এক টুকরো শাহবাগ
এক টুকরো শাহবাগ...
শাহবাগের গনজমায়েতে মানুষের নিরাপত্তায় পুলিস/আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কোন খবরই ছিল না। যেখানে রাজনৈতিক মীটিংয়ে মানুষের চাইতে নিরাপত্তার লোকজনই বেশী থাকে। থাকে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বাহিনী।
কোন নারীকে কেউ টিজ করছে ... এটা কেউ বলতে পারবে না। নারীদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য হারে। কিন্তু কোন ধরনের বিচ্যুতি... কেউ বলতে পারেনি।
মানুষের সুশৃঙ্খল অংশগ্রহণ ছিল চোখে পরার মত। কোথাও কোন ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয় নাই... লক্ষাধিক মানুষের এই জনসমাবেশ সুশৃঙ্খলভাবেই নিজ নিজ দায়িত্বেই সবাই অংশগ্রহণ করেছে।
যেখানে রাজনৈতিক দলের সভা/সমাবেশে লোক ভাড়া করে আনা হয় ... শাহবাগে ঘটছে তার উল্টা ঘটনা। নিজে রং কিনে ফেস্টুন তৈরি করছে... ব্যানার বানাচ্ছে... জাতীয় পতাকা তৈরি করছে। এ এক অভূতপূর্ব ঘটনা। ৯০'এর গনঅভ্যুত্থান, গনআদালতের পর... গনমানুষের এত বড় অংশগ্রহণ আর হয়নি।
সবশেষে একজন ব্লগার হিসেবে এই দিন অনেক গর্বের ছিল... এটা বোঝানোর নয়...
প্রিয় ব্লগ...
বেচে থাকো মানুষের জন্য... মানুষের মাঝে... মাতৃভূমি স্বার্থ রক্ষায় ব্লগের তারুণ্য সচেষ্ট থাকুক সব সময়।
আমার এলবামের কিছু ছবি: এ আগুন ছড়িয়ে পড়ুক সারা বিশ্বে....

রাজাকারের ফাঁসি চাই
"গণস্বাক্ষর"

এ আগুন ছড়িয়ে পরুক

এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়
এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়

যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি চাই....

নতুন প্রজন্মই করবে রাজাকারের বিনাশ

আমি শপথ করছি যে....

আমি শপথ করছি যে....

এ পতাকা সমুন্নত রাখবোই...
শাহবাগের বিজয় হবে...

পেছনের কাজ...

ভয় নেই মা আমরা...
প্রতিবাদ করতে জানি





টিজিংয়ের ঘটনা ঘটতেসে তারপরেও। কাল রাতে এক হারামজাদারে তুলছিলাম পিটানোর জন্য। শালা দাঁড়ায় একদিকে, তার হাত থাকে আরেকদিকে। আমি বুঝি না, বাহুর উপর একটা মেয়ের পিঠের সামান্য ছোঁয়া লেগে থাকলে কি এমন সুখ!
আচ্ছা... স্টেজের একদম কাছে একটা ছেলেকে হালকা মাইর দেয়া হইছে.. এটা ক্যান?
কেউ একজন বললো যে, আত্মাহুতি দেয়ার চেষ্টা করছে... ঘটনা জানেন?
মহাসমাবেশ চলার সময় একটা ছেলে আত্মাহুতি দেয়ার চেষ্টা করছিলো টুটুল ভাই। সে এমনকি গাএ কেরোসিন ঢালাও শুরু করছিলো। কিন্তু আগুন ধরাইতে পারে নাই। তার আগেই সবাই মিলে তারে নিবৃত্ত করছে। এর পরপরই মঞ্চ থেকে মাইকিং করা হইসে, আমাদের কারো লড়াইয়ের মঞ্চ থেকে প্রস্থানের দরকার নাই। আমরা সবাই মিলে লড়াই করে দাবি আদায় করে ছাড়বো।
কিন্তু যতদূর জানি, ছেলেটাকে তো মাইর দেয়া হয় নাই।
ওহ...
আমি পিজির উপরে ছিলাম ছবি তোলার জন্য... ওপর থেকেই দেখছিলাম... মাইর মানে দুই/একটা চড় দিছে সম্ভবত বড় ভাইয়েরা...
আমাদেরকে ব্লগে অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। ফেসবুকের পাশাপাশি এখানেও অনলাইন এন্ড অ্যাকটিভ থাকা খুব জরুরি। সবাই মিলে আরো প্রচুর ছবি, ঘটনা ইত্যাদি শেয়ার করি চলেন।
সবাইতো এখন শাহবাগে
... দেখেননা ব্লগ কিরম খা খা করতাছে 
খুব সুন্দর করে বললেন টুটুল ভাই। থেংক ইউ।
টুটুল ভাই, অসাধারন ছবি গুলোর জন্য অনেক ধন্যবাদ.............
একেবারে খাঁটি কথা।
আমি অফিস থেকে গিয়েছিলাম, মোবাইলে কিছু ছবি তুলেছিলাম তেমন ভাল হয়নি। আপনার তোলা ছবিগুলো অসাধারণ!
একদম মনের কথা। আজ মনে আজ একটাই চাওয়া। সবাই যাচ্ছে বুকে ভালোবাসা নিয়ে। কারোই একবিন্দু ভালোবাসা কমতি নেই।
যারা উদ্যোগ নিলেন, যারা শাহবাগেই আছেন তাদের স্যালুট। এই যে লাখো-কোটি মানুষ এক হয়েছে এক দাবী নিয়ে তাদের সবাইকে স্যালুট।
কেউ যদি রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায় এত দু:খ লাগে বলে বুঝানো যাবে না।
জয় হোক তারুণ্যের। জয় হোক বাঙ্গালীর। জয় হোক দেশপ্রেমের।
দারুণ কিছু ছবি। দারুণ
অসাধারণ টুটুল ভাই! ছবিগুলো রোমহর্ষক।
আমার মা রোজ রাতে ইভনিং ওয়াকের জন্যে শাহবাগ যায়, এতো ভাল লাগে

মন্তব্য করুন