Best Drupal HostingBest Joomla HostingBest Wordpress Hosting

ইউজার লগইন

ডাইরী ৬৭

এক.
আমার সবটাই অনুমেয়। আমি কিছু বলার আগেই তুমি বুঝে ফেলতে আমার মিথ্যাগুলো...কিছুতেই লুকোতে পারিনি আমার আবেগ। রহস্যহীনতায় আমি গদ্য ভাষা হয়ে উঠি। শস্যপর্ব যেমন আবর্তনের নিয়ম মেনেই চলে, প্রাণীকূলের জীবনচক্র নিয়ে যেমন নিশ্চিত হয়ে যায় প্রাচীন মানুষ। আমাকেও তুমি তেমন পড়েছ নিষ্পলকে...

ডাইরী ৬৬

এক.
মানুষ গোপনীয়তা ভালোবাসে। জানিনা কেবল আমিই কি তবে নিজেরে মেলে দিতে চাই উঠোনে উঠোনে। আর তাই আড়ালে কখনো আস্থা রাখি নাই। কে আমার কোন কথাগুলো রটিয়ে বেড়াবে ভয়ে, চুপচাপ তারে বয়ে বেড়াবো কেবল, আর নিজের ভেতর তারা রাক্ষসের মতো তৈরী হবে...

বধ করবে তারা, কোন ভবিষ্যতের রাখাল, ভাবতেও পারিনি এমন...

দুই.

ডাইরী ৬৫

এক.
শুদ্ধ বালক ছিলাম না কোনদিন। পবিত্র মুখোশ পরে হয়তো হেটেছি ফুটপাতে। সবাই তখন মুখোশের রঙ-বুনোট অথবা কারুকাজ দেখে মোহিত রয়েছে। আমি আড়চোখে নারীদের শরীর কাঠামো দেখি নাই কইলে নিজেরেই প্রতারনা করি তবে।

দুই.

ডাইরী ৬৪

যা কিছু অদৃশ্য রয়েছে জীবনে, তারে নিয়েই তড়তড়িয়ে লেখচিত্র ক্রমশঃ উর্ধ্বমূখীন।

এক.

ডাইরী ৬৩

এক.
আজ ইচ্ছে ছিলো তারে বিদায় জানাবো। তার হাত ছুঁয়ে দেবো। যে হাতে সে অচীরেই ছোঁবে ভালোবাসা। অতএব আমিও ভালোবাসার নৈকট্যে চলেছি বলে সাজাই সুখের সওদা। জানি এমন চিন্তারে অসুস্থ মনে হবে তোমার নিকট। নিকট নৈকট্য কেবলি সংকটে চলে ভবিতব্যহীন...

ডাইরী ৬২

এক.
সে আমাকে ডেকে নিয়ে যায়। আমিও সকল সংসারে আগুন জ্বেলে দিতে সাথে সাথে সাড়া দেই। তবে তার আগে খেয়ে নেয়া যাক চকোলেট চিপ বিছানো নতুন ফ্র্যাপে...

যার হিম বরফে আমার প্রতিহিংসার আগুন নিভে গেলো, দপ করে। আহা কফি ওয়ার্ল্ড, কেনো যে আসি নাই এতোদিন আমি তোমার নিগরে। অতঃপর আমি তারে সোজা না বলেছি, বলেছি চিকিৎসক রমনীরা সুখেই থাকুক...

ডাইরী ৬১

এক.
উকি মারা বিদ্যায় আমার তেমন দক্ষতা ছিলো না কখনো। ঘাপটি মেরে গোপনেরে দেখি নাই এমন না, কিন্তু কখনোই ভাবি নাই গোপনের বিনিময়ে চেয়ে নিবো কিছু। বেশতো ছিলাম...অথচ সে আমি পাগলের মতো খুঁজে ফিরি সব গোপনীয়তারে। সে আমি ভেঙে ফেলি সকল আড়াল। যদিও তাহার আড়ালের বেড়া বেশ নাজুক মাজুল ছিলো।

রাঙ্গামাটির রঙে চোখ জুড়ানো? (পাঁচ)

ঈদের দিন সকাল ১০টায় ঘুম ভাঙনের পর কেরম অস্বস্তি লাগতেছিলো...বহুকাল পর এই উৎসবের সকালে বিছানা ছাড়লাম এতো সকালে!

