বাস্তবিক কিছু চাহিদা .……
এটা আমার
বাস্তবতাকে কেন্দ্র
করে লিখা।
প্রাণভুমি
আমি চিনি। এই শহরকে।
এর মানুষকে।পড়ন্ত
সূর্যের আলোয়
হেঁটে চলা এক মানুষের
ছায়া যতদূর যায় ঠিক
ততদুর আমি এ
শহরটা চিনি। শহর
আমাকে গল্প দেয়।
প্রতিদিন। রাস্তায়
হাঁটতে হাঁটতে অথবা সা
দেখে অবাক হই,খুশি,ভয়ও
পাই কোনওসময়। শহর
আমাকে চরিত্র চেনায়
হাতধরে। ছেলেবেলায়
মায়ের হাত
ধরে হাঁটতাম
অথবা বাবার। এখন
শহরের হাত ধরে হাঁটি।
হাঁটতে হাঁটতে তাদের
চিনি যারা আমার মতই
হাত
ধরে হাঁটছে শহরের।
তাদেরও
দেখি যারা হাত
ছেড়ে দিচ্ছে অবলীলায়।
ভাবি,
ভবিষ্যতে কি শহরের
আয়নায়
দেখা যাবে এদের?
বা এদের মনের আয়নায়
এই শহরটাকে? উত্তর
নেই। হয়তো এই প্রশ্নের
উত্তর হয়ও না।
আমরা বড্ড বড়
হয়ে যাচ্ছি প্রতিদিন।
মনের দিক থেকে।
চারপাশের দৌড়
দেখে তাই তাদের
টপকানোর জন্য
লোকেরা ছোটে। আমিও
ছুটতে যাই।
তখনি অবনীর বাড়ির
জানলায় আমার চোখ
পড়ে। থমকে যাই।
অবনীর পা নেই। বাড়ির
একমাত্র জানলা আর
অগাধ বইপত্তর ওর
সম্পদ। মাঠের পাশের
বটগাছে আটকানো ঘুড়ি আ
অনেকখানি আকাশে ও
নিঃশ্বাস নেয়।একদিন
ও আমাকে বলেছিল
কিভাবে ওর সূচীপত্রের
তালিকার ভিড়ে অনেক
মুখ উঁকি মারে।
চেনা,অচেনা,আধচেনা।
আমিও ওর মতই তাদের
খুঁজেছিলাম। পাইনি।
তবু আমি খুঁজি। তাই
লোকের
ভিড়ে না দৌড়ে অবনীর
কথা মনে করে থামি।
আমি অবনী হতে চাই।
আমি অবনী হতে পারি না
আমি জানি একদিন
চারপাশের ভিড়
আমাকেও দৌড়তে বাধ্য
করবে ওদের মতই। আমিও
দৌড়ব । কারণ এ শহরে আর
কেউ অবনী হতে চায় না।
চাইবে নাহ...
অবণী আমার ছোট বেলার
বন্ধু .
হাটতে পারেনা পায়ের
অভাবে। ওর সঙ্গী শুধু বই
আর বই .ও সাহিত্য
সম্পর্কে এতো বেশি জান
রাও ওর কাছ থেকে অনেক
কিছু শিখতে পারবে।





এখানে কোন শহরের বর্ণনা দেয়া?
এখানে আমি আমার শহর চট্টগ্রাম কেই বুঝিয়েছি। তাই প্রানভুমি দিয়ে শুরু করা।
ভিন্ন ধারার ভিন্ন স্টাইলের কবিতা। ভাল লেগেছে।
ধন্যবাদ।
হাঁটতে হাঁটতে অথবা সা
দেখে অবাক হই,খুশি,ভয়ও
আর বই .ও সাহিত্য
সম্পর্কে এতো বেশি জান
রাও ওর কাছ থেকে অনেক
এমনি টুকটাক বাদ পড়ে যাওয়া অক্ষরগুলো শুধরে দিলেই দারুন এই কবিতার ছলে গল্পটা পড়তে গিয়ে আর হোচট খেতে হবে না।
পছন্দ হয়েছে বেশ
ধন্যবাদ . নিজেকে শুধরাতে চেষ্টা করব পরবর্তীতে .
পছন্দ হয়েছে বেশ ------------ দারুন লেগেছে
মন্তব্য করুন