ইউজার লগইন

রাসেল ও'নীল'এর ব্লগ

কাদের মোল্লার অশুভ ইঙ্গিত...

... মেজাজ তো বিগড়ে ছিলই, সকালে পত্রিকা হাতে নিয়ে সেটা আরও বিগড়ে গেলো। অজান্তেই বুকের ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো একটা গালি- বেজন্মা! আর গালিটা দিয়েই
চমকে উঠলাম। না, গালি বেরিয়ে আসায় চমকে উঠিনি মোটেও। কারণ, আমি তথাকথিত সুশীল মানুষ নই। বরং তার বিপরীত। বন্ধু-বান্ধবদের সাথে গালিবহুল বাতচিত চালাতেই
আমি অভ্যস্ত এবং সাবলীল। কিন্তু সেইসব গালি আর এই গালির মধ্যে ফারাক বিস্তর। সেসব গালিতে থাকে এক ধরনের টান-মমতা-স্নেহ-অধিকার। আর এই গালিতে টের পেলাম ঘৃণা।
সে ঘৃণা এমনই প্রচন্ড, এতোই তীব্র ও অচেনা যে তার সাথে এর আগে আর কখনো দেখা হয়নি আমার। চমকে ওঠা সে কারণেই।

বন্ধুগণ, দুঃখিত, ‘বেজন্মা’ শব্দটি লেখার জন্য। আগেই বলেছি- আমি ঠিক সুশীল মানুষ নই, তবে তা কেবল বন্ধুদের একান্ত আড্ডায়। গালি ছাড়া বাঙালির আড্ডা জমেছে কবে!
কিন্তু লেখার বেলায় আমি একেবারেই সুফি টাইপের। লেখায় আমি গালি-গালাজ এবং অশ্লীল শব্দ ব্যবহারের ঘোর বিরোধী। নিজে তো লিখি না-ই, পড়তেও ভিষণ অপছন্দ করি।
কিন্তু এখানে বাধ্য হয়েই লিখতে হলো। তা নাহলে তখনকার মানসিক অবস্থা সম্পর্কে সঠিক ধারণা দেয়া হয় না।

লেখার কার্য-কারণ বিষয়ক ব্যক্তিগত কৈফিয়তনামা....

কেউ কেউ থাকে এমন যাদের কিছুতেই কিছু হয় না। তারা ঠিকমতো না শেখে লেখাপড়া, না শেখে কোনো কাজকর্ম। তারা না লাগে হালে, না লাগে জালে। না হয় ঘরকা, না ঘাটকা। তারা বাপে খেদানো, মায়ে তাড়ানো। সমাজে তাদের আলাদা একটা পরিচয় আছে।

শাস্ত্র বলে- ‘অপচয়কারীরা শয়তানের ভাই’। বিজ্ঞজনেরা তাই অপচয় হবে বোধে বেশি শব্দ ব্যবহার করেননি, একটি মাত্র শব্দ বরাদ্ধ করেছেন তাদের জন্য- অপদার্থ। জ্ঞানীদের তো আর সাধে জ্ঞানী বলে না, একটি মাত্র শব্দ, কিন্তু তাতেই কেমন স্পষ্ট ফুটে উঠেছে পরিচয়, চারিত্র- ‘হেড টু টেইল’!