ইউজার লগইন

ঈদের উপহারে অবশেষে হরতাল পাইলাম

ব্রেকিং নিউজ দেখাচ্ছিল টিভি চ্যানলে গুলতে:

আগামী রবিবার সকাল সন্ধ্যা হরতাল - দেলোয়ার

ঈদের আর মাত্র ২ দিন বাকি... শহর ছাড়ছে লক্ষ লক্ষ মানুষ... প্রিয়জনদের উদ্দেশ্যে.... একত্রে পবিত্র ঈদুল আযহা উদ্‌যাপন। স্বাভাবিক ভাবেই যোগাযোগ ব্যবস্থা এই চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। প্রতিবারই তাই হয়... ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে। প্রয়োজনের চাইতে দ্বিগুণ সময় ব্যয় করেও ঘড়ে ফিরছে মানুষ। এর মধ্যেই বাজ পরার মত খবর "আগামী রবিবার হরতাল"।

মি: দেলোয়ার... আপনি কি কখনো ঈদের এই সময়ে খুলনা, বরিশাল, দিনাজপুর, রংপুর, রাজশাহী, সিলেট, চিটাগাং, কক্সবাজার গিয়েছেন? কি পরিমাণ দূর্ভোগ সহ্য করে মানুষগুলো ছুটে যাচ্ছে গ্রামের বাড়িতে ... আপনি কি বুঝেন মি: দেলোয়ার? দুষ্টজনেরা বলে আপনি নাকি সব সময় থাকেন নেশায় বুঁদ হয়ে থাকেন... সেটা আপনার ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু নেশাগ্রস্থ অবস্থায় দেশের জন্য আপনার কোন সিদ্ধান্তে আমার আপত্তি আছে মি: দেলোয়ার।

মি: দেলোয়ার... পারলে ঢাকা সেনানিবাসকে ঢাকার বাইরে পাঠান... ঢাকার যানজট নাই হয়ে যাবে। ঢাকার সকলে আপনাকে ঢাকার মেয়র বানিয়ে দেবে। আপনার সেই সাহস কি হবে মি: দেলোয়ার?

ঢাকা থেকে ঘরমুখো মানুষের স্রোত ছাড়াও ঢাকাতে আসছে কোরবানির জন্য পশুর চালান। শহরের সবটুকু যোগানই আসে ঢাকার বাইরে থেকে। এমন সময় এমন একটা হরতালের আহ্বান শহরবাসীকে বিপদে ফেলা ছাড়া আসলে আর কোন কাজে আসবেনা মি: দেলোয়ার।

এমন অপরিপক্ব রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত একটা দেশের বড় একটা রাজনৈতিক দলইবা কীভাবে নেয়? আপনারা না মানুষের জন্য রাজনীতি করেন? মানুষের সুখ দু:খ ... সুযোগ সুবিধা নিয়ে জীবনের সবটুকু সময় ব্যয় করেন? এই কি তার নিদর্শন? একজন নেত্রীর বাড়ির জন্য এভাবে কোটি কোটি মানুষের দুর্ভোগ ডেকে আনা কোন ধরনের জনসেবা? শেখ হাসিনাকেও তো আপনার গনভবন থেকে বের করে দিয়েছিলেন... তখন কি একবারও মাথায় আসে নাই যে ইট মারলে পাটকেল খেতে হবে? আমি শেখ হাসিনার গনভবন নেয়ার বিপক্ষে ছিলাম.. আমি আপনার নেত্রীর সেনানিবাসের বাসভবনে অবস্থানেও বিপক্ষে...

তৃতীয় বিশ্বের সবচাইতে দরিদ্র একটা দেশের নেত্রীর এত বড় বাড়িরইবা কি প্রয়োজন? আলিশান বাড়িতে বসে বসে দেশ সেবার মত হাস্যকর কায়কারবার করতে নিজেদের আর কত নিচে নামাবেন? পারলে আমাদের মত একটি দুই বেডরুমের বাড়িতে আপনার নেত্রীকে উঠতে বলেন... তারপর মানুষের জন্য ভাবতে বলেন। বিলাসবহুল জীবন যাপনে দেশ সেবা নয় নিজ সেবা হয়।

আমি আপনাদের এই সিদ্ধান্তের নিন্দা জানাই।

পোস্টটি ১১ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

রশীদা আফরোজ's picture


তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আসলে কিছু বলার ভাষা নাই। ঈদুল আজহার মাত্র ৩ দিন আগে হরতাল দেয়া যেতে পারে, এটা অকল্পনীয়। আমার ইচ্ছা করছে...(উহ্য থাকলো, ভীতু মানুষ)!

বলদ's picture


এইসব রাজনীতিবীদেরা হলো ভন্ড। পায়জামা ঢিলা দোলোয়ার গং এসবই করতে পারবে।
আর নিজেদের স্বার্থে হরতাল দিলো। সাধারন জনগনের সমস্যা দিলোনা। আফসোস

নুরুজ্জামান মানিক's picture


ঈদে বাড়ী ফেরাদের ভোগান্তির কথা টুটুল ভাই বলেছেন , আমি আর সেদিকে গেলাম না । আমার প্রশ্ন হল-দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানি-যানজটসহ নাগরিক সমস্যার বিষয়গুলো কি এদের রাজনীতিতে আছে ? জাতীয় বা নাগরিক ইস্যু নয় বরং খা লেদা জিয়ার বাড়ি রক্ষা বিষয়টি এদের কাছে মুখ্য । বিধায় বিএনপির এই াল ফালানি হরতালকে ডাবল মাইনাস ।

টুটুল's picture


নাগরিক ইস্যু লইয়া ভাবনের টাইম কই? লুঙ্গি সামলাইয়াই তো কুল পাইতেছে না পবনের বাপে

নুরুজ্জামান মানিক's picture


Devil

আশফাকুর র's picture


পরানের বাপ ইস্মার্ট মানুষ , লুংগি না পাজামা ও ফিতা সামলাইতে ব্যাস্ত

রন's picture


সাইটে ১০০ দিনের কাউন্টডাউন ব্যানার দেখতেসি, এই দিকের শুরু হইলো রাজনৈতিক ক্যাচা্ল ... খারাপ লাগে ভাবতে, দেশের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য কারো কোনই চিন্তা নাই!

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


উজবুক গাধার পিঠে প্রিয় স্বদেশ

আরাফাত শান্ত's picture


বাড়ি যামু কেমনি কাইল Sad(

১০

সাহাদাত উদরাজী's picture


কার বিচার কে করে?

১১

অতিথি's picture


নিন্দা নিন্দা নিন্দা Stare

১২

রুবেল শাহ's picture


খালেদাকে এক কাপড়ে কেন বের করা হলো বাড়ি থেকে .......... হরতাল হরতাল

১৩

অতিথি সারোয়ার's picture


ভাই মজা লাগছে। এমন ইস্যু আওয়ামী লীগ দিছে যে বিএনপি না পারে গিলতে না পারে ফেলতে। আজ যে বাড়ীর জন্য বিএনপি লড়ছে তার অবস্থানের কারনেই কোন নেতা কর্মী তার পাশে দাড়াতে পারেনি। বাড়ীর পিছনে ছুটছে বিএনপি। আমার ভয় হচ্ছে যে মারাত্মক ভুল শেখ মুজিবর রহমান করেছিলেন সেই একই ভুল শেখ হাসিনাও করছেন না তো? শেখ মুজিবর রহমান তার শাসর আমলে কোন শক্তিশালী বিরোধী দল তৈরীতে অনুকূল পরিবেশ দেননি। তার ফলাফল আমরা ভুগেছি। বিএনপিকে ধ্বংস করে যদি বিরোধী দলকে নিস্তেজ করা হয় তাহলে তো নিয়ম মেনে তাকে সরকার থেকে সরাবার কোন উপায় থাকবে না। আর অনুকূল পরিবেশ না পেয়ে সেই সময় বহু গোপনীয় বাম দল হয়েছিল। তাদের নির্মমভাবে দমন করেছিল জিয়া , এরশাদ । বর্ম ছিল ধর্ম। বামরা নাস্তিক। তাই ওদের দমন ছিল সহজ। কিন্তু যদি ধর্মীয় উগ্রবাদ সম্পন্ন গোপন দল তৈরী হয়?

১৪

নাজমুল হুদা's picture


সকলের সাথে একমত হয়ে হরতালের নিন্দা জানাচ্ছি । একইসাথে দেশকে বিরোধীদলবিহীন করার প্রচেষ্টার জন্য সরকারি দলকেও । বিয়েনপিআলীগ থেকে দেশ মুক্তস্বাধীন হবার কোন উপায় আছে কি ? আমজনতা মুক্তি চায় ।

১৫

শওকত মাসুম's picture


top.jpg
চক্ষে পানি চইলা আসছে।
(জিয়া মারা যাওয়ার পরেও খালেদা জিয়াকে এভাবে কাঁদতে দেখে নাই কেউ)

১৬

মেসবাহ য়াযাদ's picture


দুলাভাইয়ের মন্তব্যের কারনে মনটা বড়ই ভাল হয়ে গেল। এতটাই ভাল যে, আমি সবতেরে আপন টাকায় ল্যাবএইডের খিচুড়ি খাওয়াইতে চাই... আফসুস, এখন না। ঈদের পরে...