ডাইরী ৬০


এক.

অন্তর্জাল কিম্বা আন্তঃজাল যা'ই বলা হোক, সেই জালে আটকা পড়েছি আমরা সকল জলজ পরান। পথভ্রান্ত হয়ে জানি না চলেছি কোনখানে, ভুলেছি কোথায় গন্তব্য রয়েছে...বাস্তব জগতের পরাধীনতা থেকে এই জালের স্বাধীনতায় বিশ্বাস বেড়েছে তবু। আহা জাল সে যে ঘিরে আছে অদৃশ্যমানতা নিয়ে।

ডাইরী ৫৯

Life is elsewhere...

এক.
হয়তো সত্যিই জীবন অন্যত্র রয়েছে। আলসেমিতে কখনো খুঁজি নাই অন্যত্রে যাওয়ার পথ বরং ভেবেছি নিজের চারপাশে তুমুল আন্দোলনে একদিন পাল্টে যাবে সব, এইখানেই পেয়ে যাবো জীবনের দিশা। তবু দেখি অন্যত্রের পথ অন্বেষণে চলেছে অনেকেই...

ডাইরী ৫৮

এক.
মার্চ মাসেই এবার সূর্য্য তাপ বেড়ে, পোড়াবে পীচের আস্তরণ আমি জানতাম। মার্চ মাসে আমি তপ্ত শরীরে শয্যার সন্নিকটে কাটাবো চব্বিশ ঘন্টা, জানা ছিলো। এবারের মার্চে অস্থির হবার সম্ভাবনা রাখি জেনেই যেনো বা, পুড়ে যায় আমার হৃৎপিন্ড, জঠর, প্লীহা...ভুল করে আমার কপাল ছুঁয়ে ফেলায় পুড়েছে মায়ের আঙুল।

রাঙ্গামাটির রঙে চোখ জুড়ানো? (চার)

পেডা টিং টিং মানে পেট ভরা ভরা...তিন পাহাড়ি রাজনৈতিক নেতা যারা দেশের বড় রাজনৈতিক দলগুলি প্রতিনিধিত্ব করেন, তারা পয়সা খাটাইছেন পর্যটন ব্যবসায়...পাহাড়ের আমেজটারে হয়তো তারা বুঝেন, তাই তাগো স্থাপনায় পাহাড়ের প্রাকৃতিক আমেজ পুরা পাওন যায়। কিন্তু লোভনীয় খাদ্য তালিকার মূল্য দেখলেই খাওনের শখ উইবা যায়...তাওতো একবেলা ওয়াইল্ডারনেস'এর মধ্যে খাওয়া। কিন্তু অর্ডার করনের পর ঘন্টা দেড়েক লাগবো শুইনা আমরা পিছুটান দিলা

ডাইরী ৫৭

গুলিবিদ্ধ পাখি গোত্তা খেয়ে কোথাও পড়েছে। আমি তারে খুঁজতে খুঁজতে বন, পাহাড়, মাতাল সমতল উল্টে পাল্টে বেড়াই। গুলিবিদ্ধ পাখি কোথাও বেদনাহত পড়ে আছে...

এক.

রাঙ্গামাটির রঙে চোখ জুড়ানো? (তিন)

কেবল কৈশোরত্তীর্ন তরুন হিসাবে ৯০ দশকের শুরুতে যখন সুবলঙ আসতাম, তার রূপে মোহিত হইয়া একটা পুরা দিন চইলা যাইতো...পাহাড়ী ঝর্ণার অবারিত জলে শরীরের প্রতিটি কনায় শিউরে ওঠা অনুভূতি...চুয়ানির আচ্ছন্নতায় ঠান্ডা জলের বৈপরীত্যে আমরা সন্ধ্যাতক একদম নিজের জগতে থাকতাম। সেই সুবলঙে যাওনের লেইগা ইঞ্জিন চালিত ছাউনি দেওয়া ট্রলার ভাড়া কইরা পারিবারিক(?) আবহে যাত্রা...এক্কেরেই নতুন অভিজ্ঞতা আমার জন্য। কিন্তু ঈষিতা কটেজে

ডাইরী ৫৬

পাহাড় জ্বলছে আগুনে,
মানুষ পুড়ছে আগুনে।
ধিক! বাঙালি, ধিক!

এক.