ইউজার লগইন

নিঃসঙ্গতা'এর ব্লগ

প্রেম থেকে অপ্রেমে(শেষাংশ)

মুখবন্ধ
সাধারণ মানুষ,ছাপোষা জীবনযাপনকারী ন'টা-পাঁচটার বৃত্তেবন্দী লোভকামমোহমাৎসর্যে আকণ্ঠ ডুবে থাকা জীবনেও প্রেম আসে। প্রেম ছককাটা জীবনটাকে উল্টেপাল্টে দেয়, নতুন করে বাঁচতে শেখায়। কিন্তু রোম্যান্সের চটজলদি আকুলতা কমলে যেটা পড়ে থাকে, সেটাকে প্রেমের ছাইভস্ম বলাটাই কি বেশি সঙ্গত? মানবিক টানাপোড়েন দানবিক হয়ে উঠলে প্রেম তো অপ্রেমেও পর্যবসিত হতে পারে দ্রুত, তাই না? ক'দিন আগে লেখা একটা সহজিয়া রোম্যান্সের পরিণতি নিয়ে ভাবছিলাম। বেশ কিছুটা লিখে ফেলেছিলাম- শেষটা এখনো চেষ্টা করছি মেলানোর। যদিও জীবনের হিসেব মেলানো খুব কঠিন।

প্রথমাংশ এখানে

তিন বছর আগে-

“প্লিজ না, প্লিজ প্লিজ...” ভয়ে শুকিয়ে গেছে কুশির মুখ।

প্রেম থেকে অপ্রেমে

মুখবন্ধ
সাধারণ মানুষ,ছাপোষা জীবনযাপনকারী ন'টা-পাঁচটার বৃত্তেবন্দী লোভকামমোহমাৎসর্যে আকণ্ঠ ডুবে থাকা জীবনেও প্রেম আসে। প্রেম ছককাটা জীবনটাকে উল্টেপাল্টে দেয়, নতুন করে বাঁচতে শেখায়। কিন্তু রোম্যান্সের চটজলদি আকুলতা কমলে যেটা পড়ে থাকে, সেটাকে প্রেমের ছাইভস্ম বলাটাই কি বেশি সঙ্গত? মানবিক টানাপোড়েন দানবিক হয়ে উঠলে প্রেম তো অপ্রেমেও পর্যবসিত হতে পারে দ্রুত, তাই না? ক'দিন আগে লেখা একটা সহজিয়া রোম্যান্সের পরিণতি নিয়ে ভাবছিলাম। বেশ কিছুটা লিখে ফেলেছিলাম- শেষটা এখনো চেষ্টা করছি মেলানোর। যদিও জীবনের হিসেব মেলানো খুব কঠিন।

আজ রাতে আমি লিখতে পারি - পাবলো নেরুদা

আজ রাতে আমি লিখতে পারি তীব্র শোকের পংক্তিমালা
যেমন লিখবো, "নীল তারা ছাওয়া আকাশ আছে কাছে
আরও আছে কাঁপন - সুদূরে।"
আছে আকাশের ঘূর্ণিপাকে গান গাওয়া নিশি হাওয়া

আজ রাতে আমি লিখতে পারি সবচেয়ে দুঃখী পংক্তিমালা
ভালোবেসেছি আমি তাকে, হয়তোবা কখনো সে'ও আমাকে।
বুকের মুঠোয় পুরে এমনই রাত পার
নিঃসীম নক্ষত্রের নিচে গাঢ় চুম্বন বারংবার
সে ভালোবেসেছিলো, কখনো আমিও তাকে।
অমন স্থিত চোখ পারা যায় ভালো না বেসে?

আজ রাতে আমি লিখতে পারি শোকার্ত পংক্তিমালা
এই ভেবে, সে আমার নয়। এও জেনে, তাকে হারিয়েছি আমি।
গাঢ় ,তার বিহনে গাঢ়তর আঁধারের শব্দ, শোনায় উৎসুক আমি
টুপটাপ শিশিরের মতো শব্দমালা ঝরে ভেতরে আমার

অপারগ প্রেম আমার, কী আসে যায় তাতে?
আকাশে তারারা এখনও ঝিলমিল - কেবল সে নেই, নেই সাথে।

এই ই সব। দূরে গাইছে কেউ। সুদূরে।
হৃদয় পরিতৃপ্ত নয়, হারিয়েছি তাকে।

দৃষ্টি খুঁজে ফেরে যাকে নিকটের আশে
মন তাকে চায় - নেই, নেই সে পাশে।

সেই রাত, গাছগুলো তেমনি সাদাটে
আমরাই শুধু নই আগের দু'জন।
নিশ্চিত,আর ভালোবাসিনা, কিন্তু হায় কী ভীষণ ভালোবেসেছিলাম!

