ইউজার লগইন

কুহেলিকা'এর ব্লগ

আমি ত্রাণপ্রার্থী

ব্লগার মুরুব্বিগো কাছে আবদার, আমারে একটা রুটিন কইরা দেন। রুটিনে ৮ ঘন্টা থাকব ঘুম। ৬ ঘন্টা থাকব চরম বিতৃষ্নার কাম, সুশিল সমাজ যারে কয় "লেখাপড়া"(সাবজেক্ট হইতাছে পদার্থবিঞ্জান নামের মোটামুটি সুখাদ্য, রসায়ন কথিত রস-কষবিহীন আজরাইল, গনিত নামের কুখ্যাত মাস্তান এবং উদ্ভিদবিঞ্জান ও প্রাণিবিঞ্জান নামের খচ্চর দুই ভাই-বোন)। আর ৪ ঘনটা থাকব নেটে গুঁতাগুঁতির কাম। মুরুব্বিরা, বড়ই বিপদে পইড়া আপনাগ কাছে সাহাইয্যের আবদার লইয়া আইছি। কলম আর কাগজ লইয়া যুদ্ধ কইরা আইজকা আমি ক্লান্ত, বিধ্বস্ত, পরাজিত। কলমের কালি আর খাতার কাগজ নষ্ট কইরা জাতীয় সম্পদের ক্ষতি সাধন করাই সার হইছে, কিন্তু কুনো কাম হয় নাই। আমি জানি আপনেরা আমারে খালি হাতে ফিরাইবেন না(ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করলাম, হে…হে…হে…)। আমি আপনাগো ত্রাণের আশায় অপার হইয়া বইসা আছি…

আমি গর্বিত আমি একজন ব্লগার (বিন্দু থেকে সিন্ধু..…)

ইন্টারনেটের দুনিয়ায় ঘুরাঘুরি করছি চার বছরের কিছু বেশি সময় ধরে। আর ব্লগিঙে তো একেবারেই নতুন, এর আগে মাত্র ২টা কী ৩টা লেখা লিখেছি। ব্লগিঙের দুনিয়ায় অবশ্য ঘুরাঘুরি বছর তিনেক ধরেই, কিন্তু লেখালেখির সাহস হচ্ছিল না। অবশেষে সাহস করে কলম হাতে তুলে নিলাম। প্রথমে খাতায় লিখি, তারপর সেটা কী-বোর্ডে যায়, সেখান থেকে অনলাইনে। থাকি গ্রামে, বুঝতেই পারছেন আমার অবস্থাটা। গ্রামের মুরুব্বীরা এসব ভালো চোখে দেখেন না। তাদের ধারণা ইন্টারনেট আর মোবাইল মানেই আজরাইল। এগুলো দিয়ে যে ভালো কাজও করা যায় এটা তারা মানতেই নারাজ, তাদের মতে ইন্টারনেট আর মোবাইল মানেই পোলাপান নষ্টের যম!

প্রাণের দাবি

একে এক,
তোরা সবাই রাজাকার
খুঁজে খুঁজে দেখ।
দুই একে দুই,
কাদের মোল্লা, রাজাকার তুই।
তিন একে তিন,
রাজাকারদের
ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিন।
চার
একে চার,
রাজাকার তোরা দুনিয়া ছাড়।
পাঁচ একে পাঁচ,
তোরা সবাই রাজাকারের
লাশের উপর নাচ।
ছয় একে ছয়,
দেশবাসী কয়
রাজাকারেরা মানুষ নয়।
সাত
একে সাত,
সবাই মিলে হাতে রাখি হাত।
আট একে আট,
তোরা সবাই শাহবাগে হাঁট।
নয় একে নয়,
আর ছলনা নয়।
দশ একে দশ,
হবে এবার রাজাকারের নাশ।

হরতাল বনাম..…।

এস এস সি পরীক্ষা শুরু হয়ে গেল। আর এ উপলক্ষ্যে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীকে টিভিতে দেখলাম করুণ স্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে প্রার্থনা করছেন তারা যেন পরীক্ষার সময়ে কোন হরতাল না দেয়। এটা দেখে একটা ঘটনার কথা মনে পড়ে গেল, মেয়ে যখন গণধর্ষনের শিকার হচ্ছে তখন তার মা তাকে ধর্ষণ থেকে বাঁচানোর কোন উপায় না পেয়ে ধর্ষকদের কাছে করজোড়ে মিনতি করছেন, "বাবারা! ধর্ষণ করছ কর, কিন্তু দেখো আমার মেয়েটা যেন মরে না যায়।" কিন্তু বিধাতার (পড়ুন রাজনৈতিক দলগুলোর) কি লীলাখেলা! শিক্ষামন্ত্রীর এই আকুল আবেদনের এক সপ্তাহ না পেরোতেই একটি রাজনৈতিক দল লাগাতার হরতাল দিয়ে বসল। সত্যি বিচিত্র এই দেশ! বাংলাদেশই মনে হয় পৃথিবীর একমাত্র দেশ যে দেশে হরতালের কারনে পাবলিক পরীক্ষা নির্ধারিত দিন থেকে পিছিয়ে দেওয়া হয়। এটা শুধুমাত্র বাংলাদেশ বলেই সম্ভব। অথচ এই দেশের রাজনীতিবিদ্দরাই দেশের উন্নয়ন নিয়ে বড় বড় গালভরা ফাঁকা বুলি আওড়ান। আসলে এক শ্রেণীর ভন্ড সাধু আছে যারা কখনোই চায় না আমাদের দেশটার উন্নতি হোক। চাইবে কিভাবে? দেশের যুবসমাজ যদি শতভাগ শিক্ষিত হয়ে যায় তাহলে এসব ভন্ড সাধুদের কুকর্মে সহায়তা করবে কারা?