আসুন সুশিলতা ফুটাই, কামেল হয়ে যাই
অনেককেই দেখেছিলাম শাহবাগ আন্দোলনের শুরু থেকেই চুপ করেছিল। এই উত্তাল আন্দোলনের মাঝেও তারা স্বাভাবিক পোষ্ট দিচ্ছিল, কবিতা হান্দাইতেছিল। এখন দেখি পরিস্থিতির বদল হইছে। তারাও এখন সরব। এখানে সব সরকারী দলের হাত, সব চক্রান্ত। এইসব করতেছে আবার ক্ষমতায় আসার জন্য। এরা থাবা বাবা ইস্যু দেখে এখন অনেক বড় ধার্মিক। এত দিন নাকি সাপোর্ট দিচ্ছিল, শাহবাগ যাচ্ছিল। কিন্তু একটা নাস্তিকের জানাজা দেখেই তাদের মেজাজ সপ্তমে। তাদের আর লাগবে না এই সব আন্দোলন। জামাত ধর্মব্যবসায়ী হতে পারে তাই বলে জামাতের জন্য ধর্মের রাজনীতি তারা বিসর্জন দিতেও পারবে না। ধর্ম ব্যবসা আর ধর্মের রাজনীতির মধ্যে কতটুকু তফাৎ আছে নাই সেটা যারা বুঝতে পারে না তাদের আবার কিসের আন্দোলন। বরং তারা মুখোশ খুলে ভালই করেছে। হিপোক্রেট হওয়া তো ঠিক না। এইসব ধার্মিকের কাছে আমার প্রশ্ন- জামায়াত কেন এভাবে বিস্তার লাভ করছে বলতে পারবেন? আমিই বলে দিই- তাদের ধর্মের রাজনীতি আপনাদের মধুময় লেগেছিল এই কারনে। সব ছাগলের একই ম্যাঁ। আমি জামাতকে দেখি বাংলাদেশের সব ধর্মাশ্রয়ী রাজনৈতিক দলের মধ্যে। জিজ্ঞেস করলে বলে আমি জামায়াতকে ঘৃণা করি। তাইলে আপনাদের প্যায়ারা লিডার সানগ্লাস জিয়া যখন এদের পুনর্বাসন করছিল সেইসব ধর্ষককে কেন দল বানাইতে দিলেন? কেন আপনাদের জানে জানা জিয়াকে বাধা দেন নাই? হ, বাকশাল থেকে বাচাইছে। বাকশাল থেকে বাঁচাইয়ে জামাত-খাল কাটছে। বালছাল জিয়া নিজেই বাকশালের আন্ডারে কোন এক থানার কমিশনার হইছিল। মুক্তিযুদ্ধের সময় জয় বাংলা বলে মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলছে। আপনাদের পেয়ারা ফাকিস্থানি মেন্টালিটিতে আবার ফেরত গেছে। আপনারা তালি দিছেন। দিতে থাকেন। তাই বলে আওয়ামীলীগের রাজাকার বিচারকে ইস্যু কবেন না। আপনাদের পেয়ারের দল কি করছে ৩৭-৩৮ বছর? আওয়ামীলীগের মধ্যে রাজাকার আছে। আপনারা তাদের জন্য কোর্টে যান না কেন? রায় দিছে কোর্টে। সুশিলতা ফুটাইয়া বললেন সরকার এটা কি বিচার করছে! আরে মরণ। রায় কেন সরকার দিবে? বিচার করছে নিরপেক্ষ ট্রাইবুনাল। আপ্নারাই তো কইছেন তাদের বিচার নিরপেক্ষ হওয়া লাগবে। এখন কন তাদের গুলি করে মারে ফেলা হয় না কেন? সারা দেশে যখন জামায়াত নৈরাজ্য চালাচ্ছিল তখন আপনাদের সুশিলতা কোই হান্দাইছিল। আর এখন কন তাদের বেন করার জন্য আর কত নাটক করতে হবে? যন্ত্রণার শেষ নাই। এত সোজা হইলে আগে বাল ফেলান নাই কেন? তাদের বেন করে দেওয়া হোক আর আপনারা ধার্মিকেরা দেশে প্রচার চালান যে আওয়ামীলীগ ইসলামকে দেশ থেকে তাড়াই দিতেছে।
মারেন ট্যাগ কসাই মারেন- আওয়ামীলীগের দালাল, ভারতের দালাল(ভাদা), নাস্তিক। সব সহ্য করব মাগার আমারে ভাদা ডাকলে সহ্য করব না। এই শব্দ আপনাদের পেয়ারা ধর্মীয় দল জামায়াত মুক্তিযোদ্ধা, বঙ্গবন্ধু, তাজউদ্দিন, সৈয়দ নজরুল ব্লা ব্লা কে ডাকত। আর যাই হোক আমাকে ওদের কাতারে নিয়ে যাবেন না। আমি ওদের মত বড় মাপের মানুষ না। তবে আমাকে জিয়া ডাকতে পারেন। ওইটার মত আমি হতে পারব।





সহম ত!
হুম
বাহ
ভালো লিখছেন। সব দেখতেছি, শুনতেছি, বুঝতেছি। কিছু বলার নাই। বলার থাকলেও বলছি না। শুধূ চাই মানুষের বিবেক জেগে উঠুক।
মানুষকে জাগতেই হবে। নইলে অমানুষে ফল খেয়ে ফেলবে।
সম্পূর্ণ একমত! দেখছি সব কিছুই, চেষ্টা করছি বুঝাইতে! আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি এই কাজ টা করা দরকার, আন্দোলন সফল করতে সবার সমর্থন দরকার, কাউকে বাদ দিয়ে নয়!
এদেশের ঘুণে রাজনীতির সুযোগে জামায়াত বাসা বেঁধেছে মেরুদন্ডে। এখন পরজীবিদের অর্থনীতি বড়ই শক্তিশালী। দেশের টাকায় তারা দেশে নৈরাজ্য করে, রক্তের পতাকা নিয়ে পার্লামেন্টে যায়। এই সরকারে দুই তৃতীয়াংশ সীট আছে। তাই সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ করে জামায়াত ও ধর্মাশ্রয়ী রাজনীতির মূল উৎপাটন করতে হবে।
কনটেন্ট ঠিক আছে, কিন্তু লেখার ভাষা টা ভাল লাগে নাই।
মুই তো সুশীল না রে ভাই
কে কি লিখবে, সেটা তারা নিজেরাই ঠিক করবেন, এই ধরনের মনতব্য ভাল লাগেনি
এই লাইনের পরের লাইনগুলো পড়েছেন তো? না পড়ে থাকলে এখানেই আবার দিচ্ছি--
এখন দেখি পরিস্থিতির বদল হইছে। তারাও এখন সরব। এখানে সব সরকারী দলের হাত, সব চক্রান্ত। এইসব করতেছে আবার ক্ষমতায় আসার জন্য। এরা থাবা বাবা ইস্যু দেখে এখন অনেক বড় ধার্মিক। এত দিন নাকি সাপোর্ট দিচ্ছিল, শাহবাগ যাচ্ছিল। কিন্তু একটা নাস্তিকের জানাজা দেখেই তাদের মেজাজ সপ্তমে। তাদের আর লাগবে না এই সব আন্দোলন। জামাত ধর্মব্যবসায়ী হতে পারে তাই বলে জামাতের জন্য ধর্মের রাজনীতি তারা বিসর্জন দিতেও পারবে না।
মন্তব্য করুন