একটি বিবাহনামা . . . ( অল্প বয়সে পাঁকলে যা হয় আরকি !! )
গত ডিসেম্বরের শেষদিকে "অফিসিয়ালি বিবাহ" করার পারমিশন পাইছি , মা আমারে কয় "যা কর গিয়া বিয়া , আমার কোনো আপত্তি নাই"। কানারে কওয়া "যা ছাইড়া দিলাম , দুনিয়া ঘুইরা আয় "। নিজের গতি নিজে করার কোয়ালিটি যে সুপুত্রের নাই , সেইটা মার চেয়ে ভাল আর কে জানে ? একটা হালকা পাতলা খোঁচা মারার চান্স পাইলে দুনিয়ার কেউ ছাড়ে না , মা আর বাদ যাইবো ক্যান ?
প্রায়ই ফেইসবুকে ভাব মাইরা স্ট্যাটাস দেই , ক্লাসে ভাবমারা স্ট্যাটাসের জন্য প্রায় নামও কামায়া ফালাইসি। মানুষ মনে করে কি না কি ( এক সহপাঠী একবার কনগ্র্যাটজ ও জানায়া দিসিলো এইটা মনে কইরা যে রিলেশনসিপ স্ট্যাটাস চেইন্জ্ঞ হইসে
, সে এক লজ্ঝার ইতিহাস )। তবে জন্মদিনটা পার হওয়ার পর থেইকা ব্যাপারটা নিয়া সিরিয়াসলি ভাবতেছি। পাত্রী হইলো হাতের ময়লা (
) , যোগাড় করতে আর কি যাইবো , সিদ্ধান্তটাই মেইন।
গত ১২ তারিখ আমার একমাত্র অবিবাহিত মামার বিয়া গেল। মামা না পুরা আমার মতো হইছে (
) , ছোটো ছোটো ভাইয়েরা বিয়াসাদী কইরা ৩-৪ বাচ্চার বাপ হয়া গেসে , আর এখন তার বিয়া হইলো ( তাও আল্লায় নিজে আঙ্গুল দিয়া দেওয়াইলো , নাইলে এই জীবনে আর বউ এর মুখ দেখা লাগতো না )।
বিয়াসাদীর অনুষ্ঠানে যাওয়াটা পৃথিবীর টপমোস্ট বিরক্তিকর কাজগুলির মধ্যে একটা। একটু লুইস টাইপ পোলাপানরা যতটা আনন্দ পায় , নন-লুইসরা ততটাই বিপদে পড়ে। তারপর কোনোমতে "খাওন চাইনা , এইবেলা যাইতে দেন" বইলা সেইখান থেইকা বাইর হইতে পারলে শান্তি। নিজের মামার বিয়াতে আমার ফাংশনালিটি অতিথির চেয়েও কম ছিলো। এই জীবনে কোনো বিয়াতে আনন্দফুর্তি করতে পারলাম না , কষ্ট ! অ্যারেন্জ ম্যারেজ জিনিসটা কখোনোই ওতো ভালো লাগতো না , তবে মামার বিয়ার অ্যারেন্জমেন্ট করতে গিয়া ( দেখতে গিয়া বলাটা সেইফ ) বিরক্তি এই মূহুর্তে চরমে আছে। চিন্তা করছি , এই জীবনে চিরকুমার (
) থাকতে হইলেও অ্যারেন্জ ম্যারেজ করবো না। কতা শেষ।
অ্যারেন্জ ম্যারেজের প্রথম সমস্যা , যৌতুক/"উপহার" আদান প্রদান। এই উপহার মানে বিয়া/বৌভাতের দিন আত্মীয়স্বজনের দেওয়া উপহার না , একটা ডিপ মিনিং আছে। আমি যৌতুক আর "উপহার" এর মধ্যে কোনো মৌলিক পার্থক্য দেখি না। হ্যা , একটা পার্থক্য আছে , বিয়ার পরে মেয়ের উপর অত্যাচারের পর বাপ-মা যেইটা দেয় ওইটা হইলো "যৌতুক" আর বিয়ার