প্রেমের গল্প লেখার অপচেষ্টা (শেষাংশ)

১ম পর্ব
২য় পর্ব
পর্ব ৩,৪,৫

হলরুমটা বিশাল। মাঝের সারির চেয়ারগুলো থেকে মঞ্চের কার্যকলাপ দেখা একটু দুষ্কর।আরেকটু লম্বা হবো কবে, ইশ্‌শ্‌... ভাবতে ভাবতে কুশি বারবারই ঘাড় উঁচিয়ে স্টেজে কি হচ্ছে না হচ্ছে দেখার চেষ্টায় রত। আইভী রহমান টুকটাক স্বামীর সাথে কথা বলছেন, আমিন রহমান শনিবারের এই বিকেলটায় অনেকদিন পর স্ত্রী আর মেয়েদের সঙ্গ উপভোগ করছেন। ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্প্যানির ব্যস্ততা তাঁকে অল্পক’টা দিন দেশে থাকতে দেয়। চার বছরের ছোট্ট কঙ্কা বাবার কোল, মায়ের কোল এক্কাদোক্কা করছে।

"কি’রে আমিন, রেজা ভাইয়ের বাসার অনুষ্ঠানের পর ডুব দিলি যে?”"

প্রেমের গল্প লেখার অপচেষ্টা ৩,৪,৫

১ম পর্ব
২য় পর্ব

সন্ধ্যের পর থেকেই পেটে ব্যথা, মাথা ধরে আছে, গা গুলোচ্ছে । কিছু খেতেও পারেনি স্কুল থেকে ফিরে।

প্রেমের গল্প লেখার অপচেষ্টা ২

****এটা একটা একেবারেই গভীরতাহীন মিলস এন্ড বুন জাতীয় প্রেমের গল্প।ছোটবেলায় যে গল্পগুলো পড়ে শিহরিত হতাম অকারণেই, কৈশোরের সেই শিহরণকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা। সাহিত্যমূল্য অতিনিম্ন।সাহিত্যমূল্য চিন্তা করলে নিজেকে খুলতে পারছিলাম না।তাই সে চেষ্টায় ইতি দিয়ে শিহরণকেই সঙ্গী মানলাম।*****

১ম পর্ব

"“সামিন, সাম-ইন না" ”বিরক্ত কণ্ঠে ব্যাংকের মহিলাটিকে শুধরে দিচ্ছিলো সে, হঠাত পেছন থেকে ডাক পড়েঃ “"এই তুই সমু না?”"

দুপুর বাজে দু’টো, কাঠফাটা ভ্যাপসা গরম বাইরে।

সতেরো কোটি জানোয়ারের দেশ ?

দাঁড়িটুপি মানেই জামাত না, তাহলে শোলাকিয়ার পীর শাহবাগে গিয়ে সংহতি জানাতেন না

আবার দাঁড়িটুপি মানেই ফেরেশতা না, তাহলে নিজামী, সাঈদী, গোয়াজম, মুজাহিদ এরা সবাই ফেরেশতার কাতারে পড়তো

ইসলাম মানেই যেমন জামাত না, তেমনি জামাত মানেই ইসলাম না

ইসলামের সমালোচনা করা মাত্রই সে জানোয়ার না, তার জীবনের অন্য অনেক মূল্যবোধ থাকতে পারে যাকে শ্রদ্ধা করা যায়

ইসলামকে ভালোবাসা মাত্রই সে অটোম্যাটিকালি মহামানব না, তার জীবনের অনেক মূল্যবোধ থাকতে পারে যেটা ঘৃণিত

ইসলাম পৃথিবীর একমাত্র ধর্ম না, ইসলাম শুধুমাত্র তার অনুসারীদের কাছে শ্রেষ্ঠ ধর্ম
ইসলাম বাংলাদেশেরও একমাত্র ধর্ম না, ইসলাম শুধুমাত্র বাংলাদেশের অনেকগুলো ধর্মের মধ্যে একটা ধর্ম
ধর্মবিশ্বাস কারো জন্য কাজ করে, ধর্মবিশ্বাস কারো জন্য কাজ করেনা। এইজন্য অটোম্যাটিকালি কেউ কারো থেকে উচ্চস্তরের বা নিম্নস্তরের হয়ে যায়না

