নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নঃ বি-কিউব ফাউন্ডেশন
হৃদয়ে বুদবুদ-মত ওঠে শুভ্র চিন্তা কত ...
বাসায় একসময় মামা-ভাগ্নেরা মিলে আড্ডা হত খুব। ছোট্ট রুমে আবহসঙ্গীত হিসেবে হাবিবের ‘সহে না যাতনা’ আর ‘একটু দাঁড়াবে কি’ আর খাটে ছড়ানো কম্বলে পা ঢুকিয়ে শীতার্ত আলাপের পাশাপাশি গানালাপ, কখনো কখনো ‘খানালাপ’ আর কখনো বিষয়বিহীন ডালপাতা গজানো নির্ভেজাল আড্ডা।
এমনি এক সন্ধ্যার আড্ডায় ছোট মামার এক তীব্র প্রশ্নের মুখোমুখি পড়ে হয়রান হলাম-
“সরকারি স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে তো ৫-১০ টাকা বেতনে পড়েছো এতদিন ধরে- সুবিধা তো কম পাওনি কিছু, বেশিই পেয়েছ বরং- তোমার সবচাইতে সেরা সুবিধাটুকু দেয়ার চেষ্টা যে হচ্ছে সে কার টাকায়? সরকারের? সরকার সে টাকা কোথা থেকে পায়? সাধারণ মানুষগুলোর ট্যাক্সের টাকায়। সাধারণ মানুষগুলোর ঘাড়ে চাপা ঋণের টাকায়। কেবল পাওয়ার হিসেব তো কর, কখনো কি চিন্তা করেছ তুমি কি দিচ্ছ ওদের?
দেশ তো তোমাকে দেয়ার চেষ্টা করছে, তুমি কী দেয়ার চেষ্টা করেছ তোমার দেশকে?”
না পাওয়ার হিসেব তো হাতের নাগালে, পাওয়ার হিসেব আবার সে পাওয়া চুকিয়ে দেওয়ার হিসেব তো করিনি কখনো, মনেই হয়নি সেকথা।
ছুটিতে বাসায় তখন, প্রতিদিনের নিয়মিত কাজের মধ্যে বিকেল হতেই মৌড়াইল বাসস্ট্যান্ড পেরিয়ে রেলগেইটে সূর্যাস্ত দেখতে ছোটা আর তা না হলে মেড্ডা কালভৈরবের কাছে শ্মশানঘাট পেরিয়ে খাদ্যগুদামের পেছনে বিশাল চাতালে কোন এক বুড়ো বটের ছায়ায় বসে বিকালের নিস্তরঙ্গ তিতাসে মুগ্ধ হওয়া।
পরের দুদিন বন্ধুদের সাথে জরুরী আলোচনা হল- দেশের জন্য ভাবার সময় তখন এসেছে আমাদের।
ছাত্র আমরা, মূলধন নেই- ফাঁকিবাজি করেই হোক আর যে করেই হোক কলেজের গন্ডি পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছি- বেশি জানি তা নয়, তবে পুরনো জানায় অনেক কাঁটছাট চলছে, চলছে নতুন জানায় যাচাই-বাছাই।
ওকেই মূলধন করে নেব ঠিক হল- স্কুল/কলেজের ছেলে মেয়েদের আমাদের জানাটুকুই ছড়িয়ে দেব, এটাই ঠিক হ’ল। ভুল করে ঠেকে ঠেকে যা জেনেছি আমরা, তা-ই জানিয়ে আর একজনের ‘ঠেকে শেখা’ ঠেকানো যায় সেই বা কম কি!