১৭

শওকত মাসুম's picture


বুখে আয় বাবুল Big Hug

১৮

রাসেল আশরাফ's picture


আপনারা মানুষ!!!!!!!!!আওয়ামীলীগের মতো আপনারাও কাফের হয়ে গেছেন।দেশনেত্রীরে এক কাপড়ে বের করে দিসে (খালি একটু সাজুগুজু করার টাইম পাইছিলো) ।

আর আপনেরা খিচুড়ী খাইতেছেন।

ছিঃ ছিঃ ছিঃ। Sad Sad Sad Sad

১৯

মেসবাহ য়াযাদ's picture


কাইলকা হরতাল দেওনের কারনে আমার বারোটা কেমনে বাজলো... তাই নিয়া রাইতে একটা পোস্ট দেওনের খায়েশ আছে... হক মাওলা !!

২০

শওকত মাসুম's picture


শুনলাম ডান ভুরুর ম্যাকআপ ম্যানরে নাকি খুঁজে পাওয়া যায় নাই। বামেরটা ছিল খালি। আফসুস। Crying

২১

রাসেল আশরাফ's picture


Rolling On The Floor Rolling On The Floor Rolling On The Floor Rolling On The Floor Rolling On The Floor Rolling On The Floor Rolling On The Floor Rolling On The Floor Rolling On The Floor Rolling On The Floor Rolling On The Floor

২২

শওকত মাসুম's picture


ভাল কথা, খালেদা জিয়ার সাথে এই আচরণ ঈভটিজিং-এর আওতায় পড়ে কীনা?

২৩

মেসবাহ য়াযাদ's picture


তাইলে কিন্তু খবর আছে দুলাভাই...

২৪

শওকত মাসুম's picture


আপনার আচরণ না, সরকারের আচরণের কথা কইলাম।

২৫

মেসবাহ য়াযাদ's picture


আপনে ভাই অফিসের কাম-কাইজ ফালাইয়া খালি ব্লগিং করলে চরবো ? খালেদারে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের কারনে জাতীয় অর্থনীতিতে তার প্রভাব সংক্রান্ত একখান লেখা কাইলকার অর্থনীতির পাতায় ঝটফট লেইখা ফালান... Wink

২৬

শওকত মাসুম's picture


কাজে মন বসে না খালি চক্ষে পানি চইলা আসতাছে। Crying

২৭

মেসবাহ য়াযাদ's picture


মন না বসলে অসুবিধা নাই। মনেরে দাঁড় করাইয়া রাখেন... দাঁড়াইয়া কম্পুতে লেখাটা রেডি কৈরা ফালান

২৮

রুবেল শাহ's picture


হক.....মাওলাটা কি আমার রেজি : করা Smile

২৯

জ্যোতি's picture


হায় হায়, কান্দে কেন?কাজল নষ্ট হয়ে যাবে তো!
কে বকেছে কে মেরেছে কে কেড়ে নিলো বাড়ি?তাইতো ম্যাডাম কাল দিয়েছে সকলের সাথে আড়ি।
দেশে কি দয়ামায়া উঠে গেলো নাকি? আমগো ম্যাডাম কান্দে আর ভাতিজা দেখি গড়াগড়ি হাসে! দেলোয়ার দেখলে খপর আছে।

৩০

রশীদা আফরোজ's picture


Shock

৩১

রশীদা আফরোজ's picture


Sad

৩২

মমিনুল ইসলাম লিটন's picture


ব্যাক্তির চেয়ে দল আর দলের চেয়ে দেশ যাদের কাছে বড়, তারা এখন দেশ ছেড়ে সাধারন একটি বাড়ী রক্ষার জন্য হরতাল করছেন কেন? তারা ভাল করেই জানেন হরতাল সফল হলেও পরদিন খালেদা ঐ বাড়ী ফিরে পাবেন না।। তারপরেও কেন এই ঘরমুখো মানুষের কথা ভাবলেন না্

৩৩

নাহীদ Hossain's picture


পোষ্ট চরম পছন্দ করলাম এবং আগা-গোড়া সহমত।

৩৪

ঈশান মাহমুদ's picture


বাড়ি রক্ষার জন্য হরতাল। ঈদ মৌশুমে এটা কিছুতেই কাম্য নয় ।কিন্তু সরকারের চুলকানিও কম নয়, উচ্ছেদ কার্যক্রমটা ঈদের পর করলেও চলতো। তাছাড়া খালেদা জিয়া শেখ হাসিনাকে গণভবন থেকে বের করে দিয়েছিলেন,তারই পাল্টা প্রতিশোধ এটা। এই প্রতিহিংশার রাজনীতি আমাদের কোথায় নিয়ে যাবে কে জানে !

৩৫

আবদুর রাজ্জাক শিপন's picture


এখন বা তখন না, ঈদ চাঁদ পূর্ণিমা বইলা কথা না । হরতালের রাজনীতির দিন শেষ ! একদিনের হরতালে দেশের যে পরিমাণ ক্ষতি হয়, এইসব রাজনীতিবিদরা তা কখনই ফিরায়া দিতে পারবো না ।

খালেদার বাড়ি ছাড়া নিয়ে নানারকম স্যাটায়ার হচ্ছে, তবে, কোর্ট যখন স্থগিত করছে, সে রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা দেখালেই বোধহয় ভালো হতো ।

সরকারের ইশারায় করিৎকর্মা আর্মি যা করছে, তার ফলে, ঠিক এই সময়ে বিএনপি নিজেগো অস্তিত্ব জানান দেয়ার লাইগা হইলেও হরতাল দিছে, কি আর করা !

ভোগান্তি সেই আমজনতার !

৩৬

রুবেল শাহ's picture


শিপু একটা কথা না বললেই নয়।
হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিলের করেছেন তারা কিন্তু রায়টা স্থগিত করার জন্য আপিলে আবেদন করেননি। আসলে বিএনপি ইচ্ছা করেই করা করেছে যাতে করে একটা ইস্যু খুঁজে পায়।

খালেদা আমার এলাকা থেকে নির্বাচিত প্রধান মন্ত্রী ছিলেন পর পর দুই বার । যে পথ টা দিয়ে তিনি তার এলাকায় যাবেন সে পথটা এত করুন দশা যে তিনি কখনো ছাগলনাইয়া তে যান নাই। এই হলো খালেদা ।
এই কথা বলার কারন হলো বাড়ির জন্য যে কান্না তিনি কান্তেছেন তা যদি তিনি দেশের কিংবা এলাকার মানুষের জন্য করতেন তাহলে তার দেখা দেখি সব সংসদরাই এলাকার জন্য কাঁদতে বাধ্য হতেন।

জয়তু খালেদা ...............

৩৭

অতিথি's picture


@টুটুল শেখ হাসিনা কে গনভবন থেকে কেয়ারটেকার সরকার লতিফুল বের করে দিয়েছিলেন, চারদল নয়, আর @ শওকত মাসুম, প্রথম আলোর সাংবাদিল হয়েছেন, জিয়া মারা যাবার পর ভিডিও দেখেন নি...বেগম জিয়া কিভাবে কেদেছিলেন.........।যাই হোক দেশের ''সব সমস্যার'' কেন্দ্রবিন্দু এই বাড়ি, আইনের মারপ্যচে সরকার নিয়ে ''সমস্যার সমাধান'' করতেই পারে, তাই বলে বিচারাধীন বাড়ী থেকে এইভাবে একজন কে বের করে দেওয়া টা কি ঠিক? সরকার বলছে দেশকে আধুনিক বানাবে, এইটাকি আধুনিক হওয়ার নমুনা ?

৩৮

আশফাকুর র's picture


@ভাই বা বোন অতিথি, শেখ হাসিনাকে লতিফুর সরকার বের করে দিসে-সেটা যেমন ভাল করেছে। তেমনি খালেদা জিয়াকে বের করাও খারাপ কিছু হয়নাই। যেটা ভুল হইছে সেটা হল সময়। এই সময় এটা না করে ঈদের পরে করলেও চলত। স্বামী মারা গেলে যেকোন বাঙালী ভদ্রমহিলাই কেঁদে বুক ভাসাবে। আর তা যদি হয় এমন করুণ মৃত্যু সেখানে কাঁদাটা অস্বাভাবিক কিছু না। এটা ভিডিও করে পরে দেখানোটা আবালামি যে

"শুধু বাড়ি না তিনি জিয়ার জন্য ও কাঁদছিলেন দেখ!!

