ইউজার লগইন

১৯৭১ এ পা্কিস্তান বাহিনী ও তার দোসরদের দ্বারা সংঘটিত অপরাধসমূহ

অপরাধ সংঘটনের কাল: ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ দখলদার পাকিস্তান সেনাবাহিনী ‘Operation Searchlight’ এর মাধ্যমে স্বাধীনতাকামী বেসামরিক বাঙালিদের উপর আক্রমণ শুরু করে যা ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় ৯(নয়) মাস অব্যাহত থাকে। এই সময়টিই হল অপরাধ সংঘটনের কাল।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই

এক নজরে অপরাধ সংঘটনকারী পক্ষসমূহ: আগ্রাসী পাকিস্তানী সেনাবাহিনী। তাদের সহযোগী বাহিনী হিসেবে আবির্ভাব হওয়া জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্র সংঘ, রাজাকার বাহিনী, শান্তি কমিটি, আল-বদর, আল-শামস, আল-মুজাহিদ বাহিনী ইত্যাদি। এদের প্রত্যেকের ব্যাপারে আরও বিস্তারিত তথ্য দেয়া হবে। চোখ রাখুন এই ব্লগে।

কৃত অপরাধসমূহ: ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ থেকে ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তার সহযোগী বাহিনী আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন ১৯৭৩ এর ৩(২) ধারার অধীনে মানবতা বিরোধী অপরাধ (crimes against humanity), যেমন হত্যা (murder), সমূলে নিধন (extermination), ধর্মান্তরিতকরণ (forced conversion), দাসত্বে বাধ্যকরণ (enslavement), দেশত্যাগে বাধ্যকরণ (deportation), বন্দীকরণ (imprisonment), অপহরণ (abduction), আটক (confinement), নির্যাতন (torture), ধর্ষণ (rape), পারসিকিউশন (persecution), অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠন ইত্যাদি অপরাধের পাশাপাশি গণহত্যা (genocide), যুদ্ধাপরাধ (war crimes), শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ (crimes against peace) এবং আন্তর্জাতিক আইনের আওতাধীন অন্যান্য অপরাধসমূহও সংঘটন করে।

কৃত অপরাধসমূহের বিবরণ (তাদের জ্ঞাতার্থে যারা এসব অপরাধের অস্তিত্বই অস্বীকার করে): যুদ্ধকালীন নয় মাস বেসামরিক নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালি জনগণের উপর অব্যাহতভাবে চলে নারকীয় নির্যাতন। বাঙালিদের হত্যা, ঘর-বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জ্বালিয়ে দেয়ার মাধ্যমে তৈরি করা হয় এক বীভৎস পরিস্থিতি। আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, বুদ্ধিজীবীসহ মুক্তিকামী বাঙালিদের দমনের নামে এই নির্মূল অভিযানের শুরু। অভিযানের সূচনায় সেনাবাহিনীর প্রতি জেনারেল টিক্কার আদেশে বলা হয়, ‘আমি মানুষ চাই না, ভূমি চাই’। ঢাকায় জেনারেল টিক্কার আদেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেন মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী ও ব্রিগেডিয়ার জাহানজেব আরবাব। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হত্যাযজ্ঞ চালানোর নীলনকশা হল: "Burn everything, kill everyone in sight." [Lawrence Lifschultz, Bangladesh: The Unfinished Revolution, p. 77]

International Commission of Jurists (ICJ) তাদের ‘Report of the Commission of Inquiry into the events in East Pakistan, 1971’-এ অ্যান্থনি ম্যাসকারেনহাস এর বরাত দিয়ে উল্লেখ করেছে - ". . . West Pakistan army systematically massacred tens of thousands of Bengalis. He described how one Major Iftihar set fire to a row of houses in a Hindu village and ruefully said on the following day ‘I burnt only sixty houses, if it hadn’t rained I would have got the whole bloody lot.’ These missions were officially known as ‘kill and burn missions’. " [International Commission of Jurists, Report of the Commission of Inquiry into the events in East Pakistan, 1971]

