এক চিমটি জীবনান্দ দাশ
বাংলা ব্লগ গুলোতো জীবনান্দের বিশ্লেষনে সায়লাব। ভক্ত হিসেবে আমিও কিছুটা আনন্দিত। প্রতিবারই মনে হয় নতুন কিছু জানা হচ্ছে। আজ সে পথে গেলাম না
যাস্ট "এক চিমটি জীবনান্দ দাশ"
জীবনানন্দ দাশ জন্ম ও মৃত্যু তারিখ কত?
বিপন্ন মানবতার নীল কন্ঠ কবি বলা হয় কাকে?
জীবনানন্দ দাশের প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কি?
আধুনিক বাংলা কাব্যের ক্ষেত্রে কল্লোল যুগের কবি কে?
আধুনিক বাংলা কাব্যের একমাত্র প্রবন্ধ গ্রন্থ কোনটি?
জীবনানন্দ দাশের ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’ কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
‘বনলতা সেন’ কবিতাটির বিষয়বস্তু জীবনানন্দ দাশ কোথা থেকে নিয়েছেন?
—————-
উঃ জন্মঃ ১৭/১৮ ফেব্রুয়ারী ১৮৯৯ সাল (৬ই ফাল্গুন, ১৩০৫)। মৃত্যুঃ ২২ অক্টোবর ১৯৫৪ সাল।
উঃ জীবনানন্দ দাশকে।
উঃ ‘ঝরা পালক’।
উঃ জীবনানন্দ দাশ।
উঃ কবিতার কথা। ১৯৫৬ সালে।
উঃ ১৯৫৪ সালে।
উঃ এডগার এলান পো’র ‘টু হেলেন’ কবিতা থেকে। ১৯৪২ সালে।
জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯, বরিশাল - অক্টোবর ২২, ১৯৫৪, বাংলা ৬ই ফাল্গুন, ১৩০৫) বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাংলা কবি। তিনি বাংলা কাব্যে আধুনিকতার পথিকৃতদের মধ্যে অগ্রগণ্য।
ঝরা পালক - কাব্যগ্রন্থ । ১৯২৮ সালে প্রকাশিত।
আকাশে সাতটি তাঁরা
অদ্ভুত আঁধার এক
বনলতা সেন
তোমায় আমি
সে
সোনালী ডানার শঙ্খচিল
বোধ
পঁচিশ বছর পরে
শেষ হ’ল জীবনের সব লেনদেন
আকাশলীনা
একদিন কুয়াশার এই মাঠে
এইসব ভালো লাগে
জানালার ফাঁক দিয়ে ভোরের সোনালী রোদ এসে
আমারে ঘুমাতে দেখে বিছানায়,- আমার কাতর চোখ, আমার বিমর্ষ ম্লান চুল-
এই নিয়ে খেলা করে : জানে সে যে বহুদিন আগে আমি করেছি কি ভুল
পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমাহীন গাঢ় এক রুপসীর মুখ ভালোবেসে,
পউষের শেষরাতে আজো আমি দেখি চেয়ে আবার সে আমাদের দেশে
ফিরে এল; রং তার কেমন তা জানে ওই ভিজে জামরুল,
নরম জামের মত চুল তার, ঘুঘুর বুকের মতো অস্ফুট আঙুল;-
পউষের শেষরাতে নিমপেঁচাটির সাথে আসে সে যে ভেসে
কবেকার মৃত কাক : পৃথিবীর পথে নাই সে তো আর;
তবুও সে ম্লান জানালার পাশে উড়ে আসে নীরব সোহাগে,
মলিন পাখনা তার খড়ের চালের হিম শিশিরে মাখায়;
তখন এ পৃথিবীতে কোনো পাখি জেগে এসে বসেনি শাখায়;
পৃথিবীও নাই আর;- দাঁড়কাক একা একা সারারাত জাগে;
`কি বা, হায়, আসে যায়, তারে যদি কোনোদিন না পাই আবার।'





আপনার পোস্ট পইড়া মাধ্যমিক শ্রেণীর বাংলা বইয়ের কথা মনে পরে গেল। কোন একটা কবিতা/ গল্প যাই থাকুক, তার উপ্রে লেখক পরিচিতিতে যা যা লেখা থাকে ঠিক তাই!!
ক্লাস সেভেনে ছিল জীবন'বাবু'র "আবার আসিব ফিরে" কবিতাটা। সেখানে এই কথাগুলাই লেখা ছিল। কল্লোল যুগের কবি, হেন তেন!!
তয়, শেষে যে কবিতাটা দিলেন এই জন্যে ধইন্যাপাতা।
আর,
কবিতাগুলার লিংক দিলেন, এই জন্যে পোস্টই প্রিয়তে।
যারা বিদেশে বসে জীবনানন্দ দাশ না পড়তে পেরে ক্রন্দিত, তারা এই লিঙ্কে জীবন বাবুর সব কবিতা পাবেন...
http://banglalibrary.evergreenbangla.com/jibanananda/
আর ডানপাশের তালিকা ধরে আরো অনেক কবির কবিতাই পড়তে পারবেন...
