অধর চন্দ্র সাহা
অধর চন্দ্র সাহা,
জানিনা স্কুলটি
আপনি নিজে না আপনার স্বজনেরা
আপনার নামে প্রতিষ্ঠা করেছিল।
আমি এও জানিনা আপনি জীবিত না মৃত।
কোনদিন জানতাম না এটাই স্বাভাবিক
আমি কেন আপনার এলাকার ক্ষুদ্র গণ্ডি
পেরিয়ে কেঊ আপনার নাম জানতো কি?
অথচ আজ সাড়া দেশ কেন? সাড়া পৃথিবী
আপনাকে এক নামে চেনে
আপনার নামে প্রতিষ্ঠা পাওয়া স্কুলটিকে চেনে।
আপনি জিবিত বা মৃত যাই হউন না কেন
আপনার কাঁধে যে এ পর্যন্ত ৩১০ সন্তানের লাশ।
লাশ, না না, লাশও তো নয়,
ছিন্ন ভিন্ন, রক্তাক্ত মাংস পিণ্ড।
রক্তাক্ত মাংস পিণ্ড গুলো নিয়ে
ঊচ্চ শব্দে সাইরেন বাজিয়ে এক একটি
এম্বোলেন্স যখন আসছিল আর ঘাড়ে তুলে দিচ্ছিল
আপনার শত ছিন্ন, মাংস পিন্ড স্ম লাশ
আপনার কি বলার সামর্থ আছে,
আপনার অনুভুতি।
হাঁ হাঁ আমি পাগল, একজন পিতাকে
এ উদ্ভুট প্রশ্ন তো একজন পাগলেই
করতে পারে।
আপনি পিতা আপনার কষ্ট হয় আমার হয়না।
যখন আমার চোখের সামনে
আমার ভাই মরে
আমি কিছু করতে পারি না।
আমার বোনে চিৎকার করে বলে
ভাইয়া আমার হাতটা কেটে ফেল
তবুও আমাকে বাচাও।
নিজ হাতে ভাইয়ের পা কেটেচ্ছি,
হাঁ হাঁ একটুও আমার হাত কাঁপেনি।
তবু যদি ভাইটা আমার বেঁচে যায়।
না পরিনি তাও পা কাটা ভাইটিকে
আমি বাঁচাতে পারিনি।
একজন মানুষের কাছে সাড়া পৃথিবীর চেয়েও
ভারী তার সন্তানের লাশ।
আর আপনার কাঁধে ৩১০ সন্তানের লাশ।
আপনি আপনার সন্তানদের শিক্ষিত করার জন্য
প্রতিষ্ঠা করেছেন স্কুল।
আপনার সন্তানেরা অশিক্ষিত নয়
হয়নি কেঊ অমানুষ।
কিন্তু মানুষ নামের কিছু আমানুষ
আপনার সন্তানদের লাশ বানিয়ে
তুলে দিয়েছে আপনার কাঁধে।
এত লাশের ভার আপনি সইবেন কি করে?
২৬/০৪/২০১৩ইং





এমন মৃত্যুপুরী আমরা আর দেখতে চাই না।
(
(
(
তাই যেন হয়।
দেখলে বড় কষ্ট হয়।
সত্য সহায়।গুরুজী।।
গুরুজি আপনি কি আমার ব্লগের সেরু পাগলা
না গুরুজি, আমি সেরু পাগলা না। তবে আমার ব্লগের পাগলা তাতে সন্দেহ রাখার কোন অবকাশ নেই।
এমন মৃত্যুপুরী আমরা আর দেখতে চাই না।
মন্তব্য করুন