মেঘবন্দী (১) ... বৃষ্টি / মুক্তবয়ান
ব্লগে প্রকাশ হওয়া ইবুকের লেখাগুলি ক্রমান্বয়ে সবার সামনে উপস্থাপনের অনুরোধ ছিলো। আজ থেকে "মেঘবন্দী", আমাদের বৃষ্টি নিয়ে ই বুকের লেখাগুলি ব্লগে প্রকাশ করা শুরু হলো।
বৃষ্টি
মুক্ত বয়ান
ব
মাঝে এমন হয়, মাথায় একটা গান ঢুকে যায়, আর কিছুতেই সেটা বের হতে চায় না। ঘুরে ফিরে, চলতি পথে, আড্ডায়- কথোপকথনে বাজতে থাকে সেই গান সবসময়। ইদানীং তেমন অবস্থা হয়েছে আমার। রবিবাবুর সাথে আমার একটা ভালোবাসামিশ্রিত প্রকাশ্য ঝগড়া আছে। বুড়ো যেকোন অবস্থায়, যেকোন মানসিকতার সাথে মানানসই গান লিখে আমাদের মতন ভাব- মারা প্রশংসা ললুপ কবিহৃদয়ের পাকা ধানে মই দিয়ে গেছেন আগেই! তবুও বার- বার ফিরে আসি উনার কাছে। প্রচন্ড জ্যামে রাস্তায় বসে আছি, কানে বাজে অর্ণবের “মাঝে মাঝে তব দেখা পাই”, কোন কাজ হচ্ছে না, মেজাজ খারাপ, কাউকে প্রচন্ড ঝাড়ি দিতে ইচ্ছে করছে, কান বাজছে কানে, “যদি তোর ডাক শুনে কেউ”!! মাঝে মাঝে পুরোপুরি বিপরীত অবস্থার কিছু গান শুনলে বেশ ভালো লাগে। এই যেমন বেশ কয়েকদিন ধরেই গুঁতো-গুতি হচ্ছে গল্পে- কবিতায়- ভাবাবেগে বৃষ্টিবিলাস করতে। তখন আমার সমস্ত ইন্দ্রিয়জুড়ে বাজছে, “আমার হৃদয়, তোমার আপন হাতের দোলে”! যাই হোক, আজ লেখা জমা দেবার শেষ দিন, সময় থাকতে থাকতে দিয়ে দেওয়াটাই শ্রেয় হবে, নাইলে এমনিতেই রাবারক্লথ/ ডায়াপারের ভয়- ভীতি প্রদর্শনে চলে গেছে ব্যাপারটা, আর পরে না জানি কি আছে, ভাবতেই গা শিউরে শিউরে.. ইস, আবার গান মনে পরে যাচ্ছে, “দীপালিকার জ্বালাও আলো, আপন আলোয় সাজাও আলোয় ধরিত্রীরে”।
+ ঋ
খুব ছোটবেলায় প্রায়ই আমাদের গ্রামের বাড়ি যাওয়া হতো। কথাটা কি কাঠখোট্টা শোনালো একটু? তাহলে সাথে সাথেই ক্ষমা চেয়ে নেই। গ্রামের বাড়ি বেড়াতে যাওয়া ছিলো আমার সবচাইতে আনন্দময় স্মৃতিগুলোর একটি। প্রতিবছর হা করে অপেক্ষায় থাকতাম, কখন বাড়ি যাওয়া হবে, কখন সেই বিশাল মাঠগুলাকে নিজেদের দখলে এনে বড়দের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে চনমনে রোদ্দুরে পুড়ে কালো শরীরটাকে কয়লা গোত্রে ফেলে দেবো, কখন সাঁঝের মায়ায় সঙ্গীদের সাথে করে শহুরে সুইমিংপুলে শেখা সাতারজ্ঞানকে পুঁজি করে পুকুরে ঝাঁপ দেবো, সারাদিন শেষে বিকেলবেলা হাপুস- হুপুস করে খাওয়া- দাওয়া করে আবার ছুট দেওয়া খেলায় দেরি হয়ে যাচ্ছে ভেবে।
