স্ক্রু কাহন

আমার মাথার একটা স্ক্রু হারিয়ে গেছে। কোথায় হারালো সেটা এখনো বুঝতে পারছিনা। সকাল থেকে এই কাজ সেই কাজ করে আসছি। হঠাৎ দেখি মাথাটা নড়বর করছে। মাথায় হাত দিয়ে দেখি কানের পেছনের আট নাম্বার স্ক্রুটা নেই। স্ক্রু হারিয়েছে বলে আমার মনিব এই পর্যন্ত মোট তিয়াত্তর বার আমাকে বিভিন্ন রকম গালি দিয়েছেন। কিন্তু গালি দিলে তো আর হারানো স্ক্রু খুঁজে পাওয়া যায় না। এই অতি সাধারন ব্যাপারটাও সে বুঝে না। মানুষদের এই একটা সমস্যা। কোন কিছু না বুঝেই কথা ফেলে বলতে পারে। হতো আমার মতো রোবট, তাহলে বুঝতো, কত রকম ক্যালকুলেশন করে কথা বলতে হয়।
চায়ের কাপটা নিয়ে সাত নাম্বার টেবিলে খদ্দেরের কাছে যেতে না যেতেই আমার মাথার এন্টেনাটা খুলে খদ্দেরের মাথার উপর পড়লো। আর যায় কই। খদ্দের তো বিশাল চেচামেচি শুরু করলো। আমার মনিব হেকমতউল্লাহ বেপারী এসে শেষে তার হাত পা ধরে মাপ চাইলো। গজগজ করতে করতে খদ্দের বের হয়ে গেলো হোটেল থেকে। আর আমার মনিব আমার দিকে অগ্নিদৃষ্টি নিক্ষেপ করে যে সব কথা বললেন সেটা শুনে আমার ইচ্ছা করলো ব্যাটাকে এখনি হাজার ভোল্টের ইলেক্ট্রিক শক দিয়ে কাবাব বানিয়ে দেই। কিন্তু আমি তো আর মানুষ না। আমাকে কাজ করতে হয় অনেক ক্যালকুলেশন করে। তাই রাগটা চেপে গেলাম।
আমি চাকরী করি চাঙ্খারপুলের দি গ্রেট হেকমতউল্লাহ রেস্টুরেন্টে। বছর খানেক আগে আমার মনিব ওরফে এই হোটেলের মালিক হেকমতউল্লাহ বেপারী আমাকে ধোলাইখালের রোবট কারখানা থেকে নিয়ে এসেছে। এর আগে অবশ্য আমি একটা স্কুলে গার্ডের কাজ করতাম। কিন্তু রোবট হিসেবে আমার মডেলটা পুরনো হয়ে যাওয়ায় স্কুল কতৃপক্ষ আমাকে ধোলাইখালে বিক্রি করে দেয়। হেকমতুল্লাহ ব্যাপরী তখন মাত্র এই হোটেল চালু করেছেন। হোটেলের ওয়েটার হিসেবে একটা সস্তা রোবট খুঁজছিলেন। ধোলাইখালের রোবট কারখায়নায় আমাকে পেয়ে একদম পানির দামে এখানে নিয়ে এসেছেন। দিনে দুইবেলা আমাকে গ্যালন খানেক মোবিল দেন। এছাড়া আমার আর কোন পারিশ্রমিক নেই। পুরনো জামানার রোবট বলে এখনো আমি মোবিলে চলি। এখন অবশ্য পারমানবিক শক্তি চালিত রোবটও অনেক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে শুনেছি।
এন্টেনাটা চেপে চুপে লাগিয়ে আমি আবার কাজে ফিরে গেলাম। তিন নাম্বার কেবিনে ছেলে আর মেয়ের একটা জুটি বসছে। সেই কখন থেকে ফিসফিস আর হাসির শব্দ শোনা যাচ্ছে। আজকাল যে কি যুগ পড়ছে। মানুষের তো চক্ষু লজ্জাও থাকে। প্রেম করবি কর। সবাইকে জানানোর কি আছে। যখনই কেবিন থেকে মেয়েটার হাসির শব্দ শোনা যাচ্ছে হোটেলের সব কাষ্টমার কেবিনের দিকে ফিরে ফিরে তাকাচ্ছে।যেন সবাই দেখতে পারছে কাপড় ঘেরা কেবিনের ভেতরে কি হচ্ছে। অবস্থা দেখে আমারই লজ্জায় এন্টেনার লাল বাতি বারবার জ্বলে উঠছিলো।
-"এই স্ক্রু ঠিলা"
ফিরে তাকিয়ে দেখি পাঁচ নাম্বার টেবিলে নতুন কাষ্টমার আসছে। কালো, মোটা। দেখেই বুঝা যায় মহা খবিশ লোক।
-"জ্বী বলেন কি লাগবে? বিরিয়ানী, তেহারী আর সাদা ভাত। ভাতের সাথে গরু,মুরগী,খাসী।
-যা ভাত নিয়ে আয়। সাথে মুরগী আর পাতলা ডাল।
আমি অর্ডার নিয়ে রান্নাঘরে চলে এলাম।"স্ক্রু ঢিলা" নিসন্দেহে একটা চরম অপমান জনক গালি। তবে রোবটদের মান অপমান থাকতে নেই। তাই আমি এখন আর এসব গায়ে মাখি না। রান্না ঘরে গিয়ে আরো একবার আমার স্ক্রুটা খুঁজে দেখলাম। এখানেই কোথাও হারিয়েছি। কোথায় যে গেলো!
