ইউজার লগইন

আজকের ডায়লগ : কত নাই?

পয়লাই একটা গফ শুনেন... ব্যাপক প্রচলিত... অনেকেই জানেন

এক শহরে বানরের প্রচুর উপদ্রব ছিল। শহরবাসী বানরের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিল। হঠাৎ হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার মতন এক ব্যাবসায়ীর আবির্ভাব হলো। সে বল্ল আমি বানর ক্রয় করবো প্রতি বানর ১০ টাকা করে। শহরবাসী হুমরী খেয়ে পড়ল বানর ধরার জন্য। শত শত বানর ব্যাবসায়ীর খাচায় বন্দি হলো।ব্যাবসায়ী আবার ঘোষনা দিলেন, আরো বানর কিনবেন প্রতিটি ২০ টাকা করে। করে। শহরবাসী হুমরী খেয়ে পড়ল বানর ধরার জন্য। বানর প্রায় শেষ হয়ে আসলো। সবাই টাকা নিয়ে খুশি মনে ঘরে ফিরে গেল। ব্যাবসায়ী আবার ঘোষনা দিলেন, আরো বানর কিনবেন প্রতিটি ৩০ টাকা করে।শহরবাসী আবারো হুমরী খেয়ে পড়ল বানর ধরার জন্য। বানর একদম শেষ হয়ে গেলো। সবাই টাকা নিয়ে খুশি মনে ঘরে ফিরে গেল। ব্যাবসায়ী আবার ঘোষনা দিলেন, আরো বানর কিনবেন প্রতিটি ৫০ টাকা করে। কিন্তু শহর বাসী আর কোনো বানর খুজে পেলো না। সবাই আক্ষেপ করতে লাগ্লো যদি আরো বানর থাকতো!!! ব্যাবসায়ী পাশের শহরে চলে গেলেন এবং বলে গেলেন কেউ বানর ধরে দিতে পারলেই আমি ৫০ টাকা মুল্যে ক্রয় করবো, এবং আমার ম্যানেজারকে এখানে রেখে গেলাম। শহরবাসী বানর খুজে খুজে হয়রান হয়ে গেলো। ম্যানেজার বললেন আমি ৪০ টাকা দামে আমার হাতে খাচায় থাকা সব বানর বিক্রয় করতে পারি। আমার বস আসলে আপ্নারা ৫০ টাকায় বিক্রয় করতে পারবেন। শহরবাসী হুমরী খেয়ে পরলো তাদের বিক্রয় করা বানর গুলো কিনার জন্য। সব বানর বিক্রয় করা হয়ে গেলে ম্যানেজার গায়েব হয়ে গেলো। আর ঐ ব্যাবসায়ীর ও দেখা পাওয়া গেলো না। শহর বাসী হায় হায় করতে লাগ্লো।

গল্পটা মাসুম ভাইয়ের পুরানা একটা পোস্টে আছে : বাজারের নাম শেয়ার বাজার

৯৬ এ এই গল্পটা ব্যাপক জনপ্রিয় ছিল। আসেন এইবার একটা সংবাদের দিকে চোখ দেই

১০০ কোটি ডলার ঋণ দেবে আইএমএফ: বাংলাদেশের লেনদেনের ভারসাম্যের ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। এই চাপ মোকাবিলায় সহায়তা হিসেবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বাংলাদেশকে ১০০ কোটি ডলার ঋণ-সুবিধা দেবে।

আর এই ১০০ কোটি টাকা আইএমএফ থেকে নিতে গিয়ে যেটা করতে হলো বাংলাদেশ ব্যাংককে... CSR এর ২০০০ কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকে ডিপোজিট করাতে হলো। ডিপোজিটের টাকা কোথা থেকে আসলো? অবশ্য শেয়ার মার্কেট Smile... বাঁশটা কারা খাইলো? আমপাব্লিক Smile

এ সময় ব্যাংক খাতকে পুঁজিবাজারে অস্থিরতার ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে এই আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংককে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সঙ্গে মিলে পদক্ষেপ নেওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হয়। ডেভিড কোয়েন বলেন, আইএমএফ বাংলাদেশের আর্থিক খাতের আরও সংস্কার দেখতে চায়। আর এই সংস্কারের ক্ষেত্রে আর্থিক খাতের কর্মকাণ্ডে নজরদারি ও তদারকি বাড়ানো খুব জরুরি। বিশেষত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যেন নতুনভাবে নির্ধারিত পর্যাপ্ত মূলধন অনুপাত রক্ষা করে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

