ইউজার লগইন

র‌্যাগিং! বন্ধ হোক বিকৃত আনন্দের উৎসব।

আনন্দ ভাল, তবে সেটি করতে গিয়ে অন্যের বেদনার কারণ হওয়ার অধিকার কারও থাকতে পারেনা। অথচ র‌্যাগিং নামের এক অদ্ভূৎ ও আদিম আচরন রয়েছে যা আমাদের দেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলংকাতে দেখা যায়। র‌্যাগিং এর নামে বিশ্ববিদ্যালয় সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সিনিওর ছাত্র/ছাত্রীরা নবীন ছাত্র/ছাত্রীদের মানসিক ও শারিরীক ভাবে পীড়ন করে থাকে। এর চর্চা চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। এর ফল হয় ভয়াবহ। বহু নবীন ছাত্র/ছাত্রী মানসিক আঘাতের কারণে পরবর্তীতে আর স্বাভাবিক আচরন করতে পারেনা, কেও কেও আত্মহত্যাও করে ফেলে। র‌্যাগিং এ শ্রীলংকার পরিস্তিতি বিশ্বে সবচেয়ে ভয়াবহ। ভারতে এর ক্ষতিকর দিক বিবেচনা করে সরকারী উদ্যোগে ওয়েবসাইট করা হয়েছে, টোল-ফ্রী টেলিফোনসহ দ্রুত অভিযোগ ও সত্যতা প্রমান সাপেক্ষে দ্রুত বিচারের ব্যাবস্থা করা হয়েছে।

সম্প্রতি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন একটি ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। এক নবীন ছাত্রী নাকি এর শিকার হয়েছে তার সিনিওর ছাত্রীদের দ্বারা। এ অভিযোগটির সত্যতা নিয়ে ভিন্নমত থাকলেও এ জাতীয় ঘটনা যে অহরহ চলছে সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। একজন শিক্ষার্থীর স্বাভাবিকভাবে শিক্ষালাভের অধিকার রয়েছে, আর তাই অবিলম্বে বাংলাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে র‌্যাগিং এর নামে এ মানসিক ও শারিরীক নির্যাতন/হেনস্তা আ্ইন করে বন্ধ করা উচিৎ।

চলুন সবাই এ অমানবিক আচরনটির বিরুদ্ধে সোচ্চার হই। কারণ বিষয়টি কেবল অমানবিক নয়, অন্যের অধিকার চরমভাবে ভঙ্গ করার মত অপরাধ। ভারতের সরকারী ওয়েবসাইট যেমন র‌্যাগিংকে অপরাধ হিসেবে প্রচার করছে তেমনি আমাদেরও সেভাবে বিষয়টিকে দেখতে হবে। মিডিয়াসহ সকলকেই আসতে হবে এগিয়ে, যাতে নীতিনির্ধারকদের টনক একটু নড়ে। যেন অবিলম্বে বন্ধ হয় র‌্যাগিং নামের অধিকার হরনকারী এ অমানবিক আচরনটি।

পোস্টটি ৯ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

আরাফাত শান্ত's picture


অতি জঘন্য একটা ব্যাপার র‌্যাগিং!

একটু স্বপ্ন's picture


জ্বী, ঠিক তাই। চলুন একজোট হই।

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


কিভাবে বন্ধ করা যাবে এই ঘৃণ্য কাজ?
সরকারি হস্তক্ষেপ ছাড়া শুধু আমরা কি ই বা করতে পারি,
যেখানে র‍্যাগিং এ জড়িত অনেকেরই রাজনৈতিক পরিচয়ও থাকে।

এবি তে সুস্বাগত।
পড়তে থাকুন, লিখতে থাকুন। নিয়মিত আসুন, ভাল থাকুন।

একটু স্বপ্ন's picture


ছড়িয়ে দিতে হবে প্রচারণা, মিডিয়া থেকে মিডিয়াতে, যাতে নড়েচড়ে বসতে হয় নীতিনির্ধারকদের।

স্বাগত জানিয়ে কৃতজ্ঞ করলেন।
ভাল হোক।

টুটুল's picture


র‍্যাগিংয়ের নামে এইসব বিকৃত আচরণ

একটু স্বপ্ন's picture


হুম, চলে আসছে এসব বিকৃত আচরণ। বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই কেও কিছু বলেনা, সহ্য করে নীরবে, কিন্তু যা হওয়ার তা কিন্তু বসে থাকেনা, হয়ে যাইই।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

টুটুল's picture


র‍্যাগিংয়ের নামে এইসব বিকৃত আচরণ বন্ধের দাবী জানাই

(সরি কমেন্টে অসম্পূর্ণ পোস্ট হয়েছে ... দু:খিত)

একটু স্বপ্ন's picture


আমি আসলে বুঝতে পেরেছিলাম ঠিক কি বলতে চেয়েছেন, তাই রেসপন্স করেছি।
ভাল থাকুন ভাই। Smile

জ্যোতি's picture


মিডিয়া এগিয়ে আসতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে। তাহলে তো এসব কুকর্ম বন্ধ হয়ে যেতে পারে। কর্তৃপক্ষ এত উদাসীন কেন?

১০

একটু স্বপ্ন's picture


আমাদের দূর্ভাগ্য হল দায়িত্বপ্রাপ্ত মানুষগুলো নিজের কাজটুকু ঠিকঠাক মত করেননা। অথচ অন্যের সমালোচনায় আমরা বেশ মূখর থাকি।

দায়িত্বপ্রাপ্ত মানুষেরা বিষয়টির গুরুত্ব সঠিকভাবে দিলেই সমাধানের দিকে এগুতে পারব। বিক্ষিপ্তভাবে যদিও র‌্যাগিং এর বিরুদ্ধে বিলবোর্ড/প্রচারনা আছে, তবু ফলোআপ কতটা আছে তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়।

মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

১১

তানবীরা's picture


অতি জঘন্য একটা ব্যাপার র‌্যাগিং!

১২

একটু স্বপ্ন's picture


পূর্ণ সহমত। শারিরীক হেনস্তার চেয়ে মানসিক আঘাৎটি অনেক বেশী ক্ষতি করে যার প্রভাব থাকে সুদূরপ্রসারী।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১৩

লীনা দিলরুবা's picture


অতি প্রাচীন দাস প্রথার কথা মনে পড়ে গেল।
এ-সব বিষয় বন্ধ হোক।

১৪

একটু স্বপ্ন's picture


দাসপ্রথা? মন্দ বলেননি কিন্তু.. দাসদেরকে অত্যাচারের মাধ্যমে একধরনের বিকৃত আনন্দ তথাকথিত প্রভূরা পেত বৈকি.. Sad

মন্তব্যে কৃতজ্ঞতা।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

একটু স্বপ্ন's picture

নিজের সম্পর্কে

লেখালেখির গোপন এক আগ্রহ নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি দীর্ঘকাল। স্বল্পোদ্যোগী হওয়ায় সে আগ্রহ আর আলোর মুখ দেখেনি। একদিন হঠাতই মনে হলো বুড়ো হয়ে যাচ্ছি.. এ জন্মে হয়তো আর লেখাই হয়ে উঠবেনা, এরচেয়ে ঝুঁকি নেয়া যাক। দেখা যাক একটু স্বপ্ন!