ইউজার লগইন

শুভঙ্কর'এর ব্লগ

৩ জুলাই হরতালের লিফলেট: জাতীয় সম্পদে জনগণের মালিকানা ও কর্তৃত্ব চাই, দেশের জন্য সর্বনাশা চুক্তি ঠেকাতে ঐক্যবদ্ধ হোন............


সময়ের দাবীতে এ লেখাটি হুবহু কপি করে দিতে বাধ্য হলাম। এভাবে কপিপেষ্ট নীতিমালা বিরুধী হলেও প্রথম পাতায় তুলে দেয়া জরুরী বলে মনে করছি।

দেশের জন্য সর্বনাশা চুক্তি ঠেকাতে ঐক্যবদ্ধ হোন। নীরবতা দেশের ধ্বংস ডেকে আনবে।

দেশ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে ৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ১২ টা ঢাকা মহানগরীতে


হরতাল পালন করুন।

একই দিন জেলা শহরগুলোতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ। দেশের সর্বত্র, থানা ও ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার নারী-পুরুষ-শিশু-বৃদ্ধ ৩ জুলাই সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করবেন। এবং দেশবিরোধী চুক্তি বাতিল, জাতীয় সম্পদ রক্ষা, ও জনগণের স্বার্থে তার সর্বোত্তম ব্যবহারের দাবিতে নিজ নিজ উদ্যোগে প্ল্যাকার্ড-ফেস্টুন-ব্যানার হাতে প্রধান সড়কে দাঁড়াবেন।

ভয়ে ভয়ে বেঁচে বর্তে আছি।

যুদ্ধের সময় আমার বয়স ছিল ১৪। তখনো হাফপ্যান্ট পরে বনে বাদারে ঘোরাফেরা চলে দেদারসে। এর গাছের আমটা, ওর গাছের কলাটা চুরিতেই কেটে যায় খেলার সময়। এট্টু নুলোছাপা গড়নের ছিলাম বোলে গায়ে গতরের খেলাতে কেউ আমায় দলে নিতে চাইতোনা। কৈশোরের সম্পূর্ণ দুরন্তপনা সপে দিয়েছিলাম একলা একলা নিষেধের বেড়া ভেঙে অনিয়মের খেড়োখাতায়। যুদ্ধের ডামাডোলটা তেমন একটা ছড়ায়নি তখনো আমাদের গায়ে। কেমন একটা গুমোট বাতাস বয়ে যায় শুধু। আমি প

হরতাল মানুষের অধিকার

বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে দোকানপাট-যানবাহন বন্ধ করে এক অভিনব অসহযোগের কর্মসূচী নিয়েছিলেন মহাত্মা গান্ধী। গুজরাটি ভাষার প্রচলিত শব্দ হরতাল নামে অভিহিত এই ধর্মঘট কর্মসূচী প্রতিবাদের ধরণ হিসাবে সেসময় থেকেই উপমহাদেশীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি জনপ্রিয় পদক্ষেপ। বায়ান্নের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে প্রথম হরতাল কর্মসূচী পালনের নজীর পাওয়া যায়। স্বাধীকারের এই আন্দোলন যাত্রা থেকে স্বাধীন

ওরা তো মানুষ নয়

তখন আমি অনেক ছোট। মা বলতো তখন কেবল হাত মুঠো করতে শিখেছি; আর তাই আশপাশে যা দেখি পাঞ্জা ছড়িয়ে এগিয়ে যাই তার দিকে হামাগুড়িতে। পাশ দিয়ে হয়তো ছুটে যাচ্ছে একটা আরশোলা। আমি থাবা দিয়ে তুলে নিয়ে গপ করে গিলে ফেলেছি। আমার গ্রাম্য বধু মা দৌড়ে এসে আমাকে তুলে ধরে দেখেন গলার ভেতর থেকে আরশোলার বেরিয়ে থাকা পা দুটো তখনো নড়ছে। এই না দেখে তিনি গলা খুলে কাঁদতে বসতেন। দাদু তখন আঙিনায় রোদ পোহাতে পোহাতে খবরে

আমাকে নাও তোমাদের সাথে।

সেই যে কবে তোমাদের দলে ভীড়েছিলাম, আজ আবার এলাম। আমাদের এখানে অনেক গরম পড়েছে। অনেক গরম। খুব কষ্ট হয় রাতে বিদ্যুৎ চলে গেলে। ঘামে জবজব হয়ে বসে থাকি জানালার পাশে। বাইরে তখন অন্ধকারে পাড়ার ছেলেরা বাবা মাকে লুকিয়ে সিগারেট ফুকতে বের হয়। আমার এই বিড়ি সিগারেটের অভ্যেসটা হয়নি বলে বাইরে গিয়ে দাঁড়াতেও একটু অসোয়াস্তি হয়। ছোট ছেলেপেলের দল উটকো ঝামেলা মনে করে বসবে। আজকালকার ছেলেপিলেদের আমি বড্ডো ভয

এলাম

এলাম। তবে এসেই জয় করতে পারব বলে ভাবছি না। কিন্তু তোমাদের মন জয় করতে চাই লেখালেখিতে। দেখা হবে বন্ধু।