পোস্ট আর নজরুলভাইয়ের মন্তব্য মিলে প্রিয়তে
পোষ্ট প্রিয়তে নিলাম।ধনেপাতা .....
হাফ অফিস আসলে জুইতের না... এত্ত তারাতারি সব কাজ শেষ করতে হয়
যাউকগা... সব্বাই.. মানে যারা ধইনা পাতা দিয়া আমারে ঝামেলায় ফেলতাছেন... তাগোরে কই .. একটু কষ্ট কৈরা ভর্তা কৈরা দেন... খাইতে জুশ হপে
সেদিন যে পাঠালাম, খেযে শেষ করে ফেলছ?খাদককককককক
নিশ্চয় আমাকে বলো নাই
শুধু তোমাকে বলেছি।শুধু তোমাকে....
আরে! এখানে তো বাকি সবাইকে হারামি বানানির কান্ড ঘটতেছে!!
(তুমি আর আমি বাকি সব... )
কানু গ্রুপ নজরে রাখলো
ইদানিং কানুগ্রুপ টুটুল মিয়ারে ওয়াচে রাখতাসে না!! তারে ছাড় দেয়া হইতেছে বলে সে যথেচ্ছো ভাবে যাচ্ছেতাই করে বেড়াচ্ছে!!... এবারতো এটা আর একবার আমার কমেন্টচুরি করছে জিন্টুর পোষ্টে... আপিল জানানোর পরও তাকে টাইট দেয়া হয় নাই... কানুগ্রুপের পারফরমেন্স কেনু পড়তির দিকে যাইতেছে তার ব্যাখা করার জন্যে তদন্তকমিটি ডাকা হোক...
কানুগ্রুপের ভৌতিক উপদেষ্টা কাঁকন ভূতপেত্নী বিষয়ক পোস্ট দিয়া গায়েব হইয়া গেছে... তার ভূত তাড়ানির জন্য ওঝা নিয়োগ দেয়া দরকার...
ইয়ে নুশেরাপু কি ঘুষ দিতে হবে গোপনে একটু বলে দিয়েন ত!
কাঁচা মরিচ, লবণ, লেবু দেন। তাইলে আরো জুইত কইরা খাইতারি!!!

পোস্ট প্রিয়তে নিন বাটনটা কাজে লাগাইলাম...
....এই জীবনানন্দ লোকটা কত কবিরে নিজের মত কবি হৈতে দেয়নাই, অনেকেই জীবনানন্দের মত কবি হৈয়া গেছে...
আহারে, আপানরে ধৈন্যা....
প্রশ্নমালা দেখে ঢুকবো না ভাবছিলাম পোষ্টে। পরীক্ষা ভাল্লাগে না আর
হায়...কবিতাই যদি বুঝতাম!
ভাবছিলাম, প্রশ্ন করছে (উত্তরতো সব জানাই আছে...)
ওমা, পরে দেখি সব উত্তর লেইখ্যা দিছে...
পোস্ট দাতারে মাইনাস না পিলাস... ভাবতেছি
ব্যাপক জ্ঞান লাভ হইলো
"এইসব ভালো লাগে
জানালার ফাঁক দিয়ে ভোরের সোনালী রোদ এসে
আমারে ঘুমাতে দেখে বিছানায়,- আমার কাতর চোখ, আমার বিমর্ষ ম্লান চুল-
এই নিয়ে খেলা করে : জানে সে যে বহুদিন আগে আমি করেছি কি ভুল
পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমাহীন গাঢ় এক রুপসীর মুখ ভালোবেসে,
পউষের শেষরাতে আজো আমি দেখি চেয়ে আবার সে আমাদের দেশে
ফিরে এল; রং তার কেমন তা জানে ওই ভিজে জামরুল,
নরম জামের মত চুল তার, ঘুঘুর বুকের মতো অস্ফুট আঙুল;-"
মেসেন্জার ভেবে ভুল করে একিনে বলে ফেলছি।লোকজনের জন্য কোথায়ো শান্তি নাই।জেবীন কিছু দেখ নাই মনে করলে হয় না?কানু গ্রুপরে কেন ডাকলা?
