ইউজার লগইন

মাননীয় প্রধান মন্ত্রী... একটু তাকান জনগণের দিকে... জনগণ আপনার দিকে তাকিয়ে আছে

# ১ #
এক্সপেক্টিং একজন নারীর কাছে সময়টা আনন্দ দায়ক করা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কঠিন বটে। যেখানে হরহামেশাই শুনে যাচ্ছি নিরানন্দের সংবাদ। বিষয়টা তখন আরো জটিল হয়ে ওঠে যখন বর্বোরচিত ঘটনা গুলো বার বার ঘটতে ঘটতে ভয়বহ রূপ ধারণ করে। আমার স্ত্রী এক্সপেক্টিং... সময় কাটনোর নিমিত্তে সে নিয়মিত ফেসবুকিং করে... পত্রিকায় ছাপা হ্ওয়া কিছু ছবি তাকে ভয় পাইয়ে দেয় ... যেটা সারাদিন ব্যাপি ফেসবুকে বিভিন্ন বন্ধুর প্রোফাইল থেকে প্রোফাইলে ঘুরে... ভয়াবহ এই ছবি দেখে আমি নিজেই তব্দা খাইয়া যাই। রেশ কাটতে না কাটতেই ভিডিওও দেখি। কি ভয়ঙ্কর!!! কোন দূর্বল চিত্তের মানুষ এইসব ছবি এবং ভিডিও দেখলে অসুস্থ হয়ে যাওয়ার কথা। গর্ভবতী কোন নারীর কোন ভায়লেন্সের দৃশ্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অবশ্যই ক্ষতিকর। আমি ভয় পেয়ে যাই স্ত্রীর কথা ভেবে... আমি ভয় পাই অনেক শিশু/বাচ্চারা ফেসবুকিং করে ... তাদের কথা ভেবে...
.
# ২ #
ফেসবুক জিনিষটা যা তা রকমের বাজে। সরাদিন বিভিন্ন ধরনের এক্টেভিটিজের মাধ্যমে ভালই সময় কাটে। ব্যাপক সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণে জনসমাগম সবসময়। আর এই সুযোগটা পায় অথবা নেয় সকলেই। যার যত বন্ধু আছে তার যোগাযোগরে ব্যাপ্তিটা তত বেশী। প্রচারের এই সুবিধার সুযোগটা নেয় অনেকেই। কবি সাহিত্যিকদের মধ্যে মনে হয় সুযোগটা বেশী নেয় ব্রাত্য রাইসু। উনি নিয়ম করে প্রতিদিন তার সাইটের বিভিন্ন লেখার লিংকু প্রদান করেন। আমরা বিগলিত হই।
.
# ৩ #
আজ আবার ফেসবুকে একটি ভিডিও শেয়ার দেখলাম। ভয়াবহ কোন ভিডিও নয় হয়তো এটা। কিন্তু রাষ্ট্রের জন্য অবশ্যই ভয়াবহ। পানি সম্পদ মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন একটি অনুষ্ঠানে ভাষন দিচ্ছেন। ভাষনের এক পর্যায়ে তিনি বললেন
.
“কিছু দিন আগে স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে যে সার্কুলার আমরা দিলাম, তার সবই আমাদের। এক-আধটা হয়তো স্লিপ হতে পারে ভুলক্রমে, ঠিক জানি না। তবে সবই আমাদের। পুলিশের চাকরিগুলোও ঠিক এভাবে দেওয়ার চেষ্টা করেছি আমাদের ছেলেদের। আরো এই যে ২০ তারিখে পুলিশের চাকরির নিয়োগ হবে, অবশ্যই আমরা আমাদের নিজেদের ছেলেদের দেওয়ার ব্যবস্থা করব। তা ছাড়া সামনে এই ১৮ তারিখ থেকে আমাদের প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক নিয়োগ হবে। হেড মাস্টার নিয়োগ হবে। সেগুলোর আমরা তথ্য নিচ্ছি। এই তথ্যগুলো নেওয়ার পরে আমরা অবশ্যই আমাদের ছেলেদের প্রাধান্য দিয়ে কাজ করব।”
.
“আমরা এত উন্নয়নের কাজ করছি, সব কি মিডিয়ায় আসে, আসে না। দু-একটি পেপার-পত্রিকা আমাদের কাজ করে। বাকিগুলো আমাদের বিপক্ষে কাজ করে। আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি, যেমন চ্যানেল ওয়ান বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। তেমনিভাবে আরো কিছু চ্যানেল আমরা বাতিল করে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করছি।”
.
“মন্ত্রীরা কোন দূর্নীতি করে না। আমরা কখনও ১০ টাকারও করাপশান করি নাই। করবও না। তবে প্রতিমন্ত্রী কয়েকটা আছে দূর্নীতিবাজ। এটার জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে।” - কালের কণ্ঠ