সম্প্রতি পুঁজিবাজারে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংশ্লিষ্টতা বেড়ে যাওয়ায় তা এই খাতের জন্য ঝুঁকি বাড়িয়ে উদ্বেগের কারণ হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
ডেভিড কোয়েন বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যে এই ঝুঁকি কমাতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে, যা ব্যাংকগুলোকে যথাযথভাবে পরিপালন করতে হবে। ঝুঁকির মাত্রা কমাতে প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে আরও পদক্ষেপ নিতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আসলে সাড়ে তিন লাখ কোটি টাকার মার্কেটে এই দুইহাজার কোটি টাকা কিছুই না। এই বাজারে এই টাকা পাত্তা পাওয়ার কথা ছিল না। কিন্তু এক সাথে অনেক গুলো বিষয় এক সাথে ঘটে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা ভয় পেয়ে গেছে। যেখান থেকে আর মার্কেটকে তোলা যাচ্ছে না।

এখন কথা হতে পারে যে, মার্কেটের অবস্থা খুবি অস্বাভাবিক ছিল। তাহলেতো পাল্টা প্রশ্ন আসে এই অস্বাভাবিকতা তো একদিনে তৈরী হয় নাই। এতদিন তাহলে DSE/SEC কাদের জন্য চুপ করে ছিল?

আরো অনেক কিছু আছে... বলার টাইম নাই Sad ... যাইগা Smile

পোস্টটি ১৫ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

জ্যোতি's picture


তালি দিবো?কিছু বলা নাই পোষ্টে।

টুটুল's picture


কত নাই?

জ্যোতি's picture


ব্যাগ খালি। Sad Crying

টুটুল's picture


সাঈদ্রে ধরো... ওর ব্যাগ পুরা ভর্তি Smile

জ্যোতি's picture


কেম্নে ভরলো?

টুটুল's picture


সাঈদ বলে জীবনেও বাজারে যায় নাই... তাইলেতো ওর টাকা পুরাটাই ব্যাগ ভর্তি রইয়া গেছে

আহালে পুলাডা খরচ করা শিখলো না

জ্যোতি's picture


আহারে। কিপ্টা।

সাঈদ's picture


বাজারে যাওনের টাকাই ত নাই

সাঈদ's picture


Sad

জীবনেও এই বাজারে ঢুকি নাই । সমবেদনা

১০

লীনা দিলরুবা's picture


লেখা জোস হৈছে।
এখন কথা হতে পারে যে, মার্কেটের অবস্থা খুবি অস্বাভাবিক ছিল। তাহলেতো পাল্টা প্রশ্ন আসে এই অস্বাভাবিকতা তো একদিনে তৈরী হয় নাই। এতদিন তাহলে DSE/SEC কাদের জন্য চুপ করে ছিল?

১১

টুটুল's picture


আপ্নে পাব্লিক্রে গাছে মগডালে উঠাইয়া কৈবেন এখন গাছের ডালপালা ছাটতে হপে... এইটা ফেয়ার না...

১২

জ্যোতি's picture


কথা সত্য। লীনাপা কারে গাছে উঠাইছে?

১৩

টুটুল's picture


তুমি একটু গাছতলায় যাইয়া দেইখা আসো Smile

১৪

জ্যোতি's picture


আগে কও কি গাছ। তাল / বেল গাছ না তো!

১৫

টুটুল's picture


আরে তাল গাছ তো আমার Smile ... তুমি বেল তলায় যাও Wink

১৬

জ্যোতি's picture


মাথায় তাইলে বেল পড়বো।যে উঠছে সে বইসা থাকুক। নামনের দরকার নাই।

১৭

টুটুল's picture


হেলমেট পইরা যাইও

১৮

লিজা's picture


Laughing out loud Laughing out loud হেল্মেট পইরা বেলতলায়!! ভালো বুদ্ধি। নারকেল তলায়ও যাওয়া যাইবো । টুটুল ভাই আপনার হেলেমেট আছে না? আপনার থাকা দরকার!!

১৯

শওকত মাসুম's picture


টুটুল তো হেলমেট পড়ে। ঋহান কেমন আছে টুটুল। কত হইল বয়স?

২০

শওকত মাসুম's picture


কী পইড়া গাছে উঠছেন? লুঙ্গি?

২১

জ্যোতি's picture


অসতাগফিরুল্লাহ। কে উঠছে?

