ইউজার লগইন

পান্থ জনের সখা'এর ব্লগ

প্রকৃত ধর্ম অবমাননাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

পবিত্র কাবা শরীফের গিলাফ একটি বস্ত্রখন্ড যা দিয়ে কাবা শরীফকে আচ্ছাদিত করে রাখা হয়। বর্তমানে গিলাফ কালো রেশমী কাপড় নির্মিত, যার ওপর স্বর্ণ দিয়ে লেখা থাকে "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলাল্লাহ", "আল্লাহু জাল্লে জালালুহু", "সুবহানাল্লাহু ওয়া বেহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আযিম" এবং "ইয়া হান্নান, ইয়া মান্নান"। ১৪ মিটার দীর্ঘ এবং ৯৫ সেমি প্রস্থ ৪১ খণ্ড বস্ত্রখণ্ড জোড়া দিয়ে গিলাফ তৈরি করা হয়। চার কোণায় সুরা ইখলাস স্বর্ণসূত্রে বৃত্তাকারে উৎকীর্ণ করা হয়।
পবিত্র কাবা শরীফের যে গিলাফে মহান আল্লাহ-রাব্বুল আল-আমিনের বাণী লেখা থাকে সেই লেখাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিকৃত করে উপস্থাপন করে, প্রচার করে, প্রকাশ করে ধর্মপ্রান মানুষকে যারা বিভ্রান্ত করে তারা কি ইসলামের অবমাননাকারী নয়? তারা কি পবিত্র কোরআন অবমাননাকারী নয়?
একজন মুসলমান হিসেবে আমি আমার ধর্মের অবমাননাকারী, পবিত্র কা’বা শরীফ অবমাননাকারী, পবিত্র কোরআন অবমাননাকারী তথাকথিত সাংবাদিক, মিথ্যুক, প্রতারক মাহমুদুর রহমানের কঠোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই ।

পক্ষ নিলে রক্ষা নাই

গত কিছুদিন আগে ঢাকা থেকে সিলেট আসার পথে বাসে একটা নাটক দেখলাম, প্রথমে নাটকের প্রতি আমার মনযোগ ছিলোনা কিন্তু যখন দেখলাম নাটকটি মুক্তিযুদ্ব ভিত্তিক তখন আগ্রহ নিয়ে নাটকটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেখলাম। নাটকের কাহিনী ছিলো এমন-

গণজাগরণ এবং কিছু কথা

এই আন্দোলন কোন ব্যাক্তির নয়, কোন গোষ্টীর নয়, সমগ্র জাতির আন্দোলন।গত কিছুদিন পূর্বে জামাতশিবির চক্র সারাদেশে যে তান্ডব শুরু করেছিলো তা প্রতিরোধ করতে কোন ছাত্রসংগঠনের তেমন শক্ত কোন সাংগঠনিক তৎপরতা চোখে পড়েনি। ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়ন সহ প্রগতিশীল কোন সংগঠন ই কোন প্রতিরোধ গড়ে তোলতে পারেনি বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া। জামাত শিবির চক্রের এইসব তান্ডব প্রতিরোধে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দিকে থাকিয়ে খাকতে হয়েছে। এখন যখন সারাদেশের মানুষ জ্বেগে উঠেছে তখন সেই জাগরণ কোন ভাবেই স্থিমিত যাতে না হয় সেদিকে লক্ষ রাখুন। ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রলীগ সহ অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের যেসব বন্ধুরা এই আন্দোলনে একাত্বতা প্রকাশ করে গত ৬দিন থেকে শাহবাগে অবস্থান করে সারাদেশে যে জাগরণেরর সৃষ্টি করেছেন তার জন্য আপনাদের কৃতজ্ঞতা জানাই। দয়া করে কোন ব্যাক্তি বা গোষ্টী এই আন্দোলনে নিজেদের কতৃত্ব ফলাতে আসবেননা। যদি কোন কারণে এই সংগ্রাম এই ঐক্য বিনষ্ট হয় এই জাগরণ থেমে যায় মনে রাখবেন জাতি আপনাদের ক্ষমা করবেনা। এই আন্দোলনের উদ্যক্তাদের স্বার্থহীন ভাবে সহযোগীতা করুন। আমরা ধবধবে পোষাকের কোন নেতার বক্তৃতা শুনতে চাইনা, আমরা কারো আমিত্ব দে

