নির্যাতন বিরোধী ছবি গেরিলা বিষয়ে আলোচনা...

নামকরনের স্বার্থকতা:
১.
গেরিলা নামটা প্রথম চোখে পড়ে পত্রিকার সীলমারা মাস্টহেডে। ছবির নামকরনের স্বাথর্কতা তৈরী হয়। কিন্তু সেই দৃশ্য তিনটা ডায়ালগে শেষ হয়। সেই পত্রিকার পরিণতি কি হইলো সেইটা আর আমার জানা হইলো না।
২.
সৈয়দা বিলকিস বানু তার সাংবাদিক স্বামী হাসানের হদিসে এইদিক ঐদিকে যায়, তার সঙ্গী হয় কয়েকজন ছোকড়া। যারা বেশ আরবান। তাদের একজনের একটা গাড়ি আছে। একটা মোটরবাইকও দেখা যায় মাঝে সাঝে। এই ছেলেদের একজনের আবার রিফ্যুজি ডান্ডি কার্ড আছে। যেইটা আবার বিখ্যাত পাকিস্তানি কর্নেল তাজের সার্টিফাই করা। পরে আমরা দেখি তারা গেরিলা বাহিনীর সদস্য।
৩.
সিনেমার নায়িকা সৈয়দা বিলকিস বানু (জয়া আহসান) নিজেই এই শহুইরা গেরিলা দলের সদস্য। যে মনে হয় একটা ব্যাংকে চাকরী করে। সিনেমার শেষ পর্যায়ে গেলে আমরা এক মুক্তিযোদ্ধা'র সংলাপ থেইকা জানতে পারি সে পাকিস্তান রেডিওতে গান গায়। তবে সিনেমায় তার মূল পরিচয় একজন গেরিলা।
সদা সদালাপে:
গেরিলা সিনেমা দেখতে আমার খারাপ লাগে নাই। ছবির সিনেমাটোগ্রাফি বেশ ভালো। স্টেডিক্যাম অপারেশন আছে বইলা মনে হইলো বেশ কিছু সিনে। ছবিতে ব্যবহৃত স্পেশাল ইফেক্টসগুলি মনোটনাস হইলেও খারাপ না। যুদ্ধের দৃশ্যগুলিতে অথেনটিসিটি রাখার আগ্রহ ছিলো নির্মাতার। প্রথম দিকে গল্প বলার ধরণটা একটু এ্যাব্রাপ্ট হইলেও পরের দিকে এর ছোট ছোট সিন ডেভেলপ করার কৌশল কাজে দিছে। একটা টান টান উত্তেজনা নিয়াই ছবির গল্প দৌড়ায়। এর কৃতিত্ব হয়তো দেয়া যায় ছবির সম্পাদকরে। অপ্রয়োজনীয় ক্লোজ শটের ব্যবহার নাই তেমন। এই বিষয়টা চরিত্রগুলোরে কখনোই অনুমোদন দেয় নাই গল্পরে ছাপাইয়া যাওয়ার জন্য।
গেরিলা সিনেমার আরেকটা ভালো দিক হইলো এর প্রোডাকশন ডিজাইনিঙে পরিমিতি বোধ। নির্মাতা যা বলতে চাইছেন সেই অনুযায়ী গল্পের পথ নির্দেশনা দিয়া দেয়া। মুক্তিযোদ্ধারা এই ফর্মুলা মতে সাহসী আর প্রতিজ্ঞাবদ্ধ চরিত্ররাজী হইছে আর পাকিস্তানীরা হইছে নৃশংস আর ধর্ষকামী আর রাজাকাররা হইছে সুবিধাভোগী, অত্যুৎসাহী ধান্দাবাজ। যারা পাকিস্তানি হানাদারগো অনুসরণ কইরা পাশবিক চরিত্র চরিতার্থ করতে চাইছে। তবে ছবিতে এই সাদাকালো ডিমার্কেশন লাইনের বিরক্তি কাটাইতে তিনটা চরিত্র আসছে যাদের স্ক্রিন প্রেজেন্স খুব গুরুত্বপূর্ণ না কিন্তু একটু ভিন্ন অনুভূতি তৈরী করে, ছবির প্রকৃতির বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সমালোচনারে বন্ধ কইরা দেওয়ার পথ খোলা রাখে। বিলকিসের বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু শাহাদত, তসলিম সাহেবের বাড়ির কাজের লোক তৈয়ব আর নির্যাতনে আলতাফ মাহমুদের নাম প্রকাশ কইরা দেওয়া মুক্তিযোদ্ধা চরিত্রখানা এমনই উপস্থাপণা।