" কিন্তু যার ঢাকায় একাধিক প্রাসাদসম বাড়ী আছে তার সেনানিবাসের পেটের মাঝে থাকার কি দরকার। খালেদা জিয়া দেশের এক মুক্তিযোদ্ধা ও সেনাপ্রধান (সাবেক) এর স্ত্রী মানি। কিন্তু তিনি এখন সিভিলিয়ান। আর একজন সিভিলিয়ান হয়ে স্বামী মারা যাবার পর একাধিক বাড়ী থাকা সত্বেও সেনানিবাসের ভিতরে থাকার কোন কারণ আমি দেখিনা। তারপর উনি আবার রাজনীতি করেন। একটি দলের প্রধান। তার বাসায় সবসময় নেতা কর্মীরা আসতে চাইবে। মানুষ কথা বলতে চাইবে। সেনানিবাসের ভেতর দিয়ে পাবলিকের যাওয়া এত সোজা না। সবার স্বামী আর্মি জেনারেল না বা সবার বাপ ও না। এটা করে উনি তো জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাবেন। বেগম খালেদা জিয়া বা হাসিনা তারা কে দেশকে কতটা ভালবাসেন তা আর নাই বা বললাম। স্মৃতি আঁকড়ে রাখার ইচ্ছা থাকলেও উপায় নেই। সেনানিবাসে বেসামরিক মানুষের এভাবে থাকার কোন যুক্তিও নাই। তাই এভাবে মেকাপ মেরে না কেঁন্দে বরং সিভিলিয়ান মানুষের মাঝেই খালেদা জিয়ার থাকা উচিত- এতে "জনগণের রাজনীতি(!!!!)" করতেও সুবিধা হবে।

৩৯

হাসান রায়হান's picture


সেনানিবাসে বেসামরিক মানুষের এভাবে থাকার কোন যুক্তিও নাই।

একটা কথা জানতে ইচ্ছা করছে। ক্যান্টনমেন্টে কি বেসামরিক লোক থাকতে পারে না।

৪০

আশফাকুর র's picture


অবশ্যই থাকতে পারে রায়হান সাহেব। কিন্তু যতদিন উর্দি গায়ে থাকবে ততদিন চৌদ্দ গুষ্টি নিয়ে থাকলেও কোন সমস্যা নাই। কিন্তু যেই ভাবেই হোক রিটায়রমেন্টের পর নিয়মের বাইরের কোন প্রিভিলেজ আশা করা ঠিক কি না জানতে ইচ্ছা করে। নিয়মানুযায়ী আর্মি অফিসার আর তাদের পরিবারের কি আজীবন ক্যান্টনমেন্টের পেটের ভিতর থাকার কথা? আর স্মৃতির কথা বললে তো এই বাংলায় ফি বছর গভর্ণমেন্টের হাই অফিসিয়ালদের জন্য নতুন বাংলো বানাতে হবে। কারণ প্রতিবার ই আগের অফিসারের স্মৃতিবিজরিত বাসভবন তার পরিবার এক টাকায় লিজ নেবে। অন্যায় হয়েছে। তার প্রতিকার তাই বলে কি হবেনা?

৪১

হাসান রায়হান's picture


আমার জানতে চাওয়ার কারণ হইল একটা জিনিস নিয়া চিন্তা করতাছি। সেইটা হইল, শুনছি এই যায়গায় নাকি ফ্ল্যাট বানাইয়া বিডিয়ারের হাতে নিহত আর্মি অফিসারের পরিবারদের দিবে। ওদের গায়ে নিশ্চয়ই উর্দি থাকবনা। পরে আবার কোনো ক্যাচাল শুরু হয় এইটা নিয়া। কেমনে কি!

৪২

আশফাকুর র's picture


ভাল। বাংলাদেশেতো আসলে এছাড়া আর জায়গা নাই। এগুলা সব রাজনৈতিক স্টান্টবাজি। পরে ভুগতে হবে সেসব পরিবার আর দেশের মানুষগুলাকে। এটা তো সোজা যে পাওয়ারপ্ল্যান্ট, সেনানিবাস এগুলা KPI। এখানে সাধারনের প্রবেশ নিষেধ।

৪৩

রশীদা আফরোজ's picture


কাউকে অপমান করার মধ্যে ভালো কিছু থাকতে পারে না।
চোখের পানি বা কান্না নিয়ে এভাবে মন্তব্য করাটা অমানবিক।
মেকাপের ব্যাপারটা নিয়ে আলোচনা কতখানি জরুরী বুঝতে পারছি না।

৪৪

আশফাকুর র's picture


কাউকে ই অপমান করা উচিত না। সেটা আমিও মানি রশিদাপু। আমি তাই সরকারের এই কাজ করার সময় ও অতি উৎসাহী মনোভাবেরও সমালোচনা করি। কিন্তু তাতে খালেদা জিয়ার এই বাড়ী হালাল হয়ে যায়না। আর কান্নার কথাটার কথা -থাক ওটার জন্য না হয় স্যরি। কিন্তু যার সামর্থ আছে সে কেন সেনানিবাসে একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি হয়েও থাকবে?

৪৫

হাসান রায়হান's picture


খালেদাকে এইভাবে বাড়ি থেকে বের করে দেয়াটা ন্যাক্কারজনক লাগল। একজন মানুষকে অপমান করা মানে নিজেরেও অপমান করা। বাড়ি ছাড়ার বিষয়টা আদালত ও খালেদার উপর ছেড়ে দেয়া যেত। হাসিনার মত প্রতিহিংসা পরায়ন, নিম্নরুচির, কুতসিৎ মানসিকতার মাতারি দেশের প্রধানমন্ত্রি ভাবতেই শরীর রি রি করে উঠে।

৪৬

সাহাদাত উদরাজী's picture


সাব্বাস গুরু!

৪৭

মেসবাহ য়াযাদ's picture


জনাব, হাসান রায়হান
খালেদাকে এইভাবে বাড়ি থেকে বের করে দেয়াটা ন্যাক্কারজনক লাগল। একজন মানুষকে অপমান করা মানে নিজেরেও অপমান করা। বাড়ি ছাড়ার বিষয়টা আদালত ও খালেদার উপর ছেড়ে দেয়া যেত... আপনার এই কথার সাথে একমতের পাশাপাশি হাসিনার মত প্রতিহিংসা পরায়ন, নিম্নরুচির, কুতসিৎ মানসিকতার মাতারি দেশের প্রধানমন্ত্রি ভাবতেই শরীর রি রি করে উঠে... এই কথার সাথে ঘোরতর দ্বিমত পোষণ করছি।

৪৮

সামী মিয়াদাদ's picture


আমি নিজেও ভুক্তভোগী। বিকেলে কিভাবে বাসার সবাইকে নিয়ে সিলেটের বাসে চড়ার জন্য মালিবাগ যাব তাই ভাবতেছি। ফালতু একটা হরতাল দিলো। প্রতিবাদের ভাষা বদলানো দরকার।

৪৯

ঈশান মাহমুদ's picture


একজন মানুষ কতটা অপমানিতবোধ করলে, লাঞ্চিত হলে জনসন্মুখে এভাবে কাঁদতে পারে সেটা আমি বুঝি, বুঝেননা কিছু জ্ঞান পাপী, উঠতি আওয়ামী বুদ্ধিজীবী। তারা দেখেন খালেদা জিয়া মেকাপ দিয়ে কাঁদলো, না মেকাপ ছাড়া কাঁদলো...। মানুষের কান্না দেখে যারা বিমল আনন্দ বোধ করেন ধিক্ তাদের বিকৃত রুচিকে। আজকের প্রধানমন্ত্রীকে যখন তারই ‘আন্দোলেনর ফসল’ ফখরদ্দিন সরকারের পুলিশবাহিনী ধাক্কা মেরে গাড়ীতে তুলেছিল, টেলিভিশনে সে দৃশ্য দেখে দেশবাসীর সংগে সংগে খালেদা জিয়াও মর্মাহত হয়েছিলেন,একজন নারী হয়ে নারীত্বের অপমান তিনি সহ্য করতে পারেননি, তাই তিনি সেদিন কঠোর ভাষায় তার প্রতিবাদ এবং নিন্দা করেছিলেন। আজ সে নারীর সংগেই প্রধানমন্ত্রী একজন নারী হয়ে যে আচরন করলেন, তার নিন্দা করার ভাষাও আমার নেই। খালেদা জিয়াকে আইন-আদালেতের দোহাই দিয়ো উচ্ছেদ করা হলো, অথচ খালেদা জিয়ার আপিল আবেদন কোর্ট এখেনো নিস্পত্তিই করেনি। প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আগ্রহই এখানে মুখ্য। হরতাল দিয়ে দিয়ে মানুষের জীবন অতিষ্ঠ করে ক্ষমতায় এসে যারা হরতালের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষনা করেন ধিক তাদের ভন্ডামীকে। হরতাল সবসময়ই একটি ধ্বংসাত্নক কমৃসূচি। @হাসান রায়হান:সমালোচনা অবশ্যই মার্জিত হওয়া উচিৎ।

৫০

আশফাকুর র's picture


টেলিভিশনে সে দৃশ্য দেখে দেশবাসীর সংগে সংগে খালেদা জিয়াও মর্মাহত হয়েছিলেন,একজন নারী হয়ে নারীত্বের অপমান তিনি সহ্য করতে পারেননি, তাই তিনি সেদিন কঠোর ভাষায় তার প্রতিবাদ এবং নিন্দা করেছিলেন।

৫১

মেসবাহ য়াযাদ's picture


জনাব ঈশান মাহমুদ
আজকের প্রধানমন্ত্রীকে যখন তারই ‘আন্দোলেনর ফসল’ ফখরদ্দিন সরকারের পুলিশবাহিনী ধাক্কা মেরে গাড়ীতে তুলেছিল, টেলিভিশনে সে দৃশ্য দেখে দেশবাসীর সংগে সংগে খালেদা জিয়াও মর্মাহত হয়েছিলেন,একজন নারী হয়ে নারীত্বের অপমান তিনি সহ্য করতে পারেননি, তাই তিনি সেদিন কঠোর ভাষায় তার প্রতিবাদ এবং নিন্দা করেছিলেন।
সত্যিই নিন্দা করেছিলেন। কেন জানেন ? কারন তখন তিনিও গদীর বাইরে। পাছে তাকেও এই পরিস্থিতির স্বীকার হতে হয়, এই ভয়ে তার এই ভুমিকা...