রাজাকারদের তালিকা

রাজাকারদের তালিকাঃ

গোলাম আযম
আব্বাস আলী খান
মতিউর রহমান নিজামী
আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ- ইসলামী ছাত্রসংঘের সভাপতি এবং আলবদর বাহিনীর ঢাকা মহানগরীর প্রধান।
মো: কামরুজ্জামান- জামাতে ইসলামী বাংলাদেশের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল
দেলোয়ার হোসেন সাঈদী- জামাতে ইসলামীর মজলিসের শুরার সদস্য
আবদুল কাদির মোল্লা, জামাতে ইসলামের প্রচার সম্পাদক
ফজলুল কাদের চৌধুরী
সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী

ঢাকা বিভাগ

ঢাকা জেলা
রাজাকার আকবর- শাঁখারী বাজার, ঢাকা
রাজাকার তোতা মিয়া- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
রাজাকার ঈমান আলী- রায়েরবাজার, ঢাকা
রাজাকার হেদায়েত উল্লাহ (মৃত)- রায়েরবাজার, ঢাকা

গাজীপুর জেলা
রাজাকার আলাউদ্দীন-গ্রাম-মুদাফা, থানা-টঙ্গী, গাজীপুর
রাজাকার আওয়াল- জয়দেবপুর, গাজীপুর
রাজাকার এমপি নওয়াব আলী- জয়দেবপুর, গাজীপুর
রাজাকার হাকিম উদ্দীন- মাধববাড়ি, জয়দেবপুর, গাজীপুর
রাজাকার মজিব- মাধববাড়ি, জয়দেবপুর, গাজীপুর
রাজাকার মনু- মাধববাড়ি, জয়দেবপুর, গাজীপুর

টাঙ্গাইল জেলা
রাজাকার আনিস-ছাব্বিশা, ভূয়াপুর, টাঙ্গাইল
রাজাকার সাজু-কালামাঝি, মধুপুর, টাঙ্গাইল

জ্বেগে উঠো বাংলাদেশ, প্রতিরোধের এইতো সময় - দাবি একটাই সব রাজাকারের ফাঁসি চাই।

প্রিয় বাংলাদেশ জ্বেগে উঠো, প্রতিরোধের এখনই সঠিক সময়। এখন যদি আমরা না জাগি ভবিষৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবেনা। যেখানে জামাত সেখানে প্রতিরোধ। ছাত্র, শিক্ষক, ব্যাবসায়ী, চাকরিজীবি, দিনমজুর, কৃষক, রিক্সাওয়ালা, ফেরিওয়ালা, আবাল বৃদ্ব বণিতা জেগে উঠুন। বিষ দাঁত এখনই উপড়ে না ফেললে মাতৃভূমি আমাদেরকে ক্ষমা করবেনা।
একজন ছিনতাইকারি ধরা পড়ার পর যেমন করে গনরোষের শিকার হয়, যেমন করে রাস্তায় থাকা সব মানুষ ওই ছিনতাইকারিকে গণপিঠুনি দিতে কার্পণ্য করেনা এর থেকেও ভয়ংকর ভাবে জেগে উঠুন। শুধু মাত্র আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দিকে থাকিয়ে না থেকে যার যার অবস্থান থেকে প্রতিরোধের এইতো সময়। যেখানে জামাতশিবির ভাংচুর, বিশৃঙ্খলা করতে চাইবে সেখানেই প্রতিরোধ। যেখানে এই অপঃশক্তি বিশৃঙ্খলা করতে চাইবে সেখোনেই প্রতিরোধে এগিয়ে আসুন ছাত্র, শিক্ষক, চাকুরে, দোকানদার, ফেরিওয়ালা, রিক্সাওয়ালা সবাই মিলে ঘিরে ফেলুন পালানোর পথ পাবেনা। আসুন আমরা যে যার অবস্থান থেকে এই মূহুর্ত থেকে প্রতিরোধ করি। আর আমরা নিরব পথচারীর মতো দাঁড়িয়ে থেকে এই কুলাঙ্গারদের বিশৃঙ্খলা সহ্য করবনা।
দাবি একটাই সব রাজাকারের ফাঁসি চাই।

লক্ষ মা - বোন মাফ চাই ফাঁসির দাবি ছাড়ি নাই

ShahhBag_1.jpg

আর কোন কথা নাই, আর কোন শব্দ নাই দাবি একটাই সব রাজাকারদের ফাঁসি চাই
আর কোন কথা নাই, আর কোন শব্দ নাই দাবি একটাই সব রাজাকারদের ফাঁসি চাই
আর কোন কথা নাই, আর কোন শব্দ নাই দাবি একটাই সব রাজাকারদের ফাঁসি চাই
আর কোন কথা নাই, আর কোন শব্দ নাই দাবি একটাই সব রাজাকারদের ফাঁসি চাই