এমনিমত কোন এক সময়ে গ্রামে যাওয়া। পাশের বাড়ির সমবয়সীদের সাথে গল্পে- গল্পে বিকেল। হুট করেই আকাশে মেঘের ঘনঘটা, দমকা বাতাসে জানলার কপাটে দাঁত- কপাটি, বিদ্যুত সংযোগহীন গ্রামের একমাত্র ভরসা হারিকেনের এই বাতাসে জ্বলতে দ্বিধা। ধুলিঝড় গায়ে মেখে আর ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি মাথায় করে মেঠো পথে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়া। জুতো পায়ে হাঁটতে ধীরগতি, তাই খালি পায়ে দৌড়। পথিমধ্যে পায়ে কাঁটা ফোটা আর কোঁকাতে কোঁকাতে বৃষ্টিতে ভিজে একসা হয়ে বাড়ি ফেরা। তাই দেখে দিদিমার উৎকন্ঠিত চিৎকার, মায়ের গম্ভীর মুখে গামছা এনে মাথা মুছিয়ে দেওয়া আর সমবয়সী ভাই- বোনদের চিন্তিত মুখশ্রী। অত:পর হারিকেনের আলোয় উষ্ণ সুঁইয়ের সাহচর্য লাভ পায়ে; মুখে হাত চেপে, দাঁতে জ্বিভ কেটে ব্যাথা লুকানোর ব্যর্থ প্রচেষ্টা আর সবশেষে সফল অস্ত্রপচার শেষে কাঁথামুরি দিয়ে তেল- পেঁয়াজ মাখা মুড়ি খেতে খেতে অল্প খোলা জানলা দিয়ে আসা বৃষ্টির ছাঁটে ভেজা খাটে বসে ‘চোর- ডাকাত- বাবু- পুলিশে’ মাতোয়ারা হওয়া।
+ ই
সুমন বললেই ইদানীংকালের ছেলেরা বলে ‘অর্থহীন সুমন’? কিন্তু, কেন যেন এখনো আমার সুমন বললে কোলকাতার সুমনের কথাই মনে হয়, যার কন্ঠে ধ্বনিত হয়, “তোমাকে চাই”এর হাজার আকুল আবেদন। তার কন্ঠে কেমন যেন একটা অদ্ভূত মাদকতা আছে, আছে সাহস করে নাগরিক জীবনের নানান ব্যর্থ হিসেবের কথা, আছে নিম্নবিত্ত কিশোরের স্বপ্নদেখা দু’চোখটার উচ্চবিত্তের রাগের কাছে পরাভূত হয়ে ধীরে ধীরে মরে যাবার কথা, আছে নিজের কাছে নিজের হেরে যাবার কথা, আছে শহর জীবনের ক্লেদাক্ততার কথা, সাথে আছে চিরনবীন আশা’র কথা; যার বসত আমাদের মন- মন্দিরে, প্রতিদিন শত কুটিলতার ভীড়েও যেকারণে আমাদের এগিয়ে যাওয়া; যাপিত জীবন।
সেই সুমনের কন্ঠেই হঠাৎ একদিন শুনতে পাই, “এসো কর স্নান নবধারা জলে বলবে কে আর, শহরে বৃষ্টি জল- কাদা মাখা নোংরা দেওয়াল।” আসলেই তাই, শহরে বৃষ্টির দেখা পাওয়া এমনিই দুস্কর। দুরন্ত মানুষের চলাফেরায়, সময়ের সংক্ষিপ্ততার যাঁতাকলে পিস্ট মেঘগুলো বৃষ্টি হয়ে মাটির সাথে মেশার আগেই বাষ্প হয়ে উড়ে যায়। তারপরও শত ভীড় ঠেলে যেদিন খুব করে বৃষ্টি হয়, সেদিন একেবারে চারদিক ভিজিয়ে দেয়। মনে হয় যত রাগ সব উগড়ে দেবার পণ করেই নেমে আসে বাতাসের সিঁড়ি বেয়ে দলবেঁধে।