তবে এই ছবিতে কিছু থিয়েট্রিকাল মোমেন্টস তৈরী করা হইছে এর গল্প বলার ধরনে, যার কিছু এক্সিকিউশন অসাধারণ। মেজর সরফরাজ আর ক্যাপ্টেন শামসাদ ও তার জল্লাদ চরিত্রগুলিতে একই অভিনেতার কাস্টিংয়ের আইডিয়া আর তার প্রয়োগ বেশ কাজে দিছে। বা পাকিস্তানিদের সম্মানে দেয়া পার্টিতে বোমা বিষ্ফোরনের পর মৃত মিসেস খানের সিম্বলিক চিৎকার দৃশ্যটা অনেক থিয়েট্র্রিকাল অ্যাপ্রোচ হইলেও ইমেইজ হিসাবে বেশ শক্তিশালি লাগে।
এবার কিছু অপ-আলাপ:
বাঙালির কেবল সিনেমার ইতিহাস না, যেকোনো ইনিশিয়েটিভেই শোকেইস প্রবণতা আছে। মানে যেকোনো মধ্যবিত্ত বাঙালির ড্রইং রুমে রাখা শোকেইসে দেখা যায় বাচ্চার ভাঙা খেলনাটা থেইকা শুরু কইরা পুরোনো কানা ভাঙ্গা চায়ের কাপ-পিরিচটাও রাখা থাকে। আমরা কোনো জিনিস ফালাইয়া দিতে ইনসিকিওর্ড বোধ করি। যদি কোনো কাজে লাগে! অথবা মায়া কাজ করে। আমাদের শহুইরা মিউজিকে তাই একগাদা ইন্সট্রুমেন্টের ব্যবহার থাকে...আমাদের খাবারে তাই সবধরনের মশলার ব্যবহার হয়। গেরিলা সিনেমার গল্পেও নির্মাতার এই ঝোঁক কাজ করতে দেখি। প্রথম প্রায় ৪০ মিনিট পর্যন্ত গল্পের যেই এ্যাব্রাপ্ট ভাবটা এইটা আসছে অনেককিছু একসাথে দেখাইতে চাওয়ার মানসিকতা থেইকা। নির্মাতা যেহেতু থিয়েটারের মানুষ তাই অডিও ভিজ্যুয়ালি যে অনেক কিছু না দেখাইলেও হয় বোধকরি সেইটা বোঝার মতোন জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা আছে তার।
আর এই কারনে সিনেমায় অনেক চরিত্রের উপস্থিতি ঘটে। গল্পের ধারাবাহিকতার ক্ষেত্রে এই সব চরিত্র কোনোধরনের অবদান রাখার আগেই অনুপস্থিত হইয়া যায়। কিছু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের বিকাশ যেই কারনে যেইভাবে হওয়া দরকার ছিলো সেইটা হয় না। আমরা যেই কারনে হাসানের চরিত্র সম্পর্কে অজ্ঞ থাকি। তারে যেনো রোমান্টিক প্রয়োজনেই হাজির করা হয় খালি। অথচ প্রথম দৃশ্যে আর শেষের দিককার একটা স্মৃতিচারনে তার রাজনৈতিক অবস্থান বেশ স্পষ্ট হইলেও চরিত্রটা কোনো অনুভূতি জাগায় না। যেই কারনে বিলকিসের খোঁজখবর করার দৃশ্যগুলিরেও কেমন খাপছাড়া লাগে। নির্মাতা গোলাগুলি নির্যাতনরে হাইলাইট করতে গিয়া এই সাংবাদিক গুম করার বিষয়টারে এড়াইয়াই যায় মনে হয়। বিলকিসের বন্ধু-বান্ধবরাও আসলে কারা এইটা শেষদিককার একটা স্মৃতিচারনে স্পষ্ট হয় কেবল। মনে হয় মুক্তিযুদ্ধটা কেবলি নির্যাতনের প্রতিবাদ। কারো কোনো রাজনৈতিক সচেতনতা ছিলো না ঐ সময়টায়।
ছবিতে বঙ্গবন্ধু কওনের বাধ্যবাধকতা আরোপ করেন পরিচালক বা স্ক্রিপ্ট রাইটার। আর এই অতি আগ্রহের কারনে ২৫ মার্চ রাতেই পুলিশ ব্যারাক আক্রমণের সময় একদল লোকরে (তারা পুলিশ কীনা এইটা নিয়া বিভ্রান্তি তৈরী হওয়ার যথেষ্ট অবকাশ থাকে) দেখা যায় বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার কথা বইলা পাকিস্তানি মিলিটারীগো প্রতিহত করনের যুদ্ধে সামিল হইতে। গেরিলা নামের একটা পত্রিকার ছাপা হওয়ার দৃশ্য আছে, কিন্তু সেইটাও নির্যাতনের খবর প্রকাশের মাধ্যম হয়। এই পত্রিকার কোনো প্রভাব বা পরবর্তী উপস্থিতি আমরা দেখি না কোথাও।