পর অত্যাচার যেন না হয় এইজন্য বাপ-মা আগেভাগেই ভালয় ভালয় যা দিয়া দেয় , সেইটারে কয় উপহার। ফ্রিজ , কালার টিভি , ওয়াশিং মেশিন থেইকা শুরু কইরা আলিশান গাড়ি , DOHS এর ফ্ল্যাট , ফ্যাক্টরি লিক্খা দেওয়া ( যার যেমন স্বামর্থ ) সবই উপহার হিসাবে দেওয়ার চল আছে। যৌতুক না হোক , উপহার দেওয়া-নেওয়াটা কবি-সাহিত্যিক , সুশীল , ভার্সিটির টিচার ... সমাজের যাবতীয় "বিবেক" সবার মধ্যেই চলটা আছে। যেই মহিলা বিয়ার ২৫ বছর পর সবচেয়ে বড় নারীবাদী হয় সে ও ২৫ বছর আগে ওই "উপহার" গুলি দিয়াই স্বামীর বাড়িতে আসে ( জামাই-বউ একবার ঝগড়া লাগলে হয় ! একটা একটা কথা বাইর হইয়া আসে ) , সেও "কি নিয়া আসছো ?" বইলা নিজের ছেলের বউ / ভাই এর বউ এর পায়ে পাড়া দিয়া ঝগড়া করে। টিপ-খোপা বাইন্ধা বই মেলায় বইসা থাকা অত কষ্টের কিছু না , মানসিকতা চেইন্জ্ঞ করাটা কষ্টের , ওইটাই অনেকের আজীবনে একবারের জন্যও হয় না।
না ভুল হইছে , আগেরটা দ্বিতীয় সমস্যা। প্রথম সমস্যা আমার কাছে যেইটা লাগে , স্নো-পাউডার লিপস্টিকের অত্যাচার (
) । সাজুনির ১০ বছর আর ৮০ বছর নাই , যে না পারে সেও এক পোয়া পাউডার দিয়া আসে। আমার মনেহয় ন্যাচারালি একটা মেয়েরে যতটা সুন্দর লাগে , তার ১০ ভাগের একভাগও লাগে না ওতো কালার দিয়া পেইন্ট করার পরে (
)। এক বিয়া বাড়িতে গেছি , কনেরে দেইখা খাবার উল্টাইয়া পড়ার দশা হইছে। ক্যান রে ভাই , এতো টাকার গচ্চা দিয়া পারসোনা/ফারসোনায় পাঠানোর , কাজের মধ্যে কাজ হয় , জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন দিনে ভূতনী সাইজা বাড়ি ছাড়তে হয়। বউ যতো না সাজে , তার আশেপাশে যারা বসে তারা এক কাঠি সরেস থাকে ( মডার্ন খালা ফুপুরা নিঃসন্দেহে কাঠির হিসাবে ১০-১২ কাঠি উপরে থাকবেন )। আর যখন গরমে পাউডার গুলি গইলা গইলা চুয়াইয়া চুয়াইয়া পরে , তখন আরো সুন্দর সিনারি দেখা যায় ( মনেহয় Avatar এর শ্যুটিং স্পট !! ) । পোলাও-মাংশ আর মশলার গন্ধে যদিও বমি কোনোক্রমে আটকাইয়া রাখা যায় , কিন্তু ঘামের ভুরভুর গন্ধ , পাউডারের বিগলন , নারীপুরুষ নির্বিশেষে বিকৃতভাবে দাঁত খিলানো , এইগুলি দেখলে পেটের খাবার পেটে রাখা দায় হয়া যায়।