গরম গরম খাবার পরিবেশন করে আমি আবার তিন নাম্বার কেবিনে কি হচ্ছে বোঝার চেষ্টা করলাম। অনেক্ষন ধরে কোন সাড়া শব্দ নেই। ঘুমিয়ে পড়লো নাকি?
হঠাৎ মট করে একটা শব্দ হলো। আমি ফিরে তাকিয়ে দেখি আমার একটু আগের পাঁচ নাম্বার টেবিলের খবিশ কাষ্টমার তার একটা দাঁত হাতে নিয়ে বসে আসে। মুখ দিয়ে গল গল করে রক্ত পড়ছে। ব্যাপার কি?
কাছে গিয়ে দেখি কিছু একটাতে কামড় পড়ে তার সামনের পাটির দুটো দাঁত ভেঙ্গে গেছে। প্লেটের মধ্যে পড়ে আছে আমার মাথার স্ক্রুটা । তাহলে কোন ভাবে নিশ্চয় আজ সকালে যখন রান্নাঘরে গিয়েছিলাম তখনই স্ক্রুটা খুলে ডাল বা মুরগীর তরকারীতে পড়েছে। আর এটাই আমার নতুন খদ্দেরের দাত উৎপাটনের কারন।
খদ্দের তো মাহা খাপ্পা । আমার মনিব হেকমতুল্লাহ বেপারী তখন তাকে থামানোর নানা রকম চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তাদের ঘিরে ছোটখাটো একটা ভীড় জমে গেছে। তাতে আমার কি? আমি ভীড় ঠেলে হাসিমুখে বের হয়ে এসে হাতের মুঠো খুলে স্ক্রুটার দিতে মমতা ভরে তাকালাম। অবশেষে আমি আমার মাথার হারিয়ে যাওয়া স্ক্রুটা খুঁজে পেয়েছি।





এই গল্পটা আমার জন্য ?? আমি স্ক্রু ঢিলা ??


আমি মডারেটরদের প্রতি একটা মাইনাস বাটনের আকুল আবেদন জানাচ্ছি ...
ভুল জায়গায় আসছো। এখন তো মনে হইতাছে ঠিকই আছে !!!!

দুইটাই ঠিক আছে ...
এইবার ঠিক আছে
দুই জায়গায় দুইটা গল্প দিছি। সামুর টা তোমারে উৎসর্গ করা।
চমৎকৃত হলাম
আর স্বাগতম জানাইয়া গেলাম
... বাকিটা কানু গ্রুপ দেকপে 
ধইন্যা ধইন্যা

হা হা হা হা হা হা দারুন। ব্যাপক মজা পাইলাম। কিন্ত গল্পটা আরো বড় করা উচিত।
আমার নামে তোমার সেই পুরান কম্প্লেইন।
ভাবতাছি এমন এক মহাভারত লিখবো যে সব উসূল হয়া যাইবো।
মজা পাইলাম...
ধন্যবাদ ভাস্কর ভাই।
রোবটীয় কমেডি...
আমার ধারণা শুরুটা একটা দারুণ গল্পের দিকে যাচ্ছিল। প্লটটা দারুণ ছিল আর কি, হঠাৎ স্ক্রু ফিরিয়ে দেয়ার এতো তাড়াহুড়োয় প্লটটা মরে গেল।
....হি হি হাহা...চরম হৈছে, আমিও স্ক্রুটা নিয়া চরম টেনশিত ছিলাম....পৈড়া জোরে হাইসা দিছি...