৫২

সাহাদাত উদরাজী's picture


ঈশান, তোমার তুলনা তুমি নিজে।

৫৩

নাজমুল হুদা's picture


খুবই সুন্দর ও প্রাঞ্জল করে বলেছেন । একমত ।

৫৪

অতিথি's picture


কী অবিশ্বাস্য দ্রূততায় বাড়িটি খালি করা হল। একবার শুধু ভাবুন, এই তৎপরতাটি যদি আমরা ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ তারিখে দেখতে পেতাম, তাহলে আমাদের কতজন সন্তান বেঁচে যেত? ভেবে দেখুন তো, এই তৎপরতা যদি আমরা সেদিন দেখতাম, আমাদের কতগুলো পরিবার কলংকের হাত থেকে রক্ষা পেত? সরকার কি তাদেরকে বাঁচানোর জন্য গতকালের তৎপরতার দশ ভাগের এক ভাগও দেখাতে পারত না?এসব হিসাব-নিকাশ সব বাংলাদেশিদের হাতে ছেড়ে দিয়ে বলতে চাই, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ

৫৫

অতিথি's picture


@আশফাকুর আমি শওকত মাসুমের ''জিয়া মারা যাওয়ার পরেও খালেদা জিয়াকে এভাবে কাঁদতে দেখে নাই'' কথার প্রেক্ষিতে ভিডিও এর কথা বলছি।,মেকাপ নিয়ে শওকত মাসুম সহ অন্য যারা হাসাহাসি করতেছেন তাদের প্রতিউত্তর দেয়ার ভাষা জানা নাই।।

৫৬

মেসবাহ য়াযাদ's picture


জনাব/জনাবা অতিথি
দয়া করে স্বনামে আসুন। একটু বাতচিৎ করি !

৫৭

রাসেল আশরাফ's picture


ভাই/বোন অতিথি

বিরোধীদলের নেত্রী,তিনবারের প্রধান মন্ত্রী,সাবেক সেনা প্রধানের স্ত্রী যেভাবে বাড়ির জন্য কান্নাকাটি করছেন তার জন্য হেসেছি। এই কান্নাটা একবার জনগনের জন্য কাদঁতেন একবার আপনার মতে ২৫শে ফেব্রুয়ারীতে নিহত সেনা দের জন্য কাদঁতেন তাহলে মানাতো।

অফিসে এসে তিনঘন্টা মিটিং করে সাংবাদিকদের সামনে যদি কাগজ দেখে বলতে হয় আর কান্নাকাটি করতে হয় তাহলে হাসি আসবেই।

আর এই ঘটনা যদি কাল না হয়ে ৩০শে নভেম্বর হতো তবুও একই নাটক হতো। একই কান্নাকাটি হতো আর হরতাল আরো বেশী পাইতেন।

৫৮

শওকত মাসুম's picture


বাড়ি নিয়ে একজন নেত্রীর এরকম কান্না আমার কাছে চরম কুৎসিৎ দৃশ্য মনে হয়েছে।

৫৯

ঈশান মাহমুদ's picture


শওকত মাসুম ভাই, আপনার কাছে ভিকটিমের কান্নাটাই কুৎসিত লাগলো! একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সংগে যে আচরন করা হলো,যে প্রক্রিয়ায়,যে অস্বাভাবিক দ্রুততায় তাকে উচ্ছেদ করা হলো তাকে কি কুৎসিত মনে হয়নি ! এতো একধরনের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস !

৬০

সাহাদাত উদরাজী's picture


খোমেনী ইহসান নামের একজন ব্লগারের একটি রচনা পড়েছিলাম গতকাল। আমার মনে দাগ কেটেছে। আপনাদের জন্য তুলে দিলাম। দয়া করে পড়ে দেখুন। খোমেনী ইহসান মনে হয় ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ে সংবাদিকতা বিভাগে পড়ে। দেখুন তার স্বচ্ছ চিন্তা।

১।
দুনিয়াদারির স্বভাব জানা আছে। যারে নৈর্বত্তিকতা বলে শনাক্ত করি। তাই জানি কী কেন ঘটে, কোন মহাজনে ঘটায়। তাই আশে পাশে তাকাই না। নিজের দিকেই তাকিয়ে থাকি। আর ভাবি, সাবজেক্টিভিটি দিয়া কেমনে ঘটনা প্রবাহকে নিজের করে নেওয়া যায়। আবেগ তাই আমাকে স্পর্শ করে না। হাসি-কান্না ছুয়ে যায় না। ভাবলেশহীণ বোঝার চেষ্টা করি, কী কেন ঘটছে।

স্বীকার করে বলি। আজ প্রচন্ড আবেগাক্রান্ত হয়ে পড়েছি। বুক চাপড়াইতে ইচ্ছা করতেছে। এতো বড় সন্ত্রাস দেখে, সেই সন্ত্রাস কে কেন ঘটাইতেছে এবং এর নৈর্বত্তিক বয়ানটা জানার মধ্যে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারছি না। ভীষণ মন খারাপ আমাকে কাবু করে ফেলেছে।

খালেদা জিয়াকে ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে যেভাবে উত্খাত করা হলো এই জিনিশটা কোন ভাবেই মেনে নিতে পারতেছি না। কারণ সামরিকতা, রাজনীতি, দলাদলি, ইহুদিবাদ, ক্ষমতা ও কর্তৃত্ত্বের খাসলত দিয়া বিষয়টা ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না। বিষয়টার মধ্যে দেখছি ভয়ঙ্কর নিষ্ঠুরতার আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠার দাগ-চিহ্ন। ১৯৭১ সালের পাকিস্তানী হানাদাররা আজ বাংলাদেশের উর্দি পরে আবারো সন্ত্রাসে লিপ্ত হয়েছে। বর্বর শক্তিমত্তা তাক করেছে একজন বন্দিনী নারীর প্রতি। এই বন্দিনীদের প্রতি আমরা ইতিহাসের কোন কালে সুবিচার করিনি। পাকিস্তানীরা যে অন্যায়ের সূচনা করে গিয়েছিল তা অব্যাহতই আছে।

তাই বাংলাদেশের ক্ষমতা মধ্যে সক্রিয় নিষ্ঠুরতার টার্গেট হিশেবে খালেদা জিয়াকে খুঁজে পাওয়া আমার জন্য সুখের ঘটনা না । আমি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক উত্থানের মধ্যে ধামাচাপা পড়া রোদনের যতটুকু হদিশ জানি খালেদা জিয়াকে বন্দুকের মুখে নিজ আবাস থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার মধ্যে সেই রোদনকে আরো ধামাচাপা পড়ে যেতে দেখছি।

জানিনা, নির্মমতা প্রসূত, নিষ্ঠুরতা প্রসূত অশ্রুবিন্দুর ময়না তদন্ত করে মানুষের কান্নাকে কতটুকু খুঁজে পাওয়া যায়। শুধু এতটুকু জানি কোন কোন সসয় মানুষের পৈশাচিকতা রাজনীতির নামে কান্নাকে হাপিশ করে দিতে পারে।

তাই সব পৈশাচিকতার বিপরীতে আবেগ রুখে দাড়িয়েছে। চোখের সামনে বুকের খাঁচা ভাগ হয়ে হৃদপিন্ড বেরিয়ে এসেছে। এই হৃদপিন্ড আমার আবেগকে ধারণ করতে না পেরে কুকরে যাচ্ছে।

২.
যারা খালেদা জিয়াকে আজ উত্খাত করেছে তাদের সঙ্গে সত্যি আমার মোকাবেলার ব্যাপার আছে। যেই সেনা কর্তৃপক্ষ, মন্ত্রীসভা ও আদালতের রায় একটি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ঘটিয়েছে তাদের সত্যিই কিছু বলা আছে।

তাদের উদ্দেশ্যে প্রথমেই বলে নিতে চাই-তোমরা আজ যাকে উচ্ছেদ করেছো সেই খালেদা জিয়া বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপার্সন নন। নন তিনি স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক সেনা প্রধান ও দেশের একমাত্র সফল রাষ্ট্রপতির স্ত্রী নন।

