ইউজার লগইন

কামরুল হাসান রাজন'এর ব্লগ

কবিতার ঋণ

প্রিয়তমা
তোমায় নিয়ে অনেকদিন
হয় নাকো
কবিতার গান শোনা

তবে আজ
থমথমে বৃষ্টির কথামত
কাব্যদেবীর পেটমোটা ব্যাংক থেকে
রাত জাগানিয়া চড়া সুদে
ধার করে এনেছি
রবিবাবুর শব্দভান্ডার
জীবনকবির মায়াবী ভাষা
আর আবুল হাসানের
বালিকাকে

প্রথমজন বাজাবে গিটার
দ্বিতীয়জন থাকবে কী-বোর্ডে
আর পরেরজন ড্রামসে

আর এতেও যদি কাজ না হয়
তবে
ভালোবাসার অমিত্রাক্ষর ছন্দে
শুধবো কবিতার ঋণ।
চলবে?

***

অনেকদিন পর ব্লগে কিছু লিখলাম। কেমন আছেন সবাই? আবার কবে গেট-টুগেদার? আমার হিসেবে তো ৫০ শব্দ হয়ে গেছে, তবু হয় নাই বলে কেন? Sad

একটি ছোটখাট আত্মপ্রচারণামূলক পোস্ট

ব্লগের অনেকেই হয়ত জানেন গত বইমেলায় আমার একটা বই বের হয়েছিল। বইটা এবার মেলাতেও পাওয়া যাচ্ছে। আপনারা পড়লে খুশি হব। বইটার নাম 'স্প্রিং মুন', পাওয়া যাবে জনান্তিক এ, স্টল নম্বর ৩৩২। তবে আমার ধারণা বইয়ের কবিতাগুলা থেকে লোকজনের আর্টওয়ার্ক গুলাই বেশি ভাল লাগে Tongue

cover

রুদাবা মহসিন দয়াপরবশ হয়ে প্রত্যেকটা হাইকুর সাথে একটা করে ছবি এঁকে দিয়েছিলেন আর উনার বর জাহান ভাই করে দিয়েছিলেন প্রচ্ছদ।

এই ফাঁকে আমার ব্লগে আসার ইতিহাসটা বলে নেই। আমার বই বের হলেও গত বছর এই সময়ে ক্রিকেট ওয়ার্ল্ডকাপ চলছিল বলে মাত্র দুইদিন মেলায় যেতে পেরেছি। এর মধ্যে একদিন ছিল ২১শে ফেব্রুয়ারী। আমি তো হেভ্ভি ভাব নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলাম আমি আজকে মেলায় থাকব আর অটোগ্রাফ দিব Tongue

ভাগশেষ - ১

রোজার ঈদের সময় দশ-এগারোটা ঈদ সংখ্যা কেনার পর বই কেনার উপর বউ সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারী করল। প্রায় শুক্রবারই বেইলী রোড যাই, আমি হাঁসফাঁস করি সাগর পাবলিশার্সে ঢোকার জন্য, কিন্তু বউ বলে আমি নাকি বাসাকেই ছোটখাটো সাগর পাবলিশার্স বানায়ে ফেলছি। সেটা শুনেও অগ্রাহ্য করার চেষ্টা করি, কিন্তু যখন বলে আমি তো কোন ঈদ সংখ্যাই পুরা পড়া শেষ করি নাই, তখন আর কিছু বলার থাকে না।

হঠাৎ করে একদিন পত্রিকায় দেখলাম হেমন্তের বইমেলা হচ্ছে পাবলিক লাইব্রেরীতে। ভাবলাম বউকে বলি যাওয়ার কথা। বউ দেখি আমার থেকে একধাপ এগিয়ে, বলে হুমায়ুন আহমেদের একক বইমেলা হচ্ছে ওইটাতে যাই। আমি ভাবলাম তথাস্তু, এক ঢিলে দুই পাখি মারা যাবে। অনেকদিন পর ইউনিভার্সিটি এলাকায় গেলাম, এখানে সেখানে পরিচিত লোকদের সাথে দেখা হল। ভালই লাগল। ইউনিভার্সিটি ছাড়লেও ইউনিভার্সিটির মায়া মনে হয় এরা কাটায়ে উঠতে পারে নাই।