ছড়া
ঘর বেঁধেছ নিশ্কলংকপুরে
মন বেঁধেছ বেহদ্দ সাতপাকে
সূর্য্যমামা তোমায় দেখতে গেলে
তার ভাগিনা কাছেপিঠেই থাকে
উঠোন ছিল শর্ত দিয়ে ঘেরা
শর্ত ছিল উপবৃত্তাকার
উপবৃত্তে মজেছে যে তীর
তাকে ফেরায় সাধ্য আছে কার?
আমি থাকি নিস্তরঙ্গপুরে
জীবন থাকে সেমিডাবল খাটে
প্রতিশ্রুত জোৎস্না আসবে বলে
সময় আমার প্রতিক্ষাতে কাটে
মধ্যখানে শর্ত ছিল, আছে
জল ছূয়েছে তোমার চোখের মনি
সে জল আমার ভাগ্যলিপি লেখে:
" উপবৃত্তে তীরের বৈতরনী"





জটিল কবিতা। লাইকিট।
ছড়াটা অনেক অনেক আগে 'বাস্তব প্রেমে' পড়ে লেখা।
কাল হঠাৎ কাগজ ঘাটতে গিয়ে হাতে উঠে আসল। হারিয়ে যাবে ভেবে পোস্ট করা।
খুব সঙ্কটকালে লেখা, সহজ কথা সহজে বলার মত সম্পর্ক ছিল না মেয়েটির সাথে। ফলতঃ এটা সাঙ্কেতিক বার্তার আকার ধারন করেছে।
সীতাকে লক্ষণ রেখে যাবার আগে তীর দিয়ে একটি উপবৃত্তাকার সতীত্বরেখা দিয়ে যায়।
আমি এখানে তীরের মন বুঝতে চেয়েছি।যে তীর বিদ্ধ করতে চায়, তাকেই বৃত্ত টানতে হয়।
কবিতা ভালো লাগলো!
শিরোনাম বাংলা করে দিয়েন।
মন্তব্য করুন