ইউজার লগইন

বুয়েটের বাপ(পর্ব-৪)

চিফ ইঞ্জিনিয়ারগন কাজে যোগদানের নোটিশ পাবার পার চিফ ইঞ্জিনিয়ারিং স্ট্যাটাস কয়েকদিনের মাঝেই তিরোহিত হতে লাগল। আমাদের ক্যাডেট কলেজ বা ইংরেজী মাধ্যমে পড়ুয়া বন্ধুরা তেমন সমস্যায় না পড়লেও আমরা যারা বাংলা মাধ্যমে পড়াশুনা করেছি, তাদের কাছে সব কিছু যেন এভারেষ্টে আরোহণের চেয়েও কঠিন হয়ে দেখা দিল। কার কাছে জানি শুনেছিলাম মরাকে আরও মার, আমাদের মান্যবর স্যারেরা যেন তারই প্রতিযোগিতায় নামলেন। এস, এস,সি ও এইচ এস সি তে যে সব বিষয় গুলো বাংলায় পানির মত সহজ ও অত্যন্ত মজা করে পড়েছি, স্যারদের ইংরেজীর কচকচানিতে তাই যেন ইস্পাত কঠিন দৃঢ় হয়ে সামনে উপস্থিত হলো যা আমাদের/আমার খুপড়িতে ঢুকছিল না। ইংরেজী জানার যে দৌড় ছিল তাতে এক লাইন পড়তে কতবার ডিকশনারি খুলতে হতো হিসেবে নেই। আমার বন্ধুরা সবাই এমন ছিলে তা কিন্তু বলছি না।

