নস্টালজিয়া...
জীবনের মাঝপথে এসে দাঁড়িয়ে ছেলেবেলার স্মৃতি হাতড়াই। অনুভব করি দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়া সময়কে। কত কিছু করার ছিল... কিছুই করা হলো না এখনো ... বার বার মনে হয়.. আহা যদি ফিরে পেতাম পেছনে ফেলে আসা দিনগুলো। আরো আগে থেকে অনেক কিছু শুরু করা যেত। অনেক কিছুই পড়ার ছিল ইচ্ছা ছিল শেখার ... যা এখন আর সম্ভব নয়। সময় ফুরাতে শুরু করেছে।
খুউব ফিরে পেতে চায় ছেলে বেলার নানান রঙের দিনগুলো। ফুলের উপর বসে থাকা নানান রঙের ফড়িং গুলোকে ধরার কি আপ্রাণ প্রচেষ্টা। ছুটে চলা পেছন পিছন। অথবা পাখির বাসার খোঁজে বের হওয়া। বইগুলোকে অন্য কোন ক্লাসমেটকে ধরিয়ে দিয়ে স্কুল এর দেয়াল পেরিয়ে পালিয়ে ফুটবল খেলতে ছোটা। এখন যে রোদ দেখেই ঘামতে থাকি অথচ তখন এটা কোন ব্যাপারই ছিল না। রোদ-ঝড়-বৃষ্টি কে থামায় আমাদের। মনে আছে নানা বাড়িতে বেড়াতে গেলে... বৈশাখ মাসে প্রচণ্ড বেগে ধেয়ে আসা কাল বৈশাখী ঝড় ... যে বাতাসে দাঁড়ানো যেত না... অথচ সেই বাতাসে আম কুড়াইতে বের হয়ে পরতাম। রাতে ঝড় হলে হারিকেন সাদা পলিথিন ব্যাগ এ ভরে বের হতাম...
রঙ হারায় অনাবিল সুখ আর স্বর্গীয় প্রশান্তির প্রেমেও। পাশের বাসার মেয়েটার জন্য আয়রন করা ড্রেস ছাড়া চলতই না। চুলে ভাঁজ মারতে মারতে তো মাথাই খালি হয়ে গেল। আজ পথ হারায় অবলীলায়... তবে এ পথ হারানো যে কেবল হারানোর জন্যই নয়, তাও তো সত্য। শাশ্বত প্রেম আজীবন বাজে, ভেতরটায়। আর তাই ফিরে পেতে চায় মন ফিরে যেতে চায়। কোথায়? সেই ফেলে আসা দিন...
[ ইহা একটা অনেক পুরাতন পোস্ট এইখানে রাইখা দিলাম ]
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮





আরেকটু বয়স হৈতে দেন, স্ম্তি তুমি বেদনা হবার টাইম পাবেনা, মাঝ বয়সে...আবার বেশি বুইড়া হৈলে কিন্তু ধরবেনে..
কিডায় ধর্পে?
পাশের বাসার মেয়েটার কথা কি নাজ জানে?নাজরে জানাতে হবে।মনটাকে ন্টালজিক করে দিলা....এই হু হু করা দিনে মনের মধ্যে আেরা শীতল বাতাস...দোয়া করি তোমার ভবিষ্যত প্রজন্ম যেন তুমি যা করতে পারোনি তা পূরণ করে দেয়।
তবে এই হাসফাসটুক দর্কার আছে :)
সব কিছু পেয়ে গেলে না পাওয়া কি তা বোঝা যায় না
হুম, শৈশবই মানবের সর্বশ্রেষ্ঠ সময়
সেটাই
নষ্টালজিয়ায় পাইলো ক্যান তোরে ? মন-টন খারাপ নাকীরে ? তয় লেখাটা সেরাম হৈছে... পিলাস
আরে মন্টন খ্রাপ না :)
ফেলে আসার স্মৃতি গুলো সামনে চলে এলো
ধন্যবাদ লেখককে
ধন্যবাদ আপনাকেও
লেখার জন্য পিলাস আর পুরান লেখার জন্য মাইনাচ ।
দারুন । আমারো মনে পড়ে খালি আগের দিনের কথা কিন্তু আগের দিনগুলোতে ফেরত যেতে চাইনা আর।
সুময়ের লগে জুইত কর্তার্তাছিনা :(
ফেরত গেলেও সুবিধা কর্তে পার্মুনা মুনে লয় :)
শ্বাশত প্রেম আসলেই মনের মাঝে হু হু করে ডাক দেয় ............
ভালো লাগলো পইড়া ।।
ধন্যবাদ অতিথি :)
আব্বে মামা, কী লিখছো এইটা? আমি তো ভুল কইরা নষ্ট কইলজা পইড়া ফালাইছিলাম।
এইসব ভাবের কথাবার্তা আমার দিলমে নেহি ঢুকে, দুক্ষ কষ্টে আমি নাই। বিদা হাফেজ
হাচাই কইছো মামা
এইরাম ছিতে কইলজা খিচ্চা গেছে ... দিলে ঢুকার রাস্তা নাইক্কা
বিদা হাফেজ
পুরানা কথা পরানের কথা, ছবিটা দুর্দান্ত লাগছে, তবে বানানগুলা খিয়াল কৈরা :)
ধন্যবাদ বস
আরেকবার দেখবেন প্লিজ ...
ব্যাপারস না......., তবে ভালো লেখায় বানান চোখে লাগে :) (কপিরাইট: নুশেরা)
ছবিটা দুর্দান্ত বস। ইয়ে পাশের বাসায় মেয়েটার নাম জানি কি ছিলো?
সংসারে অশান্তি লাগাইয়েন্না :(
উইপ আছে আশে পাশেই
এইভাবে শুধু হাইলাইটস দেখায়া কলিজায় মোচড় দেওনের তেব্র নিন্দা। পাশের বাড়ীর আপামণির কতা এট্টু খুইলা কন, আয়রণের ক্রিজ কতোক্ষণ থাকতো?
নস্টালজিয়া (বিদেশী শব্দে s-এর উচ্চারণস্থলে স হবে; ষ বা শ নয়)
হাতড়াই (ড় হবে)
ভাঁজ-এ চন্দ্রবিন্দু
আয়রন (বিদেশী শব্দে দন্ত্য ন হবে, মূর্ধণ্য ণ নয়)
=============================================
ছবি, লেখা দুটোই দুর্দান্ত। হোক পুরনো; এমন আরও চাই।
নুশেরাদি জিন্দাবাদ... আমার লেখায় প্রচুর বানান ভুল হয়। আমার উপরেও একটা মোবাইল কোর্ট জারী রাইখেন
এইরম মোবাইল কোর্ট জারি থাকুক...
আরে আমার আশে পাশে তো কারো বাসাই নাই ;)... (উইপ মাব্বে)
ধন্যবাদ আপা
হ কত কিছু করার ছিল............ আবার অনেক কিছুই ক রে ফেললাম যা ভাবনাতেও ছিল না।
ছবিটা কি আপনার উঠানো? নাইস......... লেখা পড়ে অতীতে ফিরে গেলাম।
ছবিটা হেভি...।
মন্টা উচাটন হইলো।
মন্তব্য করুন