সিম্পল একটা কাজ করতে হাজারটা ফর্মালিটি করতে হয়। আমি এমন একটা বিয়ার কথা জানি যেইখানে পাত্রপক্ষ বিয়ার পরে এই "দোষ" ধরসিলো যে খাওয়ানোর পর পান দেওয়া হইলো না কেন ! দেন-মোহর নিয়া চিল্লাচিল্লি ( শহড়ের বিয়াতে খুব বেশি দেখা যায় না , গ্রামদেশে শুধু দেন-মোহর নিয়া ঝগড়া করার জন্য দুই পক্ষই লোক ভাড়া করে , তাদের ফাংশনালিটি হয় শুধু ঝগড়া করা ) , উপহার নিয়া দর কষাকষি আর কিছু না পাইলে "পান দেওয়া হইলো/হইলো না ক্যান ?" "খিলাইলের দাঁত ভাঙ্গা ক্যান ?" তো আছেই , জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন দিনে বাপ-মা , আত্বীয়-স্বজনের এই টাইপ ক্যাচা-ক্যাচি পাত্রপাত্রীর উপর কতটা বিরূপ প্রভাব ফেলে সেইটা বিবেচ্য বিষয় না , প্রধান লক্ষ্য হয়া দাড়ায় ঝগড়ায় জেতা।
যেভাবেই হোক একটা "সৌভাগ্যবতী" যোগাড় করা লাগবো ( আমার সাথে বিয়া হইবো , সে নিঃসন্দেহে "সৌভাগ্যবতী"
)। যেকোনো মূল্যে। এবং তাড়াতাড়ি। আমার সার্টিফিকেটে এমনিতেও লেখার মতো খুব বেশি কিছু থাকবো না , তাছাড়া সার্টিফিকেট দেইখা বিয়া বসা মেয়েদের সম্পর্কে কিছুটা অন্যরকম ঘেন্না আছে , সেইটা আরেকদিনে বলবো। ৩২ এ বিয়া , ৩৫ এ বাপ তারপর বাচ্চা মুসলমানী দেওনের আগে আল্লার পেয়ারা হইয়া যাওয়াটা বিশেষ ক্রেডিটের কিছু না। পহেলা ফাল্গুন গেল , আষাঢ় মাসের খুব দেরি নাই । বউ কান্ধের উপর নিয়া বৃষ্টিতে যদি ভিজতেই না পারলাম তাইলে বিয়া করমু কেন ?? ফুটবল টিম বানানোর জন্য ??





৩৪ বার পঠিত ,মন্তব্য নাই , আফসু.....

সাজুনির ১০ বছর আর ৮০ বছর নাই , যে না পারে সেও এক পোয়া পাউডার দিয়া আসে
অশেষ ধন্যবাদ। একজন লাইক দিয়া গেল , তাও কমেন্ট করলো না তো আমি কি করমু ??
রেজওয়ান ভাই...আপনার লিখা টা পইরা যা কি পরিমান অভিজ্ঞতা আর আনন্দ পাইলাম বলার ভাষা খুজে পাচ্ছি না ...তাই বলে ভাব্বেন না যে ।। বোবা।। আর কথা কিছু টা হইলেও সত্য...এবং সেই সাথে বিয়ের উপর একটা বিশেষ জ্ঞান অর্জন করলাম...আসলেই এটা ভেবে অবাক লাগে যে।।এখনো বিয়েতে ছেলে শিক্ষিত হবার পরেও এই যে বিয়ের অনুষ্ঠান গুলো তে অনেক যায়গায় দেখেছি...যে...সাক্কর খানা( মানে অনেক বড় থালার মত...) সেটা জোগার করতে না পারায় কি পরিমান অপদস্ত হতে হয়...এমন কি সামান্য পানের জন্য ও মেয়ের বাড়ির লোক জন কে.....যার সাথে সারা জীবন সংসার করতে হবে আর এই সামান্য জিনিস গুলো নিয়ে অযথা বারাবারি করে কি লাভ...একটু পর তো তার কাছেই যেতে হবে এক ঘরে থাকতে হবে...আর যাকে সে বিয়ে করলো সে যদি জিজ্ঞাসা করে তো এর কি উত্তর দিতে হবে আমার জানা নেই... আর মানুষ কে ছোট করে ...নিজে কি কখনো বড় হওয়া যায়।। সে যাই হোক মিয়া ভাই পইড়া আনন্দ ও জ্ঞান দুইটাই হইলো...আপনার জন্য রইল শুভ কামনা...আশা করি আষাঢ়ের আগেই আপনার বিয়ে হবে...আর বৃষ্টিতেও ভিজতে পারবেন বউ কে সাথে নিয়ে