.
ফেসবুক ভিডিও
.
# ৪ #
সরকারের একজন মন্ত্রী যখন বার বার বিভিন্ন ইস্যু বিতর্কিত ব্ক্তব্য দিয়েই যায় তখন এটা ভাবাটা নিশ্চয় দোষের হবে না যে, সরকার এটাই চাচ্ছে। এটাই আসলে সরকারের বক্তব্য। আর এটা যদি সরকারের বক্তব্য হয়ে থাকে তাহলে সংবাদ মাধ্যমের কন্ঠরোধের যে কোন ঘটনার নিন্দা সবসময়ই জানাব। আশা করছি সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে... সরকার দ্রুত তার অবস্থান পরিষ্কার করবে।
.
মাননীয় প্রধান মন্ত্রী...
আপনি নির্দিষ্ট কারে ভোটে প্রধান মন্ত্রী নন... আপনি সারা দেশের প্রধান মন্ত্রী... বাংলার আপময় জনসাধারণের প্রধান মন্ত্রী... আপনার একজন মন্ত্রী যখন বলেন "... চ্যানেল বন্ধ করে দিয়েছি" তখন আমরা ভয় পাই। এটা আপনার সরকারের বক্তব্য হিসেবে মানতে ইচ্ছা করে না...
.
মাননীয় প্রধান মন্ত্রী
কর্নেল ফারুক খান, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, রমেশ চন্দ্র সেন, সাহারা খাতুন, ড: দিপু মণি... এদের আর কত সুযোগ দেবেন? আর কত? দুই বছর অতিবাহিত হওয়ার পর আমরা আর শুনতে চাইনা যে এইসব বিরোধী দলের ষড়যন্ত্র...
.
মাননীয় প্রধান মন্ত্রী... চোখ খুলুন... যে ম্যান্ডেট নিয়ে আপনি ক্ষমতায় তার বাস্তবায়ন করুন... যুদ্ধাপরীধীর বিচার করুন... দূর্নীতিবাজদের শাস্তি দিন... ছাত্র লীগকে বাগে আনুন... আমরা আপনাকে আবার ভোট দিবো... আপনার নাম আমরা বুকে বাধাই করে রাখবো মাননীয় প্রধান মন্ত্রী... মাননীয় প্রধান মন্ত্রী... এই আমাদের ভরষার আর কোন জায়গা নেই... একটু তাকান আমাদের দিকে... বড় আশা নিয়ে আমরা আপনার দিকে তাকিয়ে আছি...

পোস্টটি ১০ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

নীড় _হারা_পাখি's picture


ধন্যবাদ টুটুল ভাই। আসলেই আমাদের বলার মত কোনো যায়গা নাই। আর কে ই বা শুনবে আমাদের কথা। তাহলে যে তাদের ছেলেদের কথা শোনার মধ্যে ঘাটতি পড়বে। হোক সে মেধা শুন্য, সন্ত্রাসী বা শত অপকর্মের ওস্তাদ। কিন্তু আমাদের ছেলে তো, দলের ছেলে, আমাদের ছাত্র লীগের ছেলে বা ছাত্র দল বা যে দল যখন ক্ষমতায় থাকে । আর এই বয়সেই যদি তারা এই সব না করবে তো করবে টা কখন।? আর আমাদের ছেলেদের যদি আমরা যায়গা না করে দেই তাহলে ওরা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? তা তাদের দল করে বলেই কি তাদের ছেলে হয়ে গেল? তাহলে ভবিশ্যত কি আমাদের দেশের। যেখানে তারা তাদের আখের আর ক্ষমতায় যেন পরের বার যদি নাও আসতে পারি ভবিশ্যতে যেন পুলিশের লাঠির গুতা খেতে না হয়, নিজেদের নাতি নাত্নিদের স্কুলে ভর্তি নিয়ে সমস্যাতে পড়তে না হয় তার ব্যাবস্থা করা।
পত্র পত্রিকা যদি তাদের কথাই বলবে , তাহলে আমাদের সাধারন মানুষের কথা কারা বলবে ?আর আমরা কি শুধু মাত্র তাহলে আওয়ামি গনতন্ত্রে না রাজতন্ত্রের আধীনে থাকব। তাহলে কি আমরা আমাদের অধিকার কিছুই পাব না? মতা মত প্রকাশের অধিকার, নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার, সুস্থ ভাবে আর সামাজিক ভাবে বেঁচে থাকার অধিকার? গনতান্ত্রিক দেশে সাধারন জনগনের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে সাধারন মানুষের সাথে এ কি রকম প্রহসন?