ধর্মবিশ্বাস এক হলেও তাকে মাথায় তুলে নাচার কিছু নেই, আবার ধর্মবিশ্বাস ভিন্ন হলেই তার বাড়িতে আগুন দেয়ার বা তাকে ধর্ষণ করার কিছু নেই

প্রেমের গল্প লেখার অপচেষ্টা

আমরা খুব অস্থির একটা সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। অনেক দূরে, ছোট্ট ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের যে ভূখণ্ডে আমি জন্মেছিলাম, বিস্ময়কর পরিবর্তন ঘটছে তার রাজনীতিতে, সমাজনীতিতে। নিজেকে কখনো রাজনৈতিক মানুষ বলে বিবেচনা করিনি। সক্রিয় রাজনৈতিক কার্যক্রমের জায়গা আমার জীবনে খুবই অল্প। তারপরেও দিনশেষে আমরা সবাই রাজনৈতিক জীব। বেঁচে থাকার জন্য জীববিজ্ঞানের সংজ্ঞায় প্রোটোপ্লাজমের ভেতরে থাকা অস্তিত্বকে স্বীকার করে নেই যেমন, ঠিক তেমনি বুদ্ধিবৃত্তিক প্রণোদনা জোগানো চেতনাকে ধারণ করি অনায়াসেই। ঠিক এমনি অস্থির সময়ে প্রেমের গল্প লেখার আইডিয়া আমার মনে কেমন যেন একটা অপরাধবোধের জন্ম দিচ্ছে। কিন্তু আপাতঃ ঘটনাহীন জীবনে, অনেকগুলো দেয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে সেই নিষিদ্ধ গন্ধম ফলের হাতছানিকে কোনোভাবেই উপেক্ষা করতে পারছিনা। মগজ বলছে, ফুল খেলবার দিন নয় অদ্য, মন বলছে হারাই হারাই সদা ভয় হয়, হারাইয়া ফেলি চকিতে। এই টানাপোড়েনে মনের জয় অবশ্যম্ভাবী আমি জানি। কারণ আমি নিজেকে চিনি। পৃথিবীর সবচাইতে সম্পূর্ণ আবেগ আমার কাছে প্রেম। সবচাইতে শুদ্ধ অনুভূতির নাম ভালোবাসা। ভালোবাসা, ভালোলাগা, ঘোরলাগা মুহুর্ত এদের জন্য আমি অনায়া

কালো আর ধলো বাহিরে কেবল, ভেতরে সবারি সমান রাঙা

মানুষ হিসেবে আমাদের সীমাবদ্ধতা অসীম। কেউ সেটা স্বীকার করতে ভয় পাই আবার কেউ সজ্ঞানে এড়িয়ে গেলেও অবেচেতনে নানারকম বর্ণবাদ নিজেদের ভেতর পুষে রাখি। দীর্ঘ প্রবাসজীবনে আমার সৌভাগ্য হয়েছে ভিন্ন পরিবেশ,ভিন্ন চিন্তাধারা এবং ভিন্ন ভৌগলিক পারিপার্শ্বিকতায় মানুষের নানা রূপ অবলোকনের। এ লেখার টুকরো কয়েকটি ঘটনা হয়তো নিজেদেরকে আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে আরেকবা্র ভেতরটা দেখে নেয়ার সু্যোগ করে দেবে। নামধাম কাল্পনিক হলেও ঘটনাগুলো আমার বা আমার খুব কাছের মানুষের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাপ্রসূত, বলাই বাহুল্য।

১.পুলিশ দেখে করিসনে ভয়, আড়ালে তার ......

লিমেরিক, হয়তো


ঈশ্বর কি অপ্সরাকে বলতে কিছু চাইছিলেন?
স্বয়ং তিনি স্বয়ংবরের লোভের মাশুল তাই দিলেন?
প্রবঞ্চকের প্রপঞ্চতে ফের যদিবা ঠাঁই নিলেন
ঊর্বশী আর রম্ভা তবু উল্টো সুরে গাইছিলেন।
------------------------------------------------

তস্করে যে বাক্স লোটে ফস্‌ করে তা খোয়ায় না
হরহামেশা দৌড়ানিতে হরকরা রাত পোহায় না
------------------------------------------------

কাছের মানুষ মন্দ হলে কপালটাকে গাল পাড়ি
জগত যদি ধন্দে ভরা,কার সাথে ভাব কে আড়ি?