২৫শে মার্চ দখলদার পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক হত্যাযজ্ঞের সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ABC News প্রচারিত খবরে সাংবাদিক Ted Koppel বলেন - "When the shooting began in Dacca it was after midnight. Almost all of us who had come to East Pakistan to cover the story were in the same hotel. . . . The University where hundreds of student activists lived was hit, so too was the Old City of Dacca a badly run down area packed with supporters of the Awami League . . . There is no accurate way of estimating how many people have died in Dacca, let alone all of East Pakistan. The Army moved in without warning but with a precision that indicated that the plans had been drawn up even as peace talks between President Yahya Khan, Skeikh Mujib and Ali Bhutto were underway in Dacca."

একইভাবে BBC’র সাংবাদিক Michael Clayton বলেনঃ "The Army clampdown on Dacca had begun. It was a ruthless exercise and intimidating the city's virtually unarmed population."

২৫শে মার্চ ১৯৭১ এর কাল রাত্রিতে দখলদার পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তার ‘Operation Searchlight’ এর মাধ্যমে ক্র্যাকডাউনের সময় থেকে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ পর্যন্ত, উপরোল্লিখিত নীলনকশা বাস্তবায়ন করে। এই বিষয়ে ICJ রিপোর্টে বলা হয়েছে - "The army shot, killed and destroyed at sight on the least suspicion, and burnt down village after village, especially those inhabited by Hindus. … Mascarenhas reported that he was repeatedly told by senior military officers in Dacca and Comilla, ‘We are determined to cleanse East Pakistan once and for all of the threat of secession, even if it means killing off two million people and ruling the province as a colony for 30 years.’ " [International Commission of Jurists, Report of the Commission of Inquiry into the events in East Pakistan, 1971]

ICJ এর রিপোর্টে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক হত্যাযজ্ঞের ব্যাপারে অ্যান্থনি ম্যাসকারেনহাস এর আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য তুলে দেয়া হয়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কে ম্যাসকারেনহাস বলেন - "What struck me was the impression I got, a very hard impression that this was a regular pattern. It wasn’t somebody venting his spleen, but he had clear orders to clean up. It was the pattern of killing. You killed first Hindus, you killed everyone of East Pakistan Rifles, the police, or the East Bengal Regiment you found, you killed the students, the male students, if you got a woman student you probably did something else, the teachers. .. The teachers are supposed to have been corrupted by the Hindus. It is the pattern that is most frightening. I have seen the partition riots in Delhi in 1947. That was mob frenzy. It was completely different here. This was organised killing, this is what was terrifying about it. It was not being done by mobs. It was a systematic organised thing. [International Commission of Jurists, Report of the Commission of Inquiry into the events in East Pakistan, 1971]

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ থেকে ১৬ই ডিসেম্বর পুরো ৯ মাস দখলদার পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তার বিভিন্ন সহযোগী বাহিনী সারা দেশে অপরাধ সংঘটন করতে থাকে যা দেশী বিদেশী প্রচার মাধ্যমে প্রচারিত হয়। ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসের ১২ তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রচারমাধ্যম CBS এ এমন একটি খবর প্রচারিত হয়। খবরে CBS’র সাংবাদিক John Sheahan, Fritz Blankenship নামক একজন মার্কিন নাগরিকের ভাষ্যে পাকি্স্তানী সেনা অফিসারদের ভাষ্যগুলো তুলে ধরেন এভাবে- 'Ahh its bloody good fun, this war is' . . . 'When this is over, no Bengali will drive a car, only foreigners and West Pakistanis' . . . 'They have a club there called Chittagong Club. No Bengali will be allowed in the Club, no dogs or Bengali allowed in the Club.’ . . . '(Bengali) survivors were lined up against the wall and shot them and fed the bodies to the dogs because the dogs hadn’t eaten in a month'. . . . 'I am going to have the most beautiful Bengali mistress in Chittagong and all my troops will have one.'