চারদিকে কাদা, হাতে ছাতা না থাকলে ভেজা ছাড়া কোন গতি নেই। সেসব দিনে রাস্তার রাজা মানুষ টানা ত্রিচক্রযানগুলোর চালকেরা। শত অনুনয়- বিনয় যত যাই করুক না কেউ, একজন ছাতাবিহীন যাত্রীকে বৃষ্টিতে অসহায়ভাবে চলতে দেখলে তাদের মনে হয় অনেক বেশি আনন্দ হয়। একেবারে বিনা টিকেটে সিনেমা দেখার মতন। তারপরও এইসব ভেজা দিনে এই কংক্রিটের শহরেও একটু কেমন যেন গ্রাম্য সোঁদা গন্ধটা উঁকি- ঝুকি দেওয়ার চেষ্টা করে। আমাদের ঘামের ঘ্রাণের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরেই মনে হয় বেশিক্ষণ সেই চমৎকার গন্ধটা আর থাকে না। ফিরে আসে মানুষের নষ্ট হবার ঘ্রাণ, হেরে যাবার ঘ্রাণ, প্রতারণার ঘ্রাণ।
তবুও এইসব দিনে আগ্রহ নিয়ে ভেজা সেই সব মানুষদের দেখলে খুব ঈর্ষা হয়, তাদের তারুণ্য দেখে নিজের মানসিক বুড়িয়ে যাওয়াকে ভেবে ভেবে দু:খিত হই। যে সব সৌভাগ্যবান ছেলে- মেয়ের জুটি রিকসার হুড তুলে বৃষ্টিকে আলিঙ্গন করে নিচ্ছে তাদের আনন্দ দেখে খুশি হই।
+ ষ
নতুন বাসায় উঠেছি। খুব আগ্রহ নিয়ে মুখপুস্তিকায় নিজের অবস্থা ভাগাভাগি করলাম। সবাই পিঠ চাপড়ে প্রসংশা করছে, তার মাঝে এক বন্ধু খোঁচা দিয়ে বলে ওঠে, “ঐখানে তো বাসা নিলি, একটু বৃষ্টতেই তো হাঁটুপানি।“ আমি তেমন একটা গা করি না। পিছলে এড়িয়ে যাই ঐ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া থেকে। তার ঠিক ক’দিন পরেই চারদিক কালো করে বৃষ্টির ধুম চূড়া। ভেজা যাবে না, কাঁধে ব্যাগ, পকেটে মুঠোফোন। দ্রুত একটা খাওয়ার দোকানে আশ্রয় নেওয়া। বেশ খানিক পরে বাইরে বের হয়ে বাসার উদ্দেশ্যে হাঁটা দেবো ভাবছি। কিসের কি? কোথায় হাঁটবো, এ তো আক্ষরিক অর্থেই হাঁটু পানি! বাসে উঠবো? কিভাবে? জুতো হাতে নিয়ে এই পানিতে পা ভিজিয়ে বাসে ওঠা আর একেবারে হেঁটে হেঁটে বাসায় ফেরা মোটামুটি সমার্থক। কাজেই চুপ করে আরো কিছুক্ষণ খাবার দোকানে অপেক্ষা করাই শ্রেয় ভেবে সেখানেই বসে থাকা আর দোকান মালিকের বার বার আড় চোখে তাকিয়ে ভ্রুকুটি করা দেখে রাতের খাওয়াটা বাধ্য হয়েই সেখানে সেরে ফেলা।
অত:পর সব সামলে বাসায় এসে আবারো মুখপস্তিকায় উঁকি- ঝুকি। কিশোর- কিশোরী থেকে শুরু করে আংকেল- আন্টি বয়সীদের থাই গ্লাসে আটকানো জানলার পাশে বসে পায়ের উপর পা তুলে, কোলে ল্যাপটপ নিয়ে বৃষ্টি বিলাস। দেখে গা জ্বলে যায়। প্রচন্ড রাগে বুকে কিল দেই আর সাথে বলতে থাকি, “আলিজ ওয়েল! আলিজ ওয়েল!!”