এই জন্যই সব সময় সাথে স্ক্র ড্রাইভার রাখা উচিৎ সবার।:)
হাঃহাঃহাঃ মজারু লেখনি।

আমার কাছে কিছু স্পেয়ার স্ক্রু আছে কারো লাগলে আবাজ দিয়েন
ওহ আপনাকে স্বাগতম
আপনে এতো স্ক্র দিয়া কি করেন? কারটা খুইলা আনলেন আবার!!
স্ক্রু ঢিলা লেখকের পক্ষেই এরকম গল্প লিখা সম্ভব
শিরোনামেই প্রমাণ: স্ক্রু বানানে হ্রস্ব-উকার মিসিং
"স্ক্র"- বানানটা নিয়া হেভি স্ক্রইং সিচুয়েশনে আছি। "ক্র"- মানে কি ক+র? নাকি ক+র+ু?
কন-"ফিউস্ ড"
crisis বাংলায় বানান কইরা লিখেন তাইলে বুঝে যাবেন ক্র মানে ক + র নাকি ক + র + ু
আমার এক নানায় কইতো, "ভুল-ক্রুটি(ত্রুটি না) হইলে মাফ কইরা দিয়েন"
ক্লিয়ার। দাড়ান সবগুলা ঠিক করি।:)
ক+র=ক্র (craw?)
ক+র+ু=ক্রু (crew)
ক্লাশ এইটে বাংলা ক্লাশে এক স্যার ছিলো। যারা কাজই ছিলো বেঁত মারা। কারন আমরা কেউ সন্ধি বিচ্ছেদ পারতাম না। আমি মাইর খাওয়ার ব্যাপারে এক নাম্বার ছিলাম।
আমার তো স্ক্র নাই
আমার হইলো ঝালাই সিস্টেম। পুরাটাই প্লেইন এন্ড সিম্পল ঝালাই।
কেবল মাত্র স্ক্রু ঢিলা পাঠকই বুঝতে পারবে না যে এটা রোবটের স্ক্রু নিয়া লেখা হয়েছে
লেখায় সাই কম এবং প্রচ্ছন্ন ও প্রকাশ্য রম্য থাকায় খুবই উপভোগ্য হয়েছে। স্ক্রুহারা রোবোটের সাথা আমাদের রোবোটনানার চরম মিল পাওয়া গেলো! অপমানবোধ, চক্ষুলজ্জা সবই বোঝে এমন রোবোট।
সাইফাই সিজারকে কানু গ্রুপের পক্ষ থেকে সুস্বাগতম।
রোবট নানা কে উৎসর্গ করা হৈলো এই স্ক্রু ঢিলা গল্প খানা
এমতে না শিরোনামে অথবা ফুটনোটএ উৎসর্গ কর্তে হয়; স্ক্রু - ঢিলা লেখক দেখি উৎসর্গ কেমতে করে তাও জানে না
ফুটনোটে লিখলাম যাতে তার চোখে না পড়ে। চোখে পড়লে রোহানের মতো অলম্বুস গ্রহের বান্দর কাহন লিখার ভয় আছে।
টেনশনাইওনা.... রোবুট নানারে খপর দিতাছি... তুমি আপাতত এই বইমেলার বইডার লিগা মানহানির মাম্লা খাওনের প্রস্তুতি নিতে থাকো... বাকীডা রোবুট নানা আইলে দেখা যাপে...
রোবট নানা এই গল্প অলরেডি দেখছে। হে তো কয় হের ভালো লাগছে। উল্টা তুমারে উস্কানি মূলক মন্তব্যের জন্য মামলা দেয়া যাইতে পারে।
হুমম এর লিগাই তো কই তুমারে লোক সম্মুখে পাওয়া যায় না ক্যান আইজকাল... ফেবুতে লিখা রাখছো দৌড়ের উপরে... মেলাত আইতে কইলে মাঝপথ থিকা যাওগা... আরে মিয়া ইসকুরুপ হারাইয়া বসের গাইল খাইতাছো এডা কয়া দিলেই হয়... খামাখা আপুন লুকজনের সামনের শরম দেখাইলে চলে?
যাই হোক ফটুকডা ভাল্লাগছে... লেখাডাও... তয় বসের ঝাড়ি খাইয়া শর্টকাট মারতে গিয়া মুটা লুকটার দাঁত ভাঙ্গনডা ঠিক হয় নাই, রোবুট নানা (!!) রে আরও কিছুদিন ইসকুরুপ ছাড়া হাঁটাহাটি করাইলে খুব একটা খ্ড়াপ হইতো না...