কাগজে কলমে ‘অর্ঘ্য’ হল- কেমন করে কী হবে ঠিকঠাক হ’ল- কী নিয়ে কথা হবে, কারা কথা বলবেন সে কথাও হল। নিয়মিত বসে কথাবার্তায় আড্ডায় একসাথে মিলে সমস্যা সমাধান, আরেকজনকে সাহায্য করার চেষ্টা নিয়েও আলাপ হল। স্কুল কলেজে গিয়ে ছোট ছোট গ্রুপ গড়ে নেয়ার ব্যাপার আছে, সমমনাদের উৎসাহিত করার ব্যাপার আছে- ‘ঘরকুনো ব্যাং’ হয়েও একটা দুটো মিটিং করে কিছু মানুষকে ‘অর্ঘ্য’র কথা জানানোও হল।
ব্যাস, ‘অর্ঘ্য’ এগোয়নি আর। সবাই সবকিছু পারে না। সবাইকে দিয়ে সবকিছু হয় না।
কী কারা কীভাবে কোথায় কাকে- ‘অর্ঘ্য’ নিয়ে গুছিয়ে লিখছি যখন, নানাকে নিয়ে দেখিয়েছিলাম। চশমার আড়াল থেকে তাকিয়ে একটু হেসে খাতাটা টেনে নিয়েছিলেন তিনি- লিখেছিলেন-
“হৃদয়ে বুদবুদ মত ওঠে শুভ্র চিন্তা কত,
মিশে যায় হৃদয়ের তলে, পাছে লোকে কিছু বলে।“
সেই থেকে জানি, সুন্দর ইচ্ছারা আসে, তবে ওদের সত্যি করা সহজ নয় অত।
বি-কিউব অথবা "বিল্ড বেটার বাংলাদেশ"
জীবনটাকে শেকলে বাঁধা না পর্যন্ত বাঙ্গালী মধ্যবিত্তের তৃপ্তি হয় না। সে শেকল আরো জমাট করে বেঁধে নেয়ার উপায় শিখে নেয়ার জন্য রয়েছে দেশি-বিদেশি ‘প্রশিক্ষণ’।
‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে’ এমন এক ‘কর্মশালা’ শেষে বসে বেরোই বেরোই করছি, খুব কাছের এক বন্ধুর সাড়া পেয়ে আনন্দ হল খুব। মানুষজন নেই এমন একটা বারান্দা খুঁজে দুজনেই বসে পড়া গেল, অতীত পেরিয়ে বন্ধুর ‘বর্তমানে’ও আলো পড়ল একটু।
‘মার্কেটিং রিসার্চ’ নিয়ে এমফিল করতে থাকা বন্ধুটির কথায় কথায় উঠে এলো দেশের জন্য কিছু না করতে পারার আক্ষেপ আর করতে চাওয়ায় চেষ্টার কথা। সে বিকালে ঢাকার আজিমপুরে ‘স্যার সলিমুল্লাহ এতিমখানা’য় কম্পিউটারের প্রাথমিক পাঠ পেয়ে ভাগ্যবান ক’জন ‘ভাগ্যাহত’র কথা জানলাম, ওদের জন্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করা, বিশেষ ক্লাশ নেয়া, বিজয় দিবস উদযাপন করার খবরে আন্দোলিত হলাম। সে বিকালটা আমাকে জানালো যে ওদের চেষ্টা ওখানেই শেষ হবার নয়- ওদের ইচ্ছা অনেক বড়- ওরা এই অল্প কজনের জীবন বদল করাতেই থামতে চায় না- ওরা বলতে চায়- “বিল্ড বেটার বাংলাদেশ”।
প্রথম আলোয় ছুটির দিনের পাতায় ঊঠে আসার তখনো অনেক দেরী, উদ্যোক্তা হিসেবে সবার মধ্যে একজনের খবর প্রকাশেরও অনেক দেরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ওদের আয়োজনে প্যানেল ডিসকাশন শেষে জাতীয় সংসদে তার সারাংশ নিয়ে আলোচনার অনেক দেরী, ‘রেডিও আহা!’-য় নিজেদের কথাবার্তা নিয়ে আলোচনায় হাজির হবারও অনেক দেরী- সে বিকালটা আমায় জানালো এমন কিছু মানুষ আছে যাঁরা নিজেদের ভাল-মন্দ শুধু নয়, পাশাপাশি দেশের ভালমন্দ নিয়েও ভাবার ইচ্ছা রাখে। শুধু ইচ্ছাই রাখে না, তা করায় একটু একটু করে এগুতেও থাকে।