আপনারা তাকে কোন পরিচয় দিয়েই বিশিষ্ট নাগরিক করে তুলতে পারবেন না। তিনি অত্যন্ত সাধারণ এক জন নাগরিক। কারণ আপনারা প্রমাণ করে দিয়েছেন তিনি এমন এক খালেদা, যিনি অত্যন্ত সাধারণ এক নাগরিক। যার নাগরিক অধিকার নাই। যার পক্ষে বিচারপতির হাতুড়ি শব্দ করে না, সেনা বাহিনীর বন্দুকের ট্রিগার অস্থির হয়ে ওঠে না, নাগরিকগণের আবেগ-প্রতিবাদ সরব হয় না। এ দেশে তার মতো কোটি কোটি খালেদা রয়েছে। তাদের ইতিহাস সব সময় উচ্ছেদ করা হয়েছে। তাদের স্বামীরা খুন হলে বিচার হয় না। তাদের সন্তানরা থেকেও নাই হয়ে যায়।

আপনারা ভাবতে পারেন ভিটেমাটি থেকে উত্খাত হয়ে যাওয়া খালেদা জিয়ার জন্য বেহুদা আবেগকে ফেনায়িত করতে আমি তাকে সাধারণ নাগরিকের কাতারে নিয়ে আসতেছি। না। আসলে আমি খালেদা জিয়াকে আর সাবেক প্রধানমন্ত্রী বা বিরোধী দলীয় নেত্রী হিসেবে দেখতেছি না।

আমি খালেদা জিয়াকে দেখছি এমন এক বিপন্ন নারী হিসেবে-যাকে একটি সমরাস্ত্র সজ্জিত ক্যান্টনমেন্ট বন্দি করে রেখেছে। বন্দুকদারী সেনা সদস্যরা যাকে টেনেহেচড়ে ক্যান্টনমেন্টের বাইরে চালান করে দিতে প্রচন্ড ব্যস্ত। যার বাড়িতে দিনের আলো ছাড়া কোন আলো নাই। বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে। ট্যাপ থেকে পানি পড়ছে না। গ্যাসের চুলা জ্বলছে না। টেলিফোনের তারও কেটে দেয়া হয়েছে।

এমন ভয়ঙ্কর পরিবেশে বন্দি একজন বয়স্ক নারী কেমন থাকেন? যখন খবর রটে যায় তিনি শোয়ার ঘরের খিল আটকে বসে আছেন। বাইরে বন্দুকধারীরা হুমকি দিয়ে গেছে অনবরত- আপনি বেড়িয়ে যান। না হলে আমরা দরজা ভেঙ্গে আপনাকে বের করব।
জানি না খালেদা জিয়া কেমন ছিলেন। কিন্তু এসব জানার পর থেকে আমি তো ভালো নাই। আবেগের আগুণে পুড়ে যাচ্ছি। বন্দুকের সামনে নিরস্ত্র মানুষের আবেগ কোন কাজের ব্যাপার না। তাই নিজের অক্ষমতার জন্য খালেদা জিয়ার কাছে ক্ষমা চাই। এক মুক্তিযোদ্ধা জাতির তৃতীয় প্রজন্ম হিসেবে আপনার মতো বন্দিনী নারীর উত্খাত হয়ে যাওয়া দেখলাম শুধু। প্রচন্ড স্বশস্ত্রতা দিয়ে, মুক্তিযুদ্ধের ঝং ধরে যাওয়া হাতিয়ার নিয়ে দাড়াতে পারলাম না আপনার দরজার খিল আগলে দাড়াতে।

পারলাম না বলতে ১৬ ডিসেম্বর ঘটে যাওয়ার পরে টিক্কাখানের উত্তরসুরীদের সামরিকতা অকার্যকর, আগ্নেয়াস্ত্র অকার্যকর। মালেক মন্ত্রী সভার উত্তরসুরীদের সিদ্ধান্তের আমলযোগ্যতা নাই। পাকিস্তানী আদালতের উত্তরাধিকারেরও নাই কাউকে ভিটে থেকে উচ্ছেদ করার হুকুম জায়েজ করার।

পাপেরও প্রায়শ্চিত্ত দরকার হয়। আমার এবং আমার প্রজন্মের পাপের প্রায়শ্চিত্ত হবে কি না জানি না। তবে ইয়াহিয়া, নিয়াজী ও টিক্কা খানদের ওরসে; ইহুদাবাদের গর্ভে ও ভারতীয় সম্প্রসারণবাদের প্রতিপালনে বেড়ে ওঠা উন্মত্তাকে খালেদা জিয়ার পরিচয় জানিয়ে দেয়া দায় মনে করছি। কারণ এই খালেদারা বাংলাদেশের মানুষের অত্যন্ত আপনজন। তাদের ব্যথায় বাংলাদেশের সব মানুষের শরীরই টনটন করে। তাদের চোখের পানি ধারণ করতে সব মানুষের চোখই সজল হয়।

খালেদা জিয়া নারী মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিনিধি

ক্ষমতার সঙ্গে জড়িয়ে দেখতে দেখতে আমরা যেন ব্যক্তি খালেদা জিয়াকে ভুলে গেছি। অথচ এই বাংলাদেশে ব্যক্তি খালেদা জিয়ার পরিচয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি কার স্ত্রী, কার মা কিম্বা কোন দলের কী এই পরিচয়ের বাইরে গিয়ে যদি খালেদা জিয়াকে দেখি তাহলে নিশ্চয়ই আমরা হতভম্ব হয়ে যাব। আমরা যে কতো নীচ হীন একটি জনগোষ্ঠী সেই হীনমন্যতাও আমাদের কাবু করবে তার পরিচয় পেলে।

সবাইকে আমি অনুরোধ করছি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কালে। সেই সময় সামান্য ব্যতিক্রম ছাড়া আমাদের সব পুরুষেরা যুদ্ধে গিয়েছে। ব্যতিক্রমদের এক দল পাকিস্তানীদের দালালি করেছে। আরেক দল কলকাতা, আগরতলার বাঈজিখানায় রঙ্গরস করেছে। কিন্তু আমাদের নারীরা?

কেউ বাঈজিখানায় যায় নি। পাকিস্তানীদের দালালি করেন নি। আমাদের নারীদের একদল মুক্তিযোদ্ধাদের একদল যুদ্ধে যাওয়া স্বামী, পিতা ও ভাইয়ের সংসার সামলিয়েছেন। একদল প্রত্যক্ষভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছেন। আরেক দল স্বামী, পিতা ও ভাইয়ের যুদ্ধে যাওয়ার কারণে পাকিস্তানীদের হাতে বন্দি হয়ে অন্ধকার প্রকোষ্ঠে দিনের পর দিন নিপীড়িত হয়েছেন।

আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ত্যাগের পরিমাণ লিঙ্গভেদে বিচার করলে নারীর ভাগ সব পুরুষ বাংলাদেশীর চেয়েও বহু পরিমাণে বেশি হবে। কারণ যুদ্ধ ও আগ্রাসনে সবেচেয়ে বেশি মূল্য দিতে হয় নারীকেই।

মুক্তিযুদ্ধে সবেচেয়ে বেশি মূল্য দিয়েছেন এমন নারীর সংখ্যা প্রচলিত বয়ান মতে ২ লাখ। তাদের মধ্যে বেশির ভাগ যৌন নিপীড়ন ও শারিরীক আঘাতের শিকার হয়েছেন। কিন্তু এই নারীদের মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য সবচেয়ে বেশি অভিনন্দন, পদক, পদবী ও সম্মানের দেওয়া হয়নি। পুরুষতান্ত্রিক ক্ষমতা সবেচেয়ে বেশি মূল্যায়ন পুরুষ মুক্তিযোদ্ধাদেরই করেছে।

সম্মান তো দেয়ার কথা নারী মুক্তিযোদ্ধাদের বীরাঙ্গণা যে পদবী দেওয়া হয়েছ, কোন ধরনের ভদ্রতার বালাই না রেখে সেইটা নিয়াও প্রকাশ্যেই তাদের অপমান, অবমাননা ও অপবাদ দেওয়া হয়। মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানীদের হাতে বন্দি নারীদের সবাই যৌন নিপীড়নের শিকার হননি। কেউ কেউ হয়েছেন। যারা হয়েছেন তারা স্বেচ্ছায় হননি। বন্দুকের নলের মুখে ধরে নিয়ে গিয়ে তাদের নিপীড়ন করা হয়েছে। কিন্তু পুরুষতান্ত্রিক লিঙ্গ সাম্প্রদায়িকতার বাংলাদেশে এমন একটি পরিস্থিতি তৈয়ার করা হয়েছে যে মুক্তিযুদ্ধের জন্য কোন নারীর অবদান আছে সেই ব্যাপারটাও ধামাচাপা দেওয়ার একটা চেষ্টা সর্বান্তকরণেই চলে। এমনটি ঘটানো হয় মূলদঃ মুক্তিযুদ্ধের জন্য সবচেয়ে বেশি ত্যাগ করার দাবি নিয়ে কোন নারী যেন বাংলাদেশে মাথা উচু করে দাড়াতে না পারে সেই বিশেষ উদ্দেশ্যে।