২২

লীনা দিলরুবা's picture


একমত। চরমভাবে একমত।

২৩

লীনা দিলরুবা's picture


Big smile আমি কারে গাছে উঠামু, গাছে উঠাইছে এসইসি আর বাংলাদেশ ব্যাংক।

২৪

জ্যোতি's picture


টুটল তো ভাষণের মতো কইরা আপনেরে কইলো। ও রে জিগান।

২৫

লীনা দিলরুবা's picture


2010-12-19-16-16-54-December.......Nineteen 35.jpg

২৬

সাহাদাত উদরাজী's picture


বিশাল খবর আছে দেখছি!

২৭

ঈশান মাহমুদ's picture


এইডা কি করলেন টুটুল ! লেখাটায় মজা পাইয়া মাত্র নইড়া-চইড়া বসছিলাম...আরেকটু মজা পাওনের আশায়, এমন সময় আপনি কাইটা পড়লেন ! নাহ্ পাঠকদের ওপর জুলুম হইয়া গেল...।

২৮

রাসেল আশরাফ's picture


ছোট ভাইরে জিগায়লাম ''কত নাই??'' কয় একদিনে বিশ নাই। Sad Sad

২৯

মীর's picture


বেশি নাই।

৩০

মেসবাহ য়াযাদ's picture


Big smile Wink Tongue Applause Smile) Rolling On The Floor Party Laughing out loud Angel

৩১

নাহীদ Hossain's picture


য়াযাদ ভাইয়ের এত আনন্দ ক্যান Surprised

৩২

রাসেল আশরাফ's picture


কথায় আছে না কারো ''বাশঁ যায় আর কেও গিঁট গুনে''

মেসবাহ ভাই মনে হয় গিট গনার দলে।

৩৩

শাওন৩৫০৪'s picture


হ, শেয়ার করা খুব খারাপ! সব কিছু শেয়ার করা লাগেনা!

৩৪

নাজমুল হুদা's picture


ল্যাংটার বাটপারকে ভয় পাবার কোন কারণ নাই ।

৩৫

তানবীরা's picture


টুটুল ভাই সময় করে বাকিটাও লিখেন, অনেকে সাবধান হওয়ার সুযোগ পাবে।

৩৬

ফিরোজ কবীর's picture


টুটুল ভাই বাকিটাও লিখে ফেলেন ।

৩৭

মামুন ম. আজিজ's picture


যুক্তি দিয়া সমস্যার কারন বুঝাতে চাইছেন।
কিন্তু ভুলে যাচ্ছেন এইটা বাংলাদেশ।
এইখানে অর্থনীতিই কি আর রাষ্ট্রনীতি...সর্বত্রই আনপরিকল্পনার সুস্পষ্ট দোলচাল।
কিন্তু মাইর কিন্তু খাইবো আমগো মতর নিম্ন বিত্তরাই.........
মার্কেট নামতে নামতে ...টাকা ওয়ালা পার্টিগো সাহস লোভ বাইড়বো....তারা আবার কিনবো........মার্কেট আবার উঠবো...কিন্তু সেই ওঠা নামার কাল আমাগো বোধের বাইরে থাকবো বইলা.......স্বপ্ল পুজিঁ পতিরা অধিকাংশই লসের ভাগি হইবে।

আইএম এফ এর উদ্দেশ্য এর ফঁাকে সব উদ্ধার হইবে..........আমরা গরীব দেশ ....সব মেনে নিয়ে গরীবই থাকব।

৩৮

নীড় সন্ধানী's picture


পাবলিক দুইটা পয়সা পাইতেছিল, আশেপাশে কোটিপতি হওয়া লোকজন দেখে ভালো লাগতেছিল, খুব গোপনে হিংসাও হইতেছিল। সময় পাইলে আমিও বাজারে যাইতে পারি মনে মনে প্রস্তুতি নিতেছিলাম, কিন্তু এইটা কি শুরু হইলো, এখন বাজারে যাওয়া দূরে থাক, হাটুরে দেখলেও পালাতে হবে।

৩৯

টুটুল's picture


বস এখনি সময়... নাইমা পরেন

৪০

টুটুল's picture


কালকে দেখা গেল "লংকাবাংলা" সকালে তার শেয়ার মার্কেটে ছেড়ে বিকেলে আবার কিনতে? এরা কিভাবে জানলো যে বিকেলে মার্কেট পরবে?

