একলব্যের পুনর্জন্ম'এর ব্লগ
কাকন্দি তুমি কই ?
কাকন্দি , তুমি কই ? অতি সত্বর ব্লগে ফিরত আসো । আমি ব্লগে আড্ডা দেয়ার লোক পাই না । ফিরত আসো ---------
কাকন্দি , তুমি কই ? অতি সত্বর ব্লগে ফিরত আসো । আমি ব্লগে আড্ডা দেয়ার লোক পাই না । ফিরত আসো ---------
কাকন্দি , তুমি কই ? অতি সত্বর ব্লগে ফিরত আসো । আমি ব্লগে আড্ডা দেয়ার লোক পাই না । ফিরত আসো --------- 
না - কবিতা
সুইসাইড নোট : কবির ডায়েরি থেকে
আমি আত্মহত্যা করলে ;
মৃত্যুরও অধিক একটা কিছু
তোমাকে জড়িয়ে ধরবে -
আমার মৃতদেহের সামনে দাঁড়ালে
তুমি বিস্মৃত হবে তোমার অস্তিত্ব শংকা
প্রেম ও বিনাশ ।
সব আলো নিভিয়ে দেবে
আমার চিতার দাহ ; তুমি জানবে
দেহ ছাই হয়ে গেলে
এর চেয়ে তুমুল কোনো স্ফুলিঙ্গ
চেনোনি কোনোদিন । জেনে যাবে ,
একা আমি শব্দের প্রতি অক্ষরে
তিনটি কবিতা
অন্তর-ভেদী
কে ভাঙে আর কে ভাঙায়
আট কুঠুরি জলে ডাঙায় -
ফোঁটায় ফোঁটায়
রক্ত কেবল কলুষ ছড়ায় ;
কে ভাঙে আর
সাধ্য যে কার -
খোলস পোড়ায় !
আট কুঠুরি জলে ডাঙায় ....
ঘুমিয়ে যায় ?
শামুকজলে এক ডুবে তুলে আনা সুখ
দেখেছো ! আলতো আলোয় ভেজা সূর্যমুখ
খাঁজ কাটা চাঁদ বেয়ে ঢেউয়ের পুরাণ ;
তোমার দেউড়ি জুড়ে আমার অঘ্রাণ
ঘুমিয়ে যায় ।
ঘুমিয়ে যায় ?
নির্জনতম দেয়াশলাই
কেননা কুকুরের জিহ্বাই একমাত্র ;
হয়ে উঠেছিলো
সভ্যতার যোগ্যতম প্রতিনিধি ।
সেদেশে যদিও পাহাড় ছিলো এককালে
এবং সমুদ্রও -
আর ছিলো শিশুনদী শিশুফুল শিশুপাখি ;
যুবকেরা একদিন ভালোবাসতো ।
এককালে ......
ভূমিদস্যুর ভ্রুকুটিতে সমতলমুখী আকাশচুম্বিতা আজ ।
আজ পাহাড় উপড়ে এসে নদীর পরিধি কমায় ;
আর লাভের ছাঁকনিতে ধরা পড়ে সমুদ্রসীমাও
জল সেঁচে তেলের ওজনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হাঙরের দামে
পাঠ প্রতিক্রিয়া - "সাময়িক শব্দাবলি" , লেখক - তনুজা ভট্টাচার্য্য
বইটা পড়ার পেছনে খুব বেশি যুক্তি আমি দাঁড় করাতে পারবো না ।
মেয়েটা নদীকে “মা” ডাকতো
মেয়েটা নদীকে "মা" ডাকতো ।
যে নদীতে ওর ঘর-চালা-গোয়াল
আর সাথে দেড় বছরের ভাই -
মা'র কোল চুরি করা ভাই
ভেসে গিয়েছিলো
গত আষাঢ়ের আগের আগের বার বানে
....নাকি তারও আগের !