অমাবস্যার পরই তো পূর্ণিমা আসে,তেমনি আমাদের অমাবর্ষায় পূর্ণিমার কিরণ সম আলোক বর্তিকা নিয়ে হাজির হলেন আমাদের বড় ভাইয়েরা। এক ক্লাস উপরের বড় ভাইয়েরা তাদের বই চোথা ও নথি পত্র যেমন বিনে পয়সায় দিলেন(দু, একটা ব্যতিক্রম বাদে) , তেমনি এ বিপদ যে ক্ষনিক সময়ের জন্য এবং অচিরেই দূরীভূত হবে, তাও জানালেন। বড় ভাইদের এ আশ্বাস যেন খরস্রোতা নদীতে ভেসে যাওয়া একখানি ভেলা পাওয়ার সামিল। বাস্তবে হলও তাই, ধীরে ধীরে সব কিছু স্বাভাবিক হতে লাগল।
দয়া করে কেঊ ভুল বুঝবেন না, আমি আমার করাতি ভাইদের কাছে সর্ব বিষয়ে বেশী সহযোগিতা পেয়েছি। আমর কাছে মনে হয়েছে যারা করাতি এবং করাতিতে যাদের গ্রেড যত বেশী তাদের মনটা তত বড় উদার ও পরোপকারী ছিল এবং আছে। যেহেতু আমার লেখা বিভিন্ন ব্লগ ও মাধ্যমে প্রকাশ করে থাকি তাই এ করাতি শব্দটি সম্পর্কে একটু বলি। করাতি হল যে ভাই বা বোনেরা ফেল করেন তাদের করাতি বলা হত। যে যত বেশি বার ফেল করত তার গ্রেড তত বাড়ত। এ করাতি ভাইয়েরা যে কত উদার হন তার একটি স্মৃতিচারন করার লোভ সামলাতে পারছি না।
আমাদের বি, আই,টি , রাজশাহীর পচিশ বছর পূর্তির অনুষ্ঠান চলছে। আমরা এক এক ভাইয়ের স্মৃতিচারন শুনছি, কেও হাসাচ্ছেন কেঊ আবেগ তাড়িত করছেন। কিন্তু মনে গেথে থাকা অনেক গুলোর মাঝে এ স্মৃতিচারন টি যখন মনে হয় আজও আমার মনে প্রচণ্ড ভাবে দাগ কাটে। স্মৃতিচারনটি করেছিলেন দুঃখু ভাই। আসল নাম আমার মনে নেই। জানিনা উনি বেঁচে আছেন কি না। বেঁচে থাকলে আমার ও আমার সকল বন্ধুদের পক্ষে আপনাকে ছালাম। আর নয়তো আল্লাহ পাক আপনাকে সন্মানিত স্থানে স্থান দান করুন।
আমাদের বৎসরে দুটি পরীক্ষা হতো যখন সেটা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ছিল। বাৎসরিক ফলাফল তখন প্রশাসনিক ভবনের বিশাল হল রুমে দেয়া হত। যারা ক্লিয়ার পাশ করতেন তারাতো হাসি মুখে বের হতেন আর যারা এক, দুই বা তিন বিষয়ে সাপ্লিমেন্টারি নিয়ে পাশ করত তাদের মনে একটু বিষণ্ণ ভাব থাকলেও সুযোগ তো আছে পাশ করার তাই অতটা ভেঙ্গে পড়ত না। কিন্তু যারা ফেল করেছেন তাদের একটি বছর জীবন থেকে হারিয়ে যাবার পাশাপাশি মানষিক যে চাপ অনুভূত হত, তা ভুক্তভোগীই শুধু অনুভুতিতে নিতে পারতেন। তাই তৃতীয় বর্ষে উন্নীত হবার পর আমাদের নিয়মিত সর্বোচ্চ খেতাপ প্রাপ্ত করাতি দুঃখু ভাই, তার সহযোগীদের নিয়ে তার দলে নতুন আগতদের বুকে আগলে নিয়ে সান্তনা দিতেন। নিজের ফলাফলের খোঁজ না নিয়ে সদ্য মানষিক ভাবে ভেঙ্গে পড়া করাতিদের বুকে আগলে নিয়ে উপদেশ সান্তনা এবং যত রকম ভাবে এ দুঃখকে ভুলিয়ে রাখা যায় তাই করতেন। বলা বাহুল্য উনি বার বার ফেল করার কারনেই দুঃখু নামের আড়ালে নিজের নামটি হাড়িয়ে যায়। ফেল করা সকল ভাইদের নিয়ে উনি কেন্টিনে যেতেন এবং যার যা খেতে মন চাইত খেতে বলতেন। কিন্তু অন্যান্য দিন যারা খাবার জন্য ব্যকুল হয়ে থাকতো তারা খাওয়া তো দুরে থাক কোন খাবারের অর্ডারও দিত না। দুঃখু ভাই যে বছর থার্ড ইয়ার থেকে শেষ বর্ষে উন্নীত হন সে খবরটি উনি পরদিন জানতে পারেন। কারন সদ্য করাতিদের পথ্য দিতে গিয়ে নিজে যে পরীক্ষা দিয়েছেন এবং তার যে একটা ফল হতে পারে তা তিনি ভুলেই যেতেন। যেদিন উনি এ স্মৃতিচারন করছিলেন তখন উনি অনেক ভাল অবস্থানে সরকারি চাকরি করছিলেন।
এখানে একটি কথা বলি প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে অনেকের পরীক্ষার ফলাফল আহা মরি কিছু না হলেও, করাতি পাশ মারা অনেক ভাই বা চার বছরে ১২ সাপ্লিমেন্টারি নিয়ে পাশ করা অনেকে কর্ম জীবনে এসে এত সাফল্য অর্জন করেছেন যে তা কিভাবে বর্ণনা করি। এই তো কিছুদিন আগে আমাদের বন্ধু উজ্জল এসেছিল, কানাডা থেকে, তার কাছ থেকে এমন একজনের নাম শুনলাম যিনি করাতিতে ভাল ডিগ্রি অর্জন করার পাশাপাশি সেখানে ইঞ্জিনিয়ারিং জব করছেন এবং ভাল অবস্থানে আছেন।
এক্ষণে আমার আল-কোরআনের একটি আয়াত মনে পড়ে গেল।
৩:২৬ কূলিল্লা হুম্মা মালিকাল মুল্কি তু তিল মুল্কা মান্তাশা-উ, ওয়া তাণজীঊল মূল্কা মিমমান তাশা-উ, ওয়াতু ঈজ্জূ মাণতাশা-উ ওয়াতু জিল্লু মান্তাশা-উ, বি ইয়াদিকাল খাইর। ইন্নাকা আলা কলিই শাইইন কাদির।