এই উদ্দেশ্য মনে রাখলেই খালেদা জিয়ার মুখ ভেসে আসে আমাদের সামনে। আমাদের পুরুষতান্ত্রিক উদ্যত্ত ও অহম যেন মুখ থুবড়ে পরে। কারণ খালেদা জিয়া বাংলাদেশের নারী মুক্তিযোদ্ধাদের অন্যতম যিনি বাংলাদেশের বড় বড় অর্জনের নেতৃত্ব দিয়েৎছেন। যার ছায়া অনুসরণ করে এ দেশের পুরুষেরা গণতন্ত্র যাপনের সুযোগ পেয়েছে, যার ছায়া অনুসরণ করে এ দেশের নারীরা শিক্ষা ও শ্রমে পুরুষতন্ত্রকে পরাজিত করেছে। যার বিশেষ দেশপ্রেম বাংলাদেশকে আরেকটি সেনা শাসন থেকে রেহাই দিয়েছে।

আমরা যাখন বাংলাদেশের সব মানুষের সাফল্য ও যোগ্যতার বিচার করতে যাই তখন খালেদা জিয়ার সামনে এসে নিশ্চিতভাবেই হেরে যাই। আমার জানতে ইচ্ছে করে বাংলাদেশে এমন কোন পুরুষ আছে যাকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে তুলনা করা যায়। সচেতনভাবেই দু'জন মানুষের নাম বলি শেখ মুজিবর রহমান ও জিয়াউর রহমান। মাঠে থেকে খালেদা জিয়ার সংগ্রাম ও সাফল্যের সঙ্গে তারা কী তুলনীয় হতে পারবেন। স্বামীহারা দুইটা সন্তান নিয়ে কয়েকখন্ড হয়ে যাওয়া একটি রাজনৈতিক দলকে দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলে পরিণত করা, সামরিক শাসক এরশাদকে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য করা ও মুসলমানদের দেশে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কৃতিত্বের সঙ্গে মুজিব ও জিয়ার কি তুলনা চলে?

তবে খালেদা জিয়াকে আমি সব সময় দেখি রাষ্ট্র নামক নিপীড়ক যন্ত্রের সামনে ব্যক্তিমানুষের অসামান্য প্রতিরোধের সেনানী হিসেবে। যিনি তাকে তাড়াতে তাড়াতে শোয়ার ঘরে এসে আশ্রয় নিতে বাধ্য করা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের খাদেম গুন্ডা বাহিনীর চরিত্র সম্পর্কে আমাদেরকে হুশিয়ার করে গেলেন ইতিহাসের তিনটি বিশেষ নিষ্ঠুর সময়ে। ১. টিক্কাখানদের জল্লাদপনার সময়ে। ২. স্বৈরাচারী এরশাদের বদমাশ সময়ে। ৩. স্বৈরণী শেখ হাসিনার নতজানু সময়ে।

টিক্কাখানরা তাকে পালিয়ে থাকার বাসা থেকে ধরে নিয়ে বন্দিখানায় নিয়ে গেছিল। এরশাদের সময় গ্রেফতার এড়াতে হোটেল পূর্বাণীতে লুকিয়ে থাকার সময় তাকে ক্রেন দিয়ে হোটেলের দরজা ভেঙ্গে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আর আজ তাকে টেনে হেচড়ে নিজ শয়ন কক্ষ থেকে বের করে ধাক্কা দিয়ে গাড়িতে তুলে বাড়ি ছাড়া করা হয়েছে।

এই তিনটা সময় কেন নিষ্ঠুরতায় ভরপুর তা আমাদের বোঝা দরকার।

৬১

ঈশান মাহমুদ's picture


উদরাজী,তোমার ওপর খাপ্পা অইতেছিলাম একটা কিছু কইতাছনা দেইখা। এখন দেখছি সবচে আসল বক্তব্যটা তুমিই ছাড়লা। সাবাস বন্ধু। কিন্তু আমি ভাবতেছি, খোমেনী ইহসান,এ ভদ্রলোকরে না জানি আবার আওয়ামী বন্ধুরা মৌলবাদ বইলা গালি দেয়।

৬২

সুজয়'s picture


Rolling On The Floor Rolling On The Floor Rolling On The Floor
এই ছেলে শিবিরের। আর জামাত শিবির মানেই গদাম লাত্থি

৬৩

সাহাদাত উদরাজী's picture


ঈশান, এ ছেলেটা কে আমিও জানি না। সে কি দল করে তাও আমি জানি না। তার সাথে আমার কোন পরিচয় নাই। তার লেখাটা আমার ভাল লেগেছে এবং মনে হয়েছে সত্য বলেছে।

তবে তোমার কথা সত্য, সুজয় নামের বালক এসে জুটেছে! এবার মান সন্মান রাখা দায় হবে।

এ আলোচনায় আমি আর পা রাখছি না। ঝগড়া করা আমার কাজ নয়।

৬৪

সুজয়'s picture


বললেন না কিছু? সোনার বাংলা ব্লগে কি আদর্শের কারণে যান? নাকি পাশে যে জামাত-শিবির তাতে আপনার কিছুই যায় আসে না?

৬৫

সুজয়'s picture


উদরাজী সাহেবকে দেখা যাচ্ছে সোনার বাংলা ব্লগে। আপনি যদি ঐ ব্লগের আদর্শের মানুষ হয়ে থাকেন তাহলে ঐ ব্লগে থাকাই আপনার জন্য উত্তম।

৬৬

সাহাদাত উদরাজী's picture


সুজয়, আপনাকে চিন্তে পারলাম না। আমি সোনার বাংলায় না আরো ৮/৯ টা ব্লগে আছি। খাঁটি মুক্তিযোদ্দার ভাতিজা। আমাদের চোদ্দ গুস্টিতে রাজাকার নাই। এ ব্লগে আপনার ১ টা পোষ্ট এবং ১৩টি মন্তব্য!

আমাকে আর একটু চিনে মন্তব্য করুন। আপনার জন্য শুভ কামনা। সময় থাকলে চা খেয়ে যান।

৬৭

সুজয়'s picture


তাহলে সোনার বাঙলা ব্লগে লেখার রুচি আপনার হয় কী করে?
কিছু মনে করবেন না, সোনার বাংলা ব্লগ হলো জামাত-শিবিরের। সেখানে কেউ কেউ রিভার্স খেলতে যায়। আপনি কেন যান সেটাই জানতে চাইলাম।

৬৮

মীর's picture


উদরাজী ভাই সোনার বাংলায় শুধু না; এখানে, সামুতে, চতুরেসহ আরো বেশ কয়েক জায়গায় বিয়াপুক রকম সচল। তাকে সোনার বাংলায় ব্লগিংএর জন্য কোনোপ্রকার ভিন্নচোখে দেখা যায় না। সর্বোপরি তিনি আমাদের অনেকেরই সুপরিচিত ও ওয়েল-নোন একজন ব্যক্তি।

আর আরো একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে পড়ে গেল, এবি'র পরিবেশটা পুরোপুরি ব্লগীয় রাজনীতি মুক্ত একটা জায়গা। দারুণ লাগে এখানে ব্লগিং করতে। Love

৬৯

শওকত মাসুম's picture


এই রাজনীতি খালেদা জিয়াও করে আসছেন। আর অন্তত খালেদা জিয়াকে আমি সাধারণ ভিকটিম বলতে রাজী না। আমি নিশ্চিত আবার বিএনপি ক্ষমতায় আসলে এরকম কুৎসিৎ কিছু করবেন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে তারাও করবেন। একটা দলের নেত্রী, দুবারের প্রধানমন্ত্রী বাড়ির জন্য কাঁদছেন আর হরতাল দিয়েছেন-তারপর আবার সমবেদনাও চাইবেন?
জিয়ার কারণে এরকম কত ভিকটিম এই বাংলাদেশে আছে এবং ছিল সেই হিসেব কে দেবে? কত উদাহরণ লাগবে?

৭০

আবদুর রাজ্জাক শিপন's picture


মাসুম ভাই, আপনি বারবার 'বাড়ির জন্য কাঁদছেন' বলছেন, আমারতো মনে হচ্ছে অপমানের জন্য কাঁদছেন , আপনার মনে হচ্ছে না কেন ?

বিচারাধীন বিষয়টিতে আর্মি যেভাবে বলপ্রয়োগ করলো, সে প্রক্রিয়াটি আপনার কাছে অপমানকর মনে হচ্ছে না ?

আপনারাতো বিচার-বিচারক, বিচারের বাণী- আইন আদালত নিয়ে প্রচুর লেখে থাকেন , আপনার কেন মনে হচ্ছেনা, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা মামলিটিতে আরো কিছুদিন অপেক্ষা করা যেতো, আপিলের চূড়ান্ত রায় পাওয়া পর্যন্ত ? আদালতের রায়ের প্রতি সম্মান দেখানো সবারই উচিত এটা আপনার মনে হচ্ছে না কেন ?