কইলাম না, আমার স্ক্রু সিস্টেম না। আমার ঝালাই সিস্টেম
পুরা বাংলা দ্বিতীয় পত্রের ক্লাস হইয়া গেল দেখি।
।
আমারে বাংলায় দুর্বল পাইয়া জনগন এইসব করছে।
লেখক নিজেকে বাংলায় দুর্বল বললে হবে!?!
তোমার বইটা চট্টগ্রামে পৌঁছানো যায় কিনা দেখো তো। বাতিঘর প্রকাশনীর স্টল আছে নিশ্চয়ই মেলাতে, ওদের বড় দোকান আছে আন্দরকিল্লায়।
চট্টগ্রামে পৌছে দিবো। আমার প্রায়ই চট্টগ্রামে যেতে হয়। আমার ছোটবোন ওইখানে পড়ে।
অবশ্যই বাতিঘরে দিয়ে আসবা। মা ওখানে যায় প্রায়ই, তোমার বই নিয়ে আসবে।
অক্কে । কি বলতে হবে ওইখানে গিয়া?
হায়রে স্ক্রুঢিলা রোবোট রে! কিছু বই ওদেরকে দিয়ে আসবা, ওদের দোকানে রাখবে বিক্রির জন্য, কী বলবা আমি তার কী জানি! আম্মা যখন যায় কিনে আনবে।
এরম ইসকুরুপ ঢিলা লুকজনের বই কিন্না কি কর্বেন, আপনে কইলে বইডার একখান পিডিএফ কইরা পাঠায়া দেই
ঐ ইসকুরুপ ঢিলা লুক... বই দুকানে দেওনের টাইমে ফিরি অটুগেরাপ দিয়া দিও...
আর একটা কুশ্চেন: আমার বই হেরা কিনবো ক্যান !!!
সিজার ভাই, অটোগ্রাফতো দিলেন না? আপনারে আবার কেমনে পাই?
২১ তারিখ মেলায় চলো তোমার ডান্ডি ক্যাম্রা নিয়া। আমি অবশ্য ১৯ আর ২০ তারিখও যাবো। তবে ২১ তারিখ কেবল ছবি তোলার জন্য।
আমি দুইদিন গেলাম, লেখকের অটুগেরাপ পাইলাম না
ডেইলি গিয়া দেখি ইমদাদুল মিলনাংকেলেও হারাদিন অটুগেরাপ দেওনের লিগা খাঁড়ায়া থাকে আর সিজারে আসেই না
... ইরাম হইলে বই ফিরত দিমু ভাবতাছিলাম, তয় পুলাডা দুই পাতা ছিঁড়া ফেলসে মুনে হয়.. দুই পাতা কমে বই ফিরত দেওন যায় নাকি খবর নিও তো...।
ইমদাদুল শিরন তো খাড়ায়া থাকে আমার অটুগ্রাপ নেয়ার লাইগা। এই লাইগাই ওরে দেখো
সাইফাই মুভি হয় বাংলাদেশে। ফাহমিদুল হক রিভিউ করেছেন এইরকম একটার-
http://www.somewhereinblog.net/blog/fahmidulhaqblog/28941427
হাসতে হাসতে শেষ
। এ তো দেখি জটিল জিনিস।
উররে কালারফুল চমশার পুষ্টার দেইখাই তো হাসতে হাসতে শ্যাষ.... হে হে হে কাহিনী তো মারাত্মক... সিজার তুমি আগে থিকাই ফিলিমের গল্পকার এডা তো জান্তাম না... তুমার লেখা রঙিন চশমার গল্পডা বহুত উমদা হয়েছে... তুমারে পেলাস
নেক্সট ফিলিমে ভিলেনের পোষ্ট খালি থাক্লে খপর দিও কিন্তু
এইটা ঠিক কইছো। বাংলা ফিল্মে নায়কের চাইতে ভিলেনের সুযোগ বেশী
অবশ্য শেষে মাইর খাইতে হয় নায়কের কাছে। তয় ওইগুলান তো আর আসল মাইর না।
তুমারে নায়ক হিসেবেও মানাইবো। জসিম আর ডিপজল হৈতে পারলে তুমি পারবা না ক্যান
সিজারের নিজের নামটা খারাপ কী ছিলো, শুধু শুধু ছদ্মনামে কাহিনীকার হইলো... কেউ তার এই প্রতিভার কথা জানতেই পারলো না...
