর জন্মদিন এ সাথীর কথা মনে আসা ঠিক নয়।
হুমম খুঁজে তাকে পাওয়া গেলো
"হাজবেন্ড আর প্রেমিক (কাঙ্খিত পুরুষ) এর যুদ্ধটা অসম; এই যুদ্ধে কোন সময়ি হাজবেন্ড যেতে না"
প্রেমিক যদি হাসবেন্ড হয়া যায় তবুও??
মাসুম্ভাই, এসব বিরহ টাইপ গল্প বাদ দেন। মন ভাল করার কিছু দেন, আপনার মত কেউ হাসাতে পারেনা।
আমি আবার কি দোষ করলাম!!
কবে বিয়ে করে ফেললাম, নিজেও জানলাম না
তবে গল্প ব্যাপক ভালো হয়েছে। মাসুম ভাইয়ের কাছ থেকে আরো গল্প চাই।
এই ব্লগে পুরোনো লেখা খুঁজে পাওয়ার নিয়ম কি জানি না। এইটা খুবই দুঃখের কথা। এই লেখাটা আজ অতিথি হিসেবে মন্তব্যকারী একরামুল হক শামীমের সৌজন্যে পড়লাম। এর আগে সামু'তেও মাসুম ভাইয়ের সাথী-সাগর পড়েছি। এইটা আরো চলা উচিত।
বাহ বাহ.।।।
আবারো একবার জানায় গেলাম, সাথী-সাগর আরো চলা উচিত।
মন্তব্য করুন