ভাই , বিশেষ আপত্তি না থাকলে "শুভ" বইলা সম্বোধন কইরেন। রেজওয়ান নামটা খুব লম্বা , তাছাড়া আমার তেমন একটা পছন্দও না।
আসলে সার্টিফিকেট পুথিগত বিদ্যাটা পরিমান বোঝায়। সেই হিসাবে আরজ আলী মাতুব্বর বাংলাদেশের টপমোস্ট অশিক্ষিতের একজন। আমি মাস্টার্স করা মেয়েরে ফাইভপাস করা ছেলের কাছে বিয়া বসতে দেখসি ( তাও একটা ব্রেকআপ করে ) , তারে অত্যাচার নির্যাতন কইরা রাজি করানো হয় নাই , নিজে লাফাইতে লাফাইতে বিয়া বসছে , ছেলের কোয়ালিফিকেশন প্রবাসী। এরে কি বলবেন ?
এদের শিক্ষা ধইরা লাভ নাই , ডক্টরেট করুক আর রিক্সা চালাক , মানসিকতা একই রকম থাকবে।
হাঃহাঃহাঃ লেখা পইড়া হাসতে হাসতে খুন হইয়া যাই।
লাইক করা সহযোগে প্রিয়তে নিলাম
(আপনার ইমু গুলো কাজ করছেনা কারন আপনি ডান পাশে কোলন দেননি, যেমন :tongue এর দুই পাশেই দুইটা কোলন দরকার তখন সেটা এমন দেখাবে
)
ভাই অশেষ ধন্যবাদ। ইমোগুলান খুব জালাইতাছিলো।
লাইক ও করলাম।। কমেন্ট ও করলাম...একটু বড় তাই দেখতে পারেন নি আর আমার ও লিখা শেষ হয়নি তখনো...এখন খুশি তো...।
হ্যা হ্যা খুশি ......
লাইক ও করলাম।। কমেন্ট ও করলাম...একটু বড় তাই দেখতে পারেন নি আর আমার ও লিখা শেষ হয়নি তখনো...এখন খুশি তো...।
হ্যা হ্যা খুশি ভাই .. আর কয়বার বলাইবেন ??
বিবাহ !!! ব্যাক ডেটেড চিন্তা ।
তাই ? তাইলে লেটেস্ট চিন্তা কোনটা ?
লাইক করলাম এবং কমেন্টও করতেছি
বিয়ের অনুষ্ঠানের মাথা এবং লেজ ইনক্রেডিবল হাল্কের শরীরের মত বাড়তে বাড়তে কুৎসিত ড্রাগনাকৃতি ধারণ করছে ইদানিং। আংটি পরানো নিয়াও এখন দুই পক্ষ আলাদা আলাদা জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান করে। এর পরে নাচা-গানাওয়ালা দুই-দুইটা গায়ে হলুদ, বিয়া, বৌ-ভাত, এর পরে আরেকটা কি জানি হইসে ফিরানি না কি যেন বলে। বিয়া করতে এখন বিশাল টাকা-পয়সা লাগে!
হ্যা .. ইন্ডিয়ান সিরিয়ালের মতোন। ওরা যেমন এক বিয়ার উপলক্ষ নিয়া ৩০ পর্ব বাড়ায় , অনেকটা সেভাবে বাড়তেসে .....
টাকা পয়সাও দেদারসে খরচ যায়। এগুলো রেখে দিলেও দম্পত্তি বিবাহ পরবর্তী সময়ে অনেক কাজে লাগাতে পারে .....