বিলকিস কেনো ঘরের বাইরে যায়? কোন অযুহাতে একটা পরিবার তার নিয়মিত বাইরে থাকার বিষয়টা অ্যালাও করে সেইটা নিয়া মাথায় প্রশ্ন তৈরী হইতেছিলো, এমন সময় নির্মাতা দেখায় যে সে একটা ব্যাংকে চাকরী করে। কিন্তু এই চাকরীতেই তার অফিস কক্ষ দুইবার দুইরকম দেখানো হইছে। একজন মানুষের বাস্তবানুগ জীবন কি আমাদের দেখানোর দরকার নাই বইলা মনে করছেন পরিচালক!? আলতাফ মাহমুদের বাসায় তার যাওয়াটা এতো ঘনঘন ঘটতেছিলো কেনো এইটা নিয়াও কেমন খচ খচ লাগতেছিলো। কোনো দৃশ্যেই বোঝার মিনিমাম কোনো বিষয় ঘটে নাই যে বিলকিসও পাকিস্তান রেডিওতে গান করে। আমি প্রায় পুরাটা সময়েই মনে করতেছিলাম বিলকিস আলতাফ মাহমুদের আত্মীয়া। এই জায়গাটাও অনেক আরোপিত লাগছে। আলতাফ মাহমুদের বাড়ির মানুষজনের সংলাপ শুইনাও মনে হইছে বেশ কাঁচা হাতের লিখা। অথবা তাড়াহুড়া কইরা তৈরী করা দৃশ্যাবলী। মিসেস খানের চরিত্রটা বেশ ভালো দাঁড়াইতো। কিন্তু এই চরিত্রটাও কেমন খাপছাড়া লাগে তার সঠিক উপস্থাপনের অভাবে। তার সাথে পাকিস্তানী মিলিটারীরা কেনো যোগাযোগ করে এর তেমন কোনো উত্তর ছবিতে পাই নাই। হয়তো সেও সোশ্যাল সেলিব্রিটি, কিন্তু তার কোনো নমূনাও এইখানে দেখানো হয় না।
সিনেমাতে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুভূতির চাইতে বড় হইছে পাকিস্তানিদের নৃশংসতা, আর তাদের নির্যাতন দেখাইতে গিয়া গেরিলারা থাকছে অনেক সাটলিটি নিয়া; কিছুক্ষেত্রে হাস্যকরভাবে। শাহাদত যে খানিকটা বিলকিসের প্রতি অনুরক্ত ছিলো এই বিষয়টা একবার বোঝা যায়। কিন্তু তারপর আর এর কোনো খোঁজখবর নাই। শাহাদতের চাইতে আরেক বন্ধুর প্রেজেন্স অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়, অথচ তার নামটাও খেয়াল করতে পারা যায় না ঠিক মতোন।
এই ছবির স্বার্থকতা কিম্বা ব্যর্থতা যাই বলা হোক না কেনো আমার মনে হয় নির্মাতার উদ্দেশ্যটা একটু ধোয়াটে থাকে। মুক্তিযুদ্ধ কি আমাদের অর্জন!? আমাদের সংগ্রাম কি পরিকল্পিত ছিলো? নাকি কেবল পাকিস্তানিরা নির্যাতন কইরা গেছে আর বাঙালিরা তার প্রতিবাদে যুদ্ধে ঝাপাইয়া পড়ছে। শহরের রাস্তার মোড়ে মোড়ে রোজ রোজ যেইরকম ভাবে মৃত মানুষের লাশ পইড়া থাকতে দেখানো হইছে সেইটারে আমার অন্ততঃ অতিরঞ্জিত লাগে। আমার নির্মাতার গুঢ় উদ্দেশ্য নিয়া খানিকটা মতদ্বৈধতা তৈরী হয়। আমার মনে হয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়া এই ছবি তৈরী হয়না, এই ছবির উদ্দেশ্য পাকিস্তানিদের প্রতি ঘৃণা উৎপাদন। আমার সংশয় তৈরী হয়, আমার প্রশ্ন তৈরী হয় এই নির্যাতনের প্রতি ঘৃণাবোধ বেশি প্রয়োজনীয় নাকি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাগত প্রসারটা বেশি দরকারী...