সে বিকালে আরো একবার খাতা কলম নিয়ে বসেছিলাম, সেটায় কত আঁকিবুকি, কত গ্রাফ- ফ্লো চার্ট। কত পরিকল্পনা, কেবল একটু সুতোয় গাঁথা বাকি, কিছু মানুষকে কাছে টানা বাকি, কেবল করাটা শুরু করা বাকি। সে বিকালটা ‘ওদের’ হয়ে এসেছিল, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের সীমানা ছাড়িয়ে দিন শেষে সূর্য বিশ্রামে যাওয়ার আগে খাতা-কলম হাতে আমাকে ‘আমরা’ করে দিয়ে গেছে, আমার অজান্তেই।
এরপর অনেকগুলো দিন গেছে, আমি হয়ত পিছিয়ে পড়েছি আবার, ওরা থামেনি। ওরা থামতে জানে না হয়ত।
কমিউনিটি ব্র্যান্ডিং
"বি-কিউব"-এর ফেসবুক পেজ এ নিজেদের সম্পর্কে বলা আছে-
We are a youth led organization - “Build Better Bangladesh” commonly known as “B-Cube”. We work to empower underprivileged youth of our country. Currently we are working on Three projects:
• “BANGLADESHISM”– Building National Capital/Patriotism, Branding Bangladesh and Strengthening and Speeding up Economic Progress.
• “The WILL” – Our foundation project aiming to empower and employ youth orphan on Information Communication Technology (ICT).
• “I’m Bangladesh”– a online radio program, aspires to Inform, Inspire and Involve youth to social responsibilities.
“BANGLADESHISM”– এর বিভিন্ন কার্যক্রমের একটি 'কমিউনিটি ব্র্যান্ডিং"।
জি আই এক্ট (জিওগ্রাফিকাল ইন্ডিকেশন এক্ট) নিয়ে বিল্ড বেটার বাংলাদেশ আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ২০১২ সালের ১০ই অক্টোবর। উপস্থিত থেকে এর অংশ হন বানিজ্যমন্ত্রী জনাব দিলিপ বড়ুয়া। এখানে তিনি বাংলাদেশে অবিলম্বে এই আইন সংসদে উত্থাপন করার প্রতিশ্রুতি দেন। মন্ত্রীসভায় এ নিয়ে আলোচনা হয় এবং সিদ্ধান্ত হয় যে এখন থেকে প্রতি বছর ২৬শে এপ্রিল পালন করা হবে ‘মেধাসত্ত্ব অধিকার দিবস’ হিসেবে।
মেধাসত্ত্ব অধিকার তো নিশ্চিত করা হবে- তার জন্য প্রাণ-প্রকৃতি-প্রক্রিয়ার একটা তালিকা যদি তৈরী থাকে যার উপর আমাদের অধিকার কেবল, কেবল বাংলাদেশের অধিকার, যা কেবল বাংলাদেশেই হয়- এমন হলে সরকারের কাজটা সহজতর হয়।
৩০শে নভেম্বর ২০১২-তে ঘোষণা করা হল “বি-কিউব”-এর নতুন কার্যক্রম- “কমিউনিটি ব্র্যান্ডিং কমপিটিশন- “আই এম বাংলাদেশ”। দেশের সাতটি বিভাগীয় শহরের ত্রিশটিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে এই প্রতিযোগিতা দিয়ে বিল্ড বেটার বাংলাদেশ দেশের তারুণ্যদীপ্ত নতুন মানুষদের কাছাকাছি আসার পরিকল্পনা করেছে, ওদের সাথে নিয়ে মেধাসত্ত্ব অধিকার রক্ষার যুদ্ধে একধাপ এগিয়ে থাকা ওদের মূল লক্ষ্য।
এবং প্রথম আলো...
