ইউজার লগইন

শাওন৩৫০৪'এর ব্লগ

সংস্কারবিহীন জনির সংস্কার

মসজিদের মোয়াজ্জেমের ছেলে হয়ে আশরাফ সাহেব যখন লেখাপড়া শিখে নাস্তিক আর্মি অফিসারের ছোটো মেয়েকে বিয়ে করে গ্রামের বাড়ির সম্পর্ক ছেড়ে শহরে এসে স্যুটেড বুটেড হয়ে উঠলেন, তখনই অনেকেই বুঝে নিলো, এই পরিবারের ছেলেদের মাঝে, জগৎ এর প্রচলিত নিয়ম কানুনের প্রতি আকর্ষন কমই হবে।

ক্লিপ্টোম্যানিয়াকের ঘাম

সুলেমান বৈসা বৈসা মজাটা দেখতাছে। লোকটা বেশ অনেক্ষন হৈছে ঢুকছে দোকানে, কিন্তু উল্টাপাল্টা করছে বলতে গেলে খুবই কম, তাই ধরাটা সহজ হবেনা। কিন্তু সুলেমানের এত বছরের সুনামের কাছেই লোকটা ধরা খাইয়া যাবে নিশ্চিৎ।
নয়তো লোকটা মনে হয় পাকা খেলোয়াড়ই ছিলো...
আজকে ইঁন্দুর-বিলাই খেলাটা ভালোই জমবে বুঝা যায়, ভাবে সুলেমান।

মুভি রিভিউ: দুইটা কোরিয়ান মুভি

সিনেমা দেখার কর্মশালা শুরু হৈতে যাইতাছে। পুরাপুরি শুরু হবার আগে আমার দুইটা অলটাইম ফেভারিট ম্যুভি সম্পর্কে কিছু লেইখা কর্মযগ্ঞে যোগ দিলাম। মানে, ইংরেজী ম্যুভির বাইরে বেশি কোনো সাজেসন তো পাওয়া যায়না, কিন্তু এশিয়ান অনেক ম্যুভি আমার খুব পছন্দ, মানে জাপানীজ-কোরিয়ান। আজকে দুইটা কোরিয়ান ম্যুভি রিভি্উ টাইপ দেয়ার চেষ্টা করলাম, আরেকদিন জাপানীজ দুইটা সম্পর্কে দেয়ার ইচ্ছা রৈলো।

স্বপ্নভঙ্গ

আমার মূলত পরিচয় ছিলো যুবকের স্বপ্নটার সাথে। কান্নাটুকু দেখতে হয়েছিলো বলেই, পিছনের স্বপ্ন আর স্বপ্নভঙ্গটুকুও দেখা হয়ে গিয়েছিলো।

দুইটি মৃত্যু

দুলে দুলে পুঁথি পড়ছে যেনো ছটোন, বিকেল টা বুঝি শেষই হয়ে গেলো।

..a cow is the domestic animal........a cow is the domestic animal.....a cow, a cow, a cow is the domestic animal.......
আজকে আর দুটো শপাট শপাট বারি মারা হলোনা টেপ টেনিস বলে। মনটা খারাপ হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু মায়ের আজকে মেজাজ ভিসুভিয়াসের মত, লুকিয়ে বের হবারও সাহস করে উঠতে পারলো না...

আফসুসায়িত পোষ্ট...ম্যাহ

ফরমেটিং ঠিক করতে না পারায় একটা এত্ত বড় পোষ্ট মুইছা ফালাইলাম...দু:খে কষ্টে শেষ...

যাই  হোক, আমি এগেইন আবার ব্যাক কৈরা ফেরৎ আসছি...

কিন্তু  কথা হৈলো, ব্লগ এত ঝিমায় কেন??

 ফরমেটিং সংক্রান্ত ঝামেলা সংক্রান্ত পোষ্ট সংক্রান্ত কোনো কমেন্ট দিলে উপকৃত হৈলেও হওনের সম্ভাবনা ছিলো ...

আধ পাকা প্রেম- ট্র্যাজিক কমেডি টাইপ আরকি

..রুপার সাথে দেখা করতে যাবে ভাবলেই চিরজীবন ক্যাজুয়াল টিপুও একটু সময় নিয়ে নেয় আয়নার সামনে। ঠিক এইরকমই টিপিকাল, টিপু আর রুপার কাহিনী।
টিপুদের গ্রুপের অনেকের প্রেম হৈলো সেই ক্যাম্পাসে থাকতেই। তিনজন ইতিমধ্যে বিয়েও করে ফেলছে।
একজন মেয়ে গ্রুপ মেট, দুইজন ছেলে গ্রুপ মেট। সবারই আলাদা আলাদা স্পাউসের সাথে কিন্তু।
কিন্তু টিপু সবসময়ই বৈলা আসছে,

