কবির'এর ব্লগ
ভীড়ের মানুষেরা ভীড় ঠেলছে যদিও আমি কুম্ভকর্ণের ঘুমে
ব্লগিং তবে ছেড়ে দেয়া হয়নি বুঝতে পারি। মাঝে মাঝে ঢুঁ মারা নেহায়েত খারাপ না। অনলাইন-অফলাইন-টিকেটের লাইন, বে-লাইনে লাইন বাড়ছে। আমরা কেবল মুখ থুবড়ে পড়ে যাচ্ছি লাইনের বাইরে। ঠ্যালা সামলা বাবা!
পাখি হবার সাধ ছিল সেই ছোটবেলা থেকে। তখন আরো সাধ ছিল বড় হবার সাধ। সময়ে-সময়ে গায়ে-গতরে বড় হয়ে গেছি। এই বড় বেলায় এসে দেখি আর বড় হবার আকাঙ্ক্ষা মরে গেছে। তবে কি আমি কিছু হতে পেরেছি-প্রশ্ন বিশাল। অথচ উত্তর সহজ- কিছুই হতে পারিনি! মাঝপথ দিয়ে মিলিয়ে গেছে বড় হবার সাধ। ছোটবেলার পাখিই হওয়া হয়ে ওঠেনি আর হতেও পারিনি ঠ্যালা সামলাবার বড় কেউ!
পথিকের পা থেকে পথের জন্ম। ভীড় ঠেলে মানুষেরা জন্ম দেয় আরেক ভীড়ের। কেউ কেউ এখানে জায়গা করে নতুন জায়গার। কেউ কেউ ঘুমায়, কেউ কেউ জাগে। কেউ জাগে না, কেউ জাগতে চায় না। এ কেউ কেউদের ভীড়ে আমিও এক পরিচিয় লুকানো কেউ। আমাকে আমি খুঁজি, আমাকে অন্যে খুঁজে। আমি তাই আমরা হই, আমরা ভেঙে আমিতে নামি। পৌণপুনিক বৃত্ত। বৃত্ত ভাঙছে, বৃত্ত গড়ছে। ভাঙুক; গড়ুক!
ভোর নামুক
ছোপ ছোপ রক্ত কেন নীল তোয়ালে-
তোমার শরীর জুড়ে মিশে আছে কামনার রঙ
নিরবচ্ছিন্ন পাখিসমূহ: ঐশ্বরিক গন্ধ
খুব ভোরে সূর্য উঠার আগে একবার নিজস্ব ভুলে অনেক দূর পথ হেঁটে গিয়েছিলাম একাকী। অনেক পথ হেঁটে যাবার পরে মনে হয় এখনো শুরু হয়নি পথচলা। তাই ফি পথে পথচলার শুরু ফি-বার! এভাবে, এভাবেই হয়তো কোন একদিন পথের দেখা পাওয়া হবে বলে জেনেছিলাম কেউ কোন একজনের কাছ থেকে! কে, কখন আর কেনই বা বলেছিল তা আমি মনে করতে পারছিনা মোটেও!
এখানে যেখানে একবার তুমুল পদক্ষেপ ফেলেছিলাম সেখানে আজ দেখি কিম্ভূত পদচিহ্ন। এ আমার নয় বলে খানিক অবিশ্বাস্য চোখে বলেছিলাম কেউ কোন একজনকে। একান্ত সময়ে ভেবে দেখি এ আমার ভুল ছিল; খুব চোখে পড়া ভুলই! তাই ভুলের ফেরে নিজেকে জড়ানো হবেনা বলে সাক্ষী রেখেছিলাম একটা অবিশ্রান্ত পাখিকে। এ পাখি ডানা মেলতে জানে। তাই পুনর্বার ডানা মেলে বাতাসে; ফুড়ুৎ!
হানাহানি আর নৈতিক দৈন্যতার পৃথিবীতে প্রভুযিশুর জন্মদিন শুভ বড়দিন

শুভ বড়দিন!
ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে যিনি ঈসা (আঃ) বিশ্বের তাবৎ খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের কাছে তিনিই যিশু; মানবজাতির পথপদর্শক। মানবজাতির ত্রাতা বা উদ্ধারকর্তা হিসেবে পৃথিবীতে আবির্ভাব হয়েছিল প্রভুযিশুর। হিংসা, বিদ্বেষ, পঙ্কিলতাপূর্ণ সেসময়কার পৃথিবীর মানুষকে সুপথে আনার জন্যই তার আবির্ভাব হয়েছিল।
তোমার কী একটু সময় হবে সময় দেবার!
ইচ্ছে ছিল বেড়াতে যাবো অজানাকে সাথে নিয়ে। নেয়া হবে আচানক কোন পথে পা ফেলার সমূহ অনুভূতি। দিন-রাতের ভেদ ভুলে পূরো দিন ধরে আবিস্কার করবো নূতন কোন পথ। যে পথে আর কেউ হাটেনি ও পর্যন্ত। তুমি-আমি ছাড়া যে পথের দিশে পায়নি/পাবেনা কেউ কোনজন।
পৃথিবীর পথে হাটতে গিয়ে অনেকগুলো পথ আমার সাথে পরিচিত হয়েছে। তাদের অনেকের চেহারা মিশে গেছে কালের স্রোতে আবার অনেককেই মনে রেখেছি সজ্ঞানে কিংবা অজ্ঞানে। তাদের কেউ কড়া নাড়ে,কেউ হাতড়ায়। তাই মাঝে মাঝে ভাবতে বসি যদি কখনো পরিচিতের দাবি নিয়ে কেউ সামনে দাঁড়ায় আমার কী আছে করার? এখানে কেমন ভাবছো তুমি!
এই ক'দিন আমি একটা হতাশার পাখি দেখেছি যে রোজ রোজ আকাশ ছেড়ে আমাতে এসে বাসা বাঁধে। আমি ফি-বার তাকে তাড়াতে গিয়ে বৃথা মনোরথে ঘরে ফিরি। সেও আমাকে ছাড়েনা যেন আমিই তার কাংখিতজন। আমি তাকে দেখে হতাশ হই আর ব্যর্থজনের মতো অভিসম্পাত ছুঁড়ি বাতাসে; কেন তবে পেলে না আর অন্যকোনজন-অন্য কেউ!