গত ৫ই জানুয়ারি ছুটির দিনে, প্রথম আলোর রিপোর্টিং ওদের উদ্যোগটুকুকে নিয়ে এসেছে পাদপ্রদীপের আলোয়। উৎসাহী কিছু পাঠক তাঁদের ব্যাপারে আগ্রহী হয়েছেন, একই পথে সঙ্গ দেবার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। কিন্তু রিপোর্টে একটা ভুল তথ্য এসেছে- "বিল্ড বেটার বাংলাদেশ'-এর স্লোগান হিসাবে দেখানো হয়েছে "আমরাই বাংলাদেশ"।
নির্দোষ এক ভুল বলেই মেনে নেয়া যেত হয়ত- কিন্তু ২রা জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া আমিই বাংলাদেশ শিরোনামের এই ফিচার একে কেবল 'ভুল' হিসেবে মেনে নিতে চাইলে কাঁটার খোঁচা দিয়ে যাচ্ছে অবিরত।
আমরা করবো জয় একদিন...
“বি-কিউব” এর সাথে জড়িত যারা তাঁদের বেশির ভাগই এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। কী অদ্ভুত রকম ভালোই না লাগে, যখন দেখি আশেপাশে বহু বহু আক্ষেপ নিয়ে মাথা ঘামানোকে বাদ দিয়ে দিব্যি নিজেদের কাজটা করে যাচ্ছে। অনেকে পছন্দ করছে ওদের, অনেকে করছে না হয়ত- সে নিয়ে ওদের চিন্তা নেই, ওরা দিব্যি চেষ্টা করে যাচ্ছে কেমন করে “আই এম বাংলাদেশ”-এর মূলমন্ত্র সবার কাছে পৌঁছে দেয়া যায়।
সবাই ব্যস্ত আমরা, কিছু করার সময় নেই। একটুখানি পড়ার সময় নেই, বলার সময় নেই, ভাবার সময় নেই, নিজের পছন্দটুকু নিয়ে কিছু করার সময় নেই। ওদের কাছে বোধ হয় শেখার আছে আমাদের।
ওদের ক্লাশ আছে। এসাইনমেন্ট আছে। প্রে্জেন্টেশন আছে। আড্ডা আছে। বাড়িতে আনন্দময় সময় কাটানো আছে। এর মধ্যেও ওরা সময় করে নিচ্ছে। আমাদের জন্য, আমাদের দেশের জন্য।
আমরা চাইলে সচেতন হতে পারি, আমরা চাইলে নতুন কিছু করতে পারি, আমরা চাইলে ওদের চেষ্টাটুকু সফল করার জন্য এগিয়ে আসতে পারি। একটুখানি ইচ্ছা, একটুখানি তথ্য। জানা থাকলে ওদের কাছে পৌঁছে দেয়া, না জানা থাকলে জানার চেষ্টা করে ওদের কাজটা সহজ করে তোলার চেষ্টা করা। নিজে অংশ নেয়া, সম্ভব না হলে অন্যদের অংশ নিতে বলা, তাও না হলে সবার কাছে ওদের এই প্রতিযোগিতার খবরটুকু পৌঁছে যায় সে ব্যবস্থা করা।
চুপচাপ থাকি যদি, কিছু নাও করি, হয়ত ওরা তারপরও সফল হবে। কিন্তু একটুখানি চেষ্টা করে ওদের আনন্দের ভাগ যে আমিও নিচ্ছি, ওদের ভাল একটা কাজের অংশ যে আমিও হচ্ছি।
আমি পারিনি। ওরা পারছে। এ আনন্দের অংশ না হয়ে উপায় কোথায়!