টুটুল's picture


আসলের জনগনের জন্য কেউ নাই ... বিএনপি আর আওয়ামী লীগ... মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ

পত্র পত্রিকা যদি তাদের কথাই বলবে , তাহলে আমাদের সাধারন মানুষের কথা কারা বলবে ?আর আমরা কি শুধু মাত্র তাহলে আওয়ামি গনতন্ত্রে না রাজতন্ত্রের আধীনে থাকব। তাহলে কি আমরা আমাদের অধিকার কিছুই পাব না? মতা মত প্রকাশের অধিকার, নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার, সুস্থ ভাবে আর সামাজিক ভাবে বেঁচে থাকার অধিকার? গনতান্ত্রিক দেশে সাধারন জনগনের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে সাধারন মানুষের সাথে এ কি রকম প্রহসন?

জ্বিনের বাদশা's picture


আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রথম কিছুদিন খুব উৎসাহ নিয়া সরকারের কর্মকান্ড পর্যবেক্ষণ করছি, বেশ কিছউ সমালোচনামূলক পোস্টও তখন লিখছিলাম ... কিন্তু বিশ্বাস করেন, ধীরে ধীরে একেবারেই উৎসাহ হারাইয়া ফেলছি ... আবারও সেই মগের মুল্লুক

ছাত্রলীগ নিয়া পত্রিকারা মেতে আছে, ফাঁকতালে চামে পার পেয়ে যাচ্ছে মন্ত্রী-এমপিরা ... গত ডিসেম্বরে দেশে গেলাম দুইসপ্তার জন্য ...কল্পনা করতে পারবেননা কিভাবে প্রত্যেক সেক্টরে সেই আগের মতোই দূর্নীতি জাঁকাইয়া বসছে!! ... একটা কাজ হয়না ঠিকমতো লোক না ধরলে! ... ডিসপ্যারিটি খুব চোখে পড়ছে কারণ তত্ত্বাবধায়কের দুই বছরের স্মৃতি এখনও ফ্রেশ আছে ... আমি এই দেশের ভবিষ্যত নিয়ে আসলেই কনফিউজড!!!

বকলম's picture


আওয়ামী ব্যাখ্যা (তারা দেওনের আগে আমার থাইকা শুইনা লন)
এখানে "আমাদের ছেলে" বলতে কবি থুক্কু মন্ত্রী দেশের আপামর (হাসিনা আপারে মরতে কইনাই কিন্তু) ছেলেদেরকেই বুঝানো হইয়াছে। কেউ যদি ইহাকে শুধুমাত্র ছাঃলীগ (ছাগল লীগ নয়) মনে করিয়া থাকেন তাহা কাকতাল মাত্র। Wink

আপনাকে আবার স্বরণ করাইয়া দিতে চাই

মন্ত্রীরা কোন দূর্নীতি করে না। আমরা কখনও ১০ টাকারও করাপশান করি নাই। করবও না।

অট: ব্রাত্য রাইসসুপ কে (রাইসু বানানটা কি হপে Tongue ) কি আপা ব্যক্তিগত ভাবে চেনেন?!!!

অট: ভাবীরে এখন খোমাপুস্তক বাদ দিয়া "নবজাতক শিশুর সুন্দর নাম" অথবা "মা ও শিশুর যত্ন" পুস্তকখানা পড়িতে পরামর্শ দেয়া যাইতে পারে।

পরিশেষ:
ডিজিটাল দেশনেত্রীর জয় হোক।

নাহীদ Hossain's picture


আমি বাংলাদেশী ... এইটা নিয়া এখনও গর্ববোধ করি কিন্তু পরক্ষনেই আবার মনে মনে হাসি ... এহ আইছে বাংলাদেশি, খাওন পায়না ঠিকমত, মুখের কথা কইব তাও বলে হিসাব কইরা কইতে হইব ... আবার গর্ববোধ। যে দিকেই তাকাই খালি ভজঘট অবস্থা। যে যার মত ক্ষমতা ভাগাভাগি আর নিজের আখের গুটানোতে ব্যস্ত। মন্ত্রীর আসল কাজ যে শুধু অফিস করা আর ভাষন দেয়া না, এইটা কেমনে বুঝাই। তবে ১০ টাকারও করাপশান যে মন্ত্রীরা করে না - সেইটা সত্য কথা। ১০/১০০ এই ধরনের অংকগুলা তাদের খাতায় থাকতেই পারে না। তারা করে কোটি টাকার করাপশান। তাতে সুবিধা অনেক ... পাবলিক কিছু বুঝলোও না আর লাফাইলোও না। আর কেউ যদি আগ বাড়াইয়া ধোয়াশা ভাবে কিছু বুঝেও, তারে সাদা বানানোর পরিপূর্ণ ব্যবস্থা সরকারের আছে।