৭১

আবদুর রাজ্জাক শিপন's picture


*মামলাটি

৭২

শওকত মাসুম's picture


গত ৩০ বছর ধরে হাসিনা ও খালেদা যে রাজনীতি করে আসছেন তাতে খালেদা জানেন যে, তাকে এবার বাড়ি ছেড়ে দিতেই হবে। গণভবন নিজের নামে লিখে নেওয়ার পরেও সেখানে থাকতে পারেননি হাসিনা। সুতরাং এর প্রতিশোধ যে নেওয়া হবে এটা বুঝতে না পারার কোনো কারণ নেই। সুতরাং অপমান জ্ঞান থাকলে তিনি আগেই ছেড়ে দিতে পারতেন। তারপরও দেননি। কারণ তিনি মনে করেছিলেন যেখানে আছেন, তার চারপাশেররা তাকে উচ্ছেদ করতে দেবে না। সেই ভরসা তার ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যখন দেখলেন তাহারা সহায়তা করছে না তখন তাদের দিকে তাকিয়ে খালেদা জিয়াকে বলতে হয়েছে ‌‌' অকৃতজ্ঞ কুকুর'।
যে সংস্থাকে নিজে ক্ষমতায় থাকতে ব্যবহার করেন, তারা যে অন্য যারা ক্ষমতায় থাকেন তাদের দ্বারাও ব্যবহৃত হন সেটি কি জানেন না খালেদা জিয়া?

এরকম খোলামেলা ফোরামে সব কথা আলোচনা করা সম্ভব না।

এরপর যদি বিএনপি আবার ক্ষমতায় আসে, আমি নিশ্চিত শেখ হাসিনার জন্যও হয়তো এর চেয়েও খারাপ কিছু করতে বিএনপিও পিছপা হবে না।

সুতরাং তাদের বিশাল অপমানজ্ঞান আছে এই বাক্যে আমার কোনো ভরসা নাই।

তারপরেও আমার কথায় কেউ আহত হলে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।

৭৩

আবদুর রাজ্জাক শিপন's picture


৩০ বছর ধরে তাদের রাজনীতি এবং ভবিষ্যতে আরো কি কি হবে, তা অনুমেয় । তবে, আমাদের আলোচ্য বিষয় বর্তমান । আমরা দিন বদলের সুরেলা গান শুনছি, যেইটা প্রকটভাবে বেসুরে হয়ে উঠছে ।

কুকুর কামড় দিছে সেইটা আমরা জানি, দিন বদলের গানে আমরা আশ্বস্ত হই যে, কুকুররে কামড় দিতে মানুষ যাবেনা, কিন্তু আমরা উল্টাটাই দেখি ।

কেউ আহত হইছে কিনা জানিনা, আমি আহত হইনা এইসব দেখে, হাসিনা -খালেদার ভক্ত না বইলা, আহত হবার বোধ কাটায়া উঠতে পারি । তবে, বিরক্ত হয়, বিবেকদের দেখলে, যারা হয়তো ধরেন, আইনের শাসন নিয়া কলমবাজী করে, আদতে আইনের শাসনে বিশ্বাস করেনা !

৭৪

শওকত মাসুম's picture


দিন বদলের কথায় ভরসা পাইছিলেন দেখে মজা পাইলাম।

৭৫

শওকত মাসুম's picture


রাজনৈতিক কান্না কাটিতে আমার কোনো আস্থা নাই। রাজনৈতিক কান্না কাটি অতি কুৎসিৎ।

৭৬

ঈশান মাহমুদ's picture


১.এইসব রাজনীতিবীদেরা হলো ভন্ড। পায়জামা ঢিলা দোলোয়ার গং এসবই করতে পারবে।নাগরিক ইস্যু লইয়া ভাবনের টাইম কই? ২.চক্ষে পানি চইলা আসছে।
(জিয়া মারা যাওয়ার পরেও খালেদা জিয়াকে এভাবে কাঁদতে দেখে নাই কেউ ৩.দুলাভাইয়ের মন্তব্যের কারনে মনটা বড়ই ভাল হয়ে গেল। এতটাই ভাল যে, আমি সবতেরে আপন টাকায় ল্যাবএইডের খিচুড়ি খাওয়াইতে চাই... আফসুস, এখন না। ঈদের পরে.. ৪.খালেদাকে এক কাপড়ে কেন বের করা হলো বাড়ি থেকে .......... হরতাল হরতাল ৫.পরানের বাপ ইস্মার্ট মানুষ , লুংগি না পাজামা ও ফিতা সামলাইতে ব্যাস্ত ৬.শুনলাম ডান ভুরুর ম্যাকআপ ম্যানরে নাকি খুঁজে পাওয়া যায় নাই। বামেরটা ছিল খালি। আফসুস। ৭.আপনারা মানুষ!!!!!!!!!আওয়ামীলীগের মতো আপনারাও কাফের হয়ে গেছেন।দেশনেত্রীরে এক কাপড়ে বের করে দিসে (খালি একটু সাজুগুজু করার টাইম পাইছিলো) ।

৮.ভাল কথা, খালেদা জিয়ার সাথে এই আচরণ ঈভটিজিং-এর আওতায় পড়ে কীনা? ৯.হায় হায়, কান্দে কেন?কাজল নষ্ট হয়ে যাবে তো!
কে বকেছে কে মেরেছে কে কেড়ে নিলো বাড়ি?তাইতো ম্যাডাম কাল দিয়েছে সকলের সাথে আড়ি।
১০.দেশে কি দয়ামায়া উঠে গেলো নাকি? আমগো ম্যাডাম কান্দে আর ভাতিজা দেখি গড়াগড়ি হাসে! দেলোয়ার দেখলে খপর আছে। ১১.লুঙ্গি সামলাইয়াই তো কুল পাইতেছে না পবনের বাপে
১২.খালেদাকে এইভাবে বাড়ি থেকে বের করে দেয়াটা ন্যাক্কারজনক লাগল। একজন মানুষকে অপমান করা মানে নিজেরেও অপমান করা। বাড়ি ছাড়ার বিষয়টা আদালত ও খালেদার উপর ছেড়ে দেয়া যেত। হাসিনার মত প্রতিহিংসা পরায়ন, নিম্নরুচির, কুতসিৎ মানসিকতার মাতারি দেশের প্রধানমন্ত্রি ভাবতেই শরীর রি রি করে উঠে।

৭৭

রাসেল আশরাফ's picture


সারাংশ দিয়ে কি বুঝাতে চাইলেন বুঝলাম না।

৭৮

ঈশান মাহমুদ's picture


সারাংশের মাধ্যমে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ,আর কটুক্তিতে বন্ধুদের স্বভাবসুলভ দক্ষতাকেই হাইলাইট করলাম মাত্র। নিজের একটা মন্তব্য জুড়ে দেয়ার ইচ্ছে থাকলেও পরে আর প্রবৃত্তি হলো না।

৭৯

মেসবাহ য়াযাদ's picture


রায়হান ভাইকে উদ্দেশ্য করে আমার করা ৪৭ নং কমেন্টসটা উল্লেখ করলে আনন্দিত হতাম @ ঈশান। আপনার এবং আপনাদের অবগতির জন্য নিচে তুলে দিলাম...

খালেদাকে এইভাবে বাড়ি থেকে বের করে দেয়াটা ন্যাক্কারজনক লাগল। একজন মানুষকে অপমান করা মানে নিজেরেও অপমান করা। বাড়ি ছাড়ার বিষয়টা আদালত ও খালেদার উপর ছেড়ে দেয়া যেত... আপনার এই কথার সাথে একমত

৮০

শওকত মাসুম's picture


গুড জব। কমপাইলেশনটা ভাল হইছে।

৮১

আশফাকুর র's picture


মাসুম ভাই একটা সোজা ব্যাপার বুঝিনা দেশ টা কোন জায়গায় গেসে-এখন তো কোন অপরাধীকে শাস্তিও দেয়া যাবেনা কারণ তার অপমান হবে। মানি যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আলীগ এটা করেনি।তাদের কারণ প্রতিহিংসার রাজনীতি। আবার বিএনপি আসলে তারা ও একাজ করবে। It is out of the hands of stupid common mass. And most of us are the stupid Common mass. এই দেশের মানুষ জনসভা করতে ট্রেনের তলায় পড়বে এতে আশ্চর্য হয়ার কিছু নাই। আসলেই নাই।

৮২

অতিথি's picture


ঈশান মাহমুদ | নভেম্বর ১৪, ২০১০ - ৬:৪৫ অপরাহ্ন

উদরাজী,তোমার ওপর খাপ্পা অইতেছিলাম একটা কিছু কইতাছনা দেইখা। এখন দেখছি সবচে আসল বক্তব্যটা তুমিই ছাড়লা। সাবাস বন্ধু। কিন্তু আমি ভাবতেছি, খোমেনী ইহসান,এ ভদ্রলোকরে না জানি আবার আওয়ামী বন্ধুরা মৌলবাদ বইলা গালি দেয়।