কামিনী রায় লিখেছিলেন-
“করিতে পারি না কাজ, সদা ভয়, সদা লাজ,
সংশয়ে সংকল্প সদা টলে,
পাছে লোকে কিছু বলে।
আড়ালে আড়ালে থাকি, নীরবে আপনা ঢাকি
সম্মুখ চরণ নাহি চলে,
পাছে লোকে কিছু বলে।
হৃদয়ে বুদবুদ-মত উঠে শুভ্র চিন্তা কত
মিশে যায় হৃদয়ের তলে,
পাছে লোকে কিছু বলে।
কাঁদে প্রাণ যবে, আঁখি সযতনে শুষ্ক রাখি
নির্মল নয়নের জলে,
পাছে লোকে কিছু বলে।
মহৎ উদ্দেশ্যে যবে একসাথে মিলে সবে,
পারিনা মিলিতে সেই দলে,
বিধাতা দিয়েছেন প্রাণ, থাকি সদা ম্রিয়মান,
শক্তি মরে ভীতির কবলে,
পাছে লোকে কিছু বলে।“
পাছে লোকে কিছু বলে’র দায় এবার নেই আমার। “বি-কিউব” যে সুযোগটুকু করে দিয়েছে এ সুযোগ আমি নিতে চাই। সবাই মিলে দেশের কাজে লাগার ছোট্ট এ সুযোগটুকু এসেই যখন গেছে, নিজের সামর্থটুকু দিয়ে একে এগিয়ে নেয়া থেকে পিছিয়ে আসি কি করে?
ইচ্ছে হলেও ‘অর্ঘ্য’ নিবেদন করা হয়নি, এ-ই না হয় আমাদের ‘অর্ঘ্য’ হয়ে থাকুক।
নোট ১-
আগামী পয়লা ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টায় ঢাকা’র ধানমন্ডি রবীন্দ্র সরোবরে “আই এম বাংলাদেশ”-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। উৎসাহী সবার জন্য এ আয়োজন উন্মুক্ত। আগ্রহীদের সাদর আমন্ত্রন। “বিল্ড বেটার বাংলাদেশ” আপনাদের অপেক্ষায় থাকবে।
নোট ২-
অনেকেরই হয়ত অনেক ধরণের পরামর্শ থাকবে, অনুরোধ থাকবে। ফেসবুকে “বি-কিউব”-এর ওয়াল-এ হোক, মেইল করে হোক, বা মন্তব্য-প্রতিমন্তব্যে, পাঠকদের এই অংশগ্রহণ নিঃসন্দেহে ওদের অনুপ্রেরনা দেবে।
আপনার পরামর্শ হয়ত স্বপ্নবান এ তরুণ দলের চেষ্টায় নতুন মাত্রা যোগাবে।





"উদদোগী যে জন করম পরায়ন" হতে বড় ইছছে করে যাতে এ ঢরনের করমযগগে "পরবেশিতে" পারি।
এ উদ্যোগ আপনাদেরি জন্য, যোগ দিন সম্ভব হলে
চমৎকার লেখা।
যাবো, ইন-শা-আল্লাহ।
বি কিউবের জন্য ভালোবাসা
ওরা নিশ্চয়ই খুশি হবে
শুভকামনা রাশি রাশি
লেখাও হইছে ভালো বেশি!
লেখা ভাল খারাপ তো বড় কথা না, ওদের উদ্যোগটার সাফল্যই মূল।
আপনাকে ধন্যবাদ আর বি-কিউওবের জন্য শুভকামনা।
অনেক অনেক শুভকামনা এমন দারুণ উদ্যোগের জন্য।
আমার উদ্যোগ তো না।
তবে বি-কিউবের সদস্যরা এই লেখা পড়ছে। আশা করি ওরা ওদের প্রাপ্য বুঝে নেবে।
শুভকামনা রাশি রাশি
ধন্যবাদ
মন্তব্য করুন