প্রশ্নের উত্তর সব আমার জানা ছিলো।
জীবনবাবুর কবিতা ভালা পাই
,তয় এখনকার কোবতেগুলার বিন্দুবিসর্গও বুঝতে পারিনা
।
শিরোনামের বানানটা ঠিক করা দরকার।
জীবনান্দ>> জীবনানন্দ
প্রথম দুই লাইনেও টাইপোটা রয়ে গেছে
একবার আমাদের ওখানকার মন্দিরে স্বামি অনুকূল চন্দ্র কে নিয়া আলোচনা করছিলো তারপর কুইজ হইছিলো ঐ আলোচনার ওপর আপ্নার প্রশ্ন দেইখা সেটা মনে পড়ে গেলো;
কবিতাগুলোর জন্য ধন্যবাদ
আমি যতদূর জানি 'বনলতা সেনের' ক্ষেত্রে ইয়টসের অনুপ্রেরণা আছে। এব্যাপারে আপনি কি নিশ্চিত?
যাক, টুটুল ভাই কাব্যকানা নয় তাহলে।
বলা হয়ে থাকে বনলতা সেন কবিতাটি অ্যাডগার
অ্যালান পোর 'টু হেলেন' আর হায় চিল কবিতাটি ডব্লিউ বি ইয়েটস-এর 'ও
কাররিউ'র সঙ্গে মিল আছে। বা এ দুটি অনুকরণে অনুসরণে লেখা। জীবনানন্দ দাশের
শেষ জীবনের অন্যতম সঙ্গী ভূমেন্দ্র গুহ এই প্রশ্ন একবার করেছিলেন। উত্তরে
জীবনানন্দ দাশ বলেছিলেন- "তুমি যে সমাজে বাস করো, সে সমাজের ভাষাও তোমার
জিভে চলে আসে। তুমি বাংলা ভাষায় কেন কথা বলো? ছেলেবেলায় তুমি বাঙালিসমাজে
বড় হয়ে উঠেছ। অতএব বাংলা ভাষা তোমার জিভে আছে। তুমি যদি অ্যাডগার অ্যালান
পোর, ইয়েটসের, কিটসের বা এলিয়টের সমাজে বাস করো, তোমার জিভে কী ভাষা আসবে?
সেই ভাষাই চলে আসে জিভে। তাকে কুম্ভীলকবৃত্তি বলে না।?"
আর ঐটা মনে হয় কবিতার অনুসরণ না...ইংরেজী সাহিত্যে এইটারে আধুনিক কবিতার একটা ফর্ম হিসাবেই ধরা হয়। জীবনানন্দ দাশ ইংরেজী সাহিত্যের পাঠক হিসাবে আর বাংলা কবিতার আধুনিক কালের একজন পথপ্রদর্শক হিসাবে ঐ ফর্মটা নিয়াই খেলছিলেন যদ্দূর বুঝি।
অ্যালেন পো'র কবিতাটা ছিলো এইরম...
Helen, thy beauty is to me
Like those Nicean barks of yore
That gently, o'er a perfumed sea,
The weary, way-worn wanderer bore
To his own native shore.
On desperate seas long wont to roam,
Thy hyacinth hair, thy classic face,
Thy Naiad airs have brought me home
To the glory that was Greece,
And the grandeur that was Rome.
Lo, in yon brilliant window-niche
How statue-like I see thee stand,
The agate lamp within thy hand,
Ah! Psyche, from the regions which
Are Holy Land!
জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন কবিতার সাথে এই কবিতার প্রকাশভঙ্গী আর ইতিহাস ঘনিষ্ঠ উপমা বাদে তেমন কোন মিল নাই। ইংরেজী কবিতার মিটারিং আর বাংলা কবিতার মাত্রায় তেমন কোন অমিল নাই বিধায় যে কেউ বুঝতে পারবো এই দুই কবিতার বাক্য গঠনটা ভিন্ন।
যাই হোক যদি মিল থাইকাও থাকে...তা'ও বাংলা কবিতায় বনলতা সেন তার নিজস্ব সৌকর্য্যেই টিকা আছে...জনপ্রিয় হইলেও তার গঠন আর প্রকাশ অনেক কাব্যময়...
্ঠিক, কিন্তু দুটি কবিতাতেই অগ্রজদের ছাড়িয়ে গেছেন জীবনানন্দ।নিজস্ব করে নিয়েছেন। তার কবিতার( বিশেষ করে বনলতায়) নায়িকা অনেক বেশী ধ্রুপদী আর প্রাণময়ী।
বাহ দারুন লিংক তো !
---
টুটুল ভাই নিজের পোস্টে কমেন্ট ডিলিট করে কিভাবে ? আর এনাবেল ডিজাবেল এই দুইটার মানে কি ?
আর নীতিমালা নিয়ে একটা কথা ছিলো । সেইটা নাহয় মেইল করবো পরে ।
দারুন একটা পোষ্টে দারুন সব কমেন্ট। টুটুল ভাইয়ের সাথে নজরুল ভাই আর ভাস্কর দাকেও অনেক ধন্যবাদ।
কটকটা কাব্যগ্রন্থটা হাতে নিলে যেই ফীলিংস হয়, সেটা ব্লগে বিরলরে মধু পাগলা ব্লগে বিরল।
মন্তব্য করুন