মাহবুব সুমন's picture


প্রধানমন্ত্রিকেই কেনো এতো নজর দিতে হবে ? অন্যরা তাহলে আছে কেনো !
এদের এতো সময় নাই দেখার। নিজের আখের গোছাতেই ব্যস্ত এরা। যা যা চাইলেন প্রধানমন্ত্রির কাছে তার কোনোটাই সে করবে না, কিছু হয়তো করবে তা মুলা ঝুলানোর মতো করে ঝুলিয়া রাখবে।

এই সব নেতা - নেত্রিদের বিশ্বাস করা সময়ের অপচয়।

সাহাদাত উদরাজী's picture


আপনার মত ঘুচিয়ে লিখতে পরলে আমিও লিখতাম! আমার মনে ও অনেক কথা জমে আছে! কিছু দিন আগেও মনে করতাম দেশের সরকারের ২০০ লোক ভালো হলেই আমরা ভালো হয়ে যাবো, তার কিছু দিন পর মনে হত ২০ জন লোক ভালো হলেই আমাদের চলতো!

আর এখন মনে হয় ১ জন লোক ভালো হলেই আমরা বেচেঁ যেতাম!

তিনি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী!!!!

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


এইসব আবর্জনা একটা রাজনৈতিক দলের এতোদূর পথ এতো সদস্যের সমর্থন পেয়ে আসছে, এতো মানুষের ভোট পেয়ে আসছে ...এইটাই অবাক-করা হওয়া উচিৎ! আমরা অবাকও হই না।

সাঈদ's picture


দুই দলই মুদ্রার এপিঠ - ওপিঠ। যতই দিন বদলের শ্লোগান দিক আর দেশ মানুষ বাঁচানোর শ্লোগান দিক, আমি আর এদের কাউকে বিশ্বাস করিনা, এমনকি এখনও পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারছি না এই সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে।

আমি ধারনা করছি, এরা এই বিচার এমন সময়ে শুরু করবে যেখানে বিচারের মাঝা মাঝি সময়ে ক্ষমতা ছাড়ার সময় হয়, পরের নির্বাচনে বিচার কমপ্লিট করার কথা বলে আবার ভোট চাইবে অথবা পরের বার বিএনপি ক্ষমতায় আসলে এরা তার পরের বার এই বিচারের রায় কার্যকর করার কথা বলে ভোট চাইবে।

আমি এইবার না ভোট দিছি, পরেরবার না ভোট থাকলে ভোট দিতে যাব, না থাকলে যাবো না, কোনদিন ভোট দিব না।

১০

জ্যোতি's picture


টুটুল, সুন্দর করে লিখেছ। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীরা তো চোখ খুলে তাকায় না।তারা শুধু প্রতিশ্রুতি দেয়, নির্বাচনের আগে মায়া কান্না কাঁদে।আর আমরা সরল জনগণ সরল মনে অনেক আশা নিয়ে ভোট দেই। নির্বাচন শেষ হলে দেশ শুধু সরকার আর সরকারের চেলাদের। লুটেপুটে খাবে আর নিজের থলে গুছাবে। সাধারন মানুষের সমস্যা দেখার সময় কই তাদের?প্রত্যাশা করো না।

১১

শাওন৩৫০৪'s picture


একবার ইলেকশনে দাড়াইয়া পাশ কৈরা দেখা দরকার, ঐ খানে গেলে ক্যাম্নে একাধারে ছাগল আর বদমাইশ হওয়া যায়....
লঙ্কায় গেলে সবার রাবন হওয়াই লাগে কিনা, সেডা বুঝার সুযোগ বাঙ্গালী জাতির ভাগ্যে আসেনাই।

১২

নীড় _হারা_পাখি's picture


লঙ্কায় গেলে সবার রাবন হওয়াই লাগে কিনা, সেডা বুঝার সুযোগ বাঙ্গালী জাতির ভাগ্যে আসেনাই।

ভালি লাগল।

১৩

নড়বড়ে's picture


তেনারা ডিজিটাল ডিজিটাল বইলা লাফাচ্ছেন, আসলে তো বুঝতেছে না ডিজিটাল কারে বলে। এই ভিডিও দেখাইয়া বলা দরকার, দেখেন ডিজিটাল বাংলাদেশের ছোট্ট একটা নমুনা। আপনে বক্তৃতা দিলেন, সাথে সাথেই আমরা ইন্টারনেটে দেখলাম, কেমন তামশা?

