ইউজার লগইন

জাহিদুল আমিন'এর ব্লগ

ট্রাভেলগ ১

কলেজ শেষে গেলাম সিলেটে,গেলাম বলতে এক্কেবারে পাঁচ-ছয় বছরের ধাক্কা।নতুন জায়গা,নতুন সব ঘ্রাণ।এখনো আমার কাছে সিলেটের কথা মনে পড়লে মনে হয় -কেমন যেন এক সজীবতা আর সবুজের সমারোহ।সিলেট যাবার পর ই ভালমত ঘুরার ইচ্ছা মনে বাসা বাঁধল,আর আজ মনে হয়,আমি ই মনে হয় আমার বন্ধুদের মাঝে সবচেয়ে ঘরকুনো, আমার বেশীরভাগ ঘুরাঘুরি ই বই পড়ে, কোন জায়গার উপর ভ্রমন এর ভাল কোন বই পড়লে নিজে নিজে ই মনের কুঠুরি তে সে জায়গা র ছবি তৈরি করি।

এই আমি - এই আমরা

ছোট তিনটি ঘটনা বলি।
১-আমার এক প্রবাসি বন্ধু , যার প্রবাস জীবনের ছবি দেখে আমি হিংসায় জ্বলি আর ভাবি আহা , কি সুখেই না থাকে মানুষ বিদেশে ! -দেশে আসার পর আমায় বলে দোস্ত বিদেশে থাকি , টাকা ও কম কামাই না কিন্তু মাঝে মাঝে কেমন যেন লাগে । যন্ত্র হয়ে গেছি রে ! আমি তখন বিজ্ঞের মত একটা ভাব করতাম আর টেনে টেনে বলতাম - তোরে যাইতে কইছে কে ? এখানে ই চেষ্টা করতি । আর নিজের চেহারায় একটা বুদ্ধিমানের আভা ফুটিয়ে বলতাম - আমরা ভালো ই আছি।
২-দোকানে গিয়ে body spray খুঁজছিলাম , salesman আমাকে কিছু নমুনা দেখাল সাথে বুঝাতে চেষ্টা করল কোন্টার কি ঘ্রাণ। কোনটা lemon, কোনটা cool,আরো আছে নানা ধরনের ।আমি অনেক চুলচেরা বিশ্লেষণ করে পছন্দসই body spray কিনে বাসায় আসলাম।

এলোমেলো ১

রাতের আঁধারে ও হাত ছুঁয়ে টের পেতাম তোমার উষ্ণতা
আজ কেবলি আঁধারে হাতড়িয়ে বেড়াই - আঁধারের তীব্রতা
যতই বাড়ে আমার স্বপ্নের গাঢ়ত্ব যেন খুঁজে পায় আবার
নতুন কোন আধার । নতুন করে ঘর বাঁধার ।

ঘর বেঁধেছিলাম একিসাথে ,একি হাতে রেখে হাত।
সবাই তাই ই করে - আমি জানি ,কত রাত
তুমিও দেখেছ আমায় তোমার স্বপ্নের সাথী করে
দেখেছি আমি তোমায় আমার প্রাণের পরে।

আমার অযোগ্যতা কি এতই বেশি -তবে
আগেই খেয়াল রাখা উচিৎ ছিল তোমার
যে আসে ভাবনার পাশে সে কি দাঁড়াতে পারে
এসে তোমার চলার পথে ?পথের ধারে?