লে হালুয়া! ... সামলা!
বিদেশযাত্রী একবন্ধুকে জিজ্ঞেস করেছিলাম বিদেশ গিয়া করবি কি হে!"
তার সহাস্য উত্তর “ভাতের হোটেল খুলুম! এদ্দিন মেসে নিজে বানায়ে যা খাইছি না খাইছি তাই ঘুটা দিয়া সাজায়ে সার্ভ করলেই কেল্লাফতে!”
তার হোটেল চলবে কি না চলবে তাতে আস্থা না থাকলেও আমাদের নারু’র যে ভাতের হোটেল ব্যাবসায় ভবিষ্যত জ্বলজ্বলে উজ্জ্বল তা নিশ্চিত বলা চলে। তার হোটেল প্রথমে সার্ভ করা হবে তার নিজের করা কড়া পাকের এপিটাইজার! (এইখানে বুঝে নেন ওর লেখা ইংরেজী কবিতা) তার স্বাদ গ্রাহককে কনফিউসড করে দিতে পারবে চোখবুজেঁই! আপনি ধন্দে পড়বেন যে, জিনিসটা আসলে খারাপ নাকি খুবই আনকমন রকমের ভালোকিছু! যেই আপনি অন্ট্রেতে যাবেন আসবে এমন কমন ধাচেঁর কিছু। (প্যানপ্যানানিই বলতে পারেন) কিন্তু সেই অখাদ্য জাতীয় ব্যাপারটা আপনি নিজেই স্বীকার করবেন না, ভাবতে বাধ্য হবেন যেহেতু আমি প্রথমটা নিয়ে কনফিউসড আছি, হয়তো এইটাতে কিছু লুক্কায়িত স্বাদ আছেই যা আমি বুঝে উঠতে পারিনি! এরপরই নারু বাজিমাত করে দিবে! মনকে আনন্দে ভরিয়ে দেয়ার মতোন দিলখুশ ডেসার্ট! এর মজাতে আপনি তাতে এত্তোই চমকিত হবেন যে ভুলেই যাবেন কিছু আগে কিসব আস্বাদন করেছেন
দুদিন যাবত যা চলছে আমাদের নারু আর বাফুর পোষ্টে তা দেখে এইভাবে বলা কিছুমাত্রই ভুল হয় নাহ। যাই হোক ডেসার্ট এসেছে একদমই আগে, এরপরে পেলেন এপিটাইজার, নেন এইবার অন্ট্রে!!
- - - - - - - - - - - - - - -- - - - -- - - - - - - - - - - - - - - -- - - - - - - - - - -- - - - - - -- - - - -
হতাম যদি সাহিত্যের বাদশা-নামদার, প্রিয়ে,
পেশ করতাম নিটোল উজ্জলদীপ্তিময় কালজয়ী রুবাইয়াত তোমার তরে,
গাথাঁই হতো যার প্রতিটা পংক্তিমালা অপার্থিব গুনাত্বিতা তোমারি চিরন্তনী সৌন্দর্য্যের বুননে
আর অনুরাগাসিক্ত এ অধীর হৃদয়ের কম্পনে, আবৃত্তির তানে প্রতিটা রাতের নিস্তব্ধতা জুড়ে গুঞ্জরিত হতো সেসব!
প্রেমাচ্ছন্নই যদি হতাম, ওরে মোর মনপাখি,
স্থান-পাত্র-কালের তোয়াক্কা না করেই, তোর মন-মন্দিরে রাজত্ত্ব গড়তাম,
প্রেম পিয়াসী রোমিও’র মতোনই, করেই যেতাম তোর গুনবন্দনা আমৃত্যু
তোর সান্নিধ্যের তরে অযুত নিযুত জীবনের বলি ছাইপাশ মনে হতো!
হতাম যদি গানের পাখি, ও সুজনসখি,
সময়ের আবর্তনে জন্মাতাম তানসেন হয়ে
আর তোমারি জন্যে গাইতাম প্রেম-গীত আবহমানকাল ধরে,
কিবা চাও তো, বেটোভেন কিবা মোসার্টও মিলেমিশে যাবে অক্ষয়ে!