১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ থেকে ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত দখলদার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অপরাধ সংঘটনের সময়কালে তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী বাহিনী হিসেবে আবির্ভাব হয় জামায়াতে ইসলামী, রাজাকার বাহিনী, শান্তি কমিটি, আল-বদর, আল-শামস, মুজাহিদ বাহিনী ইত্যাদি। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সহযোগী বাহিনী হিসেবে উপরোল্লিখিত বাহিনীসমূহ আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন ১৯৭৩ এর ৩(২) ধারার অধীনে অপরাধসমূহ সংঘটনে লিপ্ত হয়। এ বিষয়ে পাকিস্তানী বংশোদ্ভুত চিন্তাবিদ তারিক আলী বলেন - "the military with the help of local Islamist volunteers (members of the Jamaat-e-Islami) began to kill Hindus - there were 10 million of them in East Pakistan - and burn their homes. Tens of thousands were exterminated. There were war crimes according to any international law." [Tariq Ali, The Duel - Pakistan on the flight path of American Power, p. 83]

উপরোল্লিখিত সহযোগী বাহিনীসমূহ (auxiliary forces) স্থানীয় পর্যায়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর চোখ ও কান হিসেবে কাজ করতো। নিরীহ জনগণের টাকা-পয়সা ও গরু-খাসীসহ যাবতীয় মালামাল লুটপাট, ঘর-বাড়ী, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগে ভষ্মীভূত করে। মহিলাদের তারা ধর্ষণ করে। এইসব সহযোগী বাহিনী গুম, অপহরণ, হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ ইত্যাদির মাধ্যমে মানুষের মনে ত্রাস সৃষ্টি করে বাংলাদেশকে এক সন্ত্রস্ত জনপদে পরিণত করে প্রায় এক কোটি বাঙালিকে দেশত্যাগের (deportation) মাধ্যমে উদ্বাস্তু জীবনযাপনে বাধ্য করে। দখলদার পাকিস্তানী বাহিনী এবং সহযোগী বাহিনীর হাতে নির্মমভাবে নিহত হয় প্রায় ত্রিশ লক্ষ বাঙালি, ধর্ষিত হয় প্রায় চার লক্ষ নারী।

১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসে দখলদার পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তার সহযোগী বাহিনীসমূহ যখন পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে তখন স্বাধীন বাঙালিদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের সম্ভাবনা পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়ার লক্ষ্যে তারা বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের নিধনের নীলনকশা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে। এই বিষয়ে ICJ’র রিপোর্টে বলা হয়: "These murders were perpetrated by members of Al Badr, a Bengali organisation which came into being after 25 March, 1971, and which is believed to have been the action section of Jamaat-e-Islam, the extremist Muslim. Their goal was to wipe out all Bengalis who advocated independence and the creation of a secular state. It has been alleged that the Al Badr raid, were directed by a group of Pakistani officers, who were said to have approved the list of those to be assassinated. The Al Badr raids were carried out at night, the victims being led away blindfolded at gun point, never to return. Many were taken to the Dacca College of Physical Education building. A janitor, at the College stated ‘They brought in hundreds of people, all nicely dressed and tied up. We could hear the screaming all the time from the rooms.’ " [International Commission of Jurists, Report of the Commission of Inquiry into the events in East Pakistan, 1971]

১৯৭১ সালে দখলদার পাকিস্তান বাহিনী ও তার সহযোগী বাহিনীর অপরাধ সংঘটনের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডঃ মোজাফফর আহমদ বলেন: "বাংলাদেশে পাক হানাদার বাহিনীর অত্যাচারে ৩০ লক্ষ লোকের প্রাণহানি হয়েছে বলে বিভিন্ন মহল থেকে বলা হলেও এই প্রাণহানির পরিমাণ অবশ্যই আরও বেশী হবে … বাংলাদেশের এমন কোন পাড়া, মহল্লা, গ্রাম ও শহর নেই, যেখানে নরঘাতকদের অত্যাচারে প্রাণহানি ঘটেনি।” [দৈনিক আজাদ, ফেব্রুয়ারী ১০, ১৯৭২]