প্যারানয়েড

            শরীর গন্ধ দুপুরের পাহারাটা
            অলস ধীরে আবরন সরিয়ে নিলে
            একজন লোক কিংবা লোকটা, ময়াল থেকে

মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা - এইসব দরদ

...আযাদ সাহেব কে কমিটিতে নেয়া হবে কি হবেনা, সেইটা হচ্ছে এখন টেনশনের বিষয়। আযাদ সাহেব কে নিলে, তার রেফারেন্স ব্যাবহার করাটা সহজ হবে। কাজটাও হবে।.....অন্য কারো হাতে আপাতত এই ক্ষমতাটা নাই।  কমিটিতে মফিজ আঙ্কেল আছে, ব্যাট'র আঙ্কেল আছে (আঙ্কেলের নামটা জেনে নিতে হবে, ভাবে শুভ)। আরো আছে অনেকেই। ছোটো মফ:স্বল শহরের ছোটো এলাকার গন্যবান্য যেই কয় জন সম্ভব।

বেশরম মেয়ের........

....ধরি তার নাম জিনিয়া। আসল নাম নাহয় নাই বল্লাম, আমি জানি, আসল নাম বল্লে আপনাদের কেউ কেউ কাহিনী পড়ার পরে বৈলা বসতে পারেন, ওরে আমরা দেখছি....সেইটা আমার পছন্দ নাও হৈতে পারে.....

আমি শুধু বলি, জিনিয়া খুবই খারাপ একটা মেয়ে । বেশরম টাইপ । নটী বৈলা গালি দিলে পারলে শান্তি পাইতাম, সেইটা দেই ও, কিন্তু আপনাদের সাম্নে দেয়া যাবেনা, সমস্য আছে...

হাফিজার ক্রিয়েটিভিটি

"....নাহ, লোকটা বোকাই আছে"...শাক বাছতে বাছতে ভাবে হাফিজা। নাইলে কালকা যখন মাইর খাইয়া রাগে দিশাহারা হৈয়া বটি নিয়া ভয় দেখাইতে নিলো হাফিজা, লোকটা গোসলে যাওয়ার জন্য জামা খুলে তখন, কোনো বিকার ছাড়া।
"আরে, তখন জিদ্দের চোটে যদি বডিডা দিয়া কোপ টা দিয়া বসতাম?"
তাইলে পরদিন পত্রিকায় আসতো, কনস্টেবল মোছাদ্দেদ কে কুপিয়ে হত্যা করেছে স্ত্রী হাফিজা আক্তার।

বৃষ্টির পুরানো কবিতা (এইডা ভুলেও কানু গুরুফ রে উৎসর্গ করুম্না...:P)

জানালার ধারে বৃষ্টি গুড়ি গুড়ি.
মনে পড়ে এমনই কোনো দিনে
মায়ের পাশে কাঁথা মুড়ি।
মন দিয়ে শোনা গল্প কোনো রুপকথার...
রাজকুমারীর দু:খ ব্যাথার।
চোখ বুঝে শুয়ে শুয়ে
কল্পনার পথে পথে ওড়ানো ঘুড়ি
একদম একদম অনেক দুরে
এই পরিচিত লোকালয় ছাড়ি.....

সেই রুপ কথা রুপ হারিয়েছে কবে.............
সুতা কেটে উড়ে গেছে ঘুড়ি।
লোকালয় আজ নিজের মাঝে।
কতদিন হয়না মায়ের পাশে বসা,
নেই কাঁথার যুগ, কাঁথামুড়ি।

একটা পুতুপুতু রুমান্তিক কোব্তে....

দু-স্বপ্ন দেখে কোনো তড়িঘড়ি ঘুম ভেঙ্গে
চুল আলুথালু, আমার কাছে ছুটে আসো....
তোমার চোখের কোনে জমে থাকে গুড়ো গুড়ো ঘুম---
তকহনও তোমায় ভালো লাগে।

দুপুরের গরমে আঁটো শাড়ীতে হাঁসফাঁস
নিমীলিত মলিন চোখ, পাপড়ি গুলো ঘামে ভেজা,
রাস্তার পাশ ঘেষে ক্লান্ত পায়ে ধীরে পথ চলো যখন....
তোমায়, লোকালয়ের ভীড়ে লুকিয়া থাকা মধ্যহ্ন দেবী মনে হয়।

শুভ্র বসনে, পরিপাটি খোলাচুলে

নেট পরিক্রমন, আমরা বন্ধু ব্লগে নতুন আগমন..

নেটের ব্যাপারটাই একটা কাহিনীর মত...সে এক বিরাট ইতিহাস টাইপ ।