লাহুরী’র মতোন ভাস্কর যদি হতাম
দুনিয়া জুড়ে চলতো তাজমহল গড়ার খেলা যত্রতত্র সর্বত্র
প্রতিটা অনুরক্তিত হতো তোমার চকিতের সেই সাগর-সেচাঁ মুক্তমালার হাসির মোহে
নয়তো সিনানের মতোন, গড়তাম হরেক মন্দির তোমার প্রানোচ্ছল মোহনীয়তার বিমূর্ত একছত্র।
আমার তুলনা হতাম কেবল আমিই, সর্বেসর্বা
এই প্রেমাতাল হৃদয়ই অনুরাগের মুরতি
তাবৎ কুমারী হৃদয়ের ঠিকানাই হতো সেটা
কিন্তু আমি হতাম তোমার এক পলকের কাঙ্গাল, দাসানুদাস, হতোই বা তা যুগেযুগের একটিবারের স্মৃতি
হায়, মোর প্রিয়ে, এযে এক নিতান্তই নশ্বরের হৃদয়, যাতে নেই কোন শৈল্পিকতার ছোয়াঁ;
দোহাই লাগে, তোমার একটিবার চাও, তোমার মনের সাথে এই মনের মিল করাও,
পাহাড় থেকে উৎসরিত নদীর মতোন, তানসেনের অপার্থিব সুরের মূর্ছনাকে ছাপানো এই ভালোবাসাকে জড়াও নিজের করে
কিংবা আবেগাকুল রোমিও’কেই ভাবো, যদিও সে কল্পলোকের, কিন্তু এই আমি ভীষন অকল্পিত!
- - - - - - - - - - - -- - - - - ----------- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -- - - - - - -- - - - - -- -
নারুর কবিতাটা অনেক দারুন, আর বাফুর গবিতাটা ভীষন পছন্দসই!
এই দুই খিটপিটে কড়া আংরেজী বলনে"ওলাদের আমি পাই খুব্বি ভুই!!





।পুরা সেইরকম.. ণারুর িমোশান সেইরকম ক্যাপচার করছে টুমার টানসলেশান...। তব্দা খাইলাম কবিতা পইড়া.. আপনের জয় হো.।
নারুর ইমোশন কেম্নে ধরতে পারু্ম, ভাইয়েরি এহেন হৃদয়ের আকুলতা ধরার সাধ্যি আছে নাকি অন্য কারুর!
ধইন্যা
আমি ফিদা, কি কমু আর! এটা তো আমার মনের (কু)কাহিনী আংরেজী কাব্য থেকেও বেশি কাভার করছে, আফসোস, ইরাম যদি বাংলা কাব্য করতে পারতাম, তাহলে রোমান্সের ঢেলায় আমি ভেসে যেতাম!
তব্দা খাইলাম, পুরা তব্দার উপর আছি। তোমার তো রবীন্দ্রনাথের সাথে পাল্লা দেওয়া উচিৎ ছিল, সেসময়ে জন্মগ্রহণ করলে রবীন্দ্রনাথের খবর আছিল।
যেইহারে ভেলা বানাইতেছো, কবিতা দিয়ে রোমান্সের ঠেলায় ভেসে যাবারই কথা!!
ফাউল কথা স্পিকটি নট! মারবো কিন্তু পটাপটা!!
"হতাম যদি সাহিত্যের বাদশা-নামদার, প্রিয়ে,
পেশ করতাম নিটোল উজ্জলদীপ্তিময় কালজয়ী রুবাইয়াত তোমার তরে,
গাথাঁই হতো যার প্রতিটা পংক্তিমালা অপার্থিব গুনাত্বিতা তোমারি চিরন্তনী সৌন্দর্য্যের বুননে
আর অনুরাগাসিক্ত এ অধীর হৃদয়ের কম্পনে, আবৃত্তির তানে প্রতিটা রাতের নিস্তব্ধতা জুড়ে গুঞ্জরিত হতো সেসব!"
আহা, আহা! কি কথা....। তোমার বাংলা সাহিত্যের দখল, চরম!
ধারনা ভুল!! বাংলায় আমি 'কাকাদিপা' = কানের কাছ দিয়া পাশ!
আরে জোস হইছে তো...
আল্লাহ রহম করো ... তিন কবির লড়াই .... মুগ্ধ হইলাম
পুরাই তিন টেক্কা
আরে, এইখানে কুপি একজনই আমরা ২টা দুষ্টামির ধান্দায় শুরু করছিলাম এইসব ট্রান্সলেশন!
তুই ব্যাপক পড়নেওয়ালা লোক নিয়া আপনার এই পোষ্ট জাতি আজিবন মনে রাখবে!