+ ট
আমাদের বন্ধু মহলে একটা কথা খুব বেশি প্রচলিত। কারোই যদি সম্পর্কের কোন সংবাদ পাওয়া যায়, সবার একটাই দাবি, ভাবির হাতে সর্ষে ইলিশ। সবাই হ্যাঁ- হ্যাঁ করে রাজি হয়ে যাই, কেননা জানি, কবে না কবে বিয়ে হবে, ততদিনে সবার সাথে কতটুকু সৌহার্দ্য তো দূরের কথা, যোগাযোগ থাকবে, তার নাই ঠিক, শুধু শুধু এখন রাজি না হওয়ার তো ধৃষ্টতা দেখানোর তো কোন কারণ নেই!! মাঝে মাঝে মনে হয়, আমরা এতগুলো ছেলে; কে কোত্থেকে আসছি তার নেই ঠিক, তারপরও সবারই মানসিকতা মোটামুটি একই। সবাই ঠিকই মায়ের হাতের পায়েস খেতে ভালোবাসি, বাড়িতে গিয়ে আলু ভর্তা মাখা ভাত ডাল দিয়ে খেয়ে এসে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে অন্যদের চোখে ঈর্ষার পাত্র হতে ভালোবাসি! সেই আমাদের সবারই প্রিয় খাবার ইলিশ। বৃষ্টি এলেই মনে হয়, ইস কতদিন খিচুড়ি দিয়ে ইলিশ ভাজা খাওয়া হয়নি।
তাই বৃষ্টি মানে ইলিশ- খিচুড়ি, বৃষ্টি মানেই জ্যামে পরলে বকুল ফুলের মালা হাতে ছটে আসা সেই ছোট- ছোট বাচ্চার দল, যারা পাশ দিয়ে গেলেই একটা অদ্ভুত সুন্দর সুবাতাসে ভরে ওঠে চারপাশ, বৃষ্টি মানেই আঁটসাট জিন্সের প্যান্ট পরা ছেলেটার হাত ধরে থাকা তরুণীর আরেক হাত দিয়ে শাড়ি গোড়ালির উপরে তুলে অনভ্যস্ত পায়ে হাঁটা, বৃষ্টি মানেই স্কুল শেষে কাদামাখা মাঠে ফুটবল খেলে কাকভেজা হয়ে ফেরা কিশোরের মায়ের কাছে খাওয়া বকুনি, বৃষ্টি মানেই অফিসফেরতা গম্ভীর মানুষটিরও একটুক্ষণের জন্যে নস্টালজিক হয়ে ছাতার আড়াল ছেড়ে হাত বাড়িয়ে ভেজা, বৃষ্টি মানেই গ্রীষ্মে ফোটা লাল লাল কৃষ্ণচূড়া ভেজা টুপটুপ জলের ফোঁটা।





জটিল আইডিয়া। সুপার লাইক
কোনটা? ই- বুকের লেখাগুলা এইভাবে আলাদা করে প্রকাশ করাটা?
হুমমম
প্লালাস দিলাম+
প্লাস জানি, পিলাস চিনি, কিন্তু প্লালাস কি??
মুক্ত ছেলেটা যে কেন এতো কম লেখে।
হ, পোলাটা বেয়াদ্দপ হয়ে গেছে...
এত কম লেখে !
কইতার্তেন, ফাঁকিবাজ!! তা না, বেদ্দপ।


বুক ভরা আহাজারি!!!
ধইরা কানের পাশে এ্যায়সা লাগায়ে দিয়েন!!
সুপার লাইক
বেশ বেশ!!! খুশি হইলাম।
জট্টিল লাগলো। (বলব না)
তাইলে চুপ যান!!!
