ইউজার লগইন

অপরিচিত_আবির'এর ব্লগ

আমার চলচ্চিত্রদর্শনঃ "বেহুলা"

১৯৬৬ সালে মুক্তি পাওয়া "বেহুলা" চলচ্চিত্রটি ছিল বাংলা চলচ্চিত্র ইতিহাসের একটি মাইলফলক। তৎকালীন রক্ষণশীল মুসলিম সমাজের আবেষ্টনে হিন্দু পুরাণ "মনসামঙ্গল" কাব্য থেকে "বেহুলা" নির্মাণ করে জহির রায়হান যে কি পরিমাণের সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু নির্মাতার উপস্থাপনার কৌশল আর নৈপুণ্যে ছবিটির জনপ্রিয়তা লাভ করতে কোনরকম সমস্যা হয় নি।

আমার চলচ্চিত্রদর্শন : "অন্তহীন"

পোস্টারধুলো-ধোঁয়া, ব্যস্ততা আর ইট পাথরের অরণ্যজালে বন্দী এই নগরজীবন, যেখানে মানুষে মানুষে যোগাযোগ মানেই এসএমএস আর মুঠোফোন, জীবন মানেই শেয়ার বাজারের সূচক আর সম্পর্ক মানেই কেবল ফর্মালিটিজ এমন পরিবেশে ভালবাসার খোঁজে মানুষের অন্তহীন পথ চলার কাহিনীই অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরী সেলুলয়েডের ফিতায়

ব্লগিং করা সহজ নয়

...সকলেরই ঘোরতর দুশ্চিন্তা।

এমন সময় পিওন আসিয়া আমাকে একখানা চিঠি দিয়া গেল।

নৃপেন বলিল, কার চিঠি হে?

আমি চিঠি পড়া শেষ করিয়া বলিলাম, বউ লিখেছে - বুঁচি মারা গেছে। কাল।

অদ্ভুত ছেলেটি

ব্যস্ত শহরের একটি ব্যস্ত রাস্তা। তাতে ছুটে চলছে আরো ব্যস্ত লোকজন। কারো সময় নেই কারো দিকে তাকানোর। মাথার ওপরের চৈত্রের গনগনে রোদ্দুর অফিসগামী মানুষদের পিঠে জ্বালা ধরাচ্ছে অফিসে বসের তীর্যক মন্তব্যের মতো। বিশাল অজগরের মতো রাস্তাটিতে মানুষজন আর গাড়িঘোড়া ছুটে চলেছে আপন ছন্দে, স্থির গতিতে।

শুধু ছেলেটি দাঁড়িয়ে আছে ঠিক রাস্তার মাঝখানে।

চোরে না শোনে ধর্মের বাণী

অন্যান্য ভার্সিটিতে কি অবস্থা জানি না, তবে বুয়েটে যারা হলে থেকে পড়াশোনা করছেন তাদের তিনটা লীগের অত্যাচার ভুলে যাওয়ার কথা না। ছাত্রলীগ, প্রিমিয়ার লিগ আর তাবলিগ। ছাত্রলিগ অবশ্য আগে কি করতো জানি না তবে বর্তমানে প্রতিদিন নতুন নতুন যে খেল দেখাচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে ওদের সবগুলারে বাইন্ধা সার্কাস পার্টিতে দিয়ে আসলে ভালো নাম কামাইতে পারতো। এখন অফ সিজন বলে প্রিমিয়ার লিগ নামক মধুর যন্ত্রণাটা নাই। পরীক্ষা চলছে

ছবি তোলা এবং আরো কিছু আবোলতাবোল

ছবি তোলা জিনিসটা সবসময়ই আমাকে বিমোহিত করেছে। কিভাবে চমৎকার একটি মুহুর্ত ছোট্ট চৌকোণ কাগজের মাঝে ধরা পড়ে যায় ভাবতেই বেশ মজা লাগে। ছোটবেলায় আব্বার ক্যামেরাটা বগলদাবা করবার জন্য কতই না ফন্দী এটেঁছিলাম। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ(কান্নাকাটি), গোপন অভিযান(আলমারির তালা হ্যাক করবার প্রচেষ্টা), আইনি প্রচেষ্টা(হাইকোর্ট - মানে আম্মার কাছে আপিল) এমনকি সদাচরণ এবং ভালো রেজাল্ট কোনটাই আমার পিতার টাইটেনিয়ামের হৃদ