ইউজার লগইন

রুমানা বৈশাখী'এর ব্লগ

পতাকার ফেরিওয়ালা

মাঝে মাঝেই নিজেকে আমার কাক মনে হয়। একটা বৃষ্টিভেজা দাঁড়কাক, প্রবল বর্ষনেও যার মাথা গোঁজার ঠাঁই হয় না কোথাও.. .. ..
আজ এই মুহূর্তে আমারও ঠাঁই নেই আপনজনদের ভীড়ে। শীতের রোদ্দুরে ভিজছি আমি। একা, নিঃসঙ্গতম। আর সাথে আছে শুধু ব্যস্ত নগরীটার সদা তরুণ শোরগোল-- যা আমার শ্রবণ সীমা অতিক্রম করে মনকে করে তুলছে ক্রমশ বধির।
আর আকাশ ভেঙে নামা তরল সোনালি রোদ্দুর মনের অন্ধ অলি-গলি গুলো ঘুরে ঘুরে কিভাবে যেন পৌছে যাচ্ছে আমার মন-চিলেকোঠার ঘুপচি ঘরে.. ..
যে ঘরে ভীষণ যতœ করে রেখেছিলাম আমি তাকে। ভীষন ভীষণ যতেœ! আর পরম ভালোবাসায় আগলে রাখা সেই স্বপ্ন-মানবীকে আজ পরের বধূ হতেও দেখে এসেছি আমি ভীষণ আগ্রহ নিয়েই। আমার মত মধ্যবিত্ত পুরুষের ঘরনী হতে চায়নি সে। আর তাই হাত ধরেছে এমন সর্বগুনে গুনান্বিত একজনের.. ..
স্মার্ট-হ্যান্ডসাম-মাসে ষাট হাজার উপাজনেম একজনের।

বোকা মেয়ের ডায়রী.....

ব্লগিং জিনিসটা আমার জন্যে খুব একটা নতুন না। আগেও টুকটাক করছি.।
তারপরেও দেখি সব এলোমেলো লাগে,কিছুই বুঝি না। Sad( আমার মনে হয় কম্পিউটার নামক বস্তুটাই বুঝ না আমি। বেকুব-সেকুব বালিকা,বোঝেনই তো........ Puzzled
কেউ কি আমাকে একটু সাহায্য করতে পারেন?
নিজের পোস্ট এ কমেন্ট করার পর দেখি আমি লগ ইন-ই করি নাই। কমেন্টগুলি “অতিথি কমেন্ট” হিসাবে চলে আসছে। সব কমেন্ট ডাবল ডাবল হয়ে গেছে।এখন কি করি? এগুলি ডিলিট করবো কিভাবে??? Shock
আমাকে কেউ ব্লগিং বস্তুুটা একটু সহজ করে বুঝায় দিতে পারেন?বড় যন্ত্রণায় আছি..... Sad

উচ্ছিস্ট

১)
অবশেষে শাড়িটা না কেনারই সিদ্ধান্ত নেয় সোমা।
আসলে ঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া নয়,দামটা জানা মাত্রই বেড়িয়ে আসে দোকান ছেড়ে। পাঁচ হাজারের শাড়ি তার জন্যে নয়,খুব ভালো করেই জানা আছে।
পাশাপাশি হাটার ছলে স্ত্রীর হাতটা নিজের হাতে নেয় সৈকত।
‘বেশী মন খারাপ হলো?’
‘একদম না।’
‘মিথ্যুক! শাড়িটা তোমার পছন্দ হয়েছিল।’
‘তাতে কি? পছন্দ হলেই কেনা লাগবে?’
‘মন খারাপ কোরো না। একদিন এই শাড়িটা তোমাকে শিওর কিনে দেবো।’
হাসে সোমা,‘তুমি বলেছো,তাতেই হবে।লাগবে না আমার অত দামের শাড়ি।’
‘তাই?’
‘শাড়ি দিয়ে কি হবে?আমার তুমি আছো,আর কিছু চাই না।’
‘বাব্বাহ ম্যাডাম!এত রোমান্টিক ডায়লগ কোথেকে শিখলেন?’
‘যাও!খালি ফাজলামি তোমার।আর কখনও যদি কিছু বলেছি.. ..’
‘কি মুশকিল.. ..আমি আবার কি করলাম.. .. ’

abar shei lekha chai........

je post niye eto chilla-chilli...mono malinno holo............... shei post er karone chomotkar 2a lekha pelam mail a..........apatoto ami chinta mukto......

dekha jacche........

ashole shob kichur piche valo kichu thake........

je jai vaben na keno,amr uddesshota ashol silo.amk ekjon suggest koresilo ekhane muktijuddho bishoyok lekha khujte,jodi valo kichu chai......eai blog er nitimala jana na thakay joto jhamela....... keu jodi na bujhe baparta personally nite chan,tahole r ki bolbo ami........

jai hok........thanx to all...

lekha chai............

মাসিক সাহিত্য পত্রিকা “আলো ও ছায়ার” জন্যে জরুরী ভিত্তিতে একটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক লেখা প্রয়োজন। লেখা ই মেইল করবার শেষ সময় ৫ই অক্টোবর,২০১০। এছাড়া অন্যান্য যে কোনো লোখা পাঠাতে পারেন। পাঠাবার ঠিকানা rbaishakhi2010@gmail.com

আপনার প্রিয় লেখাটির অপোয় রইলাম আমরা....
রুমানা বৈশাখী
সহ সম্পাদক
মাসিক আলো ও ছায়া

শাস্তি

১)
মাছটা কালো রঙের,তার মাঝে কি রকম যেন লালচে একটা আভা ছড়ানো। গোটা এ্যাকুরিয়াম ভরা মাছের মাঝে কেবল একটাই আছে।
জিমরান বাবার কাছে মাছটা কেনার আগ্রহ প্রকাশ করতেই ইতস্তত করে মাথা নাড়ে দোকানী।জিমরানের দিকে চেয়ে হাসার চেষ্টাও করে।
`‘এইটা কেন নিবেন,বাবা?কত্ত রকমের মাছ আছে.. ..এই যে দ্যাখেন,কি সুন্দর অ্যাজ্ঞেল ফিস!আপনি বরং এই গুলি এক জোড়া নিয়ে যান। এক জোড়া গাপ্পি ফিশও নিতে পারেন।'’

সালমার পোষা প্রাণীরা

১)
‘এইটা কি রকম বাসায় আনছেন?খালি ইন্দুর আর ইন্দুর!!!’
ইচ্ছা করে স্ত্রীর গালে কষে একটা চড় দিতে,তবু বহু কষ্টে নিজেকে সামলায় মনির।মেয়ে মানুষ,বুদ্ধিকম-এইসব বুঝিয়ে নিজেকে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করে।সারাদিনে কেবল এই দুপুর বেলাটাই আরাম করে ভাত খায় সে।নির্বোধ মেয়ে মানুষের জন্যে সেই আনন্দ মাটি করার কোনো মানে হয় না।