যারা সামুব্লগ থেকে ব্লগিং শুরু করেছেন সেই পুরোনো ব্লগাররা, ঢাবির জার্নালিজম এর ষ্টুডেন্টরা - এরা মোটামুটি অনেকেই জানেন ঢাবির জার্নালিজম এর এক্স-ষ্টুডেন্ট খোমেনী ইহসান এর রাজনৈতিক পরিচয়। শেষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ঢাবিতে এই ছেলে লীগ ও দলের বাইরে শিবির সমর্থিত একটি তৃতীয় ধারা চালুর চেষ্টা করেছিল 'নির্যাতন বিরোধী ছাত্র' বা এই ধরনের একটি সংগঠনের ব্যানার ব্যবহার করে। কিন্তু ব্লগ ও বাস্তব জীবনে তার প্রচার প্রপাগান্ডা কোনটাই খুব একটা কাজে আসে নাই। ব্লগে ও বাস্তবজীবনে সুবিধা করতে না পেরে সে এখন জামাতী ছাগুদের সোনাব্লগে ও নিজের ফেসবুকেই একটিভ।     

     

৮৩

জ্যোতি's picture


যত্তসব। বাড়ী, নারী,চোরাই কারবারী, অস্ত্রপাচার, দেশের সব কিছু নিজের বাপ দাদার ভাবাটা হইলো ক্ষমতায় যে যাবে সেই দলের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। খামাখা আমাদের কেচাল করে লাভ নেই। খালেদা জিয়ারে এই বাড়িতে থাকতে দিতে হবে কেন? উনার এবং উনার সুপুত্রদের থাকার জায়গা নাই? উনার জন্য মিন্টু রোডের বাড়ী আছে সেখানেই থাকলেই তো হয়। পরে আবার ক্ষমতায় আসলে এই বাড়ি সহ আরো কয়েকটা লাগলে সেইগুলাও নিবে। কয়টাদিন ধ্যৈর্য় ধরতে না পরলে চলবে?
ম্যাডামের সাজগোজ নিয়া হাসাহাসি করায় অনেকেই মনক্ষুন্ন হলেন। উনার সাজগোজটা কি চোখে লাগার মতোই না? সে যাই হোক। এটা তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার। তবে যারা খুবই কষ্ট পেলেন তারা মনে করে দেখুন, এর আগেরবার যখন বি এন পি ক্ষমতায় গেলো তখন জয়ের কি পৈশাচিক উল্লাস ছিলো! কোথাও কোথাও কোন নারীকে ইজ্জত বাঁচানোর জন্য পুকুরে ঝাঁপ দিতে হয়েছে।ম্যাডাম কি বুঝেছিলেন সেইসব নির্যাতনের ব্যাথা? নিজের ছেলেরা যে ৫ বছর লুটেপুটে খেলো তখন কি উনি ঘুমায়া ছিলেন?এসব উনাদের বুঝতে হয় না। খালি নিজের একচুল নড়চড় হলে দেশ অচল করে দিতে পারেন, মায়াকান্না কানতে পারেন। ফালতু ।
এই দেশটা রাজনীতিবিদদের ভোগের জন্য।তারা যা করার করে। আমরা আমজনতা ক্যাচাল করে কি লাভ? আমাদের জীবন যা থাকে তাই।মাঝে মাঝে তাগো থেইকা এক্টু বিনোদোন পাইলে ক্ষতি কি?

৮৪

তানবীরা's picture


আমি কি করে যেনো সবসময় সিনেমার পুলিশের মতো লাষ্ট সীনে উপস্থিত হই।

১. খোমেনী ইহসানের বক্তব্য পড়ে আবার অনুভব করলাম জীবনে কতো কি অজানা রয়ে গেছে। এই যদি ঢাবি'র সাংবাদিক বিভাগের ছাত্রের সাংবাদিকতার নমুনা হয় তাহলে ভাগ্যিস ঐ বিভাগে পড়ি নাই। যেমন আবেগী লেখা তেমন তার পাঠক সস্প্রদায়। এই যদি হয় সাংবাদিক, নিরপেক্ষতা তাহলে চামচার কোন প্রয়োজনতো আর নেই।

২. খালেদার সাজগোজ নিয়ে অবশ্যই কথা বলতে আমার রুচিতে বাঁধে না। কারন তিনি ব্যাক্তিগত পার্টিতে কি মেকাপ করেন সেটার আলোচনা এখানে হচ্ছে না। তাকে যখন জনগনের নেত্রী বলা হয় তখন অবশ্যই জানতে হবে জনগনের কোন জিনিসটার ওনি প্রতিনিধিত্ব করেন? বাংলাদেশের কোন জনগনের দাদী ছেষট্রি বছর বয়সে ভুরু একে ঘুরেন? এতো সমালোচনা হয় ওনার মেকাপ নিয়ে, ওনি ড্যাম কেয়ার। হরতালে জনগনের ভোগান্তির তোয়াক্কা যেমন ওনি করেন না, মেকাপ নিয়ে লোকে কি ভাবে তাতেও তার বয়ে গেলো।

৩. বাড়ি ছাড়ার জন্য কার্টন, প্যাকেট সব একমাস আগে থেকেই সব জায়গায় পাচার করে আসছেন। তাহলে নাটক করে না বেড়োলেই কি চলতো না? হাসিনার নাটক যেমন নিন্দাযোগ্য তারটা কি? কাঁদলেই সব সমস্যার সমাধান হয় না।

৪. যে পরিমান রাজকীয় সুবিধা ওনি ভোগ করেছেন আমাদের টাকায়, তা বাংলাদেশের আপামর জনসাধারন কেনো, হাসিনার চৌদ্দ গুষ্টিও চোখে দেখে নাই কোনদিন। পুরো সৌদির হেরেম শরীফে থাকতেন দেখা যায়। আমরা সারাজীবন তিন কাঠা জায়গার জন্য পরিশ্রম করব আর ওনি ১৬৮ কাঠা জায়গা ভোগ দখল করবেন, কার পয়সায়? কেনো? বরং ৪০ বছরের ভাড়া ও অন্যান্য খরচ তার এখন সরকারকে ফিরিয়ে দেয়া উচিত। তার এখন সেই সার্মথ্য আছে।

৫. লন্ডন, ব্যাংককের মতো জায়গায় তার ছেলেরা পরিবার নিয়ে বাস করছে, কোন উপার্জন নেই কিন্তু খরচ করছে। এটাকা কোথা থেকে আসছে? আমাদের টাকা আমাদের ফিরিয়ে দাও।

৬. জনগনের জন্য রাজনীতি করতে আসলে তাদের জন্য কিছু করো। নিজেরাই যদি কান্নাকাটি করে আমাদের দয়া ভিক্ষার পজিশনে থাকো তাহলে বলবো, মাফ করো।

ধন্যবাদ সবাইকে ।

৮৫

শাওন৩৫০৪'s picture


হরতালডা সপ্তাহ খানেক আগে ডিক্লায়ার করলে লোকজন আগে বাড়ি যাইতে পারতো!
আর হরতাল অনেক অনেক দিন পরে হৈলো, সেলিব্রেট করার ভালো সুযোগ দেয়া দরকার ছিলো!

৮৬

রন্টি চৌধুরী's picture


এই একটা ব্লগই রয়ে গেছে যেখানে রীতিমত পারিবারিহ আবহে ব্লগিং করা যায়। যেখানে রাজনৈতিক ঝামেলা নেই। যেখানে কোন নির্দিষ্ট দলের জনসমর্থন বাড়ানোর জন্যে পোষ্ট রিপোষ্ট করা হয় না প্রপাগান্ডা চালানো হয় না যদিও বা এখানকার সবারই যার যার রাজনৈতিক সমর্থন আছে কোন না কোন দলের প্রতি।

সেই পরিবেশ যেন নষ্ট না হয়ে যায়। সাধু সাবধান !

৮৭

নাজমুল হুদা's picture


সাধু সাবধান !

৮৮

আসিফ's picture


এই পোস্ট মিস করে গিয়েছিলাম!!

সরকারের আচরণ অনুদার মনে হয়েছে। হরতাল দেওয়াটাও শুভ বুদ্ধির কাজ হয়নি।
(উভয়কূল রক্ষাকারী মন্তব্য হয়েছে। Wink Wink )

রন্টি চৌধুরীর মন্তব্যের সঙ্গে সহমত।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

টুটুল's picture

নিজের সম্পর্কে

আমি আছি, একদিন থাকবো না, মিশে যাবো, অপরিচিত হয়ে যাবো, জানবো না আমি ছিলাম।

অমরতা চাই না আমি, বেঁচে থাকতে চাই না একশো বছর; আমি প্রস্তুত, তবে আজ নয়। আরো কিছুকাল আমি নক্ষত্র দেখতে চাই, শিশির ছুতেঁ চাই, ঘাসের গন্ধ পেতে চাই, বর্ণমালা আর ধ্বনিপুঞ্জের সাথে জড়িয়ে থাকতে চাই, মগজে আলোড়ন বোধ করতে চাই। আরো কিছুদিন আমি হেসে যেতে চাই।

একদিন নামবে অন্ধকার-মহাজগতের থেকে বিপুল, মহাকালের থেকে অনন্ত; কিন্তু ঘুমিয়ে পড়ার আগে আমি আরো কিছু দুর যেতে চাই।

- হুমায়ুন আজাদ