আপনারা বলবেন কি???????
ফোনে বাবার কণ্ঠ শুনেই
মেয়ের ধৈর্যের সকল বাধ ভেংগে গেল।
প্রথমে ফোপানি
অতঃপর সজল কান্না।
না বাবা চোখে দেখতে পাচ্ছে না।
কিন্তু অন্তর চক্ষু
বাবার কলিজাটা ভেঙ্গে খান খান হবার জোগার।
সব সামলে নিয়ে প্রশ্ন!
কি হয়েছে বাবা
কাঁদছ কেন?
ট্রাফিক জ্যাম গাড়ীতে বসে আছি
পরীক্ষা আরম্ভ হয়ে গেছে।
কাঁদতে হবে না, তোমার ম্যাডামকে ফোন কর।
না হলে আবার পরের সিমিষ্টারে দিবে,
এবার যেন সাইক্লোন ......
না না...।
কি করে সহ্য করবে,
গত তিন চারদিন ধরে রাত জেগে
তিন বান্ধবী মিলে প্রজেক্ট প্রস্তুত করেছে।
শুধু ট্রাফিক জ্যামের জন্য পরীক্ষা ও
প্রজেক্ট জমা দিতে পারবে না।
আমি নিজেও কেমন যেন
অসহায় বোধ করছিলাম।
এদিক সেদিক পায়চারী করছিলাম
ওর মাকে দিলাম।
কিছুতেই স্বস্থি পাচ্ছিলাম না।
মিনিট ৪৫ পরে ফোন এল
বাবা পৌচেছি, পরীক্ষা
আরম্ভ হয়নি।
অনেকে এখনো পৌছতে পারেনি।
এতক্ষন প্রতি মুহুর্তে আল্লাহ্ তায়ালাকে
স্বরণ করছিলাম,
তাঁকে শুকরিয়া জানালাম
আর ভাবছিলাম,
মেয়ের এইটুকু কষ্টে,
বাবার কেন এত কষ্ট হয়।
আপনারা বলবেন কি???????
মে,১১,২০১৪ খ্রীঃ
খুলনা।





ধন্যবাদ আপু
মন্তব্য করুন