নিঝুম অরণ্য'এর ব্লগ
সৌধস্নাণে নিমগ্ন স্ফারিত সংগীত!
নীল প্রজাপতিটা যখন ডানা ঝাঁপটা দিয়ে সামনে দিয়ে উড়ে চলে যায় তখন খুব করে রোমন্থনের ইচ্ছে জাগে.. স্মৃতি বিস্মৃতির দোলাচালে নিজেকে উজাড় করে দেবার নিমিত্তে আবেগ নাড়া দিয়ে যেতে থাকে, প্রথমে একবার, তারপর অনেকবার.. সাগরের নীলাভ্র লোনা জলের মৌন স্নান মাখা জলজ শরীরে কেউ যখন সূর্যের নরম মিষ্টি উষ্ণতা মেখে নেবার নিমন্ত্রণ জানাতো, তখন মনে হতো চিরায়ত পৃথিবীর অফুরান সুখের বৈভব কিশলয়গুলো যেন আমার সামনে এসে তার নির্মল কুসুমকলির পরিস্ফুটনে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েছে..
এক মুঠো বিষণ্নতা..
আজ দুপুরে অসময়ের একটা ঘুম দিয়েছিলাম.. ঘুম থেকে উঠে দেখি সময় বলছে বিকেল পড়ে এসেছে.. কিন্তু জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে অসম্ভব মুদ্ধ হয়ে গেলাম.. ভীষণ মেঘাচ্ছন্ন আকাশ.. ভাবলাম বছরের প্রথম অঝোর বর্ষনটা বোধহয় আজই হতে যাচ্ছে.. নামায পড়ে আর খাওয়া দাওয়া সেরে নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম.. মেঘলা আকাশের ছায়া মাড়িয়ে নিয়ে নির্জন পথ ধরে একাকি হেঁটে হেঁটে অনেকটা দূর চলে গেলাম.. অপেক্ষায় ছিলাম.. ইশ্ !! কখন যে অভিমানের বাঁধ ভেঙ্গে ঐ দূরের আকাশটা হঠাৎই ঝর ঝর করে কেঁদে ফেলবে.. আর তার কান্নাজলে আমি বৃষ্টিস্নানের পরশ মেখে নিবো বহুদিনের উষ্ক-শুষ্ক শরীরটাতে.. তার সাথে আমিও কান্না করবো (সবার অলক্ষ্যে) ..
তুমি অশ্ম হও, তব স্তুতির বিন্যাসে তুমি অংশুমালা !

এক স্নিগ্ধ বিকেল বেলার সতেজ আবেশে তোমাকে খুব করে মনে পড়ছে.. বিশুদ্ধ হিমেল হাওয়ার ঝাপটা যেন কতশত তরীর পাল উড়িয়ে দিয়ে এসে এখন আমার ব্যালকনিতে ঝরে পড়ছে তীব্র আবেগে.. তপ্ত মরুর বুকে অনুতপ্তের গ্লানি টেনে নিয়ে উদাস চিত্তে এদিক সেদিক উদ্ভ্রান্তের মত নিরবিচ্ছিন্ন বিচরণে নির্বিঘ্নে আর্তচিৎকার করে যেতে পারি এখন আমি অনেকটা ক্ষণ ধরে..