দীর্ঘশ্বাস
আমার কবিতার
খাতা হারিয়ে গেছে কোথাও। অনেকদিন
কিছু লেখা হয় না। সাদা পাতাগুলোর
দিকে তাকালে মায়া হয় নিজেরই। তাই
গল্প খুঁজতে বসি প্রতিদিন। রাস্তার
পাতায়, শহরের খাতায়। গল্প
জমা হয়ে আছে অনেকগুলো। সকালের গল্প,
বিকেলের গল্প,অনেকগুলো গল্প রাতেরও।
সব গল্পের মাঝে দাঁড়িয়ে আমি ভাবি কোন
গল্পটাকে নিয়ে ভাববো। আর সব
গুলিয়ে যায়। বিলুর ঘুড়ি ওড়ানো থেকে শুরু
করে লতা মাসির কাজ করা- গোটা দিনটাই
তো গল্প। শুধু বাঁধুনি নেই শব্দের। তাই
শেষ অবধি পড়া হয় নাহ। পড়া না হওয়ার
দরুণ শেষটা খুঁজতে আমরা দৌড়ই অকারণ।
শেষটা পাই নাহ। আকাদেমি অফ ফাইন
আর্টসের বন্ধ গ্যালারির সামনের রাস্তায়
দাঁড়িয়ে আকণ্ঠ ভিজি। আর ঠিক বিপরীত
মুখে কোনও এক আলোর শেডের উপর
বসে থাকা কাক সঙ্গী হয় আমার। আকণ্ঠ
ভেজে সেও। আমারই মতন। অথবা আমার
চেয়ে বেশি। বৃষ্টি থামার
মুহূর্তে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় নাহ।
শুধু গল্পটা থাকে। ট্রাফিক পুলিশের
সিগন্যাল
পেয়ে ডোরাকাটা ক্রসিং পেরোনোর মত
গল্প। যে গল্পে অল্প দূর দিয়েই হাত
ধরে দুজন হেঁটে যায় আর নায়ক একা থাকে।
বোধয় নরম বিকেলের হাত ধরতে। রোদ
এসে নরম ভাবটা মুছিয়ে দেওয়ায় নায়ক
হাত বাড়ায়। নায়িকা আসে নাহ।
বাড়িয়ে দেওয়া হাতে হাওয়া লাগে খানিক
বেশ ঠাণ্ডা সে হাওয়া। অস্বাভাবিক
ব্যাপার প্রায়। তবে অসম্ভব নয়। কোনও এক
হাওয়ার রাতে তাই বাতাসে হাত
দিলে হাওয়া কেটে যায়। ঠিক যেমন জল
কাটে দ্রুতগতিতে...





স্বাগতম এবিতে
চমত্কার কবিতা, ভালো লাগলো খুব।
এবিতে সুস্বাগত।
পড়তে থাকুন, লিখতে থাকুন।
ভালো থাকুন।
ধন্যবাদ সবাইকে .
চমত্কার কবিতা, ভালো লাগলো খুব।
এবিতে সুস্বাগত।
ধন্যবাদ.
মন্তব্য করুন