নয় নয় অভিনয়
জয়া আহসান এমনিতেই অনেক ভালো অভিনয় শিল্পী, এর বাইরে ভালো লাগছে পাকি মিলিটারী অফিসারের চরিত্রে শতাব্দী ওয়াদুদের অভিনয়। হাসানের চরিত্রে নায়ক ফেরদৌসরে বাহুল্য মনে হইছে তার চরিত্রের উপস্থাপণে এমনকি তার অভিনয়েও। এটি এম শামসুজ্জামান বেশ ভালো অভিনয় করছেন। ছোট্ট চরিত্র অথচ আজাদ আবুল কালাম সেইখানেই তার ক্যারিশমা দেখাইছেন। রাজাকারদের দিয়া মেলোড্রামা তৈরী করতে চাইছেন নির্মাতা বোঝা যায়। আর সেই কারনে সকল রাজাকারের চোখে সমস্যা দেখানো হইছে, আর অভিনয় রীতিটাও বেশ উচ্চকিত রাখা হইছে। শম্পা রেজার উপস্থিতিটাও বেশ ভালো হইছে। বিলকিসের বন্ধু-বান্ধবগুলির অভিনয় বেশ ফ্লাকচ্যুয়েট করছে। বিলকিসের ভাই চরিত্রের ব্যাপারে কোনো কথা কইতেই রাজী না আমি। তবে আরোপিত চরিত্র হইলেও আহমেদ রুবেল ভালো অভিনয় দিয়া চরিত্রটারে উৎরাইয়া দিছে।
পরিশেষ:
গেরিলা স্বপরিবারে দেখার মতোন ছবি। টানটান উত্তেজনা আছে ছবিতে। সময়টা ভালোই কাটবো আর যারা পাকিস্তানিদের প্রতি বজায় থাকা ঘৃণারে আরো উসকাইতে চান তারা পাইবেন ১০০% উপযোগ। তবে মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা আরো অনেক সুদূর প্রসারি ভাবনা ছিলো সেইটা মাথায় রাইখা দেখলে এই ছবির প্রয়োজন আছে বইলাই বোধ করি।





সিনেমার রিভিউ বা আলোচনা খুঁটিয়ে পড়লাম। বেশ হতাশ হলাম। আপনার কাছ থেকে প্রত্যাশা বেশি ছিল।
আলোচনার ঢংটা গতানুগতিক ঠেকলো। শিরোনামে একটা বিশেষণ সিল মেরে দিলেন " নির্যাতন বিরোধী" ছবি, বিভিন্ন বিষয়ে ভাসা ভাসা মত দিয়ে গেলেন - কিছুই পরিষ্কার করে বললেন না। আলোচনা এরকম হলে চলে নাকি ভাস্করদা?
অনেক টাইপো, বানান ভুল রয়ে গেছে। আশা করি ঠিক করে নিবেন।
আপনের প্রত্যাশা মিটাইতে না পারার জন্য দুঃখিত।
আমার এই ছবির মার্কেটিঙে মুক্তিযুদ্ধের ছবি'র ব্যবহার দেখছিলাম, কিন্তু আমার এই ছবিরে নির্যাতন বিরোধী ছবিই মনে হইছে। ছবির ঘটনা উল্লেখ করতে চাই নাই বইলা আপনার মনে হইতে পারে আমি ভাসা ভাসা বলছি...