আগেই পড়ছি । আগেই লাইক করছি ।
বেশ বেশ।
কিন্তু, ই- বুক নিয়ে কেউ কোন রিভিউ দিলেন না কেন?
আমারো একই প্রশ্ন
আপনে একটা দেন..
মুক্তের লেখা পড়লে আমার একটা অদ্ভুত অনুভূতি হয়। প্রশ্ন তৈরী হয়, স্বপ্নপ্রবণ এই ছেলেটা কেমনে কইরা প্রকৌশল বিজ্ঞানে পড়ালেখা করছে!
আসতেছি.. একটু পরে!! অপেক্ষায় থাকেন!!

কবিতা পোস্টামু নে!!!
বই এ লাইক দিতে পারি নাই, তাই এখানেই লাইকাইলাম...
ই- বুক নিয়া একটা রিভ্যু দেন..
দোস্ত তুই আসলে ইউনিক।
তোর লেখাও আসবে.. তখন আমিও কমুনে!!!
বলিস। আমি কিন্তু মন থেকেই বলসি। ভাব *দা* র জন্য না। ভাল থাক কমলা নিয়ে।
আইচ্ছা আইচ্ছা.. দেখা যাক।
আগেই পড়েছিলাম। এখন লাইক দিয়ে গেলাম। ভালো লাগছে।
থ্যাংকুস থ্যাংকুস আপু।
একটাই মন্তব্য করব , আমাদের সবার মাঝেই একটা সত্তা থাকে যেটা শুধুমাত্র লিখে প্রকাশ করা যায়। অনেকেই সত্তাটার সাথে কখনই পরিচিত হতে পারেনা। তোর লিখাগুলিতে তোর সেই সত্তাটা অনেক ভালভাবেই বোঝা যায়। হাযার হোক রব একজন এবং তিনি সর্বময়, আমাদের সকলের মধ্যেই একি বিধাতা বিরাজ করে এবং আমরা সবাই একক। আমি লিখতে পারলে সুন্দর একটা উত্তর উপহার দিতাম তোকে।
ভাই... "একটাই মন্তব্য করব".... ঘটনা কি? মুক্ত কি কিছু কইছে? ডরাইয়েন্না... আপ্নে আরো মন্তব্য করেন... আম্রা আছি আপ্নের লগে
টাক্কু টুটুল মিঞা, দূরে যান!!!
মুনতা কি শৈবাল নাকি? কনফুজড!!



কথা একটা কেন রে ভাই, একশোটা বল।
আর, তোর উপহার লাগবে না, মাঝে মইধ্যে গাড়িতে চড়াইস, তাইলেই মুগাম্বো খুশ হো যায়েগা!!
থ্যাংকুস থ্যাংকুস।
লেখা উপাদেয় হইছে, কিন্তু আপনি আমার খিদা লাগায়ে দিছেন ইলিশ আর খিচুড়ির কথা বলে
নিজে রাইন্ধা খায়া ফেলেন, আর নাইলে হোটেলে গিয়া খাইয়া আসেন!!! ইস্টার্ন প্লাজার কাছেই "চিংড়ি" রেস্টুরেন্ট আছে, সেইটায় খিচুড়ি- ইলিশ জোশশশ
আইডিয়াটা সুপার লাইক

মুক্ত ছেলেটা যে কেন এতো কম লেখে।
হুমম, মাঝে মাঝে একটা দুইটা এমন অবাক পোষ্ট!
অপ্রাসঙ্গিক ভাবে:
পোষ্ট পৈড়া পুরান দিনের ধুম ব্লগীংয়ের কথা মনে হৈলো, যখন এত এত পোষ্ট আর সেডির মাঝে এত নানামুখি ভালো পোষ্ট পড়া হৈতো যে, সেই কারনেই সারাদিন ব্লগীংয়েই সময় কাইটা যাইতো।
মন্তব্য করুন