আমি একবার এক বিয়ার অনুষ্ঠানে ছবি তুলতেছিলাম- কনের মুখে এমনভাবে প্লাস্টার করা হয়েছিল যে ফ্ল্যাশের আলো রিফ্লেক্ট করতেছিল
কনের সাজটা সবচেয়ে ডেন্জারাস হয়। মনেহয় ড্রাকুলা তুইলা আনা হইছে , কনের সাবস্টিটিউট হিসাবে ......
.... "একটা ড্রাকুলা বিয়া করতাছি" ভাবতে বরের কেমন লাগে আমি জানি না , কাউরে জিজ্ঞেস কইরা দেখতে হইবো .... 
আমি বিয়াবাড়ীতে যাই , প্রেজেন্টেশন দেই , খাই , দৌড়ায়া বাইর হইয়া আইসা পড়ি। ছবিটবি তুলতে দেখলে দৌড়ের বেগ আরো বাড়ায়া দেই ...
এই লেখাটা পইরা মনে হইলো বিশাল বাচা বাইচা গেছি
আপাতত এক্টা বিয়া করো শুভ
... বিয়া খাওনের খুব ইচ্ছা
বিরাট বাঁচা বাঁচছেন ভাই , দিনকাল যা আইতাছে ... আমার আর কি ! জুনিয়রগো চিন্তায় রাইতে ঘুমাইতে পারি না ...
আপাতত কেন , ইহজিন্দেগীতে একটা করতে পারলেই হইলো। তাও কবে হয় কে জানে !!
হইলে তো কোর্টম্যারেজ করমু , আপনে সাক্ষ্য দিয়েন ..
গান শুনেন--
এক বৈশাখে দেখা হলো দুজনার...জৈষ্ঠ্যতে হলো পরিচয়...
আরে ভাঙ্গা , কেমন আছো ভাইয়া ? কিরাম চলে ? অনেকদিন দেখা সাক্ষাত নাই। লেখালেখি করো না এখন ?
করি তো ব্লগস্পটে, এখানে...
সামু ?? ছাইড়া দিসো ??
শুভ অনেক পিছাইয়া আছে
ক্যান ভাই ?? পিছায়া আছি কোন হিসাবে ?? বলেন বলেন ......
এইযে তুমি আসার আগেই সব্বাই চইলা আইছে
আমি তো ঠিক করছিলাম জীবনে আর লিখমুই না।
স্বাগতম
শুভ ব্লগিং
লেখার টপিক হিসাবে এইসবই ভালো
পড়াশুনা কেমন চলে?
ধন্যবাদ।
বিয়াসাদীর অনুষ্ঠানে যাওয়াটা পৃথিবীর টপমোস্ট বিরক্তিকর কাজগুলির মধ্যে একটা।
ঘটনা সত্য।
ভীষন মজাদার একটা লেখা!! তবে সবচে পছন্দের লাইন হলো ------
".......আমার মনেহয় ন্যাচারালি একটা মেয়েরে যতটা সুন্দর লাগে , তার ১০ ভাগের একভাগও লাগে না ওতো কালার দিয়া পেইন্ট করার পরে...."
*********************************************
১০০০% একমত! কিন্তু কেউ বুঝলো না, নারীজাতিও না, মুখসৌন্দর্যবর্ধনকারকপার্লারতো নয়ই!
ধন্যবাদ ভাই । যাদের বুঝলে সবচেয়ে বেশি কাজে দিত তারাই বুঝলো না , আফসোস ........
আয় হায়! আপ্নের দেখি বিয়া রিলেটেড প্রত্যেকটা জিনিষের উপ্রে বিরক্তি!
ছিঃ ছিঃ ভাই , কি বলেন এইসব ? আমি একটা খুবই বিয়াপাগল টাইপ ছেলে .. আপনে এইটা কি বললেন ......
বিয়া যে করতে চাও, ভাত খাইতে পারো নিজে নিজে?
দেখেন নানা ... কোনো কিতাবে লেখা আছে যে বিয়া করার আগে নিজের হাতে ভাত খাইয়া তারপর যাইতে হবে ?? নাই .. দিলেন তো মনটা ভাইঙা ....