অর্থঃ বলুন, হে আল্লাহ! রাজ্যের মালিক তো আপনিই; যাকে ইচ্ছা রাজত্ব দেন আর যার কাছ থেকে ইচ্ছা ছিনিয়ে নেন; যাকে ইচ্ছা সন্মান দেন আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি করেন; আপনার হাতেই সমস্ত কল্যাণ নিহিত, নিশ্চয়ই আপনিই সর্বশক্তিমান।

ধীরে ধীরে আমরা রাজশাহী শহর কেন্দ্রিকতা ছেড়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মুখী হতে লাগলাম। এর পিছনে বহুবিধ কারন বিদ্যমান। যদিও শহরের আকর্ষন পুরাপুরি ছাড়া কখনও সম্ভব হয়নি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় উত্তর বংর্গের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ। এখানে প্রতিটি সেশনে সিংহভাগ উত্তর বঙ্গের শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষার জন্য ভর্তি হয়। তাই নিজের আত্নীয় স্বজন ছাড়াও একি কলেজ বা স্কুল জীবনের বন্ধু যারা অন্য কলেজ থেকে এইচ এস সি পাশ করেছে তারাও এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। কিছু সংখ্যক ছাত্র যে ঢাকা বা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন না তা নয়। আবার ঢাকা সহ সাড়া দেশ থেকেও অনেক ছাত্র এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। তাছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বা রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ভর্তি হতে এসেও অনেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় ভাইবোনদের রুমে আশ্রয় নেন। এই আশ্রয় নিতে এসেও অনেকের ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতা হয়ে থাকে।
আমি রাজশাহী প্রকৌশল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা দিতে এসে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আব্দুল লতিফ হলে আমার এলাকার ও একই স্কুলে পড়া বড় ভাই, শামছুল ইসলাম সুরুজ ভাইয়ের রুমে উঠি। এ রুমটি ছিল তখনকার ছাত্র মৈত্রী হল শাখার সভাপতির রুম। সে সময়ে নবাব আব্দুল লতিফ ও সামনা সামনি অবস্থিত এস এম হলের সম্পর্ক ছিল সাপে নেউলের সম্পর্কের মত। বলা নাই কওয়া নাই তুচ্ছাতি তুচ্ছ কারনে ভয়াবহ যুদ্ধে লিপ্ত হত। তবে আমার কাছে মনে হতো যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ট সময়, এ বাক্যের সত্যতা প্রমাণ করার জন্য তারা মাঝে মধ্যে যুদ্ধের মহড়া দিত। সদ্য স্বাধীন হওয়া দেশে তেমন যুদ্ধের সম্ভাবন না থাকলেও ভবিষ্যতে কেউ সেনাবাহিনী বা অন্য কোন বাহিনীতে যোগদান করলে পূর্ব অভিজ্ঞতার অলিখিত সনদ হিসেবেও কাজে লাগতে পারে। তবে সদ্য গর্ত হতে বের হওয়া শিবিরের সাথে এ প্র্যাকটিস কিছুটা কাজে লাগত বৈ কি। আমি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি হবার তিনদিন আগে এসে নবাব আব্দুল লতিফ হলের ১০২ নম্বর কক্ষে শামছুল ভাইয়ের রুমে অবস্থান নেই। এ শামছুল ভাই আমার এলাকার ও আমরা একই স্কুলে লেখা পড়া ও একই ক্লাবে খেলার কারনে আমাদের মাঝে বর্ণানাতীত সখ্যতা ছিল। যদিও উনি আমার এক বৎসরের সিনিয়র ছিলেন। উনার টানেই তিনদিন আগে আসা। শামছুল ভাই আমাকে উনার রুমমেট ও বন্ধুদের কাছে এমন ভাবে উপস্থাপন করেছেন যে আমার পোয়াবারো অবস্থা। নাস্তা করতে যাই বিল দিতে হয় না। কেন্টিনে খেতে যাই একই অবস্থা। প্রথম দিন খুব ভাল ভাবেই কাটল। দ্বিতীয় দিন পড়তে বসেছি। হঠাৎ বাহিরে প্রচন্ড হই চই।