[ছবি সৌজন্য: গত ৩০ নভেম্বর ২০১১ তারিখে আইসিএসএফ-এর ফেসবুক পাতায় পাশে ব্যবহৃত ছবিটি আমরা প্রচার করেছিলাম (http://on.fb.me/L8QvZo) অসামান্য আবেদনময় এই ছবিটির আলোকচিত্রীকে খুঁজে বের করার লক্ষ্য থেকে। ছবিটির একটা অস্থায়ী নামও আমরা দিয়েছিলাম ছবিটিকে বর্ণনা করার সুবিধার্থে - "The Long Wait for Justice"। এই ছবিটির ব্যাপারে কেউ যদি কোন তথ্য দিতে পারেন তাহলে আমরা সত্যিই কৃতজ্ঞ হবো। ধন্যবাদ।]

---
নিয়মিত আপডেট পেতে চোখ রাখুন আইসিএসএফ-এর ফেসবুক পাতায়। আপনি ও আপনার বন্ধুদের বলুন ফেসবুক পাতার আইটেমগুলো ছড়িয়ে দিতে।

পোস্টটি ১২ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

বিষাক্ত মানুষ's picture


ধন্যবাদ।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম's picture


আপনাকেও ধন্যবাদ।

গৌতম's picture


ছবিটা আগ্রহজাগানিয়া। লেখাটি সহজ ও সরল। এরকম আরো লেখা চাই।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম's picture


ধন্যবাদ।

আরাফাত শান্ত's picture


পূরন হোক সব দাবী গুলো!

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম's picture


অবশ্যই। সব দাবি পূরণ হতেই হবে। ধন্যবাদ।

সাঈদ's picture


ধন্যবাদ।

এরকম আরো লেখা চাই ।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম's picture


আপনাকেও ধন্যবাদ। আশা করছি শিগগিরই আরো কিছু লেখা দিতে পারবো।

শওকত মাসুম's picture


এরকম আরো লেখা চাই।

১০

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


এরকম আরো লেখা চাই।

১১

তানবীরা's picture


ছবিটা আগ্রহজাগানিয়া। লেখাটি সহজ ও সরল। এরকম আরো লেখা চাই।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম's picture

নিজের সম্পর্কে

১৯৭১ এ সংঘটিত আন্তর্জাতিক অপরাধসমূহের বিচারের মাধ্যমে বিচারহীনতার সংস্কৃতির নিরসন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত স্বাধীন বিশেষজ্ঞ, কর্মী এবং সংগঠনসমূহের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম (ICSF)। বাংলাদেশে বর্তমানে চলমান বিচার প্রক্রিয়াকে পর্যবেক্ষণ, অনুশীলন এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যেই এই নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠা। এই সব উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল এবং এর বিভিন্ন অঙ্গসমূহকে দালিলিক, আর্কাইভ এবং গবেষণা সহায়তা প্রদান করা ছাড়াও ট্রাইবুনালের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং দফতরসমূহের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ, মতামত এবং পরামর্শ বিনিময়, এবং ক্ষেত্রবিশেষে সরাসরি পদক্ষেপ গ্রহণ এই নেটওয়ার্কের উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের অংশ। আইসিএসএফ এর কার্যক্রম, এর প্রকল্পসমূহ, এর সাংগঠনিক ইউনিটসমূহ এবং সাংগঠনিক নীতিমালাসমূহ সম্বন্ধে আরও বিস্তারিত জানতে ঘুরে আসুন: http://icsforum.org

সাম্প্রতিক মন্তব্য

icsf'র সাম্প্রতিক লেখা