মার্জিন ঋণের অনুপাত বাড়িয়ে এক অনুপাত এক দশমিক পাঁচ করেছে এসইসি। এতে একজন বিনিয়োগকারী ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজগুলো থেকে পুঁজিবাজারে তার বিনিয়োগের দেড় গুণ ঋণ নিতে পারবেন।

ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর কোন লোন একাউন্ট নাই। এইটার সুবিধা গাম্বলাররাই পাবে

মার্জিন ঋণের অনুপাত হিসাবের ক্ষেত্রে গত অগাস্টে চালু করা পদ্ধতিও স্থগিত করা হয়েছে। ওই পদ্ধতি অনুযায়ী শেয়ারের দিনশেষের মূল্য ও শেয়ারের নেট অ্যাসেট ভ্যালুর গড় নির্ধারণের মাধ্যমে মার্জিন ঋণের অনুপাত হিসাব করা হতো।

এটাও লোনে একাউন্টের সাথে সম্পৃক্ত

গ্রামীণফোন ও ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের শেয়ার 'স্পট মার্কেট' থেকে মূল বাজারে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি।

তাতে সুচকের ঊর্ধ্বগতী দেখা যাবে... সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কোন লাভ হবে না।

মুক্তসীমার পাঁচ কোটি টাকার বেশি লেনদেনের ক্ষেত্রে সদস্যদের মার্জিন জামানতের পরিমাণ ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ করারও সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরবর্তী এক কোটি টাকার ক্ষেত্রে তা ৩০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৬০ শতাংশ করা হয়েছে।

এটা ব্রোকারেজ হাউজগুলোর জন্য সুবিধা বয়ে আনবে

"সিআরআর এবং এসএলআর বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেওয়া সিদ্ধান্তের প্রভাব বাজারে পড়েছে।"

সাড়ে তিনলাখ কোটি টাকার পুজি বাজারে ২০০০ কোটি টাকা কতটুকু প্রভাব ফেলে?

৪১

লীনা দিলরুবা's picture


untitled.JPG

কত রঙ্গ দেখি দুনিয়ায়......... লাইফ সাপোর্ট দিয়া ঠ্যাকা দিছে।

৪২

জ্যোতি's picture


Party Party Party Party

৪৩

টুটুল's picture


জিপি আর ম্যারিকোরে স্পট থেকে তুলে ইনডেক্স বাড়ানোর বুদ্ধিটা কিন্তু চমৎকার Smile

৪৪

টুটুল's picture


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার বেসরকারি খাতের এবি ব্যাংক কলমানি থেকে ধার করেছে ৪৯৮ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে ব্যাংকটিকে সর্বোচ্চ ১৮০ শতাংশ সুদে অর্থ ধার করতে হয়। এর আগে সর্বশেষ ব্যাংক খোলার দিন (বুধবার) ব্যাংকটি ধার করে ৩২২ কোটি টাকা, মঙ্গলবার ৫৫০ কোটি টাকা এবং রোববার ৫৬০ কোটি টাকা। ওই দিনগুলোতে যথাক্রমে সর্বোচ্চ ১৫০ শতাংশ, ৬০ শতাংশ এবং ৪৬ শতাংশ সুদে অর্থ যোগার করেছে ব্যাংকটি।

এত টাকা দিয়ে এবি ব্যাংক কি করেছে?

৪৫

বোহেমিয়ান's picture


মাথার উপ্রে দিয়া!

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

টুটুল's picture

নিজের সম্পর্কে

আমি আছি, একদিন থাকবো না, মিশে যাবো, অপরিচিত হয়ে যাবো, জানবো না আমি ছিলাম।

অমরতা চাই না আমি, বেঁচে থাকতে চাই না একশো বছর; আমি প্রস্তুত, তবে আজ নয়। আরো কিছুকাল আমি নক্ষত্র দেখতে চাই, শিশির ছুতেঁ চাই, ঘাসের গন্ধ পেতে চাই, বর্ণমালা আর ধ্বনিপুঞ্জের সাথে জড়িয়ে থাকতে চাই, মগজে আলোড়ন বোধ করতে চাই। আরো কিছুদিন আমি হেসে যেতে চাই।

একদিন নামবে অন্ধকার-মহাজগতের থেকে বিপুল, মহাকালের থেকে অনন্ত; কিন্তু ঘুমিয়ে পড়ার আগে আমি আরো কিছু দুর যেতে চাই।

- হুমায়ুন আজাদ