দুই লিখতে যায়া তুই লিখে ফেলছি। বেয়াদবী মাফ করবেন। কমেন্ট এডিটের ত কোনো সিস্টেম নাই!
বাফুর স্টাইলে বলি, "যা রে ব্যাটা, গুস্তাখি মাফ!!"
কমেন্ট এডিটের সিস্টেম নাই ভালোই, নইলে এক কথা বলে পালটে যাওয়াটা সবখানের মতোন এখানেও শুরু হয়ে যাবে। এম্নেই খারাপ নাই আমরা!
পড়লাম।
পড়লেন জানান দেবার জন্যে ধন্যবাদ।
অসাধারণ অনুবাদ হয়েছে একটুও বাড়িয়ে বলছি না। তার আগের মুখবনধটাতো আরো জোশিলা হয়েছে।
একমত নরাধম এর সাথে।
অসমভব গভীর একটা ভাব আছে
তাতা'পু রে আন্তরিক ধইন্যবাদ, কারন পোষ্টের মাঝে ওইটুকুই আমার নিজের, বাকিটা তো নারুর কবি্তা! মজার করে কিছু লিখতে চাইছিলাম, সময় ছিলো না তাই হুড়মুড় করেই যেটুকু দিতে পারা।
আপ্নেও দিষ্টামি করলেন নচ্ছার নারুরু তালে!!

আমার কাছে লাইনগুলো বেশ বড় লেগেছে, অল্পকথায় যদি মূল্ভাবটা বুঝাতে পারতাম, তখন লাগতো যে কবিতায় সুগভীর ব্যাপারটা আনতে পেরেছি। নিজেরই আলাদা একটা ভালোলাগা আসতো যে নারুর কবিতাটার সৌন্দর্য্য ঠিক মতোন আনতে পেরেছি। কিন্তু নাই কাজের কাজী, তাই ইদানিং সময় পাচ্ছি কম।
অসাধারণ । সুবহানাল্লাহ। নারুর কবিতা গবিতাসহ দারুণ আরেক কবিতা সৃষ্টি করলো। কবি , গবি ৩ জন কেই ধনেপাতা ।
অই দু'জনের তো তাও নাম আছে, কবি, গবি!
ও মনু, জেবীন তুই কি যে হবি!!!
ধনেপাতার লাগিয়া থ্যাঙ্কু
এ্যাঁ !!! এইটা আবার কি !!! তুমরা তিন্টা দেখি ধুন্দুমার শুরু করছো !!
হে প্রিয় জেব্রীল এরপর রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম দুই চাইরটা কইরা অনুবাদ করার তীব্র দাবি জানাইয়া রাখলাম।
এই চান্সে একটা ওমর খৈয়াম হয়ে যাক -
ওমর খৈয়াম তেমন পড়া হয় নাই, ফাকেফুকে পাইলে পড়া হইছে অন্নেক অল্প!
খোদার কথাই কি বলা হইলো দারুন এই অংশটাতে! অল্প কথায় কি সুন্দর ভাবের প্রকাশ দেখো।
হে সুপ্রিয় বন্ধুবর, আপনার আইডিয়া পছন্দ হইছে
।
সারা কবিতায় ''তুমি'' করে বললেন কিন্তু এই লাইনে
তুই কেন??
কবিতা যদি লিখতে পারতাম। আহা রে রে।
এ তুই তো তাচ্ছিল্ল্যের তুই নাহ। ভালুবাসার তুই, অধিকার দেখানির তুই!
ইচ্ছে ছিলো কিছুটা তুই, কিছুটা তুমি - করে আনবো,দেখেন কেবল অই লাইনটা না, অই পুরা প্যারাটাই তুই টোনে বলা। পরেরগুলা আনা হইলো না!
ভালাই আছি আমরা কুপি না, ওদের সবডির মাথা আউলা (এইখানে আঙ্গুরফল টক'ওলা ইমো হইবেক)
- বোঝার চেষ্টা করলাম।
কিন্তু আপনি আমার গল্পের, জোৎস্না জড়ানো শিহরণ, শেষ পর্বের কোন মন্তব্য করলেন না। চূড়ান্ত মন্তব্যটা আশা করছিলাম।
ভাল থাকুন।
সুন্দর হইছে। ভাল্লাগ্ল পড়তে।
জোস, জটিল
মন্তব্য করুন