---------------------------------------
মাথায় আসা হঠাত লাইনগুলো ছন্দোবদ্ধ ভাবে সাজিয়ে লিখতে গেলাম, এখন বলছে ৫০ শব্দের কমে ব্লগ হবেনা। তাহলে রবি ঠাকুরের ক্ষণিকা লেখা হতো? অথবা কোনো তিন পদী জাপানি হাইকু?
অথবা সবচেয়ে ছোট উপন্যাস?
জানিনা বাপু, খুবই অসহ্য এই শব্দের ঘ্যানঘ্যানানি।
লিখতে চাই, কিন্তু যা মনে আসে, মনের আশে পাশে তাকে ৫০ শব্দের মধ্যে বাঁধতেই হবে এটা জেলখানার মতো লাগে। বন্দী বন্দী।

ভালো লাগছে না

পিঠে ব্যথা, কিছু ভালো লাগছে না।
ভাবলাম একটা ব্লগ লিখি।
তাও ভালো লাগছেনা।
কী যে করি!
কাল অফিসের কথা মনে করলে কেমন যেন বিবমিষা বোধ হচ্ছে।। ।
বিবশ বীভৎস বিবমিষা। ।
(কী অদ্ভুত! বলছে ৫০ শব্দের কমে না'কি ব্লগ হবেনা।। তো কি হবে? ঘোড়ার ডিম?)

(আরে বাবা আর মতো শব্দ লিখবো? আর তো লিখতে ইচ্ছে করছে না!)

অস্ট্রেলিয়ান হাউজিং বাব্‌ল

***অসমাপ্ত একটা লেখা। আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছি ব্যাপারটাতে এখন। ভাবলাম ড্রাফট থেকে বের করে এখানেই রেখে দেই।***

ইদানিংকালে অস্ট্রেলিয়ান হাউজিং বাব্‌ল কথাটা খুব শুনছি।
যা রটে তার কতটা বটে,সেটা খানিকটা বোঝার জন্য এই লেখাটা। এটা আমার নিজের জন্যও শিক্ষণীয় একটি অভিজ্ঞতা। কয়েকটা জিনিস ইন্টারেস্টিং মনে হওয়ায় ভাবলাম,লিখে রাখি। ৯/১১ পরবর্তী বিশ্ব যেমন মুসলিম-টেররিস্ট-আল-কায়েদা ইত্যাদি শব্দবন্ধের জন্ম দিয়েছে, বিশ্বমন্দা পরবর্তী অর্থনীতি ঠিক তেমনি কয়েকটা শব্দ আমাদের সামনে হাজির করেছে। এর মধ্যে হাউজিং বাব্‌ল টপস দ্য লিস্ট। সাবপ্রাইম ক্রাইসিসের পর প্রত্যেকটি অর্থনীতিই পিছু ফিরে একবার হলেও তাদের হাউজিং সেক্টরকে পুনর্মূল্যায়ন করেছে বা করতে বাধ্য হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ায় কী ঘটছে দেখা যাক।

সহজ কথা ২

খারাপ মেয়ের খোঁজে

মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে একটা খারাপ মেয়ের গল্প লিখি।

কিন্তু বিষম একটা সমস্যায় পড়ে যাই। বারবারই।

খারাপ মেয়ে মানেটা যে কী, সেটা ঠিক ধরে উঠতে পারিনা।

ছোটবেলায় ব্যাপারগুলো অনেক সহজ ছিলো। এই যেমন ধরি, দুধ না খেলে খারাপ মেয়ে, চুল আঁচড়ে না বাঁধলে, দাঁত না মেজে দাঁতে পোকা হলে, ঝগড়াঝাঁটি করলে, পুতুল খেলায় খামচাখামচি করলে - এগুলোকে অনায়াসেই খারাপ মেয়ের বৈশিষ্ট্য বলে চালিয়ে দেয়া যেতো।

সহজ কথা

আমার মনের ভালোলাগাগুলো খারাপলাগার মতই নড়বড়ে।
খোলা হাওয়া, দম্‌কা বাতাস অনেককিছুই তাকে নাড়িয়ে বেড়ায়, তাড়িয়ে বেড়ায়।
তাই ভাবছি কী লিখি, কী লিখি।
ব্লগ মানে সবার কাছে যে রকম দরজা জানালা খোলা হুট করে ঢুকে পড়া অন্দরমহল, আমার কাছে সেটা একটা না হোক একটুখানি অসোয়াস্তি মত লাগে।
সবাই শুধু জানতে চায় সব অন্দরকার কিছু।