বানান আর টাইপোর ব্যাপারে আমি আসলে অমনোযোগি মানুষ...ক্ষমার্হ দৃষ্টিতে দেইখেন।
নাসিরউদ্দিন ইউসুফ সিনেমার লোক না। আগে একটা বানিয়েছিলেন, সম্ভবত একাত্তরের যিশু। সেটা দেখে পুরা হতাশ হয়েছিলাম। গেরিলা কত দক্ষ হাতে বানিয়েছেন আমি শিওর না।
আপনার আলোচনা পড়ে মনে হল এইটাও পুরোপুরি ফিল্ম হয়ে উঠে নাই। দেখার আগ্রহ পেলাম না।
ছবি হিসাবে এইটা আগেরটার চাইতে অনেক ভালো...একাত্তরের যীশু দেখতে বিরক্ত লাগছিলো, কিন্তু এই ছবি দেখতে অনেকসময়েই ভালো লাগছে।
যে দিন কেউ আস্ত একটা "পুরাপুরি ফিল্ম" বানাবে সেদিন সিনেমা দেখবো ..... 'কিঞ্চিত ফিল্ম' 'হাফ ফিল্ম' 'ফালতু' হলে হবে না মোটেও।
এজন্যই মনে হয় ছয়-দশ বছরেও সিনেমা দেখতে যাই না, এজন্যই "খাইছি তোরে" "বাসর রাইতে" "চাক্কু জনি" সিমেনার জয়জয়কার।
গাঁটের পয়সা খরচ কইরা ছবি দেখতে যামু আনন্দের জন্য, সেইখানে বিরক্তিরকর কিছু কেন দেখমু। আর আমি ছবি দেখুম আমার রুচি, পছন্দানুযায়ী । সেইটা খাইছি তরে বা ফাটায় ফেলুম যেইটাই হোক। অন্য কেউ কেন ঠিক কইরা দিব কী দেখুম?
এইবার ঠিকাছে।
এই ডায়লগের পর
কন্ট্রৌভার্শাল হয়া গেলো না ?
ভাস্করদার আলোচনা পড়ে দেখার আগ্রহ জাগলো।
এই সিনেমাটা দেখার আগ্রহ আছে। তাই লেখাটা পড়লাম না। দেখে তারপর না হয় পড়ব।
রিভিউ পড়লে দেখার আগ্রহ কমে যায়। এর আগে মনের মানুষ সহ আরো কিছু রিভিউ পড়ে পরে আর মুভিটা দেখা হয়ে উঠে নাই।
অনেক সচেতন আর বোদ্ধা দর্শক আপনি। ছবির খুঁটি নাটি আলোচনা ভাল লাগল। দেখার আগ্রহ আছে।
গেরিলা দেখার পরে রিভিউ পড়ে মিলিয়ে দেখব।
এখনো দেখি নাই। কাল দেখতে যাওয়ার কথা। আগেও একটা রিভিউ পড়ছি। আপনারটাও পড়লাম। দেখে নিয়ে বলি কিছু। তবে আমার মনে হয় মুক্তিযুদ্ধের মুভি গুলো নিয়ে আবেগ বেশি কাজ করে। তাই টেকনিক্যাল অনেক কিছুই চোখ এড়িয়ে যায় হয়ত বা!
সহমত ।
বোদ্ধা শব্দটা দেখলেই মনে হয় খোঁচা দিতেছেন...
আপনার যেকোন লেখা পড়লেই আপনাকে এই বিশেষণ অনায়াসে দেয়া যায় । বোদ্ধা শব্দটা শুধু উচ্চমার্গের সাহিত্যিক আর বুদ্ধিজীবিদের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হবে এমন তো না ।
কসম 
আপনাকে খোঁচা দিইনি দাদা
আমার দেখার আগ্রহ হচ্ছে
দেখার প্রচন্ড আগ্রহ আছে
গেরিলার প্রিমিয়ার শো'তে গেছিলাম। মুভি দেখা হয় নাই। তবে দেখার ইচ্ছা আছে।
জয়া আহসানের সেই আপিল আর নাই।
দেখলেও দেখতে পারি আবার না, জানি না।
এই রিভিউটাতে মার মার কাট কাট ভাবটা মিসিং। মেহেরজান রিভিউ আপিলটা কম
মোটেও স্বপরিবারে দেখার মতো না, জবাইয়ের দৃশ্যগুলি ভয়ংকর! বাদবাকি আলোচনায় সহমত জানাচ্ছি।
Easy to say but difficult to make.Good criticism but not matured ...wish u all d best.
ম্যাচিওর্ড সমালোচনা হইতে কি করতে হয়?
think u know better ....plz. tell me....how to make 100% good film?
মন্তব্য করুন