ইউজার লগইন

শনিবারের চিঠি'এর ব্লগ

শ্রদ্ধেয় তাজউদ্দীন আহমদ: জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

ভূমিকার আগের অধ্যায়

২৩ জুলাই।
১৯২৫ সাল।
কেমন ছিলো সেদিনের রূপ? সেদিন কী বৃষ্টি ছিলো, কিংবা গরম, রোদের বাড়াবাড়ি সেদিনের মানুষের কাছ কী একটু বেশি মনে হয়েছিলো? অথবা সেদিনের সেই দিনটিতে শাপলার জলে খেলা করেছিলো শালুক, শ্রয়িমান সন্ধ্যায় দহলিজে বসে কেউ কী আপন মনে নিবিড় প্রার্থণায় মগ্ন ছিলো?
সেদিনের দৃশ্যে সবুজের সাথে গাঢ় লালের একটি আভা কী ছড়িয়ে ছিলো না চতুর্দিক- যিশু খ্রিষ্টের মতো মানবিক প্রার্থণায় নিমগ্ন মানুষের কাছে সেদিনটি একেবারেই অন্য রকম ছিলো না? শীতলক্ষ্যার তীর ছুঁয়ে যাওয়া ঢেউয়ের বহমান স্নিগ্ধতায় সত্যিই সেদিন ভালোলাগা বিরাজ করেছিলো। সেদিন ছিলো শীতলক্ষ্যার পূর্ণিমা যৌবন।

ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ: জ্ঞান-সাধনার সমার্থে এক মহৎ বাঙালি

এ বছর বর্ষাটা বেশ জেঁকে বসেছে। একেবারে আষাঢ়ের প্রথম দিন থেকেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি-জলের গান। আকাশ অন্ধকার করে, মেঘলা গলির কিনারা ঘেঁষে বৃষ্টি এসে নামছে আমাদের প্রাত্যহিক বারান্দায়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। সন্ধ্যা থেকে রাত্রি। তারপর রাত্রির সুগভীর সুনশান ভেদ করে আবার শুরু হয় বৃষ্টি। এ যেনো পুরো সময় জুড়ে থাকা বৃষ্টির সাহানা সুর- আলিঙ্গন করে রাখে আমাদের একেবারে নিত্য নবীনা মায়ের মতোন।
এ রকম বৃষ্টি যখন ঘরে-বাইরে, হৃদয়ে-বন্দরে নিবিড়তায় ছেয়ে থাকে- তখন ঘরের কোণে বসে কিংবা গরম চায়ের আড্ডায় আমরা প্রায়ই বলে থাকি- এবারে বর্ষাটা যা হচ্ছে- শীতটা এবার কম হবে। অনেকে চোখ বড়ো বড়ো করে তাকায়; সে কী! তুমি কী করে বললে?