দুঃখের বিষয় কোন মিডিয়া এইগুলা প্রচার করবে না।

ভিডিওটা ইউটিউবেও আছে, ফেসবুকে না যাইতে চাইলে এইখানে দেখেনঃ

http://www.youtube.com/watch?v=CdQmrMKhdo4

১৪

মামুন হক's picture


খুবই দুঃখজনক। এভাবেই রাজা পরে রাজা আসে, না দেশ বদলায় না গরীব মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন ঘটে। হতাশ লাগে ক্ষমতাসীনদের কীর্তিকলাপ দেখলে।

১৫

শওকত মাসুম's picture


খুব বড় পরিবর্তনের আশা কেন করছিলেন?

তবে ডা. দিপুমনি মনে হয় গুড পারফর্মারদের একজন।

১৬

মেসবাহ য়াযাদ's picture


কষ্ট পাই যখন দেখি, ওমুক ওয়ার্ডের তমুক ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক আমাদের অফিসে এসে তার পরিচয় দিয়ে বিশেষ অন্যায় সুবিধা নিতে চায়। না দিলে দলের পোলাপাইন ডেকে ভাঙচুরের ভয় দেখায়। লোকজনকে উঠিয়ে নিয়ে যাবার হুমকি দেয়। এজন্যতো আমরা হাসিনার সরকারকে ভোট দেই নাই।
এত কিছুর পরও আমি আশাবাদী মানুষ। আশা জাগানিয়া আমার বন্ধু, আমাদের অহংকার মুসা এভারেস্টের চুড়ায়... ধীরে ধীরে নেমে আসছে... স্যালুট মুসা !!

১৭

হাসান রায়হান's picture


কিছু বলার নাই

১৮

নাজ's picture


বাংলাদেশে'র প্রধানমন্ত্রী জানি কে?

১৯

নজরুল ইসলাম's picture


আসলেই, কিছুই বলার নাই Sad

২০

আপন_আধার's picture


জটিল একখান কুইজ কোশ্চেন হইছে Smile

২১

আবদুর রাজ্জাক শিপন's picture


আচ্ছা, প্রধানমন্ত্রী কি এখনও জি সিনেমার ভক্ত ?

 প্রশ্নটা এইজন্য করা যে, সেক্ষেত্রে আম-জাম জনতার এইসব আওয়াজ শুনার সময় তার কমই হবার কথা । 

২২

লোকেন বোস's picture


কবে আমরা একটি দেশপ্রেমিক সরকার পাবো?

২৩

রুবেল শাহ's picture


যেই লাউ সেই কদু .....

২৪

মীর's picture


ডাঃ দীপু মনি ভালো। আর পররাষ্ট্র মন্ত্রী অর্থাৎ কূটনীতিবিদ কি না, ইমেজ ভালো রাখাটাই তার সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

অন্যদের দিকে তাকান। বিশেষতঃ এদেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যে যায় সেই যেন মালখোর হয়ে যায়। বুঝি না কেন।

পানিমন্ত্রীর কাহিনী তো আপনিই কইয়া দিলেন। আমি আর কি কমু। পোস্ট পছন্দ হইসে।

২৫

তানবীরা's picture


একটু তাকান আমাদের দিকে... বড় আশা নিয়ে আমরা আপনার দিকে তাকিয়ে আছি...

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

টুটুল's picture

নিজের সম্পর্কে

আমি আছি, একদিন থাকবো না, মিশে যাবো, অপরিচিত হয়ে যাবো, জানবো না আমি ছিলাম।

অমরতা চাই না আমি, বেঁচে থাকতে চাই না একশো বছর; আমি প্রস্তুত, তবে আজ নয়। আরো কিছুকাল আমি নক্ষত্র দেখতে চাই, শিশির ছুতেঁ চাই, ঘাসের গন্ধ পেতে চাই, বর্ণমালা আর ধ্বনিপুঞ্জের সাথে জড়িয়ে থাকতে চাই, মগজে আলোড়ন বোধ করতে চাই। আরো কিছুদিন আমি হেসে যেতে চাই।

একদিন নামবে অন্ধকার-মহাজগতের থেকে বিপুল, মহাকালের থেকে অনন্ত; কিন্তু ঘুমিয়ে পড়ার আগে আমি আরো কিছু দুর যেতে চাই।

- হুমায়ুন আজাদ