সেই নদীকে -
কাঁশের ফাঁকে হাঁটতে হাঁটতে মুখে
বুলানো জোয়ার-বাতাস আঁচল ভেবে -
মায়ের নুন-হলুদ গন্ধ আঁচল ভেবে ;
আরামে চোখ বুজে ফেলতো
খোলা মাঠে শিশিরের ঘুম -
মেয়েটা
কাশবনের কাছে ইনিয়ে বিনিয়ে
ছোটোমেয়ের মত আহ্লাদ করতো -
মানুষ - ১
ধরা যাক্ , দুটি মানুষ x ও y
তারা পরস্পর থেকে xy দূরত্বে দাঁড়িয়ে ;
দাঁড়িয়েই ।
x ও y সমাধান না করেও এখানে
বলা যায় , "যথাক্রমে m1 ও m2 তাদের
ভর যদি হয় , তারা G m1 m2 / (xy)^2 বলে
নিজেদের আকর্ষণ করবে - কোনও শর্তেই
পদার্থবিদ্যার এই সূত্র মানুষ মানে না । "
এবং এমনকী -
দূরত্ব সসীম রেখেও তারা G, m1, m2
এর মতো ধনাত্মক অংকগুলোর গুণনে
নিরেট শূন্য করার ক্ষমতা রাখে ।
না - যজ্ঞাগ্নির নিকট প্রার্থনা
ও কথা বোলো না ।
ও কথায় না-ঈশ্বর ব্যথিত হবেন ।
পুনরায় উচ্চারণ কোরো না ।
ও কথায় জানো
মানুষ রহস্যহীন হয়ে যাবে -
আগামীর যৌবনগুলো ,
ধরিত্রীর মতো বিবশ পড়ে থাকবে ।
কর্ষণাকাঙ্ক্ষী মাত্র ;
যে কোনও শব্দের জমিন কবি'র স্বত্ব হারাবে ।
কবি'র স্বত্ব হারাবে !
কবি'র স্বত্ব হারাবে ... ...
ও কথা বোলো না
ও কথা বোলো না ।
ও কথায় না-ঈশ্বর ব্যথিত হবেন ।
পুনরায় উচ্চারণ কোরো না ।
নিতান্তই জৈবিক আলাপ
আমার তো আসার কোনও তাগিদ ছিলো না । ছিলো না -
চলে যাওয়ার মত নিকট ভোরের সাথে আত্মীয়তা ।
আমি স্থবিরতা ভালোবাসতাম ।
গতিশূন্য চোখ চেয়ে আনুভূমিক তরলতায়
জীবনকে বিছিয়ে রেখেছিলাম ; এক - আধদিন সেই
সিলিং থেকে নেমে চড়ুইটা মুখ দেবে বলে ।
পাখির ঠোঁটে যদিও মানুষের জন্য যৌনানুভূতি থাকে না ; কিন্তু -
আমার জানা ছিলো পুনঃপুনঃ ঠোকরের ভেতরের নেশা । নেশা থাকে ।
বোধশূন্য
নখের ভিতর ভীষণ ক্ষুধা
একটা করুণ পাপের কামড়
বসুধা , মনে পড়ে ?
মনে পড়ে , রোদ !
আমি তোকে সেই একবার
বৈশাখী মেলায় হারিয়ে ফেললাম ।
সেই থেকে কতকাল -
তুই যে আমার কখোনো
না জন্ম নেওয়া সহোদর -
আমি যে তোর শ্বাস ধার
নিয়েই আধেক বাঁচি ;
তারপরও -
মেঘ তুই তুলে নিলি না ?
সরিয়ে নোনাদাগ ,
কেউ তো আমার ভিতর
ঢুকে গেলো না -
ছিঁড়েখুঁড়ে নিলো না -
শরীরে প্রতিস্থাপিত করে গেলো না
বুকের খোলস !
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর বরাবর -
ভূমিকা না করে সরাসরি বলি ।
আপনার সময়ের মূল্য অনেক ;
আমার কালিও কিছু অ-মূল্য নয় !
এর-ওর থেকে জোগাড়যন্তর করে
আপনার ব্যাংক নিয়মের ফাইলগুলো
চষছিলাম । বহুদিন । বহুভাবে ।
নৈব নৈব চ । কী বুঝিনি তাও বুঝিনি ।
মানে এত এত ডলার , সোনা
জমির দলিল ,দালানকোঠা , ইট পাথর
শেয়ারের কাগজ -
আসলে রিজার্ভ কার জন্য ? ঠিক কার
কাজে লাগবে এসব কাগুজে বাঘ !
মতিঝিলের মিডপয়েন্টে বসে আপনি
বিন্যাস
আমাদের কোনও গল্প ছিলো না ।
অথচ -
আমাদের একটা গল্প থাকতেই পারতো ;
চরিত্রগুলো টানটান তৈরি ছিলো
গল্পের আবহে ঢুকে পড়ার তাগিদে -
কিন্তু কারিগর জানেন ,
সম্ভাবনা তৈরি না করেই মরে যায়
যে পাখি -
তার ডানার রোদ সব ঘাস সব পাতা গিলে ফেলে
তাই সব গল্পই মূলত বিকেন্দ্রিক ;
সম্পর্কহীন বন্ধনীতে
যেমন সাহচর্য জানে মাটি ও মেঘ ,
তেমনি আমরা শূন্যাশূন্য বোধে
-ছড়িয়েও গেলাম