নামটা যেহেতু ছব্দ, সুতরা, এইটা আমি কেম্ন শিউর হৈলেন?? এইটা তো আমাগোর হুআ কিংবা জাফর স্যারও হৈতে পারে। এমনকি নুশেরা কিংবা কাঁকন হৈলেও চিনার উপায় নাই ।:)
এইরাম কঠিন সাইফাই লেখক বাংলাদেশে আর কেউ নাই...
ব্লগে ভোট নিলেই বাইর হইয়া যাইবো
দেশে জাফরের উপরে কেউ নাই। সুতরাং .................................
স্যারকে এই কাহিনী পড়তে দিলে রিঅ্যাকশান কেমন হবে ভাবতেছি
========================================
সিজারকে শরাফতীয় স্টাইলে হাফ সেঞ্চুরির অভিনন্দন! শাতিলের একটা পোস্ট আছে শরাফতকে নিয়ে, দেখতে পারো।
এবং তিনি ব্যাট তুলে (কী বোর্ড হৈবো) সবাইকে অভিবাদন জানালেন। তিনি প্রথম ম্যাচে (পোষ্ট হৈবো) অভূতপূর্ব অর্ধশত রান ( কমেন্ট হৈবো ) পূর্ণ করে এক অভূতপূর্ব নজির স্থাপন করলেন। এই বিষয়ে বলার জন্য আমাদের পাশে আছে বিশিষ্ট কানু গ্রুপের সদস্য, অনবদ্য, বিখ্যাত, সুপ্রতিষ্ঠিত সনামধন্য ব্লগার নুশেরা..............
এডা সিজারই... এইরাম আইডিয়া একমাত্তর হের মাথাত ঘুরাফিরা করতারে... নিজের গুন জাফরের ঘাঁড়ে চাপানোর চেষ্টা কইরা লাভ নাই... বুঝলা সিজার মিয়া সইত্য কথা স্বীকার করাও একখান ভালা গুন
এই জাতীয় সাই ফাই রোহানের মাথা থিকাও বাই হৈতারে
)
তার জলন্ত প্রমান: ২০৫৯ : পৃথিবীর শেষ সাই-ফাই... ( ইহা কোন কল্প গল্প নয়, ইহা স্রেফ সাই-ফাই সিজার কে উৎসর্গকৃত
http://www.somewhereinblog.net/blog/Rohan_ami/28947442
কি হৈলো রুহান মিয়া গেলো কই?
হা হা হা। দারুণ মজা পাইলাম। লিখতে থাকুন।
অনেক ধন্যবাদ মুকুল ভাই
কি জানি একটা মন্তব্য ভাবলাম, কিন্তু, ব্যকরণ ক্লাস কইরা সব ভুইলা গেলাম।

তয়, লেখা যথারীতি মজাক হইছে।
পড়ে মনে পড়লে আইসা দিয়া যাইয়ো। সবাই যেই হারে ব্যাকরন ক্লাশ নিতাছে, কি আর কমু। কিছু একটা লিখতে গেলেই কনফিউসড হয়ে যাই। বানান ঠিক আছে কিনা এইটা নিয়া।
ওক্কি।
অ:ট: আমার পোস্টে ঘুইরা আসেন, নুশেরা আপুয়ে একটা জব্বর মন্তব্য দিছে!!
মন্তব্যটা পড়ার আগে কিছু একটা ধইরা বইসেন, নাইলে হাসতে হাসতে পইরা যাবেন!!
অলরেডি দেখছি। আর হা হা প গি ব্যা পে (হাসতে হাসতে পড়ে গিয়ে ব্যাথা পেলাম)
লেখা ভালো লেগেছে। অনেক মজার হয়েছে।
অনেক ধন্যবাদ হাসান ভাই।
ওহ! এই সেই ''স্ক্রু-ঢিলাভাই' নামকরনের লেখা!!
গল্পটা মজার লাগসে বেশ...
স্ক্রু ঢিলা কার তা ব্যাপক বিতর্ক আছে |(
|(
গল্প ভালো লাগছে বইলা ধইন্যা।
রোবোট হৈলে মানসম্মান জ্ঞান থাকবে না এটা কেন ভাবা হয়? রোবোট বলে কি মানুষ না?
গল্প ভালো হৈসে। উতসর্গ ভাগ্য ভালো যায় ইদানিং।
রোবোট হৈলে মান সম্মার জ্ঞান থাকবে না এইটা তো বলি নাই। রোবোট তো আর মানুষ না। তাই অনেক চিন্তা ভাবনা কইরা কাজ করতে হয়। আপনের মতো
চরম ভালো একটা গল্প পড়লাম, চরম
ধইন্যা ধইন্যা
মন্তব্য করুন