রুম থেকে বের হতে যাচ্ছি এমন সময় রুমের জানালায় কয়েকটি ঢিল এসে পড়ল। শামছুল ভাই উদ্ভ্রান্তের মত ছুঁটে এসে বললেন, সোজা ছাদে যাও। যারা নিয়মিত এমন যুদ্ধে অংশ নিয়ে থাকেন তারা প্রাণপণ চেষ্টা করছেন যাতে এস,এম হলের ছেলেরা হলের ভিতর প্রবেশ করতে না পারে। কারন আচমকা আক্রমণে এস এম হলের ছেলেরা নবাব আব্দুল লতিফ হলের ছেলেদের অনেককে আহত করে এবং একজন মারাত্বক আহত হবার কারনে তাঁকে রাজশাহী মেডিকেলে পাঠানো হয়। মার খেয়ে ছেলেরা সবাই মেইন গেট বন্ধ করে হলের ভিতরে প্রবেশ করলেও এস এম হলের ছেলেরা গ্রাউন্ড ফ্লোরের প্রায় সকল রুমের জানালার কাঁচ ভেঙ্গে ফেলে। ওরা যাতে গেট ভেঙ্গে হলে প্রবেশ করতে না পারে তার জন্য কিছু ছাত্র জীবনের ঝুকি নিয়ে প্রতিরোধ করে যাচ্ছিল। এখন ওদেরকে পিছু হঠাতে হলে এক সাথে ছাদ এবং উপর তলার রুমের জানালা দিয়ে ঢিল ছুরতে আরম্ভ করা ও একই সময়ে গেট খুলে সশস্ত্র আক্রমণ করতে হবে। যারা সাধারন ছাত্র তারা ছাদে অবস্থান নিবে ও ঢিল ছুড়বে। কিন্তু বিপত্তি দেখা দিল ছাদে পর্যাপ্ত পরিমাণ ইট নেই। যা ছিল তা প্রায় শেষের পথে। একমাত্র হলের অভ্যন্তরে যে চারাগাছ লাগানো আছে তার ঘেড়া হিসেবে যে ইটের বেড়া দেয়া আছে তা ভেঙ্গে নিয়ে উপরে তোলা। কিন্তু অন্ধকারে কি করে তা করা সম্ভব। ছাদে নেতারা যখন এ আলোচনা করছিল তখন আমি বলে উঠলাম আমার ব্যাগে টর্চ লাইট আছে। একজন নেতা বললেন তুমি কে? শামছুল ভাই বলল ও আমার গেষ্ট পরীক্ষার্থী। কোথায় আছে? হেনরী ভাইয়ের রুমে। না না ও রুমে এখন যাওয়া যাবে না। এই ১০২ নম্বর রুমটি ছিল মেইন গেট থেকে একটি রুম পরেই।আমি বললাম যার পড়নে লুংগি আছে খুলে আমাকে দেন। ওই নেতা আমাকে দিলেন এক ধমক। তুমি আমাদের গেষ্ট তোমাকে কিছু করতে হবে না। আমি বললাম ওরা যদি হলে ঢুকে যায় তাহলে আমাকে কি ওরা গেষ্ট বলে ছেড়ে দেবে। তাছাড়া আপনারা যে মারামারি খেলা খেলেন আমরা তা গ্রামাঞ্চলে খেলাধুলা বা বিভিন্ন কারনে অনেক করেছি। শামছুল ভাই তো চোরের সাক্ষী গাইট কাটার মত করে সাক্ষী দিলেন। আর আমি যেহেতু পিচ্চি ছিলাম, হামাগুড়ি দিয়ে রুমে ঢুকা খুব অসুবিধা হবে বলে মনে হল না।
এক বড় ভাই অন্ধকারে উনার ইজ্জতের তেমন ক্ষতি হবে না আর হলেও কিছু করার নেই ভেবেই (অবশ্য অন্তর্বাস ছিল) উনার পরিধেয় লুঙ্গিটা আমাকে দিলেন। আমি লুঙ্গিটা মাথায় বেঁধে দুই তলা পর্যন্ত স্বাভাবিক ভাবেই গেলাম। শামছুল ভাই ও আরও কজন আমার সাথে ওই পর্যন্ত গেলেন। মাঝে মাঝে এক দুটা ঢিল আসছে। আমি শুয়ে পড়ে এক গরগরানিতে ১০১ নম্বর রুমের দেয়ালের নিরাপত্তা বেষ্টনিতে চলে গেলাম। বসে বসে গেলাম ১০২ নম্বর রুমে। বসে বসেই রুমের দরজার এক পাল্লা খুলে রুমে ঢুকে খাটের নিচে চলে গেলাম। কিছুক্ষণ দম নিলাম। এটা মোটামোটি নিরাপদ স্থান, বোমা না মারলে তেমন বিপদের সম্ভাবনা নেই। আমার ব্যাগটা খুলে টর্চ লাইটটা নিলাম। আসার সময় হেনরী ভাই বলেছিল সম্ভব হলে আমার ঔই ব্যাগটা নিবে। খোল না যেন। উনার ব্যাগটা নিলাম। চৌকির নিচে শুয়ে থেকে হেনরী ভাইয়ের ব্যাগটা এক ঠেলায় দিলাম হাফ খোলা দরজা দিয়ে রুমের বাইরে ঠেলে। আমি আচমকা খাটের নীচ থেকে বের হয়ে তড়িত দরজার বাইরে এসে দিলাম দরজা বন্ধ করে। আসা পথে না গিয়ে পিছন দিকের সিড়ি দিয়ে ছাদে উঠে গেলাম। এবার টর্চ শামছুল ভাই ও ব্যাগ হেনরী ভাইকে দিয়ে লুংগি ভাইকে লুঙ্গিটা দিলাম। (চলবে)

পোস্টটি ৬ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

তানবীরা's picture


মারমার কাটকাট

আহসান হাবীব's picture


পারফেক্ট

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

আহসান হাবীব's picture

নিজের সম্পর্কে

তোমার সৃষ্টি তোমারে পুজিতে সেজদায় পড়িছে লুটি
রক্তের বন্যায় প্রাণ বায়ু উবে যায় দেহ হয় কুটিকুটি।।
দেহ কোথা দেহ কোথা এ যে রক্ত মাংসের পুটলি
বাঘ ভাল্লুক নয়রে হতভাগা, ভাইয়ের পাপ মেটাতে
ভাই মেরেছে ভাইকে ছড়রা গুলি।।
মানব সৃষ্টি করেছ তুমি তব ইবাদতের আশে
তব দুনিয়ায় জায়গা নাহি তার সাগরে সাগরে ভাসে।
অনিদ্রা অনাহার দিন যায় মাস যায় সাগরে চলে ফেরাফেরি
যেমন বেড়াল ঈদুর ধরিছে মারব তো জানি, খানিক খেলা করি।।
যেথায় যার জোড় বেশী সেথায় সে ধর্ম বড়
হয় মান, নয়ত দেখেছ দা ছুড়ি তলোয়ার জাহান্নামের পথ ধর।
কেউ গনিমতের মাল, কেউ রাজ্যহীনা এই কি অপরাধ
স্বামী সন্তান সমুখে ইজ্জত নেয় লুটে, লুটেরা অট্টহাসিতে উন্মাদ।
তব সৃষ্টির সেরা জীবে এই যে হানাহানি চলিবে কতকাল।
কে ধরিবে হাল হানিবে সে বান হয়ে মহাকাল।।