এমন তো না আমি চেষ্টা করতেসি না , সামান্য ইম্প্রুভমেন্ট হইছে , এখন মা মাখায়া দেয় , আমি চামুচ দিয়া খাই ... 
বার্ড ব্রাদার'স "এ কমপ্লিট গাইড অফ ম্্যারেজ প্রিরকউইজিটস" পড়ে দেখ।
একি নানা !!!!
আপনের টাইপোর অবস্থা তো বেহাল !!! 
বার্ড ব্রাদার'স "এ কমপ্লিট গাইড অফ ময়ারেজ প্রিরিকউইজিটস" পড়ে দেখ।
ইংলিশ বুঝি না নানা .. বাংলা ভার্সন নাই ??
পাখি ভাই প্রণীত "বিবাহের যোগ্যতার ছহী নিরদেশিকা"
কলিকাল আইসা পড়সে বুঝছেন নানা , পুরা কলিকাল ... পাখিভাই রে বলে প্রতারনার জন্য জেলে ভইরা দিছে ?
বলেন এইটা কোন দেশের ইনসাফ হইলো .. সে যে পবিত্র দায়িত্বে ছিলো তা এই দুনিয়ায় কয়জনে করে ? 
টোনা মিয়া তুমার লিগা টুনি খুঁইজা পাওন কঠিন হইবো মনে হইতাছে... যাইহোক হাল টাল ছাইড়ো না.... সার্চ ইন্জিন চালু রাখো...
আরে রোহান ভাই , কি খবর ? কিরাম আছেন ?
আর সার্চ এন্জিন ভাই , এইবারও ১৪ তারিখ খালি খালি পার করলাম , অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়ি , লজ্ঝায় দুঃখের কথা কইতেও পারি না ....
দোয়া রাইখেন গো ....
ছুম্মা আমিন!!!
আগামী পর্বে সমাপ্য!!!
[আগামী পর্ব কবে আসবে এইটা একটা কুইশ্চেন মার্ক!!]
না রে মুক্ত ... ওই স্বামর্থ মনেহয় এখন আর নাই ... পর্ব কইরা লেখা আমার কাজ না .. লিখতেই মন চায় না .. যেইদিন মনে কইবো ওইদিন আবার লিখমুনে ...
তুই লেখস না ক্যান ? তোর তো পাঠক আছে বহুত ...
খেকজজজ!!!
যেদিন বিয়া হইবে.. সেইদিন এইটার দ্বিতীয় খন্ড আসিবেক!!!
নাহ্ , এই ব্যাপারে গ্যারান্টি দিতেছি ... বিবাহ পর্যন্ত ব্লগিং এর অভ্যাস রাখবো না ......
তোমার লেখা পড়তে এইখানে সাইন আপ করলাম।
আমিও আপনাদের লেখা পড়তে আর জোর কইরা নিজের লেখা পড়াইতেই সাইন আপ করসি ...
ভাল লেখা কোনোদিনও লিখি নাই , জানি কোনোদিন পারবোও না , তারপরও আপনাদের কমেন্ট পাওয়ার লোভ সামলাইতে পারি না ভাই ... অনেকগুলি জঘন্য অভিজ্ঞতার পরও ব্লগ আমারে ছাড়ে না , কামড়াইয়া ধইরা রাখে ...
ধুর মামার বিবাহ আমি তো আরো ভাবলাম শুভোর বিবাহ
কি ?? দাম বেশি বাড়সে না ?? সেলিব্রেটি হয়া গেসেন গা না ?? ...... কয়দিন পর তো ব্যানার ফেস্টুন নিয়া আপনের ঘরের সামনে দাড়ায়া থাকতে হইবো "দয়া করে আমাকে কমেন্ট করুন" লিক্খা .... আছিলেন কই ??

যৌতুক না হোক , উপহার দেওয়া-নেওয়াটা কবি-সাহিত্যিক , সুশীল , ভার্সিটির টিচার ... সমাজের যাবতীয় "বিবেক" সবার মধ্যেই চলটা আছে।
খুবই সত্যি
মন্তব্য করুন