কবিতা: ডায়ালগ থেকে সংলাপ
বাস্তবতার শানানো ছোঁরার আঘাতে আমরা অবাস্তব স্তব্ধ হয়েছি।
আমাদের কেটেছে বিষঁদাত, ছিঁড়েছে ভ্রান্তির নির্মম করাত।
আমরা এখন আত্মাকে ভয় পাই।
লোকে বলে: অবোধ পাগল।
আমরা এখন মিছিলে যাইনা, তবু
ঘন ঘন টি.এস.সি তে যাই।
অথচ মিছেলে গিয়েছি বলে আমরা জন্মকে চি-নে-ছি।
মিছিলে গিয়েই আমরা মৃত্যুকে চি-নে-ছি।
স্লোগানে শিখেছি; ‘মৃত্যুর নামই বেঁ-চে-থা-কা’।
অথবা জন্মের অপর নাম মৃত্যু।
আমরা মিছিলে গিয়েই সম্ভবতঃ মিছিল চিনেছি।
অখন্ড মিছিলকে খন্ড খন্ড দেখেছি।
রক্ত দেখেছি।
রক্তের নৃত্য দেখেছি।
লাশ হতে দেখেছি।
শিক্ষা পেয়েছি।
আমাদের শিক্ষা দোলে ইতিহাসের রোদ্দুরের ভেতর।
আমাদের শিক্ষা দোলে কালের বহমান স্রোতের আলোয়ার ভেতর।
আমরা এখন মিছিলে যাইনা।
পার্কে যাই।
ডেটিং করি।
চিঠি লিখি।
ভালোবাসা চাই।
ভালোবাসা চেয়ে চেয়ে পরিবর্তিত হয়েছি।
অসম্ভব মৃত হয়েছি।
অথবা দ্বিতীয় জন্ম পেয়েছি।
এভাবেই দ্বিতীয় জন্ম আমাদের মৃত্যুর দিকে টানে।
আমরন মৃত্যু।
অথচ আমাদের বেঁচে থাকা প্রয়োজন।
অথচ আমাদের মিছিলে যাওয়া প্রয়োজন।
অথচ আমাদের অশ্লীল সংলাপে আবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।
অথচ আমাদের ইতিহাসের অংশ হওয়া বড়ো বেশি প্রয়োজন।
১২/১১/১৯৯৯ ইং।





অথচ আমাদের ইতিহাসের অংশ হওয়া বড়ো বেশি প্রয়োজন।
শেষটা ভাল